গন্তব্য পশ্চিমবঙ্গ পাহাড়

কালিম্পং যাবেন? নকদারার লেকে নৌবিহার অবশ্যই করবেন

nok dara lake

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: কালিম্পং যাবেন? এ বার কালিম্পং পাহাড়ে বেড়াতে গেলে লাভা-লোলেগাঁও, রিশপ, ডেলো পাহাড় এবং অর্কিডের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি লেকে নৌভ্রমণ করে আসতে ভুলবেন না। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের(জিটিএ) তত্ত্বাবধানেই নক-দারা পর্যটনকেন্দ্র পূর্ণ রূপ পেয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য নানা রকম পর্যটনকেন্দ্র তৈরির উপর জোর দিচ্ছেন। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে অনেক অজানা অথচ অপার সৌন্দর্যপূর্ণ জায়গা আছে, যেগুলি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এর ফলে পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন শীতে ঘুরে আসুন দিঘায়, টিকিটে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে দক্ষিণ পূর্ব রেল

লাভা এবং লোলেগাঁও-এর মাঝে অবস্থিত নকদারা পর্যটনকেন্দ্রটি সম্প্রতি উদ্বোধন করেছেন জিটিএ সভাপতি অনিত থাপা। জঙ্গলের মধ্যে প্রায় আড়াই একর জমিতে ৯৯০০ বর্গ ফুটের এই লেক। লেকের চার পাশ খুবই সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।

জিটিএ-এর সহ-সভাপতি সুরজ শর্মা বলেছেন, এখন লেকে নৌবিহারের জন্য পাঁচটি প্যাডেল নৌকা আছে, তবে ভবিষ্যতে এর সংখ্যা বাড়বে। লাভা, লোলেগাঁও-এর পাশাপাশি এটিও একটি আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

কালিম্পং থেকে ৪০ কিলোমিটার, লাভা থেকে ৯ কিলোমিটার এবং লোলেগাঁও থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে এই লেক অবস্থিত। লাভা, লোলেগাঁও এবং কাফেরে অনেক ট্যুরিস্ট লজ ও হোমস্টে আছে। অনিত থাপা বলেছেন, আরও ট্যুরিস্ট লজ গড়তে হবে যাতে আরও পর্যটক আসেন। শুধু পর্যটকের সংখ্যাবৃদ্ধিই নয়, এই প্রকল্পের ফলে বেকারত্বও ঘুচবে।

২০১৫ সালে ট্যুরিজম ইঞ্জিনিয়ার ডিপার্টমেন্ট এই প্রকল্পের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ২০১৭ সালে ১০৪ দিনের লাগাতার বনধের জন্য এই কাজটি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। জিটিএ-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার অনিল ছেত্রী জানান, এ বছর আগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্পের কাজ আবার চালু হয় এবং নভেম্বরে কাজ শেষ হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

You may also like