• https://www.langdonparkatwestcovina.com/
  • Mbokslot
  • https://wise.wika.co.id/daftar-tamu
  • http://103.206.170.246:8080/visi/
  • https://ejeutap.edu.co/preguntas-frecuentes
  • https://slotplus777mantap.com/
  • https://www.thebraidsreleaser.com/pages/our-founders
  • https://apps.ban-pdm.id/sispena-paud/index.php/login
  • https://pmb.stkippgri-bkl.ac.id/info-prodi
  • https://pastiwin777.cfd/
  • mbokslot
  • https://solarcity.vn/mua/
  • https://wise.wika.co.id/syarat-dan-ketentuan
  • https://tbhconsultancy.com/join-us/careers/
  • https://www.langdonparkatwestcovina.com/floorplans
  • https://silancar.pekalongankota.go.id/newsilancar/
  • https://app.mywork.com.au/login
  • SLOT PULSA: Deposit Pulsa 100% Tanpa Potongan Gacor dan Slot Deposit 1000 Terpercaya
  • https://aeress.org/noticias/
  • https://aimtamagot.social//
  • https://naturf.net/ser-distribuidor/
  • https://perdami.or.id/web/perdami/1
  • https://tpfx.co.id/jurnal/
  • Mbokslot
  • http://103.81.246.107:35200/templates/itax/-/mbok/
  • https://alpsmedical.com/alps/
  • https://www.atrium.langdonparkatwestcovina.com/
  • https://elibrary.rac.gov.kh/
  • https://heylink.me/Mbokslot.com/
  • https://gentledentalharrow.co.uk/contact-us
  • https://www.capitainestudy.fr/quest-ce-que-le-mba/
  • দেশ Archives - Bhramon Online https://www.bhramononline.com/category/destination/india/ Bengali Travel Tips & News | Bhraman Online Sat, 31 Jan 2026 04:09:31 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://www.bhramononline.com/wp-content/uploads/2018/07/cropped-logo-footer-1-1-32x32.png দেশ Archives - Bhramon Online https://www.bhramononline.com/category/destination/india/ 32 32 181502987 শীতে বারাণসী: আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অনন্য অভিজ্ঞতা https://www.bhramononline.com/destination/winter-trip-to-varanasi-top-things-to-do/ https://www.bhramononline.com/destination/winter-trip-to-varanasi-top-things-to-do/#respond Fri, 30 Jan 2026 19:33:40 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=120284 ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: ভারতের প্রাচীনতম জীবন্ত শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম বারাণসী। গঙ্গার তীরে অবস্থিত এই শহরটি শুধু ধর্মীয় গুরুত্বের জন্য নয়,

    The post শীতে বারাণসী: আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অনন্য অভিজ্ঞতা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: ভারতের প্রাচীনতম জীবন্ত শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম বারাণসী। গঙ্গার তীরে অবস্থিত এই শহরটি শুধু ধর্মীয় গুরুত্বের জন্য নয়, তার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের জন্যও বিশ্ব জুড়ে বিখ্যাত। শীতকাল বারাণসী ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়, কারণ এই সময়ে আবহাওয়া মনোরম থাকে এবং তুলনামূলকভাবে ভিড়ও কম হয়। যারা আধ্যাত্মিক শান্তি, ঐতিহাসিক অনুসন্ধান ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার সন্ধানে আছেন, তাঁদের জন্য বারাণসী এক আদর্শ গন্তব্য।

    শীতকালে বারাণসীতে গেলে যে পাঁচটি অভিজ্ঞতা অবশ্যই নেওয়া উচিত, সেগুলি নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হল।

    দশাশ্বমেধে গঙ্গারতি দর্শন

    বারাণসীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল দশাশ্বমেধ ঘাটে অনুষ্ঠিত সন্ধ্যার গঙ্গা আরতি। প্রতিদিন সূর্যাস্তের সময় পুরোহিতদের সুশৃঙ্খল আচার-অনুষ্ঠান, শঙ্খধ্বনি, মন্ত্রোচ্চারণ এবং প্রদীপের আলো গঙ্গার বুকে এক অপূর্ব দৃশ্য সৃষ্টি করে। শীতের হালকা ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ এই অভিজ্ঞতাকে আরও আবেগময় করে তোলে। এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করলে আত্মিক প্রশান্তি ও এক অনির্বচনীয় অনুভূতি লাভ করা যায়।

    নৌকায় বসে গঙ্গারতি দর্শন।

    গঙ্গায় নৌকাভ্রমণ

    শীতের সকালে গঙ্গায় নৌকাভ্রমণ বারাণসীর অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। কুয়াশার চাদরে ঢাকা নদী, সূর্যোদয়ের সোনালি আভা এবং ঘাটগুলিতে মানুষের প্রাতঃকালীন পূজা-পাঠ এক রহস্যময় পরিবেশ সৃষ্টি করে। নৌকা ভেসে চলে বিভিন্ন ঘাটের পাশ দিয়ে, যেখানে দেখা যায় স্নানরত তীর্থযাত্রী, সাধু-সন্ন্যাসী ও প্রার্থনায় নিমগ্ন সাধারণ মানুষ। এই মুহূর্তগুলো বারাণসীর আত্মাকে অনুভব করার এক অনন্য সুযোগ এনে দেয়।

    বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন

    ভগবান শিবের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান কাশী বিশ্বনাথ মন্দির বারাণসীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। শীতকালে এখানে দর্শনার্থীদের জন্য পরিবেশ থাকে তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক। মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভক্তিপূর্ণ আবেগ, ধূপ-ধুনোর সুবাস এবং ঘণ্টাধ্বনি মিলেমিশে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি করে। এই মন্দির দর্শন বহু ভক্তের কাছে জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। বিশেষ টিকিটে সকাল-সন্ধ্যায় আরতি ও রাজবেশ দেখার প্রথাও আছে।

    বিশ্বনাথ মন্দির। ছবি উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া।

    বারাণসীর অন্যান্য দ্রষ্টব্য দর্শন

    বিশ্বনাথ মন্দির লাগোয়া উত্তরে জ্ঞানের কূপ জ্ঞানভাপী। বিশ্বনাথ মন্দিরের বিপরীতে গলিপথেই ১৭২৫-এ পেশোয়া বাজিরাও ১ম-এর তৈরি অন্নপূর্ণা মন্দির। মানমন্দির ঘাটের কাছে রাজা জয় সিংহের গড়া মানমন্দির তথা যন্তর মন্তর। বিশ্বনাথ মন্দির থেকে ৪ কিমি দূরে ১৮ শতকে বাংলার রানি ভবানীর তৈরি নাগারা শৈলীর দুর্গামন্দির অবশ্য দ্রষ্টব্য। কাছেই রামচরিত মানস স্রষ্টা তুলসীদাসের স্মৃতিতে ১৯৬৪-তে তৈরি শিখর-ধর্মী তুলসী মানস মন্দির। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রয়েছে আর এক বিশ্বনাথ মন্দির।

    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিশ্বনাথ মন্দির।

    সরু গলি ও স্থানীয় বাজারে হাঁটা

    বারাণসীর সরু গলিপথ ও ঐতিহ্যবাহী বাজার ঘুরে দেখলে শহরের প্রকৃত রূপ ধরা পড়ে। এখানকার বাজারে বিখ্যাত বেনারসি সিল্ক, হস্তশিল্প, ধর্মীয় সামগ্রী ও নানা ধরনের স্মারক দ্রব্য পাওয়া যায়। শীতকালে এই গলিগুলোতে হেঁটে বেড়ানো বেশ আরামদায়ক। পথে পথে ছোট চায়ের দোকানে এক কাপ গরম মসলা চা পান করে স্থানীয় জীবনের স্বাদ নেওয়া এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আর চায়ের সঙ্গে মেলে জিভে জল আনা লোভনীয় খাবারদাবার।

    জিভে জল আনা খাবার — কচুরি-সবজি- জিলিপি ও লস্যি।

    সারনাথ ভ্রমণ

    বারাণসী থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সারনাথ বৌদ্ধ ধর্মের এক গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এখানেই গৌতম বুদ্ধ প্রথম ধর্মোপদেশ দেন। শীতকালে মনোরম আবহাওয়ায় ধামেক স্তূপ, প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ এবং সারনাথ প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর ঘুরে দেখার সুযোগ বিশেষভাবে উপভোগ্য। শান্ত পরিবেশে ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতার মেলবন্ধন সারনাথকে এক অনন্য গন্তব্যে পরিণত করেছে।

    ধামেক স্তূপ, সারনাথ।

    ঘুরে আসুন রামনগর

    দশাশ্বমেধ ঘাট থেকে নৌকায় বা গোধুলিয়া থেকে বাসে, অটোয় বা নিজস্ব গাড়ি ভাড়া করে চলুন ১৮ কিমি দূরে রামনগর। দেখে নিন ১৭ শতকের কাশীর রাজবাড়ি, অস্ত্রাগার ও প্রাচীন সংগ্রহশালা। ১৮৭২-এ মূলচাঁদের তৈরি ঘড়িটিও অভিনব। ওই ঘড়িতে চন্দ্র-সূর্যের অবস্থান, দিনক্ষণ-সময়, সবই নির্ভুল মেলে আজও। আর রয়েছে রাজপরিবারের রুপোর পালকি, হাওদা, হাতির দাঁতের মাদুর ইত্যাদি। প্রাসাদের পিছনে গঙ্গাকিনারে রয়েছে রাজা জৈৎ সিংহ নির্মিত দুর্গামন্দিরটিও দেখার মতো।

    কাশী-রামনগর পথে পড়ে ব্যাসকাশী। গঙ্গার পাড়ে ব্যাসদেবের মন্দিরে অষ্টধাতুর তিন মূর্তি – মাঝে ব্যাসদেব, দু’পাশে শুকদেব ও বিশ্বনাথ। মন্দিরে ২৫০ বছরের প্রাচীন ব্যাসদেবের একটি কল্পিত তৈলচিত্রও আছে।

    শীতকালে বারাণসী ভ্রমণ মানেই ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য সমন্বয়। গঙ্গা আরতির আবেশ, ভোরের নৌকাভ্রমণের প্রশান্তি, মন্দিরের ভক্তিপূর্ণ পরিবেশ, সারনাথের শান্ত ধ্যানমগ্নতা এবং গলির কোলাহল—সব মিলিয়ে বারাণসী এমন এক অভিজ্ঞতা দেয়, যা জীবনে অন্তত একবার অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।

    গঙ্গা থেকে রামনগর ফোর্ট তথা রাজবাড়ি।

    কী ভাবে যাবেন

    বারাণসীর মূল শহর থেকে ২২ কিমি দূরে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে বিমান সংযোগ রয়েছে বারাণসীর। গুগুল সার্চ করলেই বিমানের সময়সূচি পেয়ে যাবেন।

    ট্রেনেও বারাণসী যুক্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে। কলকাতা থেকে একাধিক ট্রেন রয়েছে বারাণসী যাওয়ার জন্য। সময় দেখে নিন erail.in থেকে। IRCTC-এর ওয়েবসাইটে গিয়ে টিকিট বুক করতে পারেন।

    কলকাতা থেকে সড়কপথেও যেতে পারেন বারাণসী – দূরত্ব ৬৮৩ কিমি। সময় লাগে ১৪ ঘণ্টা মতো। নিজস্ব গাড়িতে যেতে পারেন। বাসেও যেতে পারেন। সব ধরনের বাস পাওয়া যায়। গুগুলে গিয়ে টিকিট বুক করতে পারেন।

    কোথায় থাকবেন

    বারাণসী থাকার জায়গার অভাব নেই। বারাণসী ও সারনাথে উত্তরপ্রদেশ পর্যটনের (UPSTDC) রাহী ট্যুরিস্ট বাংলো। বুকিং: upstdc.co.in/booking/HotelBooking।

    এ ছাড়াও বিভিন্ন দামের ও মানের অসংখ্য হোটেল-রিসর্ট আছে। আছে ধর্মশালা এবং বিভিন্ন আশ্রমের অতিথি ভবন। গুগুল সন্ধান করলেই পেয়ে যাবেন পেয়ে যাবেন এর হদিস।

    The post শীতে বারাণসী: আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অনন্য অভিজ্ঞতা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/winter-trip-to-varanasi-top-things-to-do/feed/ 0 120284
    শহর ছেড়ে জঙ্গলের ডাক: রনথম্ভৌর বনাম জিম করবেট https://www.bhramononline.com/uncategorized/which-wildlife-sanctuary-you-should-visit-first-ranthambore-or-jim-corbett/ https://www.bhramononline.com/uncategorized/which-wildlife-sanctuary-you-should-visit-first-ranthambore-or-jim-corbett/#respond Sat, 17 Jan 2026 16:20:32 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=120247 ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: শহরের কোলাহল ধীরে ধীরে পেছনে ফেলে যখন গাড়ি এগিয়ে চলে অজানার দিকে, তখনই শুরু হয় প্রকৃত ভ্রমণের

    The post শহর ছেড়ে জঙ্গলের ডাক: রনথম্ভৌর বনাম জিম করবেট appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: শহরের কোলাহল ধীরে ধীরে পেছনে ফেলে যখন গাড়ি এগিয়ে চলে অজানার দিকে, তখনই শুরু হয় প্রকৃত ভ্রমণের রোমাঞ্চ। ভারতের অসংখ্য অরণ্যের মধ্যে রনথম্ভৌর এবং জিম করবেট জাতীয় উদ্যান ভ্রমণপিপাসুদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি গন্তব্য। উভয় জায়গাতেই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখার সম্ভাবনা রয়েছে, কিন্তু প্রকৃতি, পরিবেশ এবং অভিজ্ঞতার দিক থেকে এই দুই অরণ্য একেবারেই আলাদা। সেই ভিন্নতাই এই দুই জায়গাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

    কেন বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের প্রথম পছন্দ রনথম্ভৌর  

    রনথম্ভৌর জাতীয় উদ্যান বিখ্যাত তার তুলনামূলক সহজ টাইগার সাইটিং-এর জন্য। এখানে শুষ্ক পর্ণমোচী বন, পাথুরে পাহাড়, খোলা প্রান্তর এবং বড়ো বড়ো জলাশয় থাকায় প্রাণী দেখার সুযোগ অনেক বেশি। ঘন জঙ্গল না হওয়ায় প্রথমবার সাফারিতে আসা পর্যটকরাও ভালো দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।

    এর সঙ্গে রয়েছে ঐতিহাসিক রনথম্ভৌর দুর্গ, যা অরণ্যের ওপর দাঁড়িয়ে এক নাটকীয় পটভূমি তৈরি করে। ফোটোগ্রাফারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণ। এখানে আসা বেশির ভাগ পর্যটকই সাফারি-কেন্দ্রিক—ভোরে ওঠা, লং লেন্স হাতে জিপে চড়া এবং একটাই লক্ষ্য, বাঘ দেখা।

    রনথম্ভৌর দুর্গ।

    কেন জিম করবেট একেবারে গভীর জঙ্গলের অভিজ্ঞতা দেয়

    ভারতের প্রথম জাতীয় উদ্যান জিম করবেট প্রকৃত অর্থেই একটি জীবন্ত অরণ্য। ঘন শাল বন, নদীর চর, ঘাসের মাঠ এবং আঁকাবাঁকা জঙ্গলপথ এই পার্ককে আলাদা করে তোলে। যারা পাখি দেখা, শান্ত প্রকৃতি আর বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণী উপভোগ করতে চান, তাদের কাছে করবেট আদর্শ।

    এখানে হাতি, ভোঁদড়, কুমির ছাড়াও রয়েছে ৬৫০টিরও বেশি পাখির প্রজাতি। ঘন জঙ্গলের কারণে বাঘ দেখা তুলনামূলক কঠিন হলেও পুরো অভিজ্ঞতাটি অনেক বেশি গভীর ও আবেশময়। ভোরের কুয়াশা, গাছের ফাঁকে আলো-ছায়ার খেলা—সব মিলিয়ে করবেট এক আলাদা মুড তৈরি করে।

    কী ভাবে যাবেন

    রনথম্ভৌর

    রনথম্ভৌর অবস্থিত রাজস্থানের সওয়াই মাধোপুরে।

    ট্রেনে: সওয়াই মাধোপুর রেলস্টেশন দিল্লি ও জয়পুর-সহ বড়ো শহরের সঙ্গে যুক্ত।

    সড়কপথে: জয়পুর থেকে রনথম্ভৌর জাতীয় উদ্যান ১৭৫ কিমি, প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার ড্রাইভ।

    বিমানপথে: নিকটতম বিমানবন্দর জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

    জিম করবেট

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যান উত্তরাখণ্ডের রামনগর শহরের কাছে অবস্থিত।

    ট্রেনে: রামনগর স্টেশন দিল্লি থেকে সরাসরি ট্রেনে পৌঁছোনো যায়।

    সড়কপথে: দিল্লি থেকে জিম করবেট জাতীয় উদ্যান ২৭৫ কিমি, প্রায় ৫–৬ ঘণ্টার ড্রাইভ।

    বিমানপথে: নিকটতম বিমানবন্দর পন্থনগর না হলে দিল্লি (যদিও বেশির ভাগ পর্যটক ট্রেন বা গাড়ি পছন্দ করেন)।

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যান, আমডণ্ডা গেট।

    ভ্রমণের সেরা সময়

    রনথম্ভৌর

    অক্টোবর থেকে জুন রনথম্ভৌর ভ্রমণের আদর্শ সময়। বিশেষ করে মার্চ থেকে মে পর্যন্ত জলাশয়ের আশেপাশে প্রাণীদের আনাগোনা বেশি থাকায় টাইগার দেখার সম্ভাবনাও সর্বাধিক।

    জিম করবেট

    করবেট সারা বছর খোলা থাকলেও মূল সাফারি জোনগুলি নভেম্বর থেকে জুন  পর্যন্ত চালু থাকে। শীতকালে পরিষ্কার আকাশ ও ভালো দৃশ্যমানতা পাওয়া যায়, আর গ্রীষ্মে টাইগার ট্র্যাকিংয়ের সুযোগ বেশি। ঝিরনা ও ঢেলা জোন সারা বছর খোলা থাকে, যা অফ-সিজন ভ্রমণকারীদের জন্য সুবিধাজনক।

    ঝুমর বাওরি, রনথম্ভৌর।

    আগে কোনটি ঘুরবেন – রনথম্ভৌর না জিম করবেট?  

    আপনি যদি চান—

    • বেশি বাঘ দেখার সম্ভাবনা
    • খোলা ও নাটকীয় ল্যান্ডস্কেপ
    • তুলনামূলক সহজ সাফারি অভিজ্ঞতা

    তা হলে রনথম্ভৌর দিয়ে শুরু করুন।

    আর যদি আপনার পছন্দ হয়—

    • ঘন জঙ্গল ও নদীর ধারে প্রকৃতি
    • পাখি ও বৈচিত্র্যময় বন্যপ্রাণী
    • শান্ত, গভীর অরণ্যের আবেশ

    তা হলে জিম করবেট হবে আদর্শ প্রথম গন্তব্য।

    টিআরএইচ মোহন, কুমায়ুন মণ্ডল বিকাশ নিগম।

    কোথায় থাকবেন

    গুগুল সার্চ করলেই দু’জায়গাতেই বহু থাকার জায়গা পেয়ে যাবেন।

    রনথম্ভৌর জাতীয় উদ্যানের খুব কাছেই সওয়াই মাধোপুরে রাজস্থান পর্যটনের (আরটিডিসি) দু’টি হোটেল আছে – বিনায়ক ও ঝুমর বাওরি।

    বিনায়ক: যোগাযোগ – ০৭৪৬২-২২১৩৩৩, ০৭৪৬২-২২১৩২২, ৯৪১৪৩৪১৯৩৪; ইমেল – vinayak.rtdc@rajasthan.gov.in

    ঝুমর বাওরি: যোগাযোগ – ০৭৪৬২-২২০৪৯৫, ৯৪১৪২৮৭৪৯১; ইমেল – cjb. rtdc@rajasthan.gov.in

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যানের খুব কাছেই কুমায়ুন মণ্ডল বিকাশ নিগমের (কেএমভিএন) দুটি হোটেল আছে – টিআরএইচ মোহন এবং টিআরএইচ রামনগর।

    টিআরএইচ মোহন: যোগাযোগ – ৯৭৫৮৩৩০৮৬৭; ইমেল – crckmvn@gmail.com

    টিআরএইচ রামনগর: যোগাযোগ – ৮৬৫০০০২৫২৭; ইমেল – crckmvn@gmail.com

    The post শহর ছেড়ে জঙ্গলের ডাক: রনথম্ভৌর বনাম জিম করবেট appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/uncategorized/which-wildlife-sanctuary-you-should-visit-first-ranthambore-or-jim-corbett/feed/ 0 120247
    দার্জিলিংয়ে যেতে পারছেন না? সমস্যা নেই! বর্ষার রূপে মন ভরাবে দেওমালি, কৈমুর ও তুলিন—তিন বিকল্প পাহাড়ি গন্তব্য https://www.bhramononline.com/destination/india/monsoon-travel-ideas-deomali-kaimur-and-tulin-as-alternatives-to-darjeeling/ https://www.bhramononline.com/destination/india/monsoon-travel-ideas-deomali-kaimur-and-tulin-as-alternatives-to-darjeeling/#respond Wed, 08 Oct 2025 06:05:30 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=120167 উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি ও ধসে বিপর্যয়, তাই দার্জিলিং সফর বাতিল? চিন্তা নেই। মনোরম পাহাড়, ঝর্না আর অরণ্যের টানে ঘুরে আসতে পারেন ওড়িশার দেওমালি, বিহারের কৈমুর বা বাংলার তুলিনে।

    The post দার্জিলিংয়ে যেতে পারছেন না? সমস্যা নেই! বর্ষার রূপে মন ভরাবে দেওমালি, কৈমুর ও তুলিন—তিন বিকল্প পাহাড়ি গন্তব্য appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    উত্তরবঙ্গের বিপর্যয়ে অনেকেই বাতিল করছেন দার্জিলিং সফরের পরিকল্পনা। যদিও আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহের শেষে বর্ষা বিদায় নেবে, তবুও পাহাড়ে যেতে অনেকেই দ্বিধায়। কিন্তু ভ্রমণ তো থেমে থাকে না! প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য রইল তিনটি বিকল্প পাহাড়ি গন্তব্য—দেওমালি (ওড়িশা), কৈমুর (বিহার) এবং তুলিন (পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ)। দার্জিলিংয়ের বিকল্প না হলেও এই জায়গাগুলির সৌন্দর্য মন ভরিয়ে দেবে।

    ১. দেওমালি — ওড়িশার মেঘছোঁয়া পাহাড়

    ওড়িশার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ দেওমালি এখন সবুজে মোড়া। পূর্বঘাট পর্বতমালার কোরাপুট জেলার এই পাহাড়ে বর্ষার জল মিশেছে প্রকৃতির রঙে।
    ঝরনা, উপত্যকা, নদী, মন্দির—সবই একত্রে দেখা যায় এখানে।

    দেখার জায়গা

    • ডুডুমা জলপ্রপাত (মাচকুণ্ড নদীতে)
    • গুপ্তেশ্বর মন্দির (অরণ্যের গুহায় শিবলিঙ্গ)
    • কোলাব ড্যাম ও শবর শ্রীক্ষেত্র
    • কফি বাগিচা এবং নেচার ক্যাম্প

    কী ভাবে যাবেন

    হাওড়া থেকে সম্বলেশ্বরী এক্সপ্রেসে কোরাপুট নামুন। সেখান থেকে দেওমালি ৭০ কিমি দূরে।
    ভুবনেশ্বর থেকেও রোড ট্রিপ করা যায় (৪৬৪ কিমি)।

    কৈমুর । ছবি সংগৃহীত

     ২. কৈমুর — বিহারের অরণ্য ও জলপ্রপাতের রাজ্য

    বিন্ধ্য পর্বতমালার পূর্ব প্রান্ত কৈমুর রেঞ্জ, বর্ষায় হয়ে ওঠে এক টুকরো স্বর্গ।
    সবুজ পাহাড়, উচ্ছ্বল জলপ্রপাত, প্রাচীন মন্দির আর দুর্গ—সবই মিলে ইতিহাস ও প্রকৃতির চমৎকার সংমিশ্রণ।

    দেখার জায়গা:

    • সাসারামের শের শাহ সুরির সমাধি
    • মুন্ডেশ্বরী মন্দির (গুপ্তযুগের স্থাপত্য)
    • ধুঁয়াকুণ্ড, মনঝর কুণ্ড, সীতা কুণ্ড জলপ্রপাত
    • তুতলাভবানী ইকো ট্যুরিজম স্পট
    • করমচাট ও ইন্দ্রপুরা জলাধার
    • কর্কটগড় দুর্গ ও জলপ্রপাত

    কী ভাবে যাবেন

    হাওড়া থেকে রাতে ট্রেন ধরুন — দুন এক্সপ্রেস, পূর্বা, নেতাজি এক্সপ্রেস বা মুম্বই মেল।
    সাসারাম পৌঁছে ঘুরে নিতে পারেন কৈমুর ও রোহতাস জেলার সৌন্দর্য।

    তুলিন। ছবি সংগৃহীত

    ৩. তুলিন — পুরুলিয়ার অদেখা রূপ

    দূরে নয়, কাছেই যদি পাহাড় দেখতে চান, চলে যান পুরুলিয়ার ঝালদা মহকুমার তুলিনে।
    বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে সুবর্ণরেখার ধারে গাছপালা ঘেরা ছোট্ট গ্রামটি এখন অফবিট গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয়।

    দেখার জায়গা

    • মুরুগুমা জলাধার (২৩ কিমি দূরে)
    • অযোধ্যা পাহাড়, পাখি পাহাড়, মার্বেল লেক
    • বামনী ফলস, ছৌ মুখোশের গ্রাম চড়িদা

    কী ভাবে যাবেন

    হাওড়া থেকে ক্রিয়াযোগ এক্সপ্রেস বা রাঁচী শতাব্দী এক্সপ্রেসে মুরী জংশন নামুন।
    মুরী থেকে তুলিন মাত্র ৫ কিমি। সড়কপথেও পুরুলিয়া হয়ে পৌঁছানো যায়।

     দার্জিলিং আপাতত বিপর্যস্ত হলেও দেওমালির মেঘ, কৈমুরের ঝর্না আর তুলিনের অরণ্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

    এই তিন গন্তব্যে আপনি পাবেন প্রকৃতির প্রশান্তি, পাহাড়ি রোমাঞ্চ আর অফবিট সৌন্দর্যের ছোঁয়া—যা দার্জিলিংয়ের বিকল্প না হলেও ভ্রমণপিপাসুদের মন ভরাবে নিশ্চিতভাবেই।

    আরও পড়ুন: পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে সমুদ্র, চলুন ভাইজ্যাগের কাছে অসাধারণ সুন্দর এই সৈকতে

    The post দার্জিলিংয়ে যেতে পারছেন না? সমস্যা নেই! বর্ষার রূপে মন ভরাবে দেওমালি, কৈমুর ও তুলিন—তিন বিকল্প পাহাড়ি গন্তব্য appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/india/monsoon-travel-ideas-deomali-kaimur-and-tulin-as-alternatives-to-darjeeling/feed/ 0 120167
    পর্যটকদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া হিমাচলের ৫ লেক, যাদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হবেনই https://www.bhramononline.com/mountain/hidden-lakes-of-himachal-pradesh-tourist-guide/ https://www.bhramononline.com/mountain/hidden-lakes-of-himachal-pradesh-tourist-guide/#respond Sat, 12 Jul 2025 08:27:11 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=119878 হিমাচল প্রদেশের এমন পাঁচটি লেক যেগুলোর সৌন্দর্য অপার, অথচ অধিকাংশ পর্যটকের নজর এড়িয়ে যায়। জানুন কোথায়, কীভাবে যাবেন এই লুকনো স্বর্গে।

    The post পর্যটকদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া হিমাচলের ৫ লেক, যাদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হবেনই appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    হিমাচল প্রদেশ শুধু হিমালয়ের শোভা নয়, অজানা লুকনো রত্নের ভাণ্ডারও বটে। অধিকাংশ পর্যটক মানালি, কাসৌলি, বা স্পিতি উপত্যকাতেই সীমাবদ্ধ থাকেন। কিন্তু এই রাজ্যে এমন পাঁচটি লেক রয়েছে, যেগুলোর সৌন্দর্য এবং মাহাত্ম্য উপেক্ষিত থেকে যায়—শুধু পথ দুর্গম বা প্রচারের অভাবে। ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-র প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সেই পাঁচটি লুকনো লেকের কথা। জেনে নিন:

     ১. সেরোলসর লেক (Serolsar Lake – তীরথান ভ্যালি, কুলু)

    কুলু থেকে প্রায় ৭৫ কিমি দূরে অবস্থিত ছোট, বৃত্তাকার এই লেকটি যেন আয়নার মতো স্বচ্ছ। জলোরি পাস থেকে ট্রেক করে পৌঁছাতে হয় এখানে। স্থানীয় বিশ্বাস, এই লেকে এক দেবীর বাস, যিনি লেকের শুদ্ধতা রক্ষা করেন। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য আদর্শ এই লেক।

    ২. সোপোনা লেক (Sopona Lake – স্পিতি উপত্যকা)

    স্পিতি, কিন্নর ও লাহৌল জেলার সীমানায়, মানে ও মানেয়োগমা গ্রামের ওপরে অবস্থিত এই মৌসুমি লেকটি গ্লেসিয়ারের গলানো জলে তৈরি হয়। গ্রীষ্মে লেক পরিপূর্ণ থাকে, কিন্তু দেরিতে গেলে শুকনো অবস্থায় পাওয়া যেতে পারে। একেবারেই নিঃসঙ্গ, মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।

    ৩.পরাশর লেক (Prashar Lake – মান্ডি)

    তুষারঢাকা ধৌলাধার পর্বত ও উঁচু বৃক্ষের মাঝে নীল জলের এই লেকটির তীরে রয়েছে পরাশর মুনির নামে একটি প্যাগোডা আকৃতির মন্দির। কথিত আছে, প্রাচীন ঋষিরা এখানে দীর্ঘ সময় ধরে ধ্যান করতেন। এখানে একটি ভাসমান দ্বীপ রয়েছে যা এই লেককে আরও রহস্যময় করে তোলে।

     ৪. চন্দ্র তাল (Chandratal – স্পিতি)

    চাঁদের মতো দেখতে এই লেক ‘মুন লেক’ নামেও পরিচিত। প্রায় ৪৩০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত, জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় ভ্রমণের উপযুক্ত। ট্রেকিং করে পৌঁছতে হয় এখানে, আর এই পথের প্রকৃতি আপনাকে বিস্ময়াবিষ্ট করে তুলবে।

     ৫. সূর্য তাল (Surajtal – লাহৌল-স্পিতি)

    ভারতের তৃতীয় উচ্চতম এবং বিশ্বের ২১তম উচ্চতম লেক এটি। হিন্দু পুরাণ অনুসারে সূর্যদেব এখানে স্নান করেছিলেন, তাই এটি পবিত্র বলে ধরা হয়। আশেপাশে জনবসতি নেই বললেই চলে, নিঃসঙ্গতায় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে চাইলে এটি আদর্শ গন্তব্য।

     ভ্রমণপিপাসুদের জন্য টিপস:

    • এই সব লেক ট্রেক রুটে অবস্থিত, তাই প্রস্তুতি নিয়ে রওনা দিন।
    • মে–সেপ্টেম্বর সময় ভ্রমণের জন্য সেরা।
    • স্থানীয় সংস্কার ও ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখিয়ে ভ্রমণ করুন।

    যদি আপনি প্রকৃতির কোলে কিছু সময় একান্তে কাটাতে চান, এবং পাহাড়ের বুকে এখনও অপরিচিত এমন সৌন্দর্যের খোঁজে থাকেন—তবে হিমাচলের এই পাঁচটি লুকনো লেক আপনার ভ্রমণ তালিকায় থাকতেই হবে। প্রচলিত রুট থেকে একটু সরে এলেই মিলবে অনন্য অভিজ্ঞতা।

    আরও পড়ুন: চলুন সড়কপথে: জয়পুর থেকে জৈসলমের

    The post পর্যটকদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া হিমাচলের ৫ লেক, যাদের সৌন্দর্যে আপনি মুগ্ধ হবেনই appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/mountain/hidden-lakes-of-himachal-pradesh-tourist-guide/feed/ 0 119878
    আজাদ হিন্দ সরকারের জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন লক্ষ্মী সায়গল https://www.bhramononline.com/destination/india/ajad-hind-fauj-netaji-lakshmi-sahgal-revolutionary/ https://www.bhramononline.com/destination/india/ajad-hind-fauj-netaji-lakshmi-sahgal-revolutionary/#respond Mon, 20 Jan 2025 05:18:20 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=119277 ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর ললনা লক্ষ্মী সায়গল। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সেনানায়িকা।লক্ষ্মী সায়গল আজাদ হিন্দ ফৌজের ঝাঁসি রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ছিলেন।

    The post আজাদ হিন্দ সরকারের জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন লক্ষ্মী সায়গল appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর ললনা লক্ষ্মী সায়গল। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সেনানায়িকা।
    লক্ষ্মী সায়গল আজাদ হিন্দ ফৌজের ঝাঁসি রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ছিলেন। তিনি মাদ্রাজ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করে যোগ দেন দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে। এরপর সিঙ্গাপুরে সুভাষচন্দ্র বসুর সাথে সাক্ষাৎ। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তিনি জীবনকে উৎসর্গ করলেন।

    ২৩ জানুয়ারি, আসছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন বা পরাক্রম দিবস। তবে জানেন কি, নেতাজি আজাদ হিন্দ বাহিনীর নারী বিভাগের ভার তুলে দেয় লক্ষ্মী সায়গলের ওপর।

    সায়গল মুক্তিযুদ্ধের সময় বহু শরণার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

    ১৯৪৩ সালে আন্দামানের পোর্টব্লেয়ারে ভারতের সর্বাধিনায়ক নেতাজি পতাকা উত্তোলন করলেন। পতাকা উত্তোলনের পর গাওয়া হলো একটি গান।

    ‘শুভ সুখ চৈন কি বরখা বারসে’

    গানটি ছিল আজাদ হিন্দ সরকারের জাতীয় সংগীত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ভারত ভাগ্য বিধাতা অবলম্বনে লেখা হয়েছিল। সেদিন এই গান লক্ষী সায়গল ও তাঁর সহকর্মীদের সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয়। মাদ্রাজি স্টুডিওতে পরে এই গান রেকর্ড করা হয়। গানটি গেয়েছিলেন লক্ষী সায়গল। ভারতীয়দের কাছে সেই রেকর্ডটি খুব বড় সম্পদ।

    The post আজাদ হিন্দ সরকারের জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন লক্ষ্মী সায়গল appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/india/ajad-hind-fauj-netaji-lakshmi-sahgal-revolutionary/feed/ 0 119277
    বাঙালির প্রিয় বেড়ানোর জায়গা যেখানে গেলেই পাবেন তেনাদের দেখা https://www.bhramononline.com/destination/visit-araku-valley-and-have-uncanny-feelings-in-several-places/ https://www.bhramononline.com/destination/visit-araku-valley-and-have-uncanny-feelings-in-several-places/#respond Wed, 24 Jul 2024 07:48:29 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118947 মৌ বসু কথায় বলে বাঙালির পায়ের তলায় সরষে। বাঙালির যতগুলি অত্যন্ত প্রিয় পর্যটনকেন্দ্র আছে তাদের মধ্যে অন্যতম অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম বা

    The post বাঙালির প্রিয় বেড়ানোর জায়গা যেখানে গেলেই পাবেন তেনাদের দেখা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    মৌ বসু

    কথায় বলে বাঙালির পায়ের তলায় সরষে। বাঙালির যতগুলি অত্যন্ত প্রিয় পর্যটনকেন্দ্র আছে তাদের মধ্যে অন্যতম অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম বা ভাইজাগ। পাহাড়, সমুদ্র, কফিবাগান, আদিবাসী সমাজ, সব কিছুর দেখা মেলে বিশাখাপত্তনমে। আর বিশাখাপত্তনমের আর-এক আকর্ষণ ১১৩ কিমি দূরের আরাকু।

    সবুজের সমারোহ এই আরাকু উপত্যকা। প্রকৃতি যেন ঢেলে সাজিয়েছে নিজেকে আরাকুতে। আরাকু যেমন প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বর্গরাজ্য তেমনই অ্যাডভেঞ্চার যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদেরও বেড়ানোর প্রিয় গন্তব্য।। রোমাঞ্চকর ভৌতিক অনুভূতি পেতে আপনার গন্তব্য হতেই পারে দক্ষিণ ভারতের এই পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র।

    অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকরভূমি বলা চলে আরাকুর চাপারাই বা ডুমব্রিগুদা জলপ্রপাত। পাদেরুগামী সড়কে আরাকু থেকে মাত্র ১৩ কিমি দূরে এই জলপ্রপাত। অনেক পর্যটক এখানে বেড়াতে এসে সন্ধ্যা নামলেই অচেনা কারওর কান্নার আওয়াজ পেয়েছেন বলে দাবি করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জলপ্রপাতের জলে ডুবে মৃত্যু হওয়া এক তরুণীর অশরীরী আত্মাকে এখানে দেখা যায়।

    চাপারাই বা ডুমব্রিগুদা জলপ্রপাত।

    আরাকুর সর্বোচ্চ জায়গা হল গালিকোন্ডা ভিউপয়েন্ট। ৪৩০০ ফুট উঁচু। গোটা আরাকু উপত্যকার অসাধারণ দৃশ্য চাক্ষুষ করা যায় এখানে ভিউপয়েন্ট থেকে। সূর্যাস্তের পর অনেকেই এই জায়গায় বুদ্ধিতে ব্যাখ্যা করা যায় না এমন সব ভৌতিক অনুভূতি পেয়েছেন। অনেকেই এখানে রাতারাতি অস্বাভাবিক ভাবে ঠান্ডা শিরশিরানি ধরানো অনুভূতি পেয়েছেন।

    আরাকু উপত্যকায় ঘন সবুজ জঙ্গলে ঢাকা অনন্তগিরিতে বিঘার পর বিঘা বিস্তৃত কফির বাগানের দেখা মেলে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা সন্ধ্যা নামার পর কফির বাগানের দিকে যেতে বারণ করেন। ইকো-ট্যুরিজমের জন্য পরিচিত টাইদা নেচার ক্যাম্পও খুব জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র আরাকুর। অনেকেই এই নেচার ক্যাম্পে এসে তাঁবুর মধ্যে রাত কাটাতে পছন্দ করেন। অনেকেই রাতের অন্ধকারে এই নির্জন জায়গায় তাঁবুর বাইরে কারওর গলার আওয়াজ, ফিসফিসানি স্বর শুনতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাঁবুর বাইরে বেরিয়ে এলে কারওকে দেখতে পাননি। ফুলে ও গাছপালায় ঢাকা আরাকুর পদ্মপুরম গার্ডেনের পুরোনো অংশে অনেকেই বাগানের পুরোনো প্রয়াত এক নিরাপত্তারক্ষীর আত্মাকে দেখেছেন বলে দাবি করেন।

    পদ্মপুরম গার্ডেন।

    আদিবাসী সমাজ ও সংস্কৃতির এক ঝলক দেখা মেলে আরাকুর আদিবাসী মিউজিয়ামে গেলে। সেখানেও অনেকে অনেক সময় রহস্যময় আওয়াজ পেয়েছেন শুনতে। প্রাকৃতিক ভাবে স্টালাকটাইট ও স্ট্যালাগমাইট পাথর আপনাআপনি বহু বছর ধরে জমে জমে গড়ে তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক গুহা বোরা কেভ। অনেকেই অন্ধকারের মধ্যে কারওর পায়ের শব্দ, ফিসফিসানি স্বর টের পেয়েছেন বলে দাবি করেন। তবে সেখানেও কারওর দেখা মেলেনি।

    বোরা গুহার পাশেই নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে গোস্তানি নদী। গোদাবরীর শাখা নদী গোস্তানি। সন্ধ্যা নামলেই অচেনা অজানা রহস্যময় আওয়াজ অনেকেই শুনতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। আরাকুর অন্যতম ভৌতিক রহস্যময় জায়গা বলে কুখ্যাত গোস্তানি নদীর পাড়।

    আরও পড়ুন

    পর্যটকদের নতুন গন্তব্য উত্তরপ্রদেশের রানিপুর টাইগার রিজার্ভ

    The post বাঙালির প্রিয় বেড়ানোর জায়গা যেখানে গেলেই পাবেন তেনাদের দেখা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/visit-araku-valley-and-have-uncanny-feelings-in-several-places/feed/ 0 118947
    পর্যটকদের নতুন গন্তব্য উত্তরপ্রদেশের রানিপুর টাইগার রিজার্ভ https://www.bhramononline.com/destination/ranipur-tiger-reserve-in-uttar-pradesh-is-becoming-a-new-eco-tourism-destination/ https://www.bhramononline.com/destination/ranipur-tiger-reserve-in-uttar-pradesh-is-becoming-a-new-eco-tourism-destination/#respond Wed, 19 Jun 2024 12:40:43 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118939 ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটে রানিপুর টাইগার রিজার্ভ পর্যটকদের নতুন গন্তব্য হয়ে উঠছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার এই টাইগার রিজার্ভকে পরিবেশ-পর্যটন গন্তব্য

    The post পর্যটকদের নতুন গন্তব্য উত্তরপ্রদেশের রানিপুর টাইগার রিজার্ভ appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটে রানিপুর টাইগার রিজার্ভ পর্যটকদের নতুন গন্তব্য হয়ে উঠছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার এই টাইগার রিজার্ভকে পরিবেশ-পর্যটন গন্তব্য হিসাবে গড়ে তুলছে। এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং তা রূপায়ণের কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের বোন দফতর।

    রাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং তাকে ঘিরে যে বাফার এলাকা রয়েছে সেখানে পর্যটকদের জন্য নানারকম ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিস্তীর্ণ লন-সহ বিলাসবহুল তাঁবু গড়ে তোলা। এই উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য ৩৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হবে। শুধু পর্যটকদের জন্য বিলাসবহুল তাঁবু গড়ে তোলাই নয়, বাফার এলাকায় অন্যান্য পরিকাঠামোরও উন্নতি ঘটানো হচ্ছে। বন দফতর ইতিমধ্যেই এর কাজ শুরু করে দিয়েছে। এ ব্যাপারে নির্দেশিকা জারি করেছেন রানিপুর টাইগার রিজার্ভের ডেপুটি ডিরেক্টর।

    ২৩০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিশিষ্ট রানিপুর টাইগার রিজার্ভ উত্তরপ্রদেশের চতুর্থ তথা ভারতের ৫৩তম টাইগার রিজার্ভ। উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূট জেলায় ১৯৭৭ রানিপুর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হয়। নানা ধরনের বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল এই রানিপুর। এর মধ্যে রয়েছে বাঘ, চিতাবাঘ, চিঙ্কারা হরিণ, সম্বর হরিণ, ভল্লুক, নীলগাই ইত্যাদি। রানিপুরের জঙ্গলে রয়েছে বাঁশ, পলাশ, খয়ের, তেন্দু ইত্যাদি গাছ। পাহাড়-নদীতে ঘেরা রানিপুর প্রকৃতির এক স্বর্গরাজ্য। মধ্যপ্রদেশের পান্না টাইগার রিজার্ভ থেকে ১৫০ কিমি দূরে।

    কী ভাবে যাবেন রানিপুর

    কলকাতা থেকে ট্রেনে মৌ রানিপুর। ১৯ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লাগে যেতে। এখান থেকে রানিপুর ১০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে চলে যান। খাজুরাহো থেকে রানিপুর সড়কপথে ১৭০ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে যেতে পারেন। খাজুরাহো দেখতে গিয়ে ঘুরে নিতে পারেন রানিপুর।

    আরও পড়ুন

    পুণ্যার্থীদের জন্য সুখবর! খুলল পুরীর মন্দিরের ৪ দরজা

    The post পর্যটকদের নতুন গন্তব্য উত্তরপ্রদেশের রানিপুর টাইগার রিজার্ভ appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/ranipur-tiger-reserve-in-uttar-pradesh-is-becoming-a-new-eco-tourism-destination/feed/ 0 118939
    একশৃঙ্গ গণ্ডার বা স্লথ বিয়ার, কোথায় দেখতে পাবেন? রইল দেশের ১০ টি বন্যপ্রাণী পার্কের খুঁটিনাটি https://www.bhramononline.com/forest/10-indian-wildlife-parks-anfd-their-animals/ https://www.bhramononline.com/forest/10-indian-wildlife-parks-anfd-their-animals/#respond Mon, 10 Jun 2024 10:25:00 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118928 প্রকৃতি এবং প্রাণী বৈচিত্র্য ভরা এই ভারতে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ পার্কগুলি। ভারতের বিভিন্ন বন্যপ্রাণী পার্ক এবং

    The post একশৃঙ্গ গণ্ডার বা স্লথ বিয়ার, কোথায় দেখতে পাবেন? রইল দেশের ১০ টি বন্যপ্রাণী পার্কের খুঁটিনাটি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    প্রকৃতি এবং প্রাণী বৈচিত্র্য ভরা এই ভারতে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ পার্কগুলি। ভারতের বিভিন্ন বন্যপ্রাণী পার্ক এবং তাদের বিখ্যাত প্রাণী সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হল:

    কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান (অসম)

    অসম রাজ্যে ব্রহ্মপুত্র নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান। এখানকার বিখ্যাত জন্তু হল একশৃঙ্গ গণ্ডার। কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। এটি একশৃঙ্গ গণ্ডারের বৃহত্তম অভয়ারণ্য। এছাড়াও এখানে হাতি, বাঘ, জলমহিষ এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    কানহা জাতীয় উদ্যান (মধ্যপ্রদেশ)

    মধ্যপ্রদেশের মাণ্ডলা এবং বালাঘাট জেলার মধ্যে অবস্থতি কানহা জাতীয় উদ্যান। এখানকার বিখ্যাত পশু হল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, বারাসিঙ্গা। কানহা জাতীয় উদ্যান ভারতীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে বাঘ, লেপার্ড, স্লথ বিয়ার এবং বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ দেখা যায়।

    জিম করবেট জাতীয় উদ্যান (উত্তরাখণ্ড)

    উত্তরাখণ্ডের নৈনিতাল এবং পাউরি গড়ওয়াল জেলার মধ্যে অবস্থিত। এই পার্ক বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এবং হাতির জন্য। জিম করবেট জাতীয় উদ্যান ভারতের প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যান। এটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের পাশাপাশি হাতি, হরিণ, বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল।

    সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান (পশ্চিমবঙ্গ)

    গাঙ্গেয় বদ্বীপ অঞ্চলে, পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, ম্যানগ্রোভ বন অঞ্চলের কুমির এখানকার বিখ্যাত জন্তু। সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এবং বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, লবণাপ্রিয় কুমির এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও জলজ প্রাণী দেখা যায়।

    ছবি Robert Stokoe

    রান্থম্ভোর জাতীয় উদ্যান (রাজস্থান)

    রাজস্থানের সাওয়াই মাধোপুর জেলায় রান্থম্ভোর জাতীয় উদ্যান অবস্থিত। এখানকার বিখ্যাত জন্তু রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। রান্থম্ভোর জাতীয় উদ্যান টাইগার পর্যবেক্ষণের জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও এখানে চিতল, সাম্বার হরিণ, লেপার্ড, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    আর পড়ুন।

    পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে সমুদ্র, চলুন ভাইজ্যাগের কাছে অসাধারণ সুন্দর এই সৈকতে

    বেড়ে যায় সবুজের ঘনঘটা, তাই গোয়াকে সত্যি করে চিনতে চলুন বর্ষায়

    গির জাতীয় উদ্যান (গুজরাট)

    গুজরাটের সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে অবস্থিত গির জাতীয় উদ্যান। এখানকার বিখ্যাত জন্তু এশিয়াটিক সিংহ। গির জাতীয় উদ্যান এশিয়াটিক সিংহের একমাত্র প্রাকৃতিক আবাসস্থল। এখানে চিতল, নীলগাই, চিংকারা এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    পেরিয়ার জাতীয় উদ্যান (কেরালা)

    কেরালার ইদুক্কি এবং পাথানামথিট্টা জেলায় অবস্থিত পেরিয়ার জাতীয় উদ্যান। পেরিয়ার জাতীয় উদ্যানের কেন্দ্রীয় আকর্ষণ হল ভারতীয় হাতি। এছাড়াও এখানে বাঘ, গাউর, সম্বর হরিণ, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    সত্যমঙ্গলম টাইগার রিজার্ভ (তামিলনাড়ু)

    তামিলনাড়ু রাজ্যে অবস্থিত সত্যমঙ্গলম টাইগার রিজার্ভ। সত্যমঙ্গলম টাইগার রিজার্ভ ভারতের অন্যতম নতুন টাইগার রিজার্ভ। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ছাড়াও হাতি, লেপার্ড, গাউর এবং বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ দেখা যায়।

    বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান (কর্ণাটক)

    কর্ণাটকের চামরাজনগর জেলায় অবস্থিত বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান। বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান টাইগার রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, হাতি, লেপার্ড, গাউর, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়।

    পেনচ জাতীয় উদ্যান (মধ্যপ্রদেশ/মহারাষ্ট্র)

    মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্র রাজ্যের সীমান্তে অবস্থিত। পেনচ জাতীয় উদ্যানের পটভূমিতে রুডইয়ার্ড কিপলিং-এর “দ্য জাঙ্গল বুক” লেখা হয়েছে। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড, হায়েনা, এবং বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ দেখা যায়।

    এই বন্যপ্রাণী পার্কগুলো ভারতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বন্যপ্রাণীর বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করে। সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য এই পার্কগুলো বিশেষভাবে পরিচিত।

    The post একশৃঙ্গ গণ্ডার বা স্লথ বিয়ার, কোথায় দেখতে পাবেন? রইল দেশের ১০ টি বন্যপ্রাণী পার্কের খুঁটিনাটি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/forest/10-indian-wildlife-parks-anfd-their-animals/feed/ 0 118928
    জিরো পয়েন্ট থেকে ৫ কিমি, পর্যটকদের জন্য খুলে গেল উত্তর সিকিমের সাংলাফু লেক    https://www.bhramononline.com/destination/india/sanglaphu-lake-in-north-sikkim-is-now-open-for-tourists/ https://www.bhramononline.com/destination/india/sanglaphu-lake-in-north-sikkim-is-now-open-for-tourists/#respond Tue, 07 May 2024 08:36:18 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118920 ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: পর্যটন-সম্পদে ভরপুর সিকিম। পর্যটকরা সিকিমে বেড়াতে গিয়ে সাধারণত যে সব জায়গা ঘুরে আসেন, তার বাইরেও রয়েছে অনেক

    The post জিরো পয়েন্ট থেকে ৫ কিমি, পর্যটকদের জন্য খুলে গেল উত্তর সিকিমের সাংলাফু লেক    appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: পর্যটন-সম্পদে ভরপুর সিকিম। পর্যটকরা সিকিমে বেড়াতে গিয়ে সাধারণত যে সব জায়গা ঘুরে আসেন, তার বাইরেও রয়েছে অনেক ‘লুকোনো রত্ন’। একটু একটু সে সব জায়গা খুলে দেওয়া হচ্ছে পর্যটকদের কাছে। তেমনই একটি দ্রষ্টব্য হল ‘সাংলাফু চো’ অর্থাৎ সাংলাফু লেক। মে মাসের গোড়াতেই এই পর্যটনস্থল খুলে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের জন্য। ধর্মীয় রীতি মেনে স্থানীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা আনুষ্ঠানিক ভাবে এই লেক উদ্বোধন করেন।

    সিকিমের অত্যন্ত জনপ্রিয় গন্তব্য উত্তর সিকিম। উত্তর সিকিমে পর্যটকরা ঘুরে আসেন লাচুং, ইয়ুমথাং ভ্যালি, জিরো পয়েন্ট, কাটাও, লাচেন আর গুরুদোংমার লেক। কিন্তু এবার থেকে পর্যটকরা অবশ্যই দেখে আসবেন সাংলাফু লেক। সমুদ্রতল থেকে ৫০৮০ মিটার অর্থাৎ প্রায় ১৬৬৭০ ফুট উঁচুতে এই লেক লাচুং থেকে যেতে হয়। জিরো পয়েন্ট তথা ইউমেসামডং থেকে ৫ কিমি দূরে সাংলাফু লেক।

    সাংলাফু লেক স্থানীয় মানুষদের কাছে ‘গ্রেট লেক’ নামে পরিচিত। এত দিন এই দ্রষ্টব্যের দরজা পর্যটকদের কাছে বন্ধ থাকলেও স্থানীয়দের যেতে কোনো বাধা ছিল না। তবে এখানে যাওয়া খুব সহজ ছিল না। দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে এখানে যেতে হত। স্থানীয়রা এই লেকটিকে খুব পবিত্র স্থান বলে মনে করেন। তাঁরা মনে করেন, এটি একটি তীর্থস্থান। এই লেকের ধারে গিয়ে তাঁরা প্রার্থনা করেন। এই লেকের জল তাঁদের কাছে খুবই পবিত্র।

    পর্যটকদের কাছে লেক খুলে দেওয়ার জন্য যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি হল তা-ও ছিল দেখার মতো। এক বিশেষ প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়। তাতে যোগ দেন লাচুংয়ের সামতেন চোলিং মন্যাস্টেরির বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা। স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং গাড়িচালকেরাও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। পর্যটকদের জন্য সাংলাফু লেক খুলে দেওয়ায় খুশি সবাই, এমনকি বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা।  

    এখন সাংলাফু লেক পর্যন্ত ফোর হুইল ড্রাইভের রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে উত্তর সিকিম গেলে অবশ্যই ঘুরে আসবেন সাংলাফু লেক। তবে সেখানকার পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না। একবার ব্যবহারযোগ্য এমন প্লাস্টিক কিংবা টেট্রা প্যাক সঙ্গে রাখবেন না। আর লেকের আশপাশে থুতু ফেলা নৈব নৈব চ। মনে রাখবেন, লেকের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও আপনার দায়িত্ব।

    আরও পড়ুন

    পাল আমলের স্মৃতি বহন করছে তাম্রলিপ্ত

    The post জিরো পয়েন্ট থেকে ৫ কিমি, পর্যটকদের জন্য খুলে গেল উত্তর সিকিমের সাংলাফু লেক    appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/india/sanglaphu-lake-in-north-sikkim-is-now-open-for-tourists/feed/ 0 118920
    পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে সমুদ্র, চলুন ভাইজ্যাগের কাছে অসাধারণ সুন্দর এই সৈকতে https://www.bhramononline.com/destination/an-offbeat-beach-near-vizag-named-thantadi/ https://www.bhramononline.com/destination/an-offbeat-beach-near-vizag-named-thantadi/#respond Fri, 01 Dec 2023 04:02:52 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118865 শ্রয়ণ সেন বিশাখাপত্তনমের উত্তরে ভিমুনিপত্তনম তথা ভিমলি এবং দক্ষিণে রেভুপালভারেম। মোটামুটি ১০০ কিলোমিটার বিস্তৃত এই অঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিম উপকূলের অদ্ভুত

    The post পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে সমুদ্র, চলুন ভাইজ্যাগের কাছে অসাধারণ সুন্দর এই সৈকতে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    শ্রয়ণ সেন

    বিশাখাপত্তনমের উত্তরে ভিমুনিপত্তনম তথা ভিমলি এবং দক্ষিণে রেভুপালভারেম। মোটামুটি ১০০ কিলোমিটার বিস্তৃত এই অঞ্চলের সঙ্গে পশ্চিম উপকূলের অদ্ভুত এক মিল আছে। পূর্ব উপকূলে শুধুমাত্র এই ১০০ কিলোমিটার অঞ্চলেই পাহাড় এবং সমুদ্র একদম গায়ে লেগে থাকে। মনে হয় যেন পাহাড়ের গায় হেলান দিয়ে রয়েছে সমুদ্র।

    ঠিক সেই কারণেই এই অঞ্চলে যে সমুদ্রসৈকতগুলো আছে, তাদের সৌন্দর্য ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। এর মধ্যে কয়েকটি যেমন পর্যটকদের কাছে অতি পরিচিত, তেমনই বেশ কিছু সৈকত আছে যেগুলিতে স্থানীয়রা ছাড়া কারও পা পড়ে না। তেমনই এক সৈকত হল তান্তাডি সৈকত।

    নৈসর্গিক শোভা এবং অসাধারণ পটভুমির মধ্যে অবস্থিত সুন্দর এই সৈকতটি বেশ অনেকটাই দীর্ঘ। তবে তার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল দুটি পাহাড়ের মাঝে এক চিলতে সমুদ্র। পাহাড়গুলো ছোটো। মনে হচ্ছে যেন নিজেরাই ইচ্ছে করে সমুদ্রে গিয়ে ডুব দিয়েছে। ওই পাহাড়ের ওপর থেকে নীচের সৈকতটাকে অসাধারণ লাগে। ছবি-শিকারিদের আদর্শ জায়গা।

    পাথরে ধাক্কা খেয়ে বিশাল আকার নেয় বালিয়াড়িতে আছড়ে পড়া ঢেউগুলি। পাহাড়ের ওপর থেকে সমুদ্র দেখতে দারুণ লাগে ঠিকই, কিন্তু সাবধানতাও অবলম্বন করা বাঞ্ছনীয়। কারণ এক মুহূর্তের অসতর্কতায় ঘটে যেতে পারে বিরাট অঘটন। সৈকত ধরে পাঁচশো মিটার উত্তর দিকে হাঁটলে আরও একটা পাহাড় পড়বে। এই পাহাড়টির গঠনশৈলী রীতিমতো চোখধাঁধানো। সব মিলিয়ে কয়েকটা ঘণ্টা এই সৈকতে কাটাতে পারলে আপনার দারুণ লাগবেই।

    কী ভাবে যাবেন এবং কোথায় থাকবেন?

    ভাইজ্যাগ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরের এই সৈকতে যাওয়ার জন্য ভাড়া করা নিজস্ব গাড়ির ওপরেই ভরসা করতে হবে আপনাকে। কারণ ভাইজ্যাগে সরকারি বাস পরিষেবা খুব ভালো হলেও এই সৈকতে বাস আসে না। তান্তাডিতে রাত্রিবাসের কোনো ভালো ব্যবস্থা নেই। তাই ভাইজ্যাগেই আপনাকে রাত্রিবাস করতে হবে।

    The post পাহাড়ের গায়ে হেলান দিয়ে সমুদ্র, চলুন ভাইজ্যাগের কাছে অসাধারণ সুন্দর এই সৈকতে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/destination/an-offbeat-beach-near-vizag-named-thantadi/feed/ 0 118865