Browsing Category:ভ্রমণের খবর

do-you-want-to-know-details-about-adventure-tourism-then-visit-upcoming-tourism-fair-in-kolkata

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভেতো বাঙালির অ্যাডভেঞ্চারের প্রতি ঝোঁক বেড়েছে। সেই কবে বিভূতিভূষণ বাঙালির দুর্নাম কাটাতে শংকরের মতো চরিত্র তৈরি করেছিলেন। আফ্রিকার জঙ্গলে গিয়ে ততটা অ্যাডভেঞ্চার না করলেও মাসাইমারায় জঙ্গল সাফারি করার স্বপ্ন কিন্তু বাঙালি দেখছে।

তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে ভারতে পর্যটনশিল্পে ৬ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি হয়েছে। দেশের জিডিপিতে এর অবদান ৯.২ শতাংশ। এই বৃদ্ধিটা অব্যাহত থাকবে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের মত। এফআইসিসিআই-ইয়েস ব্যাঙ্কের একটি রিপোর্ট বলছে, প্রতি বছর ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৯-এ পর্যটনশিল্প ৩৫ লক্ষ কোটি টাকার বাণিজ্য করবে। এর একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আসবে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম থেকে।

পর্যটকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি পর্যটন সংস্থাগুলো ট্যুরিস্ট স্পটগুলোতে নানা অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের আয়োজন করছে, যেমন প্যারাগ্লাইডিং, স্কুবা ড্রাইভিং, মাউন্টেনিয়ারিং, আরও নানা কিছু। এ ছাড়াও অ্যাডভেঞ্চারের জন্য নতুন নতুন স্পট তৈরি হচ্ছে। ফলে আগ্রহ বাড়ছে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে।

তাই পর্যটকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে কলকাতার অন্যতম বড় পর্যটন মেলা ‘ট্যুরিজম ফেয়ার’ এ বার তাদের মেলার থিম করেছে ‘অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম’।

কেন অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম’?

কারণটা জানালেন ব্লু আই ইন্ডিয়ার অন্যতম কর্ণধার সুব্রত ভৌমিক -‘‘ঘোরার সঙ্গে অ্যাডভেঞ্চার থাকলে বেড়ানোটাকে একটু অন্য রকম ভাবে উপভোগ করা যায়, বিশেষত যাঁরা একা বেড়াতে যান। সে কথা মাথায় রেখেই এ বারের মেলায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমে’’, জানালেন তিনি।

পুজোর বেড়ানোর প্ল্যানিং শুরু করুন

সাধারণ জুন মাসের শেষের দিক থেকেই পুজোয় বেড়াতে যাওয়ার জন্য টিকিট বুকিং শুরু হয়। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ‘ট্যুরিজম ফেয়ার’ শুরু হচ্ছে ৭ জুন থেকে। ফলে আপনি হাতে কিছুটা সময় পেয়ে যাবেন বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যানিং শুরু করার জন্য। এই মেলায় সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেমন পর্যটন সংস্থাগুলি আসছে তেমনি থাকছে বিদেশ বেড়াতে যাওয়ার সুলুকসন্ধান।

মেলায় এসে আপনি ঘুরে-বেড়িয়ে যাচাই করে পছন্দের পর্যটনসংস্থা বেছে বুকিংও করে ফেলতে পারবেন। সরকারি ও বেসরকারি পর্যটন সংস্থাগুলি বুকিং-এর উপর আকর্ষণীও ছাড়ও দিচ্ছে।

মেলা চলবে ৭, ৮ আর ৯ জুন। প্রতি দিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা।

অ্যাডভেঞ্চার ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা

‘ট্যুরিজম ফেয়ার’-এর আয়োজক সংস্থা এ বছর অ্যাভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকদের জন্য আয়োজন করেছে একটি ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার। অ্যাডভেঞ্চারে গিয়ে যাঁরা তার বিশেষ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন তাঁরা সেই ছবি পাঠিয়ে দিন সংস্থার ই-মেলে। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিস্তারিত নিয়মাবলি পেয়ে যাবেন সংস্থার ফেসবুক পেজ থেকে।

আর্কষণীয় পুরস্কার

এই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় থাকছে আর্কষণী পরস্কার।

প্রথম পুরস্কার – ৪ রাত্রি, ৫ দিন আন্দামানে থাকা

দ্বিতীয় পুরস্কার – ৩ রাত্রি, ৪ দিন উত্তরাখণ্ডে থাকা

তৃতীয় পুরস্কার – ২ রাত্রি ৩ দিন জয়পুরে থাকা।

এ ছাড়া প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে বাছাই ৫০টি ছবি মেলাপ্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হবে।

0 Comments
Share
kashmiri-hotelier-in-ttf-summer-speaks-about-pulwama-incident-and-bengali-tourists

নিজস্ব প্রতিনিধি: “আজ না হয় যেতে পাচ্ছি না কাশ্মীরে, কিন্তু কাল-পরশু তো আছেই। না হয় কয়েক মাস পরে যাব, খোঁজখবর তো নিয়ে রাখি। ট্যুরিস্টরা আসছেন আর এ কথাই বলছেন। বাংলার মানুষদের দেখে আমি অভিভূত” – কথাগুলো মহম্মদ হামজার।

মহম্মদ হামজা কাশ্মীরের পর্যটন সংস্থা স্পেস ট্যুরিজমের ডিরেক্টর তথা সিইও। কলকাতায় এসেছেন পর্যটন মেলা ‘টিটিএফ-সামার’-এ যোগ দিতে। মেলা চলছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে। রবিবার মেলার শেষ দিন। হামজাকে পেয়ে গেলাম শ্রীনগরের ‘হোটেল দ্য কায়জার’-এর স্টলে।

আরও পড়ুন উত্তরবঙ্গের সাফারি বুকিং করুন এ বার অনলাইনে

কাশ্মীরে পর্যটন ব্যবসার সুবাদে বাঙালি ট্যুরিস্টদের ভালোই চেনেন, ভালোই বোঝেন হামজা। কিন্তু এই প্রথম কলকাতায় আসা তাঁর। তাই পুলওয়ামা হাঙ্গামার পরিপ্রেক্ষিতে কিছুটা চিন্তা ছিল। এই মুহূর্তে বাঙালি কী ভাবছেন কাশ্মীর নিয়ে, তাঁদের কাশ্মীর ভ্রমণে কতটা প্রভাব ফেলেছে পুলওয়ামার ঘটনা – এ সব নিয়ে কিছুটা ভাবিত ছিলেন হামজা। কিন্তু ‘টিটিএফ-সামার’-এ যোগ দিয়ে হামজা বুঝেছেন তাঁর সমস্ত দুশ্চিন্তা অমূলক।

হামজা বললেন, “স্টলে যাঁরাই আসছেন, তাঁরাই বলছেন, এখন না হোক, মাস তিনেকের মধ্যে কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই হবে। বাংলায় এসে আমি অভিভূত। কাশ্মীরের প্রতি যে বাঙালির এত আগ্রহ, তা এখানে না এলে বুঝতে পারতাম না। দু’দিন ধরে স্টলে প্রচুর লোক এসেছেন। তাঁরা কাশ্মীর ভ্রমণ নিয়ে নানা খোঁজখবর করেছেন।”

Mohd. Hamza.
মহম্মদ হামজা। নিজস্ব চিত্র।

হামজা আদতে কারগিলের মানুষ। কারগিলে একটি হোটেল চালান। শ্রীনগরেও হোটেল খুলেছেন। হামজা জানালেন, কারগিলে দ্বিতীয় আরেকটি হোটেল মে মাসে খুলতে চলেছেন। তাঁর প্রধান ক্লায়েন্ট যে বাঙালি ট্যুরিস্ট এবং বাঙালি ট্যুরিস্ট যে কোনো পরিস্থিতিতেই কাশ্মীর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেননি, তা স্মরণ করিয়ে দিলেন হামজা। কারগিল যুদ্ধে যে সব ভারতীয় সেনা প্রাণ দিয়েছিলেন তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশে প্রতি বছর শহিদ দিবস পালন করেন তিনি।

কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হামজা বলেন, দেশের শত্রুদের উদ্দেশ্য কখনোই সফল হবে না। সকলের কাছে তাঁর একটাই আবেদন, মুষ্টিমেয় কয়েক জনের জন্য যেন গোটা রাজ্যকে আমরা যেন খারাপ চোখে না দেখি।

‘হোটেল দ্য কায়জার’-এর স্টলে দেখা হয়ে গেল উত্তর কলকাতা থেকে আসা প্রদীপ দত্তের সঙ্গে। প্রদীপবাবু মনে করেন, কাশ্মীর ছাড়া ভারতের ভ্রমণ-মানচিত্র অসম্পূর্ণ। কাশ্মীর ভারতের মুকুট। তাই কাশ্মীর না দেখলে ভারত-দর্শন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। প্রদীপবাবুর ধারণা, দু-এক মাস পরে কাশ্মীরের পরিস্থিতি থিতিয়ে যাবে। ইতিমধ্যে লোকসভার ভোটও হয়ে যাবে। তখন কাশ্মীর বেড়াতে যাওয়া যাবে। সে ব্যাপারেই তিনি হোটেল ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে জানার জন্য এই পর্যটন মেলায় এসেছেন।

 

 

0 Comments
Share
now-you-can-do-online-booking-of-forest-safari-of-north-bengal

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ সফরে পর্যটকদের অন্যতম লক্ষ্য থাকে ডুয়ার্সের কোনো এক জঙ্গলে সাফারি করা। কিন্তু সে সাফারির বুকিং করতে গিয়ে কম ঝক্কি পোহাতে হয় না।

বুকিং-এর জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে শেষে দেখলেন টিকিট শেষ। তখন এক রাশ হতাশা।

পর্যটকদের সেই সমস্যা দূর করতেই এ বার উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য বন দফতর। এ বার থেকে অনলাইনেই করে ফেলতে ফেলতে পারবেন সাফারি বুকিং।

কী ভাবে এই বুকিং করবেন?

  • প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ফরেস্ট ডেভলপমেন্ট এজেন্সির ওয়েবসাইটে (www.wbsfda.org) লগইন করুন
  • এর পরে আপনার স্ক্রিনে ডান দিকে ‘বুক রাইড’ অপশনটা দেখুন। সেখানে ক্লিক করুন।
  • ওই অপশনে ক্লিক করলে আপনি আরও দুটি অপশন পাবেন, জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান এবং গরুমারা জাতীয় উদ্যান।
  • জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে ক্লিক করলে আপনি চারটে অপশন পাবেন- চিলাপাতা গাড়ি সাফারি, কোদালবস্তি গাড়ি সাফারি, মাদারিহাট গাড়ি সাফারি এবং হলং হাতি সাফারি। আপনার পছন্দের সাফারিতে ক্লিক করে অনলাইনে সেই সাফারি বুক করে নিন।
  • গরুমারা জাতীয় উদ্যানে ক্লিক করলে অবশ্য একটাই জঙ্গল সাফারির অপশন আপনি পাবেন।

বন দফতরের আশা, অনলাইনের মাধ্যমে সাফারি বুকিং শুরু হওয়ায়, উত্তরবঙ্গে পর্যটকদের আনাগোনা আরও বাড়বে।

এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি অনেক ইকো-ট্যুরিজম সেন্টারের বুকিং-ও করে ফেলতে পারবেন। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে ইকো-ট্যুরিজম সেন্টারগুলি। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন ওই ওয়েবসাইটেই।

0 Comments
Share
kolkata-to-get-6-new-plane-connection-two-new-airports

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এ বছরই উড়ানে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে ভারতের ছ’টি শহর। বিমান পরিষেবা বাড়বে দুর্গাপুরের কাজি নজরুল বিমানবন্দর থেকেও। পাশাপাশি কলাইকুন্ডা এবং হাসিমারার মতো সামরিক বিমানঘাঁটি থেকেও এ বার অসামরিক বিমান পরিষেবা শুরু হবে। এয়ারপোর্ট অথোরিটি অব ইন্ডিয়ার (এএআই) ‘উড়ান-৩’ প্রকল্পে এই নতুন রুটগুলির ঘোষণা করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, কলকাতা থেকে সরাসরি বিমানে এ বার সংযুক্ত হবে অমৃতসর, গ্বালিয়র, শিলং, গাজিপুর, ঝাড়সুগুদা এবং হাসিমারা। অ্যালায়ান্স এয়ারের সঙ্গে কলকাতা এবং ঝাড়সুগুদার মধ্যে বিমান পরিষেবা দেবে স্পাইস জেট। অন্য দিকে এই স্পাইস জেটই কলকাতার সঙ্গে গ্বালিয়র এবং গাজিপুরকে সংযুক্ত করবে। কলকাতা-অমৃতসর এবং কলকাতা-শিলং রুটে ইন্ডিগোর বিমান চলবে। অন্য দিকে কলকাতা এবং হাসিমারাকে সংযুক্ত হবে জুম এয়ার।

অন্ডাল বিমানবন্দর থেকে শুধুমাত্র দিল্লির বিমান চলে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ত্রিসাপ্তাহিক হায়দরাবাদ উড়ান শুরু হবে এখান থেকে। পাশাপাশি অন্ডাল থেকে মুম্বই এবং চেন্নাইগামী বিমান চালানোর জন্য স্পাইস জেটকে বরাত দেওয়া হয়েছে।

কলাইকুন্ডা থেকে বিশাখাপত্তনম এবং ভুবিনেশ্বরগামী বিমান চালানোর জন্য বরাত দেওয়া হয়েছে অ্যালায়ান্স এয়ারকে।

এএআইয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে পরিকাঠামোগত সবকিছু দিক খতিয়ে দেখতে কিছুদিনের মধ্যেই হাসিমারা এবং কলাইকুন্ডার বিমানঘাঁটিতে যাবে তারা। এই বছরের শেষেই এই দুই বিমানঘাঁটি থেকে বিমান পরিষেবা শুরু করে দিতে চায় তারা।

1 Comments
Share
new-place-of-tourist-interest-in-darjeeling

দার্জিলিং: পাহাড়ের রানি দার্জিলিং-এর অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থানের মানচিত্রে এ বার ঢুকে পড়তে চলেছে লালকুঠি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে লালকুঠিকে পর্যটনের মূল কেন্দ্র করে গড়ে তুলতে চলেছে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)।

আগেও বেশ কয়েকবার দার্জিলিং এসে লালকুঠিকে হেরিটেজ স্থান হিসেবে পর্যটকের সামনে তুলে ধরার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বার নেতাজির জন্মদিবস উপলক্ষ্যেও পাহাড়ে গিয়ে একই কথা জিটিএ প্রধান বিনয় তামাংকে মনে করিয়ে দেন তিনি।

তাঁর প্রস্তাব মেনে ইতিমধ্যে সেই কাজ শুরু করে দিয়েছে জিটিএ। ইতিমধ্যেই আর্কিটেক্ট ডেকে সংস্কারের প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। তার প্রস্তাব মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি লালকুঠির ঠিক পাশেই, জিটিএর নিজস্ব জমি রয়েছে, তাতে একটি পূর্ণাঙ্গ টুরিস্ট লজ তৈরি করার উদ্যোগ নিচ্ছে জিটিএ। তার জন্য প্রাথমিক প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরি হয়ে গিয়েছে। তা পাঠানো হয়েছে নবান্নে। সেখান থেকে প্রস্তাব পাস হয়ে এলে টেন্ডার ডেকে দ্রুত কাজ শুরু করে দেওয়া হবে। আগামী মরশুম থেকেই যাতে পর্যটকরা এই আবাসে থাকতে পারেন, তার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

লালকুঠি।

লালকুঠির আসল নাম গৌরী বিলাস। রানি ভবানী দেওয়ান রায়কে উৎসর্গ করে এটি তৈরি করেছিলেন কোচবিহারের তৎকালীন রাজা প্রসাদনারায়ণ রায়। রাজা ও রানি একাধিকবার সেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। যাতে আমন্ত্রণ জানানো হত ব্রিটিশ শাসকদেরও। ১৯৪২ সালে এই বাড়িটি ব্রিটিশদের হাতে আসে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারত ছাড়ার পর ধীরে ধীরে এটি পরিত্যক্ত বাড়িতে পরিণত হয়।

বাড়িটি ভারত সরকার অধিগ্রহণ করলে প্রথমে ডিজিএইচসি এবং পরবর্তী কালে জিটিএ-এর প্রধান কার্যালয় হয়। একাধিক হিন্দি এবং বাংলা সিনেমার শুটিং হয়েছে এই বাড়িতে, যার মধ্যে অন্যতম ড্যানি ডেনজংপা এবং তনুজা অভিনিত লালকুঠি।

দার্জিলিং চিড়িয়াখানা, মাউন্টেনিয়ারিং ইস্টিটিউট, তেনজিং রক, হ্যাপি ভ্যালি টি এস্টেটের মতোই লালকুঠিকেও দার্জিলিং-এর অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর জিটিএ এবং রাজ্য।

0 Comments
Share
various-tourism-projects-foundation-stone-laid-by-chief-minister

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: পর্যটনের প্রসারে উত্তরবঙ্গে একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দার্জিলিং ম্যালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন পালনের মঞ্চেই এই প্রকল্পগুলির শিলান্যাস হয়। 

যে যে পর্যটন প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে, সে গুলি হল-

  • ডেলো টুরিস্ট রিসর্ট, কালিম্পং
  • ঝালং টুরিস্ট রিসর্ট, কালিম্পং
  • চালসা টুরিস্ট রিসর্ট, জলপাইগুড়ি
  • ক্যাম্পসাইট, ভোরের আলো, গজোলডোবা
  • টংলু ইকো কটেজ, সান্দাকফু সার্কিট, দার্জিলিং
  • বোদাগঞ্জে বিভিন্ন পর্যটন সুলভ ব্যবস্থা, জলপাইগুড়ি। 

আরও পড়ুন গজলডোবায় চালু হল ‘ভোরের আলো’, দেখে নিন কিছু ছবি

এ দিকে পাহাড়ে পর্যটনের প্রসারে আরও অনেক কিছু প্রকল্পের কাজ চলছে। দার্জিলিং-এর কাছে টাইগার হিলে কটেজের কাজ কিছু দিনের মধ্যেই শেষ হবে। পাশাপাশি কালিম্পং-এ মর্গ্যান হাউস তুরিস্ট লজ সংস্কারের কাজও শেষ হয়েছে। 

মুখ্যমন্ত্রীর আশা, এর পর পর্যটকের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে দার্জিলিং পাহাড়। 

0 Comments
Share
mountaineer-explorer-traveller-writer-bidyut-sarkar-is-dead

নিজস্ব সংবাদদাতা: পর্বতারোহী, অভিযাত্রী, ভ্রামণিক, লেখক বিদ্যুৎ সরকার প্রয়াত হলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬। বাংলার পর্বতপ্রেমীদের সর্বজনশ্রদ্ধেয় ‘ছোড়দা’ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো নাগাদ কল্যাণীতে মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে বাংলার পর্বতপ্রেমী মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।

কোনো আট-হাজারি শৃঙ্গ জয়ের কৌলিন্য বিদ্যুৎবাবুর ছিল না। কিন্তু তাঁর নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত করেন বাংলার আপামর পর্বতপ্রেমী থেকে শুরু করে হিমালয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা গ্রামবাসী বা পোর্টার।

আরও পড়ুন জানুয়ারির শেষেই কলকাতা-তারাপীঠ এসি বাস পরিষেবা, জানাল এসবিএসটিসি

বিদ্যুৎ সরকার প্রথম ভারতীয় হিসাবে ১৯৮০ সালে ট্রান্স হিমালয়ান ট্র্যাভার্স অভিযান করেছিলেন। পূর্বে অরুণাচল থেকে উত্তরে কাশ্মীরের লেহ পর্যন্ত মোট ২৪০০ কিলোমিটার পথ আট মাসে হেঁটে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সকলের। ১৯৭৩ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে আরোহণ করেছিলেন উজা তিরচে (৬২০৩ মিটার), ১৯৭৭ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে আরোহণ করেছিলেন বাম্বা ধুরা (৬৩৩৪ মিটার)।

bidyut sarkar at that time
তখন ছোড়দা।

এ সব তো গুটিকতক হিসেব মাত্র। এই হিসেব দিয়ে আসল মানুষটিকে মাপা যায় না। আসলে সারা হিমালয় জুড়েই ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ। তাঁর কাছে হিমালয় মিটার বা ফুটে মাপা কোনো টার্গেট ছিল না। হিমালয় ছিল তাঁর একমাত্র প্রেম। অসংখ্য জনপ্রিয় ট্রেক রুটের জনক তিনি। তবুও এতটুকু অহংকার ছিল না তাঁর। তাঁর সাফল্যগুলির কথা তাঁর সামনে বললে তিনি শুধু বলতেন, “আমি হিমালয়ে যাই ভালোবেসে, নাম কামানোর জন্য থোড়ি যাই। হিমালয় আমার মামাবাড়ি।”

কয়েক বছর আগেও তাঁকে শুশুনিয়া, মাঠাবুরু কিংবা বেড়োর রক ক্লাইম্বিং কোর্সে কচিকাঁচাদের সঙ্গে দেখা যেত। আশির দশকে শুশুনিয়ায় সান্ধ্যকালীন ক্লাসে ছোড়দা বলেছিলেন, “তুমি যদি মনে কর ওখানে পৌঁছোনো (শৃঙ্গারোহণ) অসম্ভব, তা হলে নেমে এস। কেউ মাথার দিব্যি দেয়নি যে ওখানে যেতেই হবে।” তাঁর এই কথা আজও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তাঁর ছাত্ররা। তিনি চেয়েছিলেন সবাই উপভোগ করুন হিমালয়ের সৌন্দর্য্য, অন্তর দিয়ে অনুভব করুন হিমালয়ের দেওয়া শিক্ষা। যা দিয়ে সহজেই কাটিয়ে ওঠা যায় জীবনের যে কোনো সমস্যা। হিমালয়ের পাথরে বরফে অমর হয়ে রইল তাঁর ফেলে আসা পায়ের ছাপ।

কলকাতার ট্রাভেল রাইটার্স ফোরাম, নীলকণ্ঠ প্রভৃতি সংস্থার তরফ থেকে বিদ্যুৎ সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

0 Comments
Share
after-tusu-immersion-bankura-is-agog-with-fairs-in-different-places

indrani sen
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: চোখের জলে টুসুকে বিদায় দিল জেলাবাসী। মকর সংক্রান্তির আগের দিন সারা রাত জেগে টুসু জাগরণ পুণ্যস্নান শেষ। এখন জেলার বিভিন্ন জায়গা মেতে উঠেছে নানা মেলায়।

টুসু উৎসব মূলত বাঁকুড়া জেলার লোকসংস্কৃতির এক অঙ্গ। এখানে টুসু ঘরের মেয়ে। মূলত এটি মেয়েদের একটি ব্রত। অগ্রহায়ণ সংক্রান্তি থেকে পয়লা মাঘ পর্যন্ত চলে এই ব্রত পালন। অগ্রহায়ণ সংক্রান্তিতে টুসু ঘট বা মূর্তি স্থাপন করা হয়। এর পর এক মাস চলে সন্ধ্যারতি ও গান। মেয়েরাই এই কাজ করে সম্মিলিত ভাবে। পৌষ সংক্রান্তির আগের দিন হল জাগরণ। পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তিতে টুসুর ভাসান বা বিসর্জন। এ দিন দলবেঁধে টুসুর বিসর্জন দেওয়া হয় জলাশয় বা নদীতে। তার পর মূর্তি ও চৌডল বিসর্জন দিয়ে নতুন জামা কাপড় পরে পিঠে-পুলি খেয়ে মকর পরবের সমাপ্তি ঘটে। এর সঙ্গে সঙ্গেই জেলা জুড়ে সূচনা হয় মেলা আর পৌষ পার্বণের। নতুন জামাকাপড়, নতুন চাল আর খেজুর গুড়ের গন্ধ জানান দেয় পিঠে সংক্রান্তির।

আরও পড়ুন জানুয়ারির শেষেই কলকাতা-তারাপীঠ এসি বাস পরিষেবা, জানাল এসবিএসটিসি

টুসু নিয়ে বিভিন্ন জনশ্রুতি রয়েছে। বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষক সৌমেন রক্ষিত বলেন, “টুসু নিয়ে একাধিক কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। পরকুলে বা দক্ষিণ বাঁকুড়ায় টুসু নিয়ে প্রচলিত লোকগাথা হল রাজনন্দিনী টুসু নতুন বৌ হয়ে পালকি চড়ে পতিগৃহে যাচ্ছিলেন পথে মুসলমান সেনারা তাঁর স্বামীকে হত্যা করে তাঁকে অধিকার করতে চেয়েছিল। টুসু আপন সতীত্ব রক্ষার্থে নিকটবর্তী নদীতে ঝাঁপ দেয়। টুসুর এই আত্মবিসর্জনের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে পৌষ সংক্রান্তির দিন পরকুলের রাজা সেখানে টুসুমেলার আয়োজন করেন।” সৌমেনবাবু  আরও বলেন, অনেকেই টুসুকে শস্যের দেবী বলে মনে করেন। তাই শীতকালীন শস্য বাড়িতে উঠে এলে কৃষকেরা আনন্দে এই দেবীর পুজো করেন। আবার টুসু শব্দের অর্থ পুতুল (মুন্ডারী ভাষায়)। আদতে টুসু হল সাধারণ মানুষের উৎসব। টুসু রাজনন্দিনীই হোন, কিংবা শস্যের দেবী, তাঁর আগমন যে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলোর ঘরে ঘরে আনন্দ নিয়ে আসে, তাতে সন্দেহ নেই।

parkul mela
পরকুল মেলা।

অন্য দিকে মকর সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে জেলা জুড়ে বিভিন্ন মেলার সূচনা হয়, যার মধ্য অন্যতম হল ইন্দাসের আকুই গ্রামে রানার জাত বা পীরবাবার মেলা। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলা শুরুর ইতিহাস আজও অজানা বর্তমান প্রজন্মের কাছে। রানার পুকুরে টুসু ভাসিয়ে মকর চান করে বুড়ো পীরের কাছে পুজো দেন ভক্তরা। সত্যপীরের পুজোর জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাতাসা, পাটালি, ধূপ, মাটির ঘোড়ার পসরা নিয়ে বসে থাকেন। একে শিন্নি বলে। সত্যপীরের কাছে ঘোড়া দেওয়ার নিয়ম। সাথে করে বাড়ির ঠাকুরের জন্য ও অনেক মানুষ জোড়া মাটির ঘোড়া কিনে আনেন।

indas mela
ইন্দাস মেলা।

পাশাপাশি ইন্দাসেও চলছে বাঁকুড়ারায়ের কুড়চি মেলা। ইন্দাস পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ফরিদা খাতুন বলেন, সংক্রান্তির দিন থেকে ছয় দিন ধরে চলবে এই মেলা। মেলা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ এই মেলাতে অংশ নেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

0 Comments
Share
kolkata-tarapith-ac-bus-to-be-started-by-january-end

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: চলতি মাসের শেষে কলকাতা থেকে তারাপীঠ পর্যন্ত এসি বাস চালু করবে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম (এসবিএসটিসি)। এমনই ঘোষণা করলেন এসবিএসটিসির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ।

মঙ্গলবার তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায়, তমোনাশবাবু এবং এসবিএসটিসির কর্তারা।

বৈঠক শেষে একগুচ্ছ নতুন বাসরুটের ঘোষণা হয় এসবিএসটিসির তরফ থেকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল তারাপীঠ থেকে কলকাতার মধ্যে এসি বাস চালু করা। তমোনাশবাবু বলেন, এই বাসটি কলকাতা থেকে সকাল সাড়ে সাতটায় ছেড়ে সাড়ে বারোটায় তারাপীঠ পৌঁছোবে আবার তারাপীঠ থেকে দুপুর দুটোর সময় বাসটি ছেড়ে কলকাতা ফিরে আসে সন্ধ্যা ছ’টার মধ্যে। তিনি বলেন, ‘‘এক দিনে তারাপীঠে গিয়ে পুজো দিয়ে আবার ওই বাসে চড়েই যাতে দর্শনার্থীরা ফিরতে পারেন সেই জন্য বাসের এ রকম সূচি ধার্য করা হয়েছে।”

এ ছাড়াও তারাপীঠ থেকে আরও বেশ কিছু বাস রুট চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুই ধর্মীয়স্থানের মধ্যে সংযোগস্থাপনের জন্য বেলুড়-তারাপীঠ বাস পরিষেবাও চালু করার কথা বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই মাসের শেষের দিকেই তারাপীঠ সফরে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার পরেই এই বাসরুট চালু হয়ে যাবে বলে আশাবাদী এসবিএসটিসি।

0 Comments
Share
west-bengal-ahead-of-goa-and-kerala-in-attracting-foregin-tourist

ভ্রমণঅনলাইনডেস্ক: বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের ক্ষেত্রে দেশের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এমনকি এ রাজ্যের পেছনে রয়েছে গোয়া এবং কেরলের মতো রাজ্যগুলি। এমনই জানিয়েছেন কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) পর্যটক বিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারম্যান বিজয় দেওয়ান।

সিআইআই আয়োজিত বেঙ্গল ট্যুরিজম মিট শুরু হয়েছে সোমবার। সেই সভার শুরুতেই এই খবরে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত রাজ্যের পর্যটনের সঙ্গে জড়িত সবাই। এই প্রসঙ্গে দেওয়ান বলেন, “বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণের ক্ষেত্রে গোয়া এবং কেরলের থেকেও এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। সারা দেশের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে এ রাজ্য। গুণগত পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগের থেকে অনেকটা এগিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।”

রাজ্যের মধ্যে দার্জিলিং এবং তার সন্নিহিত অঞ্চল বিদেশি পর্যটকদের বেশি আকর্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন পাহাড়ের ট্যুর অপারেটররা। ইস্টার্ন হিমালয়া ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুর অপারেটর্‌স অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রতিনিধি বলেন, “দার্জিলিং এবং সন্নিহিত অঞ্চলেই পর্যটকের পা বেশি করে পড়ছে। এর মূল কারণ হল আবহাওয়া। অনেক ঠান্ডার দেশের থেকে দার্জিলিং-এর আবহাওয়া মনোরম। পাশাপাশি এখানে টয়ট্রেনের মতো ইউনেস্কোর হেরিটেজ জিনিস রয়েছে।”

পাহাড়ে হোমস্টে কেন্দ্রিক পর্যটন, পর্যটন ব্যবসাকে আরও উন্নত করেছে বলে জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। তিনি বলেন, “হোমস্টেগুলির জন্য পাহাড়ে পর্যটনে আরও জোয়ার এসেছে। এর ফলে পাহাড়ের মানুষের মধ্যে আরও কর্মসংস্থান বেড়েছে। অনেক উন্নত পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি, তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে প্রত্যাশামতো পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না। আমরা সেই সব দিক ভালো করে খতিয়ে দেখে পর্যটন ব্যবসাকে আরও উন্নত করব।”

পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়ায় হেরিটেজ পর্যটন, পার্ক স্ট্রিট, ট্যাংরা, সেক্টর ফাইভে বিনোদন হাব এবং এ ছাড়াও রাজ্য জুড়ে নদী পর্যটনের জোয়ার আনার ডাক দিয়েছেন দেওয়ান।

0 Comments
Share
12311