Browsing Category:লেক-জলাশয়

gajoldoba-tourism-hub-opens
ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক গজলডোবায় চালু হয়ে গেল ‘ভোরের আলো’ পর্যটন প্রকল্প। বুধবার এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 
কটেজগুলি ছাড়াও বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলে সাইক্লিং এবং বোটিং প্রকল্পেরও সূচনা করে দেওয়া হল। কটেজগুলি রাজ্য পর্যটন নিগমের অন্তর্গত। এখনও অনলাইন বুকিং পরিষেবা চালু না হলেও কিছুদিনের মধ্যে তা চালু করে দেওয়া যাবে। নিগমের কর্তারা জানান, গাইডের ভূমিকায় কাজে লাগানো হবে স্থানীয়দের। সাইকেল নিয়ে পর্যটকদের সঙ্গে ঘুরবেন এলাকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি তারাই চিনিয়ে দেবেন গাছগাছালি ও পাখিদের। কর্তৃপক্ষের আশা সবমিলিয়ে পুজোর আগেই জমে উঠবে গজলডোবা।
  
দেখে নিন এই পর্যটন হাব এবং কটেজকগুলির কিছু ছবি। 
ছবি: পর্যটন দফতর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
0 Comments
Share
see-the-jog-falls-during-monsoon

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: ভারতের অন্যতম উচ্চতম জলপ্রপাত কর্নাটকের যোগ জলপ্রপাত। এই জলপ্রপাতটি তৈরি করেছে সারাবতী নদী। কর্নাটকের গেরুসোপ্পায় চারটে স্রোতে ২৫৩ ফুট ঝাঁপ দেয় এই প্রপাত। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই প্রপাতটা যেন হারিয়ে যেতে বসেছিল। 

রাজা, রানি, রকেট এবং রোরার, এই চারটে স্রোতে নেমে আসা যোগ  প্রপাতে জল ক্রমশ কমতে শুরু করে দিয়েছিল। এর কারণ প্রাকৃতিক যেমন ছিল তেমনই ছিল কৃত্রিম কারণ। সারাবতী নদীর ওপরে জলাধার তৈরি হওয়ায় চেনা রূপে পাওয়া যাচ্ছিল না যোগকে। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি একদম ভিন্ন। এ বার বর্ষায় কর্নাটকে ভালোই বৃষ্টি হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরেই প্রবল বৃষ্টির খপ্পরে পড়েছে গোটা রাজ্য। আর তাতেই যেন নিজের স্বরূপ ধারণ করেছে জলপ্রপাত। 

সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের এই ভিডিওটা দেখুন, বুঝে যাবেন বর্ষায় কেমন থাকে যোগ ফলস। 

নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে, একবার বর্ষাতেই যোগ ফলস ঘুরে নিতে। সেটা কিন্তু করতেই পারেন। কারণ এখন অফ-সিজন, তাই ট্রেনে টিকিট পেতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবে না। সুতরাং হবে না কি যোগ ফলস? 

কী ভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে যোগ ফলসের সব থেকে কাছের রেল স্টেশন হচ্ছে কর্নাটকের হুবলি।  হাওড়া থেকে হুবলি যাওয়ার জন্য রয়েছে ১৮০৪৭ আপ অমরাবতী এক্সপ্রেস। ট্রেনটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিবার রাত সাড়ে এগারোটায় হাওড়া থেকে ছেড়ে হুবলি পৌঁছোয় তৃতীয় দিন সকাল ৮:৫০-এ। হুবলি থেকে যোগ ফলসের দূরত্ব ১৭২ কিমি। বাকি মেট্রো শহরগুলির সঙ্গেও রেলপথে যুক্ত হুবলি। ট্রেনের সময়ের জন্য দেখে নিন erail.in । হুবলি থেকে বাসে বা গাড়ি ভাড়া করে চলুন যোগ।     

কোথায় থাকবেন

যোগ ফলসে থাকার সব থেকে আদর্শ জায়গাটি হল কর্নাটক পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ময়ূর গেরুসোপ্পা। এই হোটেলের সব ঘরই যোগ ফলসমুখী। অনলাইনে বুক করার জন্য লগইন করুন kstdc.co-এ। 

0 Comments
Share
let-us-visit-gangrel-amidst-vast-stretsh-greenery-and-lake

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক বর্ষায় দু’-তিনটে কাটিয়েই আসতে পারেন ছত্তীসগঢ়ের এই সুন্দর জায়গাটা থেকে। ভরা বর্ষায় মোহময় রূপ ধারণ করে গাংরেল। মহানদীর ওপর গাংরেল তথা রবিশংকর বাঁধ ও জলাধার। ছত্তীসগঢ়ের দীর্ঘতম বাঁধ গাংরেল, দেড় কিমি লম্বা।  বর্ষার জলে পুষ্ট হয়ে এখানকার প্রকৃতি হয়ে ওঠে সবুজ। রয়েছে অনেক নাম-না-জানা দ্বীপ। ভেসে পড়ুন নৌকা নিয়ে। কিংবা মেতে উঠুন জলক্রীড়ায়। সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত উপভোগ করতে ভুলবেন না।

কী ভাবে যাবেন

গাংরেল ছত্তীসগঢ়ের রাজধানী রায়পুর থেকে ৯০ কিমি এবং ধামতারি শহর থেকে ১৫ কিমি দূরে। রায়পুর দেশের প্রায় সব বড়ো শহরের সঙ্গে ট্রেনপথে যুক্ত। বিমানও নামে রায়পুরে। হাওড়া থেকে রয়েছে এক গুচ্ছ ট্রেন, সময় লাগে সাড়ে ১২ ঘণ্টা থেকে সাড়ে ১৫ ঘণ্টা। ট্রেনের সময়ের জন্য দেখে নিন erail.in। রায়পুর থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যেতে পারেন গাংরেল। অথবা রায়পুর স্টেশন থেকে বাসে চলুন ধামতারি। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে চলুন গাংরেল।

বরডিহা লেক ভিউ রিসর্ট।

কোথায় থাকবেন

গাংরেলে রয়েছে ছত্তীসগঢ় পর্যটনের বরডিহা লেক ভিউ  রিসর্ট। দিনপ্রতি ভাড়া একশয্যা ১২০০ টাকা, দ্বিশয্যা ১৫০০ টাকা, তিনশয্যা ১৮০০ টাকা। কাঠের কটেজ একশয্যা ৪০০০ টাকা, দ্বিশয্যা ৫০০০ টাকা, কটেজে অতিরিক্ত পর্যটক ৮০০ টাকা। অনলাইন বুকিং  visitcg.in ।

মনে রাখবেন

রিসর্টে চেক ইন দুপুর ২টো, চেক আউট বেলা ১১টা।

আরও পড়ুন  সুন্দরবন ছাড়াও ঘরের কাছে রয়েছে আরও এক ম্যানগ্রোভ অরণ্য, এই সপ্তাহান্তে চলুন…

 

 

0 Comments
Share
visit-chuka-beach-of-uttarpradesh

ওয়েবডেস্ক: না, আমরা ভুল কিছু বলিনি। উত্তরপ্রদেশে সত্যিই জায়গাটি আছে। নাম চুকা বিচ। অর্থাৎ চুকা সৈকত। কিন্তু যে রাজ্যের কোনো প্রান্তেই সমুদ্রের কোনো অস্তিত্ব নেই, সেখানে সৈকত এল কী ভাবে?

উত্তরপ্রদেশের পিলিভিট থেকে ৬০ কিমি দূরে, নেপাল সীমান্তের কাছে সারদা নদীর একটি বড়ো জলাধারের একটা প্রান্তে তৈরি হয়েছে এই নতুন পর্যটন কেন্দ্রটি। যে হেতু মস্ত বড়ো জলাশয়ের ধারে এই জায়গা, তাই সৈকতের স্বীকৃতি পেয়েছে।

হিমালয়ের পাহাড় কিন্তু খুব বেশি দূরে নেই। একটু দূরেই দেখতে পাবেন তাদের। পিলিভিট থেকে চুকাগামী রাস্তার সৌন্দর্য অতুলনীয়। পিলিভিট টাইগার রিজার্ভের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলে রাস্তা। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যেতে আপনার কিন্তু দারুণ লাগবে।

সারদা নদীর ধারে চুকায় পৌঁছোতেই এক অনন্য অভিজ্ঞতা হবে আপনার। চোখের সামনে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা দেখতে দেখতে আপনার সময় কেটে যাবে। ডাঙায় চিতাবাঘ দেখুন না দেখুন, জলে কিন্তু কুমীর দেখতে পাবেন।

সুতরাং আর দেরি কেন, একবার হয়ে যাক চুকা ভ্রমণ।

কী ভাবে যাবেন

এতক্ষণে জেনেই গিয়েছেন যে পিলিভিট থেকে আপনাকে চুকা যেতে হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে পিলিভিট যাওয়া। হাওড়া বা দিল্লি থেকে পিলিভিটগামী কোনো ট্রেন নেই। সুতরাং উপায় হচ্ছে কিচ্চা দিয়ে যাওয়া। হাওড়া থেকে সাপ্তাহিক লালকুয়া এক্সপ্রেসে পৌঁছোতে পারেন কিচ্চা। সেখান থেকে চুকা ৭৮ কিমি। দিল্লি থেকে তো আবার কিচ্চারও ট্রেন নেই। তাই আপনাকে পৌঁছোতে কাঠগোদাম। সেখান থেকে চুকা ১০১ কিমি। ভারতের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসার জন্য আগে পৌঁছোন বরেলি। বরেলি থেকে চুকা ১৩৪ কিমি। কিচ্চা/কাঠগোদাম/বরেলি থেকে চুকা আসুন গাড়ি ভারা করে। chuka beach

কোথায় থাকবেন

এখানে থাকার জন্য রয়েছে উত্তরপ্রদেশ ইকো ট্যুরিজম দফতরের চুকা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। জলাধারের একদম ধারেই এই রিসোর্ট। অনলাইনে বুক করার জন্য লগইন করুন upecotourism.in-এ।

0 Comments
Share
visit-parsili-of-madhya-pradesh

ওয়েবডেস্ক: শহুরে কোলাহলের থেকে দু’ দণ্ড মুক্তি পাওয়ার জন্য এই বর্ষাতেই ঘুরে আসুন মধ্যপ্রদেশের পারসিলি। অনেকের কাছে হয়তো পারসিলি জায়গাটা অচেনা। আসলে, মধ্যপ্রদেশের বাকি জনপ্রিয় জায়গাগুলির কাছে পারসিলি একটু অপরিচিতই বটে। 

কী করবেন পারসিলিতে

এখানে বয়ে চলেছে বনস নদী। নদীর ধারে অন্তত চার কিমি দীর্ঘ বালির পাড়। সেই পাড় ধরে আপনি খালি পায়ে ট্রেক করুন। আপনি যদি পাখি-প্রেমিক হন, তা হলে তো কথাই নেই। অসংখ্য প্রজাতির পাখির আনাগোনা এই পারসিলিতে। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছোটোখাটো পাহাড়। বর্ষার সময়ে সেই পাহাড়ের ওপরে মেঘের আনাগোনা আপনাকে মোহিত করবেই।  

parsili madhya pradesh

শহর থেকে দশ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে সঞ্জয় দুবরি জাতীয় উদ্যান। মধ্যপ্রদেশ বিখ্যাত তার জাতীয় উদ্যানের জন্যই। যে রাজ্যে কানহা, পেঞ্চ, বান্ধবগড় রয়েছে, সেখানে এই জাতীয় উদ্যানের জনপ্রিয়তা কিছুটা কমই। কিন্তু অপরিচিত এক জায়গাকে নতুন ভাবে জানতে অসুবিধা তো কিছু নেই। 

কী ভাবে যাবেন পারসিলি

পারসিলির সব থেকে নিকটবর্তী রেলস্টেশন (কলকাতার সঙ্গে যুক্ত) সাতনা। শিপ্রা এক্সপ্রেস এবং মুম্বই মেলে সাতনা পৌঁছোতে পারেন। সেখান থেকে পারসিলির দূরত্ব ১৪৬ কিমি।  এই পথ বাস বা গাড়িতে পাড়ি দিন। সাতনা রেলপথে মুম্বই, দিল্লি, চেন্নাই সহ দেশের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে যুক্ত। ট্রেনের সময়ের জন্য দেখে নিন erail.in

কোথায় থাকবেন

parsili madhya pradeshপারসিলিতে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ পর্যটনের পারসিলি রিসর্ট (এসি ডিলাক্স- ২৯৯০ টাকা, এসি সাধারণ- ২২৯০ টাকা এবং সাধারণ ঘর ১৯৯০ টাকা)। অনলাইনে বুক করুন  olrs.mpstdc.com

ছবি সৌজন্য: মধ্যপ্রদেশ পর্যটন 

 

0 Comments
Share