Tag west bengal tourism

সবুজ পাইন বনে ঘেরা মিরিক লেক

ছোট্ট পাহাড়ি শহর মিরিক। উত্তরবঙ্গের অন্যতম এক পর্যটন কেন্দ্র। চারিদিকে সবুজ পাইনে ঘেরা বন। দূর থেকে ভেসে আসে মন্দিরের ঘন্টার ধ্বনি। বোকার বৌদ্ধ মনাস্ট্রির ধ্যানময় পরিবেশ পাহাড় জেগে ওঠে। আর মিরিক লেকের মুগ্ধকর দৃশ্য আপনার মন কাড়বে। মিরিক কথার অর্থ…

ঘুরে আসুন রাজ্যের বারোটি শৈব তীর্থ,পর্ব ৫

পর্ব ৫ অম্বিকা-কালনার ১০৮ মন্দির: পূর্ব বর্ধমান জেলার অম্বিকা-কালনা। এখানে রাজবাড়ির চত্বরে আছে নবকৈলাস একশো আট শিব মন্দির। বর্ধমানের মহারাজ তেজচন্দ্র বাহাদুর একশো আট শিব মন্দির নির্মাণ করেন। বর্ধমান মহারাজের বহু কীর্তি চির-উজ্জ্বল হয়ে আছে। অম্বিকা-কালনার নবকৈলাস একশো আট শিব…

অজয় নদের তীরে জয়দেব কেঁদুলি

কাছে পিঠে কোথায় যাবেন ভাবছেন? চলে আসুন এক জনপ্রিয় স্থান কেঁদুলি। একদিনের জন্য পরিবার বা বন্ধুরা মিলে উপভোগ করুন। বীরভূমের জয়দেব কেঁদুলি গ্রাম। অজয় নদের তীরে এখানেই গীতগোবিন্দ রচয়িতা কবি জয়দেবের জন্মস্থান। অজয় নদের প্রান্তরে পৌষ সংক্রান্তিতে হয় জয়দেব কেঁদুলি…

শাল, শিমূল, পলাশের অন্যতম আকর্ষণ জয়পুর জঙ্গল

প্রকৃতির টানে পর্যটকদের পছন্দের গন্তব্য জয়পুর জঙ্গল। বাঁকুড়া জেলায় মা সারদার জন্মভূমি থেকে খানিক দূরে শুরু জয়পুর জঙ্গল। শাল, শিমূল, মহুল, পলাশের জঙ্গলে হাতি ও হরিণের বাস। কিছু আদিবাসী মানুষেরও জঙ্গলে বসবাস। একসময় মল্ল রাজাদের প্রাচীন রাজধানী ছিল জয়পুরে। জঙ্গলের…

ঘুরে আসুন রাজ্যের বারোটি শৈব তীর্থ,পর্ব ৪

পর্ব ৪ বাংলায় তখন মাঘ মাস। ১৭৪৫ সাল। বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব আলীবর্দী খানের সৈন্যরা হঠাৎ বিদ্রোহ করে বসলেন। সেই সুযোগে চতুর্থবারের মতো বর্গিরা বাংলায় এলো। বাংলার বুকে ত্রাহি ত্রাহি রব। সেই আক্রমণ এসে পড়ল বীরভূম জেলায়। ঘোড়ায় চড়ে বর্গিরা লুঠপাঠ চালালেন…

ঘুরে আসুন রাজ্যের বারোটি শৈব তীর্থ, পর্ব ৩

পর্ব ৩ শিবের জটায় থাকে গঙ্গা। আর এই পবিত্র নদী গঙ্গা পাড়ে একের পর এক শৈব তীর্থ। তাছাড়াও বিভিন্ন নদীর পাড়ে বাংলার একাধিক শৈব তীর্থ সুবিখ্যাত। শুধু ধর্মীয় দিক থেকে নয়, এই সকল অঞ্চলের ইতিহাস যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। লোকসংস্কৃতির নানা উপাদানে…

ঘুরে আসুন, বীরভূমের অজানা পাঁচ সতীপীঠ

বীরভূম তন্ত্রপীঠ ও সিদ্ধপীঠ নিয়েই ভরপুর। এই জায়গাতেই তান্ত্রিক ধর্মের সবচেয়ে বেশি প্রভাব। সতীর পাঁচটি দেহাংশ বীরভূমে পড়েছিল। ৫১ সতীপীঠের অন্যতম পাঁচটি হলো নলাটেশ্বরী, নন্দীকেশ্বরী, বক্রেশ্বর, কঙ্কালীতলা ও ফুল্লরা। “লক্ষ লক্ষ ছায়ার শরীর! দুঃখরাশি জগতে ছড়ায়,নাচে তারা উন্মাদ তান্ডবে; মৃত্যুরূপা…

হালিশহরের শ্রীচৈতন্য ডোবা বাংলার পর্যটনে

কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী লিখেছিলেন, বামদিকে হালিশহর দক্ষিণে ত্রিবেণীযাত্রীদের কোলাহলে কিছুই না শুনি হাভেলি থেকে হালিশহর নাম। অতীতের এই স্থানকে বলা হত কুমারহট্ট। কালি সাধক রামপ্রসাদ সেনের বসতভিটা ছিল হালিশহরে। তবে কুমারহট্ট নামটি আরো পুরনো। এককালে সপ্তগ্রাম বন্দরের অধীনে ছিল কুমারহট্ট।…

বোলপুরের কাছেই গুপ্ত, পাল, সেন প্রভৃতি আমলের নিদর্শন! যেন এক সংগ্রহশালা

মুকুট তপাদার পর্ব ২ বাংলার রাঢ় অঞ্চলটির নাম তখন লাড় দেশ। এখানে একাধিক বণিক শ্রেণীর বসবাস ছিল। অজয় নদ ধরে বাণিজ্য চলতো। দেউলী জনপদের কাছেই এক বন্দর নগর গড়ে ওঠে। সুপুর বন্দর। কার্পাস, রেশম, পশম, তসর, নীল, লাক্ষা প্ৰভৃতি নানা…

শীতের সময় খানিক অবসরে চলুন যাই বেনাপুর চর

বেনাপুর চরটি রূপনারায়ণ নদীর তীরে। শীতের মিঠে রোদ এখানে লুকোচুরি খেলে যায়। এই সময় অনেকেই জায়গাটিতে চড়ুইভাতি করেন। এককালে রূপনারায়ণ নদীর পাশে একাধিক জনপদ সংস্কৃতির ইতিহাসে জড়িয়ে আছে। রূপনারায়ণ নদীর অপরূপ সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে। এখানে সূর্যাস্তের অনুভূতি এক অন্যরকম।…