Browsing Tag:পর্যটন দফতর

new-properties-coming-up-in-darjeeling-hills-says-goutam-deb

ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: শীঘ্রই আরও নতুন নতুন টুরিস্ট স্পট আসতে চলেছে। এমনই বললেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। পাশাপাশি পুরোনো টুরিস্ট স্পটগুলোকে আরও নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রংবুলের কাছে ধোতরেতে একটি পরিত্যক্ত চা-বাগানকে ঘিরে নতুন পর্যটনস্থল তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, “চা-বাগানটা পরিত্যক্ত। পুরো জমিটাই মূলত সমতল। ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্য রয়েছে। এই জমির ২৫ একর আমরা কিনব। এখানে কটেজ তৈরি করা হবে, হেলিপ্যাড তৈরি হবে। ‘ডেসটিনেশন ওয়েডিং’-এর ব্যবস্থাও থাকবে। মূল সড়ক থেকে এই স্থানটার দূরত্ব ৫ কিমি। সেই রাস্তাটা নতুন করে তৈরি করা হবে।”

২৫ কোটি টাকায় দার্জিলিং টুরিস্ট লজের ভোল বদল করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নবরূপে সজ্জিত এই টুরিস্ট লজে একটি রুফটপ রেস্তোরাঁ থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে দেখতেই খাবার খাওয়া যাবে। কার্শিয়াং টুরিস্ট লজের জায়গা আরও বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, “কার্শিয়াং টুরিস্ট লজের ঠিক নীচেই একটা বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটাকে টুরিস্ট লজের সঙ্গে জুড়ে দেব। পাশাপাশি ঘর, রেস্তোরাঁ, সব কিছু নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে।” পাশাপাশি কালিম্পং-এর হিলটপ এবং মরগ্যান হাউস সারানোর কাজ চলছে।

গৌতমবাবু বলেন, টাইগার হিলে একটি পুরোনো বাংলোকে নতুন ভাবে তৈরি করা হচ্ছে। ১৯৮৬-এর আন্দোলনে সেটা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেটা তৈরি হলে টাইগার হিলেও মানুষ রাত্রিবাস করতে পারবেন। ফালুট এবং টংলুতে ট্রেকার্স হাট তৈরি হচ্ছে। গৌতমবাবু কথায়, “আট কোটি টাকা খরচে টেন্ট তৈরি করা হচ্ছে এই দুই জায়গায়।”

মংপু, ঝালং এবং চালসায় পর্যটন নিগমের নতুন টুরিস্ট লজ তৈরি হবে বলেও জানিয়েছেন গৌতমবাবু।

0 Comments
Share
report-to-be-submitted-to-mamata-on-the-various-tourism-projects-in-west-bengal

ভ্রমণনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পর্যটন প্রকল্পগুলিকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে একটি রিপোর্ট। কিছু দিনের মধ্যেই সেই রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হবে বলে জানালেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব।

উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিবঙ্গে এই মুহূর্তে কী কী প্রকল্পের কাজ চলছে, সেইগুলিকে নিয়েই এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে গৌতমবাবু বলেন, “নতুন পর্যটনস্থল খুঁজে বের করার জন্য সম্প্রতি দক্ষিণবঙ্গে ছিলাম। একটা কথা বলতেই হয়। আমাদের পর্যটনের রসদ প্রচুর। আমাদের কাঞ্চনজঙ্ঘা রয়েছে, সুন্দরবন আছে, বঙ্গোপসাগর আছে। এই সব নিয়ে একটি রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেব। এ ছাড়াও নতুন কী প্রকল্প নেওয়া যায়, সেই নিয়েও আলোচনা করব।”

দার্জিলিং টুরিস্ট লজ, কালিম্পংয়ের হিলটপ এবং মর্গান হাউস টুরিস্ট লজ-সহ রাজ্যে ৩৪টি টুরিস্ট লজে সংস্কারের কাজ চলছে। গৌতমবাবু বলেন, “এই সংস্কারের জন্য ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।”

এ ছাড়াও নতুন কিছু পর্যটন আবাসও তৈরি হচ্ছে। টাইগার হিলে কয়েকটি কটেজ বিশিষ্ট একটি পর্যটক আবার তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি সান্দাকফু, ফালুট এবং টংলুতে ট্রেকার্স হাট তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “রাজ্যে অন্তত একশোটা পর্যটন আবাস তৈরি হবে।”

গৌতমবাবুর কথায়, পুরুলিয়ায় ময়ুরেশ্বরি বাঁধ সংলগ্ন এলাকা এবং অযোধ্যা পাহাড়ে পর্যটনের প্রসারে নানারকম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জঙ্গলমহল এবং ঝাড়গ্রামেও বেশ কয়েকটি পর্যটন প্রকল্পের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

0 Comments
Share
tourism-dept-of-wb-plans-to-develop-100-properties-throughout-the-state

ভ্রমণ অনলাইনডেস্ক: এই মুহূর্তে নিজেদের রাজ্যে ৬৭টা পর্যটক আবাস রয়েছে রাজস্থান পর্যটন দফতরের। সেই রেকর্ডটি ভেঙে দিতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন দফতর। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে একশোটা পর্যটক আবাস তৈরি করার চিন্তাভাবনা করছে তারা।

রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “৬৭টা পর্যটক আবাস চালায় সে রাজ্যের পর্যটন দফতর। সারা ভারতের মধ্যে সেটাই সর্বোচ্চ। আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য, রাজস্থানকে পেরিয়ে যাওয়া। কয়েক বছরের মধ্যেই সেই লক্ষ্যে আমরা সফল হব বলে মনে করছি।”

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে গোটা রাজ্যে ৩৪টা পর্যটক আবাস রয়েছে পর্যটন দফতরের। তবে কোচবিহার, পুরুলিয়ার মতো জেলায় এখনও দফতরের কোনো আবাস তৈরি হয়নি। এই সব জেলার দিকে এ বার বেশি করে নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন গৌতমবাবু।

আরও পড়ুন হুগলিকে উইকএন্ড স্পট হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ রাজ্যের

তাঁর কথায়, “রাজ্যের মধ্যে আরও অনেক উইকএন্ড স্পট গড়ে তোলার ইচ্ছে রয়েছে আমাদের। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামের মতো জেলাগুলিতে পর্যটনের প্রসারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে আরও বেশি করে নতুন নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।”

২০১৯-এর মধ্যেই নামখানায় হাতানিয়া-দোয়ানিয়ার ওপরে নতুন সেতু তৈরি হয়ে যাবে। তার পর দিঘার থেকেও বকখালি যেতে কলকাতার মানুষের কম সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গৌতমবাবু। ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগণার উপকূলবর্তী অঞ্চলে পর্যটনের প্রসারে আরও গতি আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি।

0 Comments
Share
jagaddhatri-carnival-to-be-arranged-in-chandernagore

চন্দননগর: গত ২৩ অক্টোবর কলকাতায় দুর্গাপুজোর কার্নিভ্যাল নজর কেড়েছে গোটা দেশের। খুশি হয়েছেন বিদেশ থেকে আসা মানুষজনও। সেই সাফল্যের কথা মাথায় রেখে চন্দননগরেও ঠিক একই রকম পরিকল্পনা করতে চলেছে রাজ্য সরকার। তবে সেটি জগদ্ধাত্রীর কার্নিভ্যাল।

এমনিতে জগদ্ধাত্রী পুজোর শোভাযাত্রা বেশ বিখ্যাত চন্দননগরে। ঐতিহ্যপূর্ণ এই শোভাযাত্রাকেই আন্তর্জাতিক প্রচারের আলোয় আনতে চলছে রাজ্যের পর্যটন দফতর৷ রেড রোডের দুর্গাপুজোর কার্নিভালের মতো চন্দননগরকেও সমান গুরুত্ব দিতে এক গুচ্ছ পরিকল্পনা নিতে শুরু করা হয়েছে ৷

আরও পড়ুন বরফে ঢাকা বদরীনাথ, দেখুন কিছু ছবি

রাজ্যের পর্যটন দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর চন্দননগরের যে পুজো কমিটিগুলি শোভাযাত্রায় অংশ নিত, এ বার তাদের দিয়েই এই এই কার্নিভ্যাল করা হবে। টিভি এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারের মধ্যে দিয়ে দেশে-বিদেশে সেই কার্নিভ্যালকে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হচ্ছে।

এমনিতে জগদ্ধাত্রী পুজোর সময়ে গোটা রাজ্য থেকেই মানুষ যান চন্দননগরে। এ বার যাতে সেই সঙ্গে গোটা দেশ এমনকি বিদেশ থেকেও পর্যটকদের নিয়ে আসা যায়, তা হলে আখেরে আর্থিক দিক থেকেও রাজ্যের লাভ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই জন্যই এমন উদ্যোগ রাজ্য পর্যটন দফতরের।

0 Comments
Share