ভ্রমণের খবর

শুমারিতে কি বক্সায় বাঘ মিলবে? রিপোর্ট প্রকাশের আগে আশায় বুক বাঁধছে বন দফতর

royal bengal tiger

ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক : গত ২০ বছরের ধরে বক্সার জঙ্গলে বাঘের দেখা মেলেনি। তবু বাঘ দেখার আশায় উত্তরবঙ্গের এই সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রতিবছর হাজির হন পর্যটকরা। কিন্তু হতাশ হয়ে ফিরতে হয় তাঁদের। সোমবার ২০১৮-র বাঘ সুমারির রিপোর্ট প্রকাশিত হবে। বনদফর আশাবাদী, এবার অন্তত বাঘের খোঁজ মিলবে।

দিল্লি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবনে ন্যাশানাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির তৈরি ২০১৮ সালের বাঘ সুমারির রিপোর্ট পেশ করবেন। সেই রিপোর্টে দেশে অন্যান্য ব্যাঘ্র প্রকল্পগুলির মতো বক্সা জঙ্গলের ব্যাঘ্রপ্রকল্পের রিপোর্ট থাকবে। সেই রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে আছেন রাজ্যের বন দফতরের কর্মীরা।

বন আধিকারিকদের আশঙ্কা, বাঘ না মিললে, ব্যাঘ্র প্রকল্পের তহবিল বাবদ যে অর্থ আসত তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ২০১৪ সাল বক্সায় বাঘ সুমারি হয়। সেই সুমারিতে তিনটি বাঘের পরোক্ষ উপস্থিতির কথা জানা গিয়েছিল। এবার যদি বাঘের কোনো হদিশ না পাওয়া যায় তবে সমস্যায় পড়বে বন দফতর।

বাঘ না থাকলে বক্সার পর্যটনে কতটা প্রভাব পড়বে?

বাঘ না থাকলে কিছুটা জৌলুস হারাবে বক্সা। এতদিন পর্যন্ত বহু মানুষ বাঘ দেখার আশায় বক্সা এসেছেন, না দেখতে পেয়ে হতাশ হয়েছেন। তবু মানুষে আসার ঢল কোনো অংশে কমেনি। অন্যান্য বন্যপ্রাণীদের পর্যটকরা দেখতে পান তাতেই ভিড় বজায় থাকে বক্সায়। এমনটাই মনে করছেন বন দফতরের কর্মীরা।

এই বনাঞ্চলে বাঘ না মেলায়, অন্য রাজ্য থেকে বাঘ আনার পরিকল্পনা করে বন দফতর। এ নিয়ে অসমের সঙ্গে  পাকা কথাও হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন দফতরের এক আধিকারিক। এর জন্য বক্সায় তৃণভোজী প্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোও হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এই রিপোর্ট প্রসঙ্গে প্রধান মুখ্য বনপাল রবিকান্ত সিনহা বলেন,  ‘‘আমাদের রাজ্যের বক্সা ও সুন্দরবন বাঘ প্রকল্পের ফিল্ড ডিরেক্টররা এই রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এই রিপোর্টে রাজ্যর জন্য ভালো কিছু থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।’’ ব্যাঘ্র প্রকল্পের শিরোপা যে হারাবে না সে ব্যাপারে আশাবাদী আলিপুরদুয়ার জেলা বাসিন্দারাও।

ভ্রমণের সব খবর পড়তে ক্লিক করুন এখানে

Booking.com

Leave a Comment

Your email address will not be published.

You may also like