• https://www.langdonparkatwestcovina.com/
  • Mbokslot
  • https://wise.wika.co.id/daftar-tamu
  • http://103.206.170.246:8080/visi/
  • https://ejeutap.edu.co/preguntas-frecuentes
  • https://slotplus777mantap.com/
  • https://www.thebraidsreleaser.com/pages/our-founders
  • https://apps.ban-pdm.id/sispena-paud/index.php/login
  • https://pmb.stkippgri-bkl.ac.id/info-prodi
  • https://pastiwin777.cfd/
  • mbokslot
  • https://solarcity.vn/mua/
  • https://wise.wika.co.id/syarat-dan-ketentuan
  • https://tbhconsultancy.com/join-us/careers/
  • https://www.langdonparkatwestcovina.com/floorplans
  • https://silancar.pekalongankota.go.id/newsilancar/
  • https://app.mywork.com.au/login
  • SLOT PULSA: Deposit Pulsa 100% Tanpa Potongan Gacor dan Slot Deposit 1000 Terpercaya
  • https://aeress.org/noticias/
  • https://aimtamagot.social//
  • https://naturf.net/ser-distribuidor/
  • https://perdami.or.id/web/perdami/1
  • https://tpfx.co.id/jurnal/
  • Mbokslot
  • http://103.81.246.107:35200/templates/itax/-/mbok/
  • https://alpsmedical.com/alps/
  • https://www.atrium.langdonparkatwestcovina.com/
  • https://elibrary.rac.gov.kh/
  • https://heylink.me/Mbokslot.com/
  • https://gentledentalharrow.co.uk/contact-us
  • https://www.capitainestudy.fr/quest-ce-que-le-mba/
  • জঙ্গল Archives - Bhramon Online https://www.bhramononline.com/category/forest/ Bengali Travel Tips & News | Bhraman Online Sat, 17 Jan 2026 18:08:59 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://www.bhramononline.com/wp-content/uploads/2018/07/cropped-logo-footer-1-1-32x32.png জঙ্গল Archives - Bhramon Online https://www.bhramononline.com/category/forest/ 32 32 181502987 শহর ছেড়ে জঙ্গলের ডাক: রনথম্ভৌর বনাম জিম করবেট https://www.bhramononline.com/uncategorized/which-wildlife-sanctuary-you-should-visit-first-ranthambore-or-jim-corbett/ https://www.bhramononline.com/uncategorized/which-wildlife-sanctuary-you-should-visit-first-ranthambore-or-jim-corbett/#respond Sat, 17 Jan 2026 16:20:32 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=120247 ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: শহরের কোলাহল ধীরে ধীরে পেছনে ফেলে যখন গাড়ি এগিয়ে চলে অজানার দিকে, তখনই শুরু হয় প্রকৃত ভ্রমণের

    The post শহর ছেড়ে জঙ্গলের ডাক: রনথম্ভৌর বনাম জিম করবেট appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: শহরের কোলাহল ধীরে ধীরে পেছনে ফেলে যখন গাড়ি এগিয়ে চলে অজানার দিকে, তখনই শুরু হয় প্রকৃত ভ্রমণের রোমাঞ্চ। ভারতের অসংখ্য অরণ্যের মধ্যে রনথম্ভৌর এবং জিম করবেট জাতীয় উদ্যান ভ্রমণপিপাসুদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি গন্তব্য। উভয় জায়গাতেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখার সম্ভাবনা রয়েছে, কিন্তু প্রকৃতি, পরিবেশ এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে এই দুই অরণ্য একেবারেই আলাদা। সেই ভিন্নতাই এই দুই জায়গাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

    কেন বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ রনথম্ভৌর  

    রনথম্ভৌর জাতীয় উদ্যান বিখ্যাত তার তুলনামূলক সহজ টাইগার সাইটিং-এর জন্য। এখানে শুষ্ক পর্ণমোচী বন, পাথুরে পাহাড়, খোলা প্রান্তর এবং বড়ো বড়ো জলাশয় থাকায় প্রাণী দেখার সুযোগ অনেক বেশি। ঘন জঙ্গল না হওয়ায় প্রথমবার সাফারিতে আসা পর্যটকরাও ভালো দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।

    এর সঙ্গে রয়েছে ঐতিহাসিক রনথম্ভৌর দুর্গ, যা অরণ্যের ওপর দাঁড়িয়ে এক নাটকীয় পটভূমি তৈরি করে। ফোটোগ্রাফারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণ। এখানে আসা বেশির ভাগ পর্যটকই সাফারি-কেন্দ্রিক—ভোরে ওঠা, লং লেন্স হাতে জিপে চড়া এবং একটাই লক্ষ্য, বাঘ দেখা।

    রনথম্ভৌর দুর্গ।

    কেন জিম করবেট একেবারে গভীর জঙ্গলের অভিজ্ঞতা দেয়

    ভারতের প্রথম জাতীয় উদ্যান জিম করবেট প্রকৃত অর্থেই একটি জীবন্ত অরণ্য। ঘন শাল বন, নদীর চর, ঘাসের মাঠ এবং আঁকাবাঁকা জঙ্গলপথ এই পার্ককে আলাদা করে তোলে। যারা পাখি দেখা, শান্ত প্রকৃতি আর বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণী উপভোগ করতে চান, তাদের কাছে করবেট আদর্শ।

    এখানে হাতি, ভোঁদড়, কুমির ছাড়াও রয়েছে ৬৫০টিরও বেশি পাখির প্রজাতি। ঘন জঙ্গলের কারণে বাঘ দেখা তুলনামূলক কঠিন হলেও পুরো অভিজ্ঞতাটি অনেক বেশি গভীর ও আবেশময়। ভোরের কুয়াশা, গাছের ফাঁকে আলো-ছায়ার খেলা—সব মিলিয়ে করবেট এক আলাদা মুড তৈরি করে।

    কী ভাবে যাবেন

    রনথম্ভৌর

    রনথম্ভৌর অবস্থিত রাজস্থানের সওয়াই মাধোপুরে।

    ট্রেনে: সওয়াই মাধোপুর রেলস্টেশন দিল্লি ও জয়পুর-সহ বড়ো শহরের সঙ্গে যুক্ত।

    সড়কপথে: জয়পুর থেকে রনথম্ভৌর জাতীয় উদ্যান ১৭৫ কিমি, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার ড্রাইভ।

    বিমানপথে: নিকটতম বিমানবন্দর জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

    জিম করবেট

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যান উত্তরাখণ্ডের রামনগর শহরের কাছে অবস্থিত।

    ট্রেনে: রামনগর স্টেশন দিল্লি থেকে সরাসরি ট্রেনে পৌঁছোনো যায়।

    সড়কপথে: দিল্লি থেকে জিম করবেট জাতীয় উদ্যান ২৭৫ কিমি, প্রায় ৫–৬ ঘণ্টার ড্রাইভ।

    বিমানপথে: নিকটতম বিমানবন্দর পন্থনগর না হলে দিল্লি (যদিও বেশির ভাগ পর্যটক ট্রেন বা গাড়ি পছন্দ করেন)।

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যান, আমডণ্ডা গেট।

    ভ্রমণের সেরা সময়

    রনথম্ভৌর

    অক্টোবর থেকে জুন রনথম্ভৌর ভ্রমণের আদর্শ সময়। বিশেষ করে মার্চ থেকে মে পর্যন্ত জলাশয়ের আশেপাশে প্রাণীদের আনাগোনা বেশি থাকায় টাইগার দেখার সম্ভাবনাও সর্বাধিক।

    জিম করবেট

    করবেট সারা বছর খোলা থাকলেও মূল সাফারি জোনগুলি নভেম্বর থেকে জুন  পর্যন্ত চালু থাকে। শীতকালে পরিষ্কার আকাশ ও ভালো দৃশ্যমানতা পাওয়া যায়, আর গ্রীষ্মে টাইগার ট্র্যাকিংয়ের সুযোগ বেশি। ঝিরনা ও ঢেলা জোন সারা বছর খোলা থাকে, যা অফ-সিজন ভ্রমণকারীদের জন্য সুবিধাজনক।

    ঝুমর বাওরি, রনথম্ভৌর।

    আগে কোনটি ঘুরবেন – রনথম্ভৌর না জিম করবেট?  

    আপনি যদি চান—

    • বেশি বাঘ দেখার সম্ভাবনা
    • খোলা ও নাটকীয় ল্যান্ডস্কেপ
    • তুলনামূলক সহজ সাফারি অভিজ্ঞতা

    তা হলে রনথম্ভৌর দিয়ে শুরু করুন।

    আর যদি আপনার পছন্দ হয়—

    • ঘন জঙ্গল ও নদীর ধারে প্রকৃতি
    • পাখি ও বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণী
    • শান্ত, গভীর অরণ্যের আবেশ

    তা হলে জিম করবেট হবে আদর্শ প্রথম গন্তব্য।

    টিআরএইচ মোহন, কুমায়ুন মণ্ডল বিকাশ নিগম।

    কোথায় থাকবেন

    গুগুল সার্চ করলেই দু’জায়গাতেই বহু থাকার জায়গা পেয়ে যাবেন।

    রনথম্ভৌর জাতীয় উদ্যানের খুব কাছেই সওয়াই মাধোপুরে রাজস্থান পর্যটনের (আরটিডিসি) দু’টি হোটেল আছে – বিনায়ক ও ঝুমর বাওরি।

    বিনায়ক: যোগাযোগ – ০৭৪৬২-২২১৩৩৩, ০৭৪৬২-২২১৩২২, ৯৪১৪৩৪১৯৩৪; ইমেল – vinayak.rtdc@rajasthan.gov.in

    ঝুমর বাওরি: যোগাযোগ – ০৭৪৬২-২২০৪৯৫, ৯৪১৪২৮৭৪৯১; ইমেল – cjb. rtdc@rajasthan.gov.in

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যানের খুব কাছেই কুমায়ুন মণ্ডল বিকাশ নিগমের (কেএমভিএন) দুটি হোটেল আছে – টিআরএইচ মোহন এবং টিআরএইচ রামনগর।

    টিআরএইচ মোহন: যোগাযোগ – ৯৭৫৮৩৩০৮৬৭; ইমেল – crckmvn@gmail.com

    টিআরএইচ রামনগর: যোগাযোগ – ৮৬৫০০০২৫২৭; ইমেল – crckmvn@gmail.com

    The post শহর ছেড়ে জঙ্গলের ডাক: রনথম্ভৌর বনাম জিম করবেট appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/uncategorized/which-wildlife-sanctuary-you-should-visit-first-ranthambore-or-jim-corbett/feed/ 0 120247
    শান্তিনিকেতনের বল্লভপুর অভয়ারণ্যে এসে গেছে পরিযায়ী পাখিরা https://www.bhramononline.com/travel-news/bolpur-shantiniketan-migratory-bird-ballavpur/ https://www.bhramononline.com/travel-news/bolpur-shantiniketan-migratory-bird-ballavpur/#respond Sat, 25 Jan 2025 07:21:03 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=119345 শীতের মরশুমে পরিযায়ী পাখি দেখতে চাইলে ঘুরে আসুন বল্লভপুরের জলাশয় গুলো থেকে। পাখি দেখাও হবে। চাইলে ছবি তুলতে পারবেন। বোলপুর

    The post শান্তিনিকেতনের বল্লভপুর অভয়ারণ্যে এসে গেছে পরিযায়ী পাখিরা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>

    শীতের মরশুমে পরিযায়ী পাখি দেখতে চাইলে ঘুরে আসুন বল্লভপুরের জলাশয় গুলো থেকে। পাখি দেখাও হবে। চাইলে ছবি তুলতে পারবেন।

    বোলপুর শান্তিনিকেতনের প্রান্তে বল্লভপুর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বা ডিয়ার পার্ক লাগোয়া জলাভূমিতে এখন হয়ে উঠেছে পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল। এর বিপরীত দিকে পাশের লালবাঁধে ঠিক একইরকম ছবি।

    শীতের মরশুমে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমায়। শীতপ্রধান দেশ থেকে আসে লালমোন, শামুকখোল, বক, বালিহাঁস, রাঙ্গামুড়ি, বামুনিয়া হাঁস, ভূতিসহ নানা প্রজাতির পাখি।

    ভ্রমণের সেরা সময়:
    নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি

    দেখার জন্য দিনের সময় কি:
    পাখি দেখতে হলে ভোরবেলা আদর্শ সময়। এই সময় পাখির কলকাকলিতে চারপাশ মুখর হয়ে থাকে। সকাল দশটা অব্দি দেখার জন্য ঠিক সময়। আবার শেষ বিকেলে সূর্যাস্তের সময় সবচেয়ে বেশি পাখি দেখতে পারবেন।

    বল্লভপুর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য শান্তিনিকেতনের একদম কাছে হওয়ায় সেখানে প্রতিদিনই সকাল বিকেল দর্শনার্থীরা আসছেন পরিযায়ী পাখি দেখতে। সাধারণত এই সময়টা অভয়ারণ্যে পর্যটকদের ভিড় থাকে।

    কিভাবে যাবেন :
    হাওড়া বা শিয়ালদা থেকে প্রচুর সংখ্যক ট্রেন যায় বোলপুর শান্তিনিকেতন। স্টেশন থেকে টোটো নিয়ে ঘুরে আসুন বল্লভপুর অভয়ারণ্য।

    The post শান্তিনিকেতনের বল্লভপুর অভয়ারণ্যে এসে গেছে পরিযায়ী পাখিরা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/bolpur-shantiniketan-migratory-bird-ballavpur/feed/ 0 119345
    পারমাদন অভয়ারণ্যে পর্যটকদের এবার থেকে প্রবেশমূল্য লাগবে না https://www.bhramononline.com/travel-news/bibhutibhushan-wildlife-sanctuary-parmadan-forest/ https://www.bhramononline.com/travel-news/bibhutibhushan-wildlife-sanctuary-parmadan-forest/#respond Fri, 24 Jan 2025 07:08:37 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=119329 বাগদার পারমাদন অভয়ারণ্যের আর এক নাম বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য। শীতের মরশুমে আসতেই পারেন যদি অরণ্যপ্রেমী হন। বিশাল জঙ্গলে শিমুল, পলাশ, শিরিষ,

    The post পারমাদন অভয়ারণ্যে পর্যটকদের এবার থেকে প্রবেশমূল্য লাগবে না appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    বাগদার পারমাদন অভয়ারণ্যের আর এক নাম বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য। শীতের মরশুমে আসতেই পারেন যদি অরণ্যপ্রেমী হন। বিশাল জঙ্গলে শিমুল, পলাশ, শিরিষ, অর্জুন নানা রকম গাছে বাস করে বহু রকম পাখি।

    অরণ্যের খুব কাছেই সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বসতবাড়ি। তাঁর বিখ্যাত লেখা উপন্যাস ‘আরণ্যক’। তিনি অরণ্য থেকে পেয়েছিলেন মানুষ ও জীবনকে চেনবার শিক্ষা। অনগ্রসর সমাজকে বুঝেছিলেন। তিনি উপন্যাসে লেখেন,

    “এই বর্বর রুক্ষ বন্য প্রকৃতি আমাকে তার স্বাধীনতা ও মুক্তির মন্ত্রে দীক্ষিত করিয়াছে…”

    বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্যতে এতদিন পর্যটকদের জন্য ১০০ টাকা প্রবেশ মূল্য ছিল। বনদপ্তর সূত্রে বলা হয়েছে এবার থেকে অভয়ারণ্যে আসলে পর্যটকদের আর কোন টাকা দিতে হবে না। সরকারের নির্দেশ জারি হয়েছে। এতে পর্যটকদের বিশেষ সুবিধা হবে। অন্যান্য আর কোন অভয়ারণ্যেও প্রবেশ ফি লাগবে না। এই নির্দেশিকা বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যে চালু হচ্ছে।

    প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে জায়গাটি অত্যন্ত প্রিয়। বহু ধরনের বৈচিত্র্যময় পাখির এখানে অবাধ বিচরণ। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবে।

    কিভাবে যাবেন:
    কলকাতা থেকে দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার। শিয়ালদা থেকে ট্রেনে বনগাঁ বা রানাঘাট স্টেশনে নেমে বাসে বা গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায় বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্য।

    The post পারমাদন অভয়ারণ্যে পর্যটকদের এবার থেকে প্রবেশমূল্য লাগবে না appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/bibhutibhushan-wildlife-sanctuary-parmadan-forest/feed/ 0 119329
    বন্দিপুর পার্কে এশিয়ার বৃহত্তম অ্যাটলাস মথ https://www.bhramononline.com/destination/bandipur-national-park-karnataka-forest-atlas-math/ https://www.bhramononline.com/destination/bandipur-national-park-karnataka-forest-atlas-math/#respond Sat, 18 Jan 2025 02:53:39 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=119263 নীলগিরি পর্বতে কর্নাটকের বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান এককথায় মনমুগ্ধকর। কর্নাটকের জাতীয় উদ্যানটি তামিলনাড়ুর মধ্যে প্রবেশ করেছে। তখন সেই অংশটির নাম মদুমালাই।

    The post বন্দিপুর পার্কে এশিয়ার বৃহত্তম অ্যাটলাস মথ appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    নীলগিরি পর্বতে কর্নাটকের বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান এককথায় মনমুগ্ধকর। কর্নাটকের জাতীয় উদ্যানটি তামিলনাড়ুর মধ্যে প্রবেশ করেছে। তখন সেই অংশটির নাম মদুমালাই। একসময় জায়গাটি মহীশূরের ওয়াদিয়া রাজবংশের ছিল। তারা জঙ্গলে হরিণ শিকার করতেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়।

    বাঘ, সাম্বার, চিতল, হাতি, স্লথ বিয়ার বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল বন্দিপুর পার্ক। ১০০টির বেশি প্রজাতির প্রজাপতি এখানে এলে দেখা যায়। তবে এদের মধ্যে অন্যতম অ্যাটলাস মথ। এশিয়ার বৃহত্তম বিরল মথ।

    মথটিকে দেখতে অনেকটাই সাপের মত। দুটি ডানা মেলে বসে পাতা বা ফুলের উপরে। দূর থেকে পাখিরা দেখে মনে করে যেন দুটো সাপ বসে আছে। তারা ভয় পেয়ে উড়ে যায়। এভাবেই পতঙ্গটি রক্ষা পায়। যেন প্রকৃতির এক অদ্ভুত সৃষ্টি।

    এশিয়ার মধ্যে মথটির এক আবাসভূমি এই বন্দিপুর জাতীয় উদ্যানে। এখানে আসলে অ্যাটলাস মথ দেখা মিলবে।

    জাতীয় উদ্যানটি দেখতে ভারতীয়দের জন্য প্রবেশ মূল্য নেওয়া হয়। ভারতীয় মুদ্রায় ৩০০ টাকা। অক্টোবর থেকে মার্চ মাস হল ঘোরার জন্য আদর্শ সময়। এবার শীতে জঙ্গল ঘুরতে চাইছেন? অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসেন, তাহলে বছরের শুরুতে আপনার গন্তব্য হতেই পারে।

    কিভাবে যাবেন :
    নিকটতম রেলস্টেশন মহীশূর জংশন। তাছাড়া রেলপথে ব্যাঙ্গালোর ও কোয়েম্বাটুর স্টেশন এসে সেখান থেকে বাস বা ট্যাক্সিতে বন্দিপুর পার্ক ঘুরে নিন।

    The post বন্দিপুর পার্কে এশিয়ার বৃহত্তম অ্যাটলাস মথ appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/bandipur-national-park-karnataka-forest-atlas-math/feed/ 0 119263
    বর্ষার মরশুমে নেওড়াভ্যালিতে ফের বাঘের হদিস, বন দফতর ব্যস্ত ছবি পুনরুদ্ধারে https://www.bhramononline.com/forest/tiger-sightings-neora-valley-rainy-season-camera-traps/ https://www.bhramononline.com/forest/tiger-sightings-neora-valley-rainy-season-camera-traps/#respond Wed, 21 Aug 2024 05:53:07 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118956 নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যানে বর্ষার মরশুমে আবারও বাঘের চলাফেরা নজরে এসেছে। বৃষ্টি ও কঠিন পরিস্থিতিতে ফাঁদ ক্যামেরার ছবিগুলি পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যস্ত বন দপ্তর।

    The post বর্ষার মরশুমে নেওড়াভ্যালিতে ফের বাঘের হদিস, বন দফতর ব্যস্ত ছবি পুনরুদ্ধারে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    বর্ষার মরশুমে নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যানে ফের বাঘের উপস্থিতির খবরে উৎসাহ ছড়িছে গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগে। ফাঁদ ক্যামেরায় বাঘের ছবি উঠলেও, পাহাড়ি এলাকায় ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে সব ক্যামেরা উদ্ধার করা এখনই সম্ভব হচ্ছে না। যে কটি ক্যামেরা উদ্ধার করা গিয়েছে, তাতে নেওড়াভ্যালির বিভিন্ন জায়গায় মে মাস পর্যন্ত বাঘের চলাফেরার প্রমাণ মিলেছে। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছু জায়গায় বাঘের পায়ের ছাপ পাওয়া গেলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেই ছাপ সম্পূর্ণভাবে উদ্ধার করা যায়নি।

    বন বিভাগের ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন জানিয়েছেন, “নেওড়াভ্যালি জাতীয় উদ্যান সিকিম এবং ভুটানের পাদদেশের সঙ্গে সংযুক্ত। তবে বর্ষার কারণে প্রচুর বৃষ্টি ও হালকা ভূমিধসের কারণে ট্র্যাপ ক্যামেরাগুলি উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত কয়েকটি ক্যামেরা উদ্ধার করা গিয়েছে এবং তাতে বাঘের ছবি রয়েছে। তবে কোন এলাকায় এবং ক’টা বাঘ রয়েছে তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।”

    কালিম্পংয়ের জঙ্গলে মিলল বিরল প্রজাতির বনবিড়াল, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বার

    ২০১৭ সালে প্রথম নেওড়াভ্যালিতে এক গাড়ির চালক আনমোল ছেত্রী বাঘের ছবি তুলে বন দফতরের নজরে আনেন। এরপর থেকে নেওড়াভ্যালির পাহাড়ি অঞ্চলে ফাঁদ ক্যামেরা বসানো শুরু হয়, যা থেকে ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাঘের অনেক ছবি পাওয়া গিয়েছে। এবছর মে মাস পর্যন্তও বাঘের ছবি উঠেছে। তবে টানা বৃষ্টির কারণে ক্যামেরা থেকে সমস্ত ছবি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

    নেওড়াভ্যালির এই অঞ্চলটি সিকিম, ভুটান এবং নেওড়ার জঙ্গল নিয়ে তৈরি ট্রাই জংশন করিডরের অংশ। শীতকালে ভুটান এবং সিকিম থেকে বাঘ নিচু এলাকায় নেমে আসে, এবং তখন ট্র্যাপ ক্যামেরায় বাঘের চলাফেরার ছবি ধরা পড়ে। তবে বর্ষাকালে পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির কারণে ক্যামেরার ছবির মান কিছুটা খারাপ হয়, কিন্তু বন দফতর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সমস্ত ছবি পুনরুদ্ধারের জন্য।

    বন দদফতরের কর্মকর্তারা আশাবাদী, আবহাওয়ার উন্নতি হলে আরও ছবি সংগ্রহ করা সম্ভব হবে এবং নেওড়াভ্যালিতে বাঘের বর্তমান অবস্থান ও সংখ্যা সম্পর্কে আরও সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।

    The post বর্ষার মরশুমে নেওড়াভ্যালিতে ফের বাঘের হদিস, বন দফতর ব্যস্ত ছবি পুনরুদ্ধারে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/forest/tiger-sightings-neora-valley-rainy-season-camera-traps/feed/ 0 118956
    একশৃঙ্গ গণ্ডার বা স্লথ বিয়ার, কোথায় দেখতে পাবেন? রইল দেশের ১০ টি বন্যপ্রাণী পার্কের খুঁটিনাটি https://www.bhramononline.com/forest/10-indian-wildlife-parks-anfd-their-animals/ https://www.bhramononline.com/forest/10-indian-wildlife-parks-anfd-their-animals/#respond Mon, 10 Jun 2024 10:25:00 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118928 প্রকৃতি এবং প্রাণী বৈচিত্র্য ভরা এই ভারতে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ পার্কগুলি। ভারতের বিভিন্ন বন্যপ্রাণী পার্ক এবং

    The post একশৃঙ্গ গণ্ডার বা স্লথ বিয়ার, কোথায় দেখতে পাবেন? রইল দেশের ১০ টি বন্যপ্রাণী পার্কের খুঁটিনাটি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    প্রকৃতি এবং প্রাণী বৈচিত্র্য ভরা এই ভারতে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ পার্কগুলি। ভারতের বিভিন্ন বন্যপ্রাণী পার্ক এবং তাদের বিখ্যাত প্রাণী সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হল:

    কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান (অসম)

    অসম রাজ্যে ব্রহ্মপুত্র নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান। এখানকার বিখ্যাত জন্তু হল একশৃঙ্গ গণ্ডার। কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। এটি একশৃঙ্গ গণ্ডারের বৃহত্তম অভয়ারণ্য। এছাড়াও এখানে হাতি, বাঘ, জলমহিষ এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    কানহা জাতীয় উদ্যান (মধ্যপ্রদেশ)

    মধ্যপ্রদেশের মাণ্ডলা এবং বালাঘাট জেলার মধ্যে অবস্থতি কানহা জাতীয় উদ্যান। এখানকার বিখ্যাত পশু হল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, বারাসিঙ্গা। কানহা জাতীয় উদ্যান ভারতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে বাঘ, লেপার্ড, স্লথ বিয়ার এবং বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ দেখা যায়।

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যান (উত্তরাখণ্ড)

    উত্তরাখণ্ডের নৈনিতাল এবং পাউরি গড়ওয়াল জেলার মধ্যে অবস্থিত। এই পার্ক বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এবং হাতির জন্য। জিম করবেট জাতীয় উদ্যান ভারতের প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যান। এটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের পাশাপাশি হাতি, হরিণ, বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল।

    সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান (পশ্চিমবঙ্গ)

    গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলে, পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, ম্যানগ্রোভ বন অঞ্চলের কুমির এখানকার বিখ্যাত জন্তু। সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, লবণাপ্রিয় কুমির এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও জলজ প্রাণী দেখা যায়।

    ছবি Robert Stokoe

    রান্থম্ভোর জাতীয় উদ্যান (রাজস্থান)

    রাজস্থানের সাওয়াই মাধোপুর জেলায় রান্থম্ভোর জাতীয় উদ্যান অবস্থিত। এখানকার বিখ্যাত জন্তু রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। রান্থম্ভোর জাতীয় উদ্যান টাইগার পর্যবেক্ষণের জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও এখানে চিতল, সাম্বার হরিণ, লেপার্ড, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    আর পড়ুন।

    পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে সমুদ্র, চলুন ভাইজ্যাগের কাছে অসাধারণ সুন্দর এই সৈকতে

    বেড়ে যায় সবুজের ঘনঘটা, তাই গোয়াকে সত্যি করে চিনতে চলুন বর্ষায়

    গির জাতীয় উদ্যান (গুজরাট)

    গুজরাটের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে অবস্থিত গির জাতীয় উদ্যান। এখানকার বিখ্যাত জন্তু এশিয়াটিক সিংহ। গির জাতীয় উদ্যান এশিয়াটিক সিংহের একমাত্র প্রাকৃতিক আবাসস্থল। এখানে চিতল, নীলগাই, চিংকারা এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    পেরিয়ার জাতীয় উদ্যান (কেরালা)

    কেরালার ইদুক্কি এবং পাথানামথিট্টা জেলায় অবস্থিত পেরিয়ার জাতীয় উদ্যান। পেরিয়ার জাতীয় উদ্যানের কেন্দ্রীয় আকর্ষণ হল ভারতীয় হাতি। এছাড়াও এখানে বাঘ, গাউর, সম্বর হরিণ, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    সত্যমঙ্গলম টাইগার রিজার্ভ (তামিলনাড়ু)

    তামিলনাড়ু রাজ্যে অবস্থিত সত্যমঙ্গলম টাইগার রিজার্ভ। সত্যমঙ্গলম টাইগার রিজার্ভ ভারতের অন্যতম নতুন টাইগার রিজার্ভ। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও হাতি, লেপার্ড, গাউর এবং বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ দেখা যায়।

    বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান (কর্ণাটক)

    কর্ণাটকের চামরাজনগর জেলায় অবস্থিত বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান। বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান টাইগার রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হাতি, লেপার্ড, গাউর, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    পেনচ জাতীয় উদ্যান (মধ্যপ্রদেশ/মহারাষ্ট্র)

    মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত। পেনচ জাতীয় উদ্যানের পটভূমিতে রুডইয়ার্ড কিপলিং-এর “দ্য জাঙ্গল বুক” লেখা হয়েছে। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড, হায়েনা, এবং বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ দেখা যায়।

    এই বন্যপ্রাণী পার্কগুলো ভারতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বন্যপ্রাণীর বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করে। সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য এই পার্কগুলো বিশেষভাবে পরিচিত।

    The post একশৃঙ্গ গণ্ডার বা স্লথ বিয়ার, কোথায় দেখতে পাবেন? রইল দেশের ১০ টি বন্যপ্রাণী পার্কের খুঁটিনাটি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/forest/10-indian-wildlife-parks-anfd-their-animals/feed/ 0 118928
    আনলকে চলুন: ডুয়ার্সের টিলাবাড়ি https://www.bhramononline.com/uncategorized/a-trip-to-tilabari-in-dooars-in-unlock-1/ https://www.bhramononline.com/uncategorized/a-trip-to-tilabari-in-dooars-in-unlock-1/#respond Thu, 18 Jun 2020 11:09:48 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=112400 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস জনিত লকডাউনের জেরে প্রায় ভেঙে পড়া অর্থনীতির হাল কিছুটা ফেরাতে এখন শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। বিভিন্ন ক্ষেত্রে

    The post আনলকে চলুন: ডুয়ার্সের টিলাবাড়ি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস জনিত লকডাউনের জেরে প্রায় ভেঙে পড়া অর্থনীতির হাল কিছুটা ফেরাতে এখন শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। বিভিন্ন ক্ষেত্রে কড়াকড়ি শিথিল করা হচ্ছে।

    আনলক পর্বের সুযোগে পর্যটন শিল্পকে কিছুটা স্বমহিমায় ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। তারই অঙ্গ হিসাবে গত ৮ জুন থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে রাজ্য পর্যটনের পাঁচটি ট্যুরিস্ট লজ। রাজ্য পর্যটনের যে পাঁচটি ট্যুরিস্ট লজ খুলেছে তার মধ্যে অন্যতম ডুয়ার্সের টিলাবাড়ি। ট্যুরিস্ট লজ যখন খুলে গেছে, তখন এই আনলক পর্বেই চলুন না, ক’টা দিন কাটিয়ে আসা যাক টিলাবাড়ি থেকে।

    টিলাবাড়ির পথে।

    উপভোগ করুন

    এমনিতে ডুয়ার্সে বর্ষা অফ-সিজন। ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জঙ্গল বন্ধ থাকে। কিন্তু ডুয়ার্সকে যদি সত্যিই তার আসল রূপে দেখতে হয়, তা হলে বর্ষার তুলনা নেই। সবুজ প্রকৃতি এই সময়ে যে অপরূপ সাজে সেজে ওঠে, তা দেশের খুব কম জায়গায় গেলে দেখা যাবে। যদি খুব বেশি ঘোরাঘুরি করতে না চান, যদি রিসর্টের বারান্দায় আয়েশ করে বসে বৃষ্টি পড়া উপভোগ করতে চান, প্রকৃতি-মাকে দু’ চোখ ভরে দেখতে চান, তা হলে বর্ষায় আপনার গন্তব্য হোক ডুয়ার্স।

    ঘোরাঘুরি

    রিসর্টেই বসে থাকতেই হবে, এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয়নি। ঘোরাঘুরি করুন।

    (১) মাত্র ৭ কিমি দূরে মূর্তি। মূর্তি নদীর পাড়ে বসে প্রকৃতি দেখুন বা জলে দাপাদাপি করে আনন্দ ভাগ করে নিন।

    (২) লাটাগুড়ি পেরিয়ে ময়নাগুড়ি হয়ে চলে যান জল্পেশ মন্দিরে, ৩৮ কিমি। দেখুন অদ্ভুত স্থাপত্যের প্রাচীন মন্দির। দর্শন করে আসুন জল্পেশ লিঙ্গ। আবহাওয়া ভালো থাকলে জল্পেশ মন্দিরের চত্বর থেকে পেয়ে যাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘাকে।

    ঝালং।

    (৩) প্রথমে চলুন সামসিং হয়ে সুনতালেখোলা (২৯ কিমি), সেখান থেকে রকি আইল্যান্ড (৫ কিমি)। এর পর চলুন গৈরিবাস হয়ে ঝালং (১৮ কিমি), সেখান থেকে চলুন তোদে তাংতা (১৮ কিমি)। এর পর বিন্দু (২২ কিমি)। বিন্দু থেকে ফিরে আসুন টিলাবাড়িতে, দূরত্ব ৪৯ কিমি।

    (৪) আর এক দিন যেতে পারেন সুখারেতি নদী পেরিয়ে ভুটান সীমান্তে ডায়ানা নদীর ধারে চামুর্চি ইকো পার্কে, দূরত্ব ৩৯ কিমি। তবে বর্ষায় সুখারেতি প্লাবিত হয়ে যেতে পারে। খোঁজখবর নিয়ে নেবেন।

    কী ভাবে যাবেন

    আনলক পর্বে আপাতত একটি ট্রেন চলছে কলকাতা থেকে। পদাতিক এক্সপ্রেস ট্রেনটি এখন রোজ চলছে শিয়ালদহ-নিউ কোচবিহার স্পেশ্যাল হিসাবে। শিয়ালদহ থেকে ছাড়ে রাত্রি ১১টায়, জলপাইগুড়ি রোড পৌঁছোয় সকাল ১০.১৮ মিনিটে। সেখান থেকে টিলাবাড়ি ৩৬ কিমি। ভাড়া গাড়ি পেয়ে যাবেন।

    এ ছাড়াও কলকাতার এসপ্ল্যানেড থেকে বাস পেয়ে যাবেন শিলিগুড়ি তেনজিং নোরগে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত। বাসের জন্য অনলাইন বুকিং redbus.in। শিলিগুড়ি থেকে টিলাবাড়ি ৭১ কিমি। বাসস্ট্যান্ডের বাইরে থেকে ভাড়া গাড়ি পেয়ে যাবেন।

    সামসিং হয়ে সুনতানেখোলার পথে।

    কোথায় থাকবে

    আপনাকে স্বাগত জানানোর জন্য তৈরি টিলাবাড়িতে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন নিগমের তিলোত্তমা ট্যুরিজম প্রপার্টি প্রস্তুত হয়ে আছে। অনলাইন বুকিং: https://wbtdcl.com/।

    মনে রাখুন

    মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব রাখা ইত্যাদি সমস্ত রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: আনলকে চলুন: ঝাড়খণ্ড সীমানায় মাইথন

    The post আনলকে চলুন: ডুয়ার্সের টিলাবাড়ি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/uncategorized/a-trip-to-tilabari-in-dooars-in-unlock-1/feed/ 0 112400
    পশ্চিমঘাট পর্বতের কোলে আটটি অখ্যাত অভয়ারণ্য https://www.bhramononline.com/forest/8-wildlife-sanctuary-of-karnataka/ https://www.bhramononline.com/forest/8-wildlife-sanctuary-of-karnataka/#respond Tue, 15 Oct 2019 17:45:18 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=111052 আমরা জানি পাহাড়, সমুদ্র সৈকত এবং জঙ্গলঘেরা কর্নাটক একটি সুন্দর রাজ্য। এই রাজ্যের পরতে পরতে চমক। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট

    The post পশ্চিমঘাট পর্বতের কোলে আটটি অখ্যাত অভয়ারণ্য appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    আমরা জানি পাহাড়, সমুদ্র সৈকত এবং জঙ্গলঘেরা কর্নাটক একটি সুন্দর রাজ্য। এই রাজ্যের পরতে পরতে চমক। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হাম্পি ছাড়াও আরও অনেক কিছু রয়েছে কর্নাটকে যা পর্যটকদের মুগ্ধ করতে বাধ্য।

    কিন্তু জানেন কি পশ্চিমঘাট পর্বতমালার কোলে চিরহরিত অরণ্যের কথা? ঘন সবুজ এই জঙ্গলে বিভিন্ন প্রাণী ছাড়াও ব্যাঘ্র প্রকল্পও রয়েছে। এছাড়া প্রাকৃতিক সম্পদে এই জঙ্গল গুলি ভরপুর। এছাড়া কর্নাটকে মশলা চাষের ব্যাপারে আমরা সকলেই জানি। তবে এত বড় রাজ্যে আমাদের না ঘোরা অনেক জায়গাই রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমঘাট পর্বতমালার কোলে রয়েছে গভীর অরণ্য। চলুন দেখে আসি কী কী জঙ্গল রয়েছে সেখানে।

    ভদ্র ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি

    চিকমাগালুর ও সিমোগার মাঝে, পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মাঝে ভদ্র ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি ৪৯২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। চিকমাগালুর জেলা থেকে ৩৮ কিলোমিটার দূরে ভদ্র নদীর নামানুসারে এই অরণ্যের নাম। এই বন হল পাখী প্রেমীদের স্বর্গরাজ্য। প্রায় আড়াইশ প্রজাতির পাখি এখানে আছে। এছাড়া বাঘ, লেপার্ড এবং মালাবার কাঠবিড়ালির দেখাও মিলতে পারে।

    দূরত্ব: শিমোগা থেকে ১০৩ কিলোমিটার দূরে, বেঙ্গালুরু থেকে ২৮৫ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: অক্টোবর থেকে মার্চ – এর মধ্যে

    কীভাবে যাবেন

    নিকটতম বিমানবন্দর:  ম্যাঙালোর(১৬৩ কিমি)

    নিকটতম রেলস্টেশন: কাদুর(৪০ কিমি)

    এছাড়া ভদ্রভাতি এবং এছাড়া তারিকেরে এবং বিরুর থেকে বাসে আপনি আসতে পারেন এখানে।

    ব্রহ্মগিরি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

    ব্রহ্মগিরি শৃঙ্গের টঙে অবস্থিত এই অরণ্য কেরালা রাজ্যের ওয়ানাদ এবং কর্নাটক রাজ্যের কুর্গের মাঝে অবস্থিত। এই জঙ্গলে আপনি দেখতে পাবেন ম্যাকাও, হাতি, চিতল হরিণ, নীলগিরি হনুমান ইত্যাদি। এছাড়া এই অঞ্চলের অন্য আকর্ষণ হল থিরুন্নেলাই মন্দির, পক্ষীপাথলম এবং ইরুপ্পু জলপ্রপাত। এছাড়া আপনি যদি অ্যাডভেঞ্চার ভালবাসেন তবে করতে পারেন ট্রেকিংও।

    দূরত্ব: কুর্গ থেকে ৬০ কিলোমিটার এবং বেঙ্গালুরু থেকে ২৭০ কিলোমিটার

    কখন যাবেন? অক্টোবর এবং মে মাস টেক করার জন্য আদর্শ সময়।

    কীভাবে যাবেন?

    নিকটতম বিমানবন্দর হল মায়সুরু (১১৩ কিমি) এবং নিকটতম রেলস্টেশনও হল মায়সুরু (১১০ কিমি)

    এছাড়া কেএসআরটিসি বাসে বেঙ্গালুরু থেকে গোনিক্কোপ্পাল এবং শ্রীমঙ্গলা পর্যন্ত আসতে হবে সেখান থেকে ১০ কিলোমিটার ট্রেক করে পৌঁছতে হবে জঙ্গলে। এছাড়া কেরালা থেকে

    এসআরটিসি বাসে আপনি আসতে পারেন এখানে ।

    ক্যভারি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

    প্রায় ১০২ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই জঙ্গলটি মায়সুরু, বেঙ্গালুরু এবং মান্ডায়া জেলার কিছু অংশ জুড়ে অবস্থিত। এই জঙ্গল সেগুন ইত্যাদি গাছে ভরা। পাখীপ্রেমীদের জন্য এই জঙ্গল স্বর্গরাজ্য। এছাড়া চিতল হরিণ, সম্বর হরিণ, বুনো কুকুরের পাশাপাশি দুই শিং বিশিষ্ট কৃষ্ণসার হরিণ দেখা যায়।

    দূরত্ব:  বেঙ্গালুরু থেকে ৯০ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: আগস্ট থেকে ফেব্রুয়ারি

    কীভাবে যাবেন: নিকটতম বিমানবন্দর বেঙ্গালুরু এবং নিকটতম রেলস্টেশন হল রামনগর

    এছাড়া বেঙ্গালুরু থেকে গাড়িতে  হারোহালি, কনকাপুরা এবং সাথানুর হয়ে যেতে পারেন মুথাথি । এছাড়া এম.এম পাহাড়ে পৌঁছাতে পারেন মাদ্দুর, মালাভাল্লি এবং কোল্লিগাল হয়ে।

    Image result for dandeli wildlife sanctuary

    দানদেলি ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি

    উত্তর কর্নাটকে ৮৭৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই জঙ্গলটি। কালী নদী ছাড়াও

    এই জঙ্গলে বাঘ, নানা রকম পাখী এবং কুমির দেখা যায়। এছাড়া নানারকম অ্যাডভেঞ্চারের ব্যাবস্থাও এখানে আছে যেমন কালী নদীতে রিভার রাফটিং, জঙ্গলের পাহাড়ি রাস্তায় বাইকিং ইত্যাদি। এছাড়া বিভিন্ন প্রাণী যেমন বিভিন্ন ধরনের হরিণ, ভারতীয় প্যাঙ্গোলিন ইত্যাদি দেখা যায়।

    দূরত্ব: বেঙ্গালুরু থেকে ৪৮০ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: মার্চ থেকে অক্টোবর

    কীভাবে যাবেন: নিকটতম বিমানবন্দর হুবলি(৭৫ কিমি) এবং নিকটতম রেলস্টেশন আলনাভর (৩২ কিমি) এবং লন্ডা (৪৮ কিমি)

    এছাড়া যেহেতু ধারওয়ার এই জঙ্গলের নিকটতম শহর, তাই এই জঙ্গল বেঙ্গালুরু, বেলগাঁও, হুবলি এবং কারওয়ার থেকে গাড়িতে এই জঙ্গলে আসা যায়।

    শারাভাথি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

    শিমোগা জেলায় শারাভাথি নদীর ধারে অবস্থিত এই জঙ্গলটি ৪৩১ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। গভীর চিরহরিত বৃক্ষের এই জঙ্গলে জঙ্গল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তায় আছে লায়ন টেইলড ম্যাকাও। এছাড়া লেপার্ড, হনুমান, জংলি কুকুর, শিয়াল, ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলতে পারে। এছাড়া শারাভাথি নদীর ব্যাকওয়াটারে আছে বিভিন্ন জলক্রীড়ার সুযোগ।

    দূরত্ব: বেঙ্গালুরু থেকে ৩৩১ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: যদিও সারা বছরই এই জঙ্গল ঘোরার পক্ষে অনুকূল, তবে নভেম্বর থেকে মে মাসে এই জঙ্গলে গেলে বেশি ভালো লাগবে।

    নিকটতম বিমানবন্দর: হুবলি(১৬৫ কিমি)

    নিকটতম রেলস্টেশন: শিমোগা

    এছাড়া এনএইচ ৫০ এবং এনএইচ ২০৬ রাস্তা দিয়ে বেঙ্গালুরু থেকে শিমোগা আসতে পারবেন টুমকুর এবং আরাসিকেরে হয়ে।

    মুকাম্বিকা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

    শারাভাথি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি সংলগ্ন এলাকায় উদুপি জেলায় ২৪৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে মুকাম্বিকা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি। চিরহরিত বৃক্ষে ঘেরা এই অরণ্যটিও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এই জঙ্গলের সান্নিধ্যে মুকাম্বিকা মন্দিরও পর্যটকদের আরেক আকর্ষণ।

    দূরত্ব: শিমোগা থেকে ১৩০ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: নভেম্বর থেকে এপ্রিল

    কীভাবে যাবেন: নিকটতম রেলস্টেশন হল মুকাম্বিকা (২৮ কিমি) এবং নিকটতম বিমানবন্দর হল ম্যাঙালোর

    এছাড়া কুণ্ডাপুর এবং বিন্দুর থেকে রাস্তা দিয়ে এই জঙ্গল যুক্ত।

    pushpagiri wildlife sanctuary

    পুষ্পগিরি ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

    বেঙ্গালুরু থেকে ২৮৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জঙ্গলটি ১৯৮৭ সালে তৈরি হয়েছিলো। নানা প্রজাতির পাখী এই জঙ্গলে দেখা যায়। খাঁড়াই রাস্তা এবং জলপ্রপাত এবং নিয়ে এই জঙ্গলটি প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। এছাড়া এই জঙ্গলে আপনি দেখতে পাবেন উরন্ত কাঠবিড়ালি, চিতল হরিণ, হাতি ইত্যাদি নানা রকম প্রাণী। এই জঙ্গলটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    দূরত্ব: বেঙ্গালুরু থেকে ২৮৭ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: নভেম্বর থেকে মার্চ

    কীভাবে যাবেন: নিকটতম রেলস্টেশন হল মায়সুরু (১৪৬ কিমি) এবং নিকটতম বিমানবন্দর হল ম্যাঙালোর (১৩৫ কিমি)

    বেঙ্গালুরু থেকে পুষ্পগিরি জঙ্গল আসতে সাড়ে চার ঘন্টা লাগে। এনএইচ ৪২ এবং এসএইচ ৮ রাস্তা দিয়ে আপনি আসতে পারেন এখানে। এছাড়া বিকল্প পথে এনএইচ ২৭৫ ধরে আপনি পৌঁছে যাবেন এই জঙ্গলে।

     Talakaveri wildlife sanctuary

    তালাকাবেরী ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি

    দক্ষিণ কর্নাটকে কোদাগু জেলায় এই জঙ্গলটি ১০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। কাবেরী নদীর নামানুসারে এই জঙ্গলের নামকরণ হয়েছে। অন্যান্য জঙ্গলের চেয়ে এই জঙ্গল দৈর্ঘ্যে একটু ছোট। এই জঙ্গলের কিছু অংশে কফি ও এলাচ চাষ হয়ে থাকে। এছাড়া গভীর চিরহরিত অরণ্যে গন্ধগোকুল, শিয়াল, লেপার্ড, বাঘ ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলতে পারে। এছাড়া দেখা মিলতে পারে কিং কোবরা, পাইথনের মত সাপের।

    দূরত্ব:  বেঙ্গালুরু থেকে ৩০০ কিলোমিটার

    কখন যাবেন: নভেম্বর থেকে এপ্রিল

    কীভাবে যাবেন: নিকটতম বিমানবন্দর হল ম্যাঙালোর এবং নিকটতম রেলস্টেশন হল হাস্সান, থালাস্সেরি, কান্নুর এবং কাসারগোদ।

    এছাড়া গাড়িতে বেঙ্গালুরু থেকে মায়সুরু, মাদিকেরী, কুশালানগর, ভাগামান্ডালা হয়ে পৌঁছে যাবেন তালাকাবেরী। এছাড়া ম্যাঙালোর থেকে তালাকাবেরী পৌঁছে যাবেন পুট্টুর, সুল্লিয়া, কুশালানগর ও ভাগামান্ডালা হয়ে।

    আরও পড়ুন 

    চলুন বেরিয়ে পড়ি: কর্নাটক ১

    চলুন বেরিয়ে পড়ি: কর্নাটক ২

    The post পশ্চিমঘাট পর্বতের কোলে আটটি অখ্যাত অভয়ারণ্য appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/forest/8-wildlife-sanctuary-of-karnataka/feed/ 0 111052
    স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: একাকী গুলমা https://www.bhramononline.com/forest/north-bengal-guide-lets-to-go-gulma/ https://www.bhramononline.com/forest/north-bengal-guide-lets-to-go-gulma/#respond Thu, 26 Sep 2019 05:36:02 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=110883 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এক দিকে মহানন্দা অভয়ারণ্যের জঙ্গল। পাশে ছোট্ট গুলমা রেল স্টেশন। মাঝ দিয়ে কুলকুল করে বয়ে চলেছে মহানন্দা এবং

    The post স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: একাকী গুলমা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এক দিকে মহানন্দা অভয়ারণ্যের জঙ্গল। পাশে ছোট্ট গুলমা রেল স্টেশন। মাঝ দিয়ে কুলকুল করে বয়ে চলেছে মহানন্দা এবং গুলমাখোলা নদী। দূরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে পাহাড়। প্রায়ই পাশের জঙ্গলে হাতি, চিতাবাঘের সঙ্গে দেখা মেলে নানা পাখি, কীটপতঙ্গ-সহ নানা বন্যজন্তুর। নিস্তব্ধ, শান্ত এই পরিবেশে সময় কোথা দিয়ে চলে যায় তা টের পাওয়াই দায়। 

    শিলিগুড়ির উপকন্ঠে হওয়ার ফলে কিছুটা যেন ‘গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না’ গোছের একটা ব্যাপার গুলমার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু একটা দিন শান্তিতে থাকতে চাইলে এই জায়গাটি আদর্শ। গুলমার অন্যতম আকর্ষণ তার একাকী রেলস্টেশন। হাতিদের করিডোর হওয়ার ফলেই মাঝেমধ্যে হাতিমৃত্যুর খবর শোনা যায় এই গুলমা স্টেশনকে কেন্দ্র করেই।

    এখানে থাকার জায়গাটিও অনন্য। চা বাগান ও মহানন্দা অভয়ারণ্যের কোলে খয়রানি বস্তিতে অবস্থিত শান্তির নিবাস হামরো হোম। দিনের বেলা থেকে রাতটা যেন এখানে আরও বেশি মায়াবী। আর সেটা যদি পূর্ণিমা বা তার আশেপাশের কোনো দিন হয় তা হলে তো কথাই নেই। পুরো চত্বরটিই যেন ঢেকে যাবে রুপোলি চাদরে। দূরে পাহাড়ে কার্শিয়াং শহরটি দেখে মনে হবে এক ঝাঁক জোনাকি। এরই মধ্যে খেয়াল করবেন নির্জনতা ভঙ্গ করে ছুটে যাচ্ছে ট্রেন। সে চলে গেলে আবার চারি দিক চুপচাপ।

    আরও পড়ুন স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: মেঘ পিওনের মাহালদিরাম

    গুলমায় থেকেই ঘুরে আসতে পারেন রংটং। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অপূর্ব সুন্দর একটি স্টেশন এই রংটং। শিলিগুড়ির বাসিন্দাদের কাছে খানিক নিঃশ্বাসের জায়গা। তবে কোথাও না গিয়েও একটা গোটা দিন কাটিয়ে দিতে পারেন গুলমায়, প্রাণ ভরে নিতে পারেন অক্সিজেন।

    কী ভাবে যাবেন

    প্রথমে পৌঁছোতে হবে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন বা বাগডোগরা বিমানবন্দরে। ট্রেনের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেখে নিন erail.in-এ। এনজেপি থেকে গুলমা মাত্র ১৭ কিমি। শিলিগুড়ি স্টেশন থেকে মাত্র ১২ মিনিটের লোকাল ট্রেনযাত্রায় পৌঁছে যেতে পারেন গুলমা।

    কোথায় থাকবেন

    এখানে থাকার একমাত্র এবং সব থেকে ভালো জায়গাটি হল হামরো হোম রিসর্ট। গুলমা স্টেশন থেকে ১ কিমি দূরে চাষের জমির মাঝখানে অবস্থিত এই রিসর্ট। যোগাযোগ করার জন্য লগইন করুন হামরো হোমের ওয়েবসাইটে (www.humrohome.com)।

    The post স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: একাকী গুলমা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/forest/north-bengal-guide-lets-to-go-gulma/feed/ 0 110883
    স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: গণ্ডার দেখতে পাতলাখাওয়া https://www.bhramononline.com/forest/visit-patlakhawa-of-dooars-in-north-bengal/ https://www.bhramononline.com/forest/visit-patlakhawa-of-dooars-in-north-bengal/#respond Fri, 13 Sep 2019 11:06:47 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=110673 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: জলদাপাড়া বা গোরুমারা তো রয়েছেই, এ বার গন্ডার দেখতে চলুন পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় গন্ডার অভয়ারণ্য পাতলাখাওয়ায়।  অনেকে হয়তো এখনও

    The post স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: গণ্ডার দেখতে পাতলাখাওয়া appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: জলদাপাড়া বা গোরুমারা তো রয়েছেই, এ বার গন্ডার দেখতে চলুন পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় গন্ডার অভয়ারণ্য পাতলাখাওয়ায়। 

    অনেকে হয়তো এখনও পাতলাখাওয়ার নাম শোনেননি। কিন্তু আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এটি উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। কোচবিহার জেলায় অবস্থিত হলেও, এই পাতলাখাওয়া জঙ্গলটি জলদাপাড়া অভয়ারণ্যের বিস্তৃত একটা অংশ। এক কালে এখানেও গন্ডারের দেখা মিলত। কোচবিহারের রাজা মহারাজারা এক সময় পাতলাখাওয়া রসমতি বনাঞ্চলে শিকারেও যেতেন। তার পর ধীরে ধীরে এখান থেকেও গন্ডাররা জলদাপাড়ার দিকে চলে যায়।

    আগামী ৮ নভেম্বর থেকে পাতলাখাওয়ার রসমতী বনাঞ্চল রাজ্যের তৃতীয় গন্ডার আবাসস্থল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করছে। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের তিনটি গন্ডার দিয়ে ওই নতুন গন্ডার আবাসস্থলের যাত্রা শুরু হচ্ছে।

    সর্বশেষ গন্ডার শুমারি অনুসারে বর্তমানে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে গন্ডারের সংখ্যা ২৩১-২৩৭টি। মাঝেমধ্যে গন্ডারের মধ্যে লড়াইও বেঁধে যাচ্ছে। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে গন্ডারের এই অসম্ভব চাপ কমাতেই রসমতী বনাঞ্চলকে গন্ডার আবাসস্থল করা হচ্ছে। প্রথমে তিনটে গন্ডার নিয়ে আসা হবে। পরে ধীরে ধীরে সংখ্যা বাড়ানো হবে। 

    পাতলাখাওয়া জঙ্গলের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়েছে তোর্সা। গত তিন বছর ধরে এই জঙ্গলকে গন্ডারের আবাসস্থল হিসেবে উপযুক্ত করে তোলা হয়েছে। গন্ডারেরদের প্রিয় খাবার চাড্ডা, পুরুন্ডি, চেপটি ও মালসা ঘাস লাগানো হয়েছে। গন্ডারের ওপরে নজর রাখতে বসানো হয়েছে নজরমিনারও।

    তবে শুধু গন্ডারই নয়, এই জঙ্গলে আগে থেকেই হরিণ, গাউর এবং চিতাবাঘ রয়েছে। ফলে পাতলাখাওয়াতে যদি আপনার গন্ডারদর্শন না-ও হয় তা হলেও হতাশ হওয়ার কিছু থাকবে না।

    বয়ে যায় তোর্সা।

     

    আরও পড়ুন স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: নির্জনতার স্বর্গরাজ্য বুনকুলুং

    এই গন্ডারের জন্যই যে পাতলাখাওয়ায় পর্যটন ধীরে ধীরে গতিপ্রাপ্ত হবে তা বলাই বাহুল্য। ফলে কিছু দিনের মধ্যে সেখানে ভিড়ও বাড়বে। শুরু হবে জঙ্গল সাফারিও। মানুষের কোলাহলের আগেই একবার সুযোগ পেলে এই জঙ্গলটা ঘুরে আসতেই পারেন। জলদাপাড়া-গোরুমারার বাইরে আরও একটা জঙ্গল দর্শন আপনার হয়ে যাবে। 

    কী ভাবে যাবেন

    কোচবিহার থেকে মাত্র ৩০ কিমি দূরে পাতলাখাওয়া। ট্রেনে আসতে চাইলে পৌঁছোতে হবে কোচবিহার বা নিউ কোচবিহার স্টেশন। erail.in থেকে ট্রেন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নিয়ে নিন। বিমানে আসতে হলে বাগডোগরাই ভরসা। সেখান থেকে বাসে বা ট্রেনে কোচবিহার এসে পাতলাখাওয়া পৌঁছোতে পারেন। কোচবিহার থেকে পাতলাখাওয়া পৌঁছোনোর জন্য গাড়ি ভাড়া করতে পারেন। পাতলাখাওয়ার সব থেকে কাছের স্টেশন ঘোকসাডাঙা। একমাত্র শিয়ালদহ-নিউ আলিপুরদুয়ার তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস এই স্টেশনে থামে। স্টেশন থেকে অটো বা টোটো পাওয়া যাবে।

    কোথায় থাকবেন

    রসমতী কটেজ, পাতলাখাওয়া

    কোচবিহারের এত কাছে হওয়ার ফলে হয়তো অনেকেই পাতলাখাওয়ায় রাত্রিবাসের প্রয়োজন মনে করবেন না। কিন্তু জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য এখানে একটা রাত কাটানো উচিত। ভবিষ্যতে হয়তো এখানে আরও রিসর্ট হবে, কিন্তু আপাতত এখানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বনোন্নয়ন এজেন্সির রসমতী কটেজ। সাধারণ দ্বিশয্যা ঘরের ভাড়া ১০০০ টাকা। অনলাইনে বুক করার জন্য লগ ইন করুন wbsfda.org-এই ওয়েবসাইটে।

    The post স্বল্পচেনা উত্তরবঙ্গ: গণ্ডার দেখতে পাতলাখাওয়া appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/forest/visit-patlakhawa-of-dooars-in-north-bengal/feed/ 0 110673