• https://ecos.elcorps.com/
  • https://master.staindirundeng.ac.id/css/
  • https://heylink.me/pastiparty/
  • http://103.206.170.246:8080/visi/
  • https://mpp.jambikota.go.id/
  • https://lms.rentas.co.id/
  • https://utbis.ollinsoft.com/
  • https://heylink.me/mbokslotterbaik/
  • https://heylink.me/slotplus777gacor/
  • https://sptjm.lldikti4.id/banner/
  • mbokslot
  • https://ciclohospitalar.com.br/
  • https://link.space/@splus777
  • https://sptjm.lldikti4.id/storage/
  • https://alvi.centrojuanaazurduy.org/
  • https://silancar.pekalongankota.go.id/
  • https://dewanarsitek.id/dewan/
  • https://dms.smhg.co.id/assets/js/hitam-link/
  • https://smartgov.bulelengkab.go.id/image/
  • https://pipasn.uinsgd.ac.id/
  • slotplus777
  • https://heylink.me/slotplussweet777/
  • https://alvi.centrojuanaazurduy.org/
  • Mbokslot
  • http://103.81.246.107:35200/templates/itax/-/mbok/
  • https://rsjdahm.id/vendor/
  • https://pastiwin777.cfd/
  • https://rsjdahm.id/Vault/
  • https://heylink.me/Mbokslot.com/
  • https://www.intersmartsolution.com
  • https://sikapro-fhisip.ut.ac.id/
  • বন্দিপুর পার্কে এশিয়ার বৃহত্তম অ্যাটলাস মথ - Bhramon Online
    গন্তব্যজঙ্গল

    বন্দিপুর পার্কে এশিয়ার বৃহত্তম অ্যাটলাস মথ

    নীলগিরি পর্বতে কর্নাটকের বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান এককথায় মনমুগ্ধকর। কর্নাটকের জাতীয় উদ্যানটি তামিলনাড়ুর মধ্যে প্রবেশ করেছে। তখন সেই অংশটির নাম মদুমালাই। একসময় জায়গাটি মহীশূরের ওয়াদিয়া রাজবংশের ছিল। তারা জঙ্গলে হরিণ শিকার করতেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়।

    বাঘ, সাম্বার, চিতল, হাতি, স্লথ বিয়ার বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল বন্দিপুর পার্ক। ১০০টির বেশি প্রজাতির প্রজাপতি এখানে এলে দেখা যায়। তবে এদের মধ্যে অন্যতম অ্যাটলাস মথ। এশিয়ার বৃহত্তম বিরল মথ।

    মথটিকে দেখতে অনেকটাই সাপের মত। দুটি ডানা মেলে বসে পাতা বা ফুলের উপরে। দূর থেকে পাখিরা দেখে মনে করে যেন দুটো সাপ বসে আছে। তারা ভয় পেয়ে উড়ে যায়। এভাবেই পতঙ্গটি রক্ষা পায়। যেন প্রকৃতির এক অদ্ভুত সৃষ্টি।

    এশিয়ার মধ্যে মথটির এক আবাসভূমি এই বন্দিপুর জাতীয় উদ্যানে। এখানে আসলে অ্যাটলাস মথ দেখা মিলবে।

    জাতীয় উদ্যানটি দেখতে ভারতীয়দের জন্য প্রবেশ মূল্য নেওয়া হয়। ভারতীয় মুদ্রায় ৩০০ টাকা। অক্টোবর থেকে মার্চ মাস হল ঘোরার জন্য আদর্শ সময়। এবার শীতে জঙ্গল ঘুরতে চাইছেন? অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসেন, তাহলে বছরের শুরুতে আপনার গন্তব্য হতেই পারে।

    কিভাবে যাবেন :
    নিকটতম রেলস্টেশন মহীশূর জংশন। তাছাড়া রেলপথে ব্যাঙ্গালোর ও কোয়েম্বাটুর স্টেশন এসে সেখান থেকে বাস বা ট্যাক্সিতে বন্দিপুর পার্ক ঘুরে নিন।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *