The post আনলকে চলুন: কংসাবতী ও কুমারীর সংগমে মুকুটমণিপুর appeared first on Bhramon Online.
]]>আপাতত যে বনবাংলোতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন পর্যটকরা, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুকুটমণিপুরের সোনাঝুরি প্রকৃতি ভ্রমণ কেন্দ্র।
উপভোগ করুন
সপ্তাহান্তের ছুটি কাটানোর পক্ষে আদর্শ জায়গা কংসাবতী ও কুমারী নদীর সঙ্গমে অবস্থিত মুকুটমণিপুর। কুমারী আর কংসাবতীর জলে ৮৬ বর্গ কিলোমিটারের জলাধার। টলটলে জলে ছোটো ছোটো ঢেউ, তারই মাঝে ভেসে বেড়ায় নৌকা। বোটিং করার জন্য মাঝিদের আমন্ত্রণ উপেক্ষা করতে পারবেন না। দিকচক্রবাল ঢাকা পড়েছে নাতিউচ্চ পাহাড়ে। আঁকাবাঁকা পায়ে চলা পথ ধরে উঠে পড়ুন পাহাড়ের গা বেয়ে। দেখুন সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত, দুই-ই। আর জ্যোৎস্নারাত হলে তো কথাই নেই। এই ভ্রমণের স্মৃতি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ঘোরাঘুরি
(১) মেঠো পথে ৩ কিমি আর বাঁধ ধরে গেলে ৬ কিমি যেতেই পরেশনাথ পাহাড়ি টিলায় হিন্দুর দেবতা শিব ও জৈন তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথস্বামীর মন্দির। এ ছাড়াও মূর্তি রয়েছে নানান।

(২) নৌকায় নদী পেরিয়ে ও পারে আরও কিছুটা গেলে জলাধারে বেষ্টিত মহুয়া-কেন্দু-পলাশ-আমলকীতে ছাওয়া ছোট্ট সবুজ দ্বীপ বনপুকুরিয়া মৃগদাব।
(৪) ৪ কিমি দূরে গোরাবাড়ি পেরিয়ে অম্বিকানগর – অতীতের কীর্তিখ্যাত রাজা অনন্তধবল দেওর রাজধানী আজ বিধ্বস্ত বটে, তবে অম্বিকার মন্দিরে দেবী অম্বিকাকে দর্শন করে আসুন।
(৫) ঘুরে আসুন রানিবাঁধ হয়ে সুতানের জঙ্গল (২৯ কিমি), সুতানের জঙ্গল থেকে রানিবাঁধ ফিরে (১২ কিমি) সেখান থেকে চলুন ঝিলিমিল (২০ কিমি)। এ বার ঝিলিমিল থেকে প্রথমে চলুন তালবেড়িয়া ড্যাম (৬ কিমি), ঝিলিমিলে ফিরে চলুন কুইলাপাল (৩ কিমি)। কুইলাপাল থেকে ঝিলিমিলি হয়ে ফিরে আসুন মুকুটমণিপুরে, ৩৭ কিমি।

কী ভাবে যাবেন
মুকুটমণিপুর যাওয়ার সহজতম পথ হাওড়া থেকে ট্রেনে বাঁকুড়া, সেখান থেকে বাসে বা ভাড়া গাড়িতে খাতড়া হয়ে মুকুটমণিপুর, দূরত্ব ৫৫ কিমি।
কিন্তু এখনও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক নয়। তাই কলকাতা থেকে বাসে বাঁকুড়া চলুন, দূরত্ব আরামবাগ-বিষ্ণুপুর হয়ে ১৭৫ কিমি, দুর্গাপুর হয়ে ২১২ কিমি। বাসের জন্য দেখুন redbus.in। বাঁকুড়া থেকে বাসে বা ভাড়া গাড়িতে মুকুটমণিপুর।
গাড়িতে কলকাতা থেকে সরাসরি মুকুটমণিপুর চলুন, আরামবাগ-বিষ্ণুপুর হয়ে দূরত্ব ২৩০ কিমি, দুর্গাপুর হয়ে গেলে ২৬৭ কিমি।
আরও পড়ুন আনলকে চলুন: ডুয়ার্সের টিলাবাড়ি
কোথায় থাকবেন
বন উন্নয়ন নিগমের সোনাঝুরি প্রকৃতি ভ্রমণ কেন্দ্রের অবস্থানটি মুগ্ধ করে। পাহাড়শীর্ষের বনবাংলোয় পৌঁছোনোর জন্য রয়েছে ঘোরানো পেঁচানো পাহাড়ি পথ। তাতে অবশ্য গাড়ি ওঠে। অনলাইন বুকিং: wbfdc.net।
রয়েছে বিভিন্ন মানের বিভিন্ন দামের বেসরকারি হোটেল। সেগুলোও কিছু কিছু খুলেছে। নেট সার্চ করলে সন্ধান পাবেন।
The post আনলকে চলুন: কংসাবতী ও কুমারীর সংগমে মুকুটমণিপুর appeared first on Bhramon Online.
]]>The post আনলকে চলুন: ঝাড়খণ্ড সীমানায় মাইথন appeared first on Bhramon Online.
]]>আনলক পর্বের সুযোগে পর্যটন শিল্পকে কিছুটা স্বমহিমায় ফেরাতে বিভিন্ন রাজ্য তাদের মতো করে ব্যবস্থা করছে। পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গও। তারাও নানা ভাবে চেষ্টা করছে পর্যটন শিল্পকে একটু চাঙ্গা করতে। গত ৮ জুন থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে রাজ্য পর্যটনের পাঁচটি ট্যুরিস্ট লজ। গত সোমবার থেকে রাজ্য বন উন্নয়ন নিগমের অধীনে পাঁচটি রিসর্ট খুলে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্পের দরজাও খুলে গেছে পর্যটকদের জন্য। হোটেলে খুলেছে দিঘায়, হোটেল খুলেছে দার্জিলিঙে। ডুয়ার্সেও হোটেল-হোম স্টে খুলছে।

রাজ্য পর্যটনের যে পাঁচটি ট্যুরিস্ট লজ খুলেছে তার মধ্যে অন্যতম মাইথন। ট্যুরিস্ট লজ যখন খুলে গেছে, তখন এই আনলক পর্বেই চলুন না, সপ্তাহান্তে ঘুরে আসা যাক মাইথন থেকে।
উপভোগ করুন
পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সীমানায় বরাকর নদের উপর ১৫৭১২ ফুট দীর্ঘ ও ১৬৫ ফুট উঁচু ডিভিসির বাঁধ, ৬৬ বর্গ কিমি জুড়ে জলাধার। আশেপাশে অজস্র পাহাড় – লেকের মাঝে, লেককে ঘিরে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে। ইচ্ছে হলে লেকে বোটিং করুন। আজ মাসতিনেক হল মাঝিদেরও রুটিরুজি বন্ধ। ওরাও আপনাদের আশায় নৌকা সাজিয়ে বসে আছে। লেকের জলে বোটিং করুন, মনোরম সূর্যাস্ত অবলোকন করুন।
কাছেই হ্যাংলা পাহাড়ে ৫০০ বছরের প্রাচীন কল্যাণেশ্বরী মাতার মন্দির। ইচ্ছে হলে ঘুরে আসুন ১৬ কিমি দূরে ডিভিসির আরেক বাঁধ পাঞ্চেত ড্যাম, পাঞ্চেত পাহাড় ও গড়পঞ্চকোট।
বাঁধের নীচে পাহাড়ের ১৩৫ ফুট অন্দরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। ডিভিসির পিআরও-র অনুমোদন নিয়ে দেখে আসা যায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। বাঁধের নীচে রয়েছে ডিয়ার পার্কও। শীতে পরিযায়ী পাখির মেলা বসে মাইথনের লেকে।

কী ভাবে যাবেন
বরাকর (৯ কিমি) বা কুমারডুবি (৬ কিমি) হয়ে ট্রেনে মাইথন যাওয়া যায়। কিন্তু এখনও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক নয়। তাই সড়কপথই ভরসা। কলকাতা থেকে মাইথন ২৩১ কিমি। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের (এসবিএসটিসি) বাস পাবেন আসানসোল পর্যন্ত। আসানসোল থেকে মাইথন ২২ কিমি, গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যান। এসবিএসটিসি বাসের জন্য অনলাইন বুকিং https://online.sbstcbooking.co.in।
কলকাতা থেকে সরাসরি গাড়ি ভাড়া করেও চলে যেতে পারেন মাইথন।
কোথায় থাকবেন
পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের মুক্তধারা ট্যুরিজম প্রপার্টিতে (আগেকার মাইথন ট্যুরিস্ট লজ) থাকুন। টিলার মাথায় এই ভবন। উপর থেকে পাহাড়ে ঘেরা মাইথন জলাধার দেখতে খুব সুন্দর লাগে। অনলাইন বুকিং https://wbtdcl.com/।

রয়েছে জলাধারের মাঝে দ্বীপের উপর ডিভিসির অতিথিভবন ‘মজুমদার নিবাস’। খোঁজ নিয়ে নিন খুলেছে কিনা – যোগাযোগ ০৬৫৪০২৫২৪৬৫, ০৬৫৪০২৫২৪৮৮।
এ ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল। আনলক ১.০ পর্বে সেগুলোও খুলেছে। নেট সার্চ করলে পেয়ে যাবেন তাদের সন্ধান।
মনে রাখুন
মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ব রাখা ইত্যাদি সমস্ত রকম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিয়মকানুন মেনে ঘুরে আসা যেতেই পারে মাইথন থেকে। দীর্ঘ বন্দিদশা থেকে একটু মুক্তি পেলে মনটাও ভালো থাকবে। আর রাজ্যের পর্যটনভিত্তিক অর্থনীতিকে জোরদার করতে সাহায্য করাও হবে।
The post আনলকে চলুন: ঝাড়খণ্ড সীমানায় মাইথন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ঘরে বসে মানসভ্রমণ: চিল্কা-পাড়ে রম্ভা appeared first on Bhramon Online.
]]>আজ চলুন রম্ভা, ওড়িশার চিল্কা হ্রদের পাড়ে।

এক দিকে সবুজ পূর্বঘাট পাহাড়, অন্য দিকে বঙ্গোপসাগর, মাঝে ছোটো বড়ো অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে চিলিকা হ্রদ, বাঙালিরা যাকে বলে চিল্কা হ্রদ। আর হ্রদের মধ্যেই পাহাড় সারি, পাড়ের কাছে, আবার পাড় থেকে দূরে। ১১৬৫ বর্গ কিমি জুড়ে এর ব্যাপ্তি। বর্ষায় চার পাশ গ্রাস করে ব্যাপ্তি আরও বাড়িয়ে নেয়। আর এই বর্ষাকালেই এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ হয়ে যায়। আর নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের নোনা জলে ভরপুর থাকে চিল্কা।
চিল্কা-পাড়ে তিনটি জায়গা আছে যেখানে থাকার মতো ব্যবস্থা আছে এবং যেখান থেকে মেশিন চালিত বোটে বা দেশি নৌকায় চিল্কার অন্দরে ভেসে যাওয়া যায়, চলে যাওয়া যায় বিভিন্ন দর্শনীয় দ্বীপে। এর মধ্যে সাতপড়া পুরীর কাছে, ৪৯ কিমি। পুরী ভ্রমণের সঙ্গে বেড়িয়ে নেওয়া যায় সাতপড়া। বাকি রইল বরকুল ও রম্ভা। এর মধ্যে পর্যটকদের কাছে বরকুলের চাহিদা বেশি, কারণ হাওড়া-বিশাখাপত্তনম রেলপথে বালুগাঁও স্টেশন থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে বরকুল। যাতায়াত যে হেতু তুলনায় সহজ, তাই বরকুলে পর্যটকদের পা বেশি পড়ে। তুলনায় অনেকটাই নির্জন রম্ভা।

তাই চিল্কা-পাড়ে নিরিবিলিতে দিন কয়েক কাটানোর আদর্শ জায়গা রম্ভা। প্রকৃতি দেখুন, আর চিল্কা উপভোগ করুন, চিল্কায় ভেসে পড়ুন। নিখাদ বিশ্রাম নিন। কিংবা বেড়িয়ে পড়ুন। আশেপাশে অনেক জায়গা আছে যেগুলো ঘুরে নেওয়া যায় রম্ভা থেকে।
কী দেখবেন
(১) এক দিন ভেসে পড়ুন চিল্কায় – নৌকা ভাড়া করে চলুন ব্রেকফাস্ট আইল্যান্ড, হনিমুন আইল্যান্ড, বার্ডস আইল্যান্ড আর ঘণ্টসিলা গুহা ঘুরে আসুন।

(২) সকালেই বেরিয়ে পড়ুন। প্রথমেই চলুন নির্মলঝর, ১৪ কিমি। দেখে নিন বিষ্ণু মন্দির কমপ্লেক্স। বিষ্ণু ছাড়াও আছেন শিব, পার্বতী, রাধাকৃষ্ণ, বিমলা, গণেশ, জগন্নাথ। সুন্দর পরিবেশ।
নির্মলঝর থেকে চলুন সালিয়া ড্যাম, ৩৪ কিমি। পাহাড়ে ঘেরা এই জলাধারের শোভা মন ভরিয়ে দেয়।
সালিয়া ড্যাম থেকে চলে আসুন বানাপুর শহরে, ১২ কিমি। দেখে নিন ভগবতী মন্দির।

বানাপুর থেকে আসুন চিল্কা-পাড়ে বরকুল, ১৪ কিমি। চিল্কার জনপ্রিয় গেটওয়ে। ঘুরে নিন বরকুল। নৌকায় চলুন কালীযাই দ্বীপে – কালী, গঙ্গা ও যাইদেবীর মন্দির।
বরকুল থেকে চলুন পাহাড়-জঙ্গলের মাঝে নারায়ণী মন্দির, ১০ কিমি।
নারায়ণী মন্দির মন্দির দেখে ফিরে আসুন রম্ভায়, ২৭ কিমি।
(৩) আর এক দিন বেরিয়ে পড়ুন। আজ প্রথমে চলুন গোপালপুর-অন-সি, ৪৯ কিমি। ওড়িশার গোপালপুর সৈকতের খ্যাতি সর্বজনবিদিত। প্রায় সারা দিন গোপালপুরে কাটিয়ে ফিরে চলুন রম্ভা। পথে দেখে নিন টাম্পারা লেক, গোপালপুর ২৬ কিমি। সমুদ্রের সঙ্গে যোগ আছে এই সুন্দর লেকটির। টাম্পারা দেখে ফিরে চলুন রম্ভা, ২৩ কিমি।

কী ভাবে যাবেন
হাওড়া-বিশাখাপত্তনম রেলপথে ছোট্ট স্টেশন রম্ভা। তাই বেশির ভাগ মেল-এক্সপ্রেস ট্রেন এখানে থামে না। দেশের যে কোনো জায়গা থেকে এলে বালুগাঁও বা ছত্রপুরে নেমে গাড়ি করে আসতে হবে অথবা খুরদা রোড বা ভুবনেশ্বরে ট্রেন বদল করে আসতে পারেন।
কলকাতা থেকে যাওয়ার সুবিধাজনক ট্রেন – (১) হাওড়া-যশোবন্তপুর এক্সপ্রেস – হাওড়া ছাড়ে রাত ৮,৩৫ মিনিটে, বালুগাঁও পৌঁছোয় ভোর ৫.০২ মিনিটে। (২) হাওড়া-চেন্নাই মেল – হাওড়া ছাড়ে রাত পৌনে ১১টায়, বালুগাঁও পৌঁছোয় সকাল ৮.১৭ মিনিটে, ছত্রপুর পৌঁছোয় ৮,৫৮ মিনিটে।
বালুগাঁও থেকে রম্ভা ৩২ কিমি আর ছত্রপুর থেকে রম্ভা ২৩ কিমি। গাড়ি ভাড়া করে চলে আসুন।
ট্রেন বদল করেও আসতে পারেন – হাওড়া-যশোবন্তপুর এক্সপ্রেস ভুবনেশ্বর পৌঁছোয় রাত ৩.২৫ মিনিটে, হাওড়া-চেন্নাই মেল ভুবনেশ্বর পৌঁছোয় সকাল সাড়ে ৬টায়, হাওড়া-পুরী এক্সপ্রেস হাওড়া ছাড়ে রাত সাড়ে ১০টায়, ভুবনেশ্বর পৌঁছোয় ভোর ৫.৩৩ মিনিটে। ভুবনেশ্বর-বিশাখাপত্তনম ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ভুবনেশ্বর থেকে ছাড়ে সকাল ৭.৩৫ মিনিটে, রম্ভা পৌঁছোয় সকাল ৯.৪০ মিনিটে।

ধৌলি এক্সপ্রেস হাওড়া থেকে ছাড়ে সকাল ৬টায়, খুরদা রোড পৌঁছোয় দুপুর দেড়টায়। পুরী-তিরুপতি এক্সপ্রেস (মঙ্গল ও শনি বাদে) খুরদা রোড থেকে ছাড়ে দুপুর ২.২৫ মিনিটে, রম্ভা পৌঁছোয় বিকেল ৪.০৯ মিনিটে।
কোথায় থাকবেন
থাকার জন্য সব চেয়ে ভালো জায়গা ওড়িশা পর্যটনের পান্থনিবাস। অনলাইন বুকিং https://www.panthanivas.com/। রয়েছে কিছু বেসরকারি হোটেল। নেটে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন।
জেনে রাখুন
ট্রেনের বিশদ তথ্যের জন্য দেখুন erail.in।
The post ঘরে বসে মানসভ্রমণ: চিল্কা-পাড়ে রম্ভা appeared first on Bhramon Online.
]]>The post তাওয়াং-এর কাছে এক ছোট্ট স্বর্গ মাধুরী লেক appeared first on Bhramon Online.
]]>তাওয়াং থেকে চিন সীমান্তে বুম লার পথে এই লেক। গাড়িতে তাওয়াং থেকে যেতে লাগে দু’ থেকে তিন ঘণ্টা। কত সময় লাগবে তা নির্ভর করে রাস্তার অবস্থার উপরে।
১৯৭৩ সালে ভূমিকম্পের ফলে এই লেকের সৃষ্টি হয়েছে। লেকের মাঝে রয়েছে অনেক মৃত গাছ যা দেখতে ভারী অদ্ভূত। শীতকালে এই সাঙ্গেস্তার লেকের জল জমে যায় এবং সেই জমা জলের ওপর সূর্যরশ্মি পড়ে এক অপরূপ রঙের খেলা হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই লেকের অবস্থান ৩৭০৮ মিটার উচ্চতায়।
ইচ্ছে করলে সাঙ্গেস্তার লেককে বেষ্টন করে আপনি হাঁটতে পারেন। কাঠের সেতুর উপর দিয়ে, পাইন বনের মধ্য দিয়ে এই হাঁটা। কনকনে ঠান্ডা বাতাসে পত পত করে উড়বে প্রার্থনা-পতাকাগুলো। ঘণ্টা খানেকের এই লেক ভ্রমণ আপনার জীবনে অক্ষয় স্মৃতি হয়ে থাকবে।আপনার শরীর ও মন হয়ে উঠবে তরতাজা।

কী ভাবে নাম হল মাধুরী লেক
এই লেকের আসল নাম সাঙ্গেস্তার লেক হলেও এক সময় এই লেকের নাম হয়েছিল মাধুরী লেক। নব্বইয়ের দশকের শাহরুখ-মাধুরী অভিনীত একটি বিখ্যাত সিনেমা ‘কোয়েলা’-এর একটি গানের শুটিং এখানে হয়েছিল। তার পর থেকেই এই লেকের নাম মাধুরী লেক হয়ে যায়। নামের দৌলতেই প্রত্যেক বছর কিছু পর্যটক এখানে আসেন এবং বলিউডের বহু কলাকুশলীও এই লেক ভ্রমণ করেছেন।
কী ভাবে যাবেন
তাওয়াং-এর ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার অফিস থেকে অনুমতিপত্র নিয়ে,গাড়ি ভাড়া করে তাওয়াং থেকে চলুন মাধুরী লেক। লেকের রাস্তা খুবই অমসৃণ। এবং একটা জায়গার পর রাস্তা বলে কিছু নেই। পথে পড়বে ৫২টি বাঁক। স্পোর্টস ইউলিটি ভেহিকল ছাড়া এই রাস্তায় অন্য কোনো গাড়ি নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। বরফের পাহাড়, অনেক ছোটো ছোটো লেক এবং সবুজের সমারোহে এই রাস্তাটির সৌন্দর্যই মন কেড়ে নেবে আপনার। কোনো বিদেশি পর্যটককে এই পথে যেতে অনুমতি দেওয়া হয় না।
আরও পড়ুন: কালিম্পং যাবেন? নকদারার লেকে নৌবিহার অবশ্যই করবেন
কখন যাবেন
সাঙ্গেস্তার লেক যাওয়ার সব চেয়ে ভালো মরশুম অক্টোবর থেকে এপ্রিলে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত জমে যায়। বর্ষার ঝুঁকি নিয়ে আপনি যদি যেতে রাজি থাকেন, তা হলে জুলাই মাসে যেতে পারেন। এই সময় এই লেক থাকে কার্যত পর্যটক-শূন্য।
মনে রাখবেন
এই লেকে গেলে সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল রাখবেন। এখানে একটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প আছে যেখানে অনেক কম দামে শীতপোশাক পাওয়া যায়। এ ছাড়া ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি ছোট্ট খাবারের স্টল আছে যেখানে গরম চা, ম্যাগি পাওয়া যায়।
কাছেই বুমলা পাস। ইচ্ছা করলে ঘুরে আসতে পারেন।
The post তাওয়াং-এর কাছে এক ছোট্ট স্বর্গ মাধুরী লেক appeared first on Bhramon Online.
]]>The post অমিতাভ বচ্চন ওয়াটারফল্স! গিয়েছেন নাকি? appeared first on Bhramon Online.
]]>আরও পড়ুন এই বর্ষায় মধ্যপ্রদেশের এই চারটি সড়কভ্রমণে অবশ্যই চলুন
সম্প্রতি রাজীব মিত্র নামে তাঁর এক ফ্যানের ছবি বিগ বি রিটুইট করেন। সেই ছবিতে ওই ব্যক্তি অমিতাভ বচ্চন ফলস্ বা ভীম নালা ফলস্ বা ভীম ফলস্-এর সামনে দাঁড়িয়ে একটি সেলফি তুলেছেন এবং সেই ছবিটি টুইট করে ক্যাপশনে লিখেছেন যে, “সিকিম যাবেন অথচ অমিতাভ বচ্চনের নামাঙ্কিত ঝরনার ধারে যাবেন না?”
Can’t come to Sikkim, and not go visit a place named after The man. pic.twitter.com/Yv9AuEdLWL
— Rajib Mitra (@RajibMittra) August 28, 2019
এই টুইটটি রিটুইট করে বিগ বি জানতে চান, এটি কি সত্যি? এবং তার পরে রাজীব মিত্র এটির উত্তর দিয়ে বলেন যে এটি একদম সত্যি এবং তিনি এখনও সিকিমেই আছেন। এর পর আরও অনেক ‘ফলোয়ার’ টুইট করে বিগ বি-কে এই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানান।
That’s not true is it .. the Falls name https://t.co/CUaAHWtMIu
— Amitabh Bachchan (@SrBachchan) August 30, 2019
কোথায় এই ঝরনা
এই ঝরনাটি উত্তর সিকিমে। এর অবস্থান চুংথাং ও ইয়ুমথাং-এর সংযোগকারী রাস্তায়, লাচুং-এ।
এই ঝরনাটি সম্ভবত সিকিমের উচ্চতম ঝরনা। ঝরনার এত উচ্চতা দেখেই স্থানীয়রা এটির নামকরণ করেছেন অমিতাভ বচ্চন ওয়াটারফল।
কী ভাবে যাবেন
এই ঝরনাটি লাচুং থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে। লাচুং থেকে গাড়ি নিয়ে এক ঘণ্টাতেই পৌঁছে যাবেন অমিতাভ বচ্চন ফলস্।
লাচুং উত্তর সিকিমের একটি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। গ্যাংটক থেকে লাচুং-এর দূরত্ব ১১৮ কিলোমিটার এবং গাড়িতে সময় লাগে লাগে ঘণ্টা ছয়েক।
The post অমিতাভ বচ্চন ওয়াটারফল্স! গিয়েছেন নাকি? appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পর পর সপ্তাহান্তে ছুটি: দেখে আসুন উত্তাল তিরথগড়-চিত্রকোট, ট্রেনে টিকিট আছে appeared first on Bhramon Online.
]]>
প্রথম দিন (১৪/২১ আগস্ট, বুধবার) – জগদলপুর এক্সপ্রেসে রওনা, হাওড়া ছাড়ে রাত সাড়ে ৯টায়।
দ্বিতীয় দিন (১৫/২২ আগস্ট, বৃহস্পতিবার) – জগদলপুর পৌঁছোন রাত পৌনে ১১টায়। রাত্রিবাস জগদলপুর।
তৃতীয় দিন (১৬/২৩ আগস্ট, শুক্রবার) – প্রাতরাশ সেরে বেরিয়ে পড়ুন, চলুন তিরথগড় জলপ্রপাত, ৩০ কিমি। কাঙ্গের ভ্যালি জাতীয় উদ্যানের মধ্যেই তিরথগড়। ৬ কিমি দূরে কটোমসর গুহা। কিন্তু বর্ষায় জঙ্গলে জিপ সাফারি ও গুহা বন্ধ থাকে। তবে ভরা বর্ষায় সবুজ জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে তো বাধা নেই। তিরথগড়ে বেশ খানিকক্ষণ কাটিয়ে চলুন চিত্রকোট জলপ্রপাত, দূরত্ব ৫৯ কিমি। রাত্রিবাস চিত্রকোট।

চতুর্থ দিন (১৭/২৪ আগস্ট, শনিবার) – সকালটা থাকুন চিত্রকোটে, উপভোগ করুন ভারতের নায়াগ্রার বর্ষার সৌন্দর্য। মধ্যাহ্নভোজের ফিরে আসুন জগদলপুর, সোজা রাস্তায় ৩৯ কিমি। জগদলপুর ফেরার পথে দেখে নিতে পারেন চিত্রধারা জলপ্রপাত। মূল সড়ক থেকে ডান দিকে খানিকটা যেতে হয়। চিত্রকোট থেকে চিত্রধারা ২৫ কিমি, চিত্রধারা থেকে জগদলপুর ২০ কিমি। খাওয়াদাওয়ার পর জগদলপুর শহরে দেখে নিন বস্তার প্রাসাদ, দলপত সাগর, গঙ্গা মুন্ডা তলাও এবং অ্যানথ্রোপলজিক্যাল মিউজিয়াম। রাত্রিবাস জগদলপুর।
পঞ্চম দিন (১৮/২৫ আগস্ট, রবিবার) – ভোর সোয়া ৪টের হাওড়া এক্সপ্রেস ধরুন।
ষষ্ঠ দিন (১৯/২৬ আগস্ট, সোমবার) – সকাল সোয়া ৬টায় হাওড়া পৌঁছোন।

কী ভাবে ঘুরবেন
শুক্রবার জগদলপুর থেকে একটা গাড়ি ভাড়া করে নিন। শনিবার জগদলপুর এসে গাড়ি ছেড়ে দিন। জগদলপুরে যেখানে থাকবেন, সেখানেই গাড়ির খোঁজ পেয়ে যাবেন।
কোথায় থাকবেন
চিত্রকোটে থাকুন ছত্তীসগঢ় পর্যটনের দনদমি লাক্সারি রিসর্টে। জলপ্রপাত থেকে মাত্র ৩০ মিটার। ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারেন চিত্রকোট। বুকিং-এর জিন্য যোগাযোগ ২৩০এ, এজেসি বোস রোড, চিত্রকোট বিল্ডিং, তৃতীয় তল (সেকেন্ড ফ্লোর), রুম নং ২৫, কলকাতা ৭০০০২০। ফোন ০৩৩-৪০৬৬২৩৮১।
জগদলপুরে প্রচুর বেসরকারি হোটেল আছে। সন্ধান পাবেন www.booking.com , www.makemytrip.com , www.yatra.com , www.trivago.in , www.airbnb.co.in , www.tripsavvy.com ইত্যাদি ওয়েবসাইট থেকে।
The post পর পর সপ্তাহান্তে ছুটি: দেখে আসুন উত্তাল তিরথগড়-চিত্রকোট, ট্রেনে টিকিট আছে appeared first on Bhramon Online.
]]>The post গজলডোবায় চালু হল ‘ভোরের আলো’, দেখে নিন কিছু ছবি appeared first on Bhramon Online.
]]>




The post গজলডোবায় চালু হল ‘ভোরের আলো’, দেখে নিন কিছু ছবি appeared first on Bhramon Online.
]]>The post বর্ষায় যোগ ফলসের রূপ কেমন থাকে জানেন? এই ভিডিওটা দেখে নিন appeared first on Bhramon Online.
]]>রাজা, রানি, রকেট এবং রোরার, এই চারটে স্রোতে নেমে আসা যোগ প্রপাতে জল ক্রমশ কমতে শুরু করে দিয়েছিল। এর কারণ প্রাকৃতিক যেমন ছিল তেমনই ছিল কৃত্রিম কারণ। সারাবতী নদীর ওপরে জলাধার তৈরি হওয়ায় চেনা রূপে পাওয়া যাচ্ছিল না যোগকে। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি একদম ভিন্ন। এ বার বর্ষায় কর্নাটকে ভালোই বৃষ্টি হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরেই প্রবল বৃষ্টির খপ্পরে পড়েছে গোটা রাজ্য। আর তাতেই যেন নিজের স্বরূপ ধারণ করেছে জলপ্রপাত।
সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের এই ভিডিওটা দেখুন, বুঝে যাবেন বর্ষায় কেমন থাকে যোগ ফলস।
#WATCH Visuals of Jog falls in Karnataka’s Shimoga during monsoon pic.twitter.com/q2jRMRUXzR
— ANI (@ANI) August 15, 2018
নিশ্চয়ই মনে হচ্ছে, একবার বর্ষাতেই যোগ ফলস ঘুরে নিতে। সেটা কিন্তু করতেই পারেন। কারণ এখন অফ-সিজন, তাই ট্রেনে টিকিট পেতে বিন্দুমাত্র অসুবিধা হবে না। সুতরাং হবে না কি যোগ ফলস?
কলকাতা থেকে যোগ ফলসের সব থেকে কাছের রেল স্টেশন হচ্ছে কর্নাটকের হুবলি। হাওড়া থেকে হুবলি যাওয়ার জন্য রয়েছে ১৮০৪৭ আপ অমরাবতী এক্সপ্রেস। ট্রেনটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শনিবার রাত সাড়ে এগারোটায় হাওড়া থেকে ছেড়ে হুবলি পৌঁছোয় তৃতীয় দিন সকাল ৮:৫০-এ। হুবলি থেকে যোগ ফলসের দূরত্ব ১৭২ কিমি। বাকি মেট্রো শহরগুলির সঙ্গেও রেলপথে যুক্ত হুবলি। ট্রেনের সময়ের জন্য দেখে নিন erail.in । হুবলি থেকে বাসে বা গাড়ি ভাড়া করে চলুন যোগ।
যোগ ফলসে থাকার সব থেকে আদর্শ জায়গাটি হল কর্নাটক পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ময়ূর গেরুসোপ্পা। এই হোটেলের সব ঘরই যোগ ফলসমুখী। অনলাইনে বুক করার জন্য লগইন করুন kstdc.co-এ।
The post বর্ষায় যোগ ফলসের রূপ কেমন থাকে জানেন? এই ভিডিওটা দেখে নিন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post সবুজ প্রকৃতি আর জলাধার নিয়ে গাংরেল, চলুন এই বর্ষায় appeared first on Bhramon Online.
]]>কী ভাবে যাবেন
গাংরেল ছত্তীসগঢ়ের রাজধানী রায়পুর থেকে ৯০ কিমি এবং ধামতারি শহর থেকে ১৫ কিমি দূরে। রায়পুর দেশের প্রায় সব বড়ো শহরের সঙ্গে ট্রেনপথে যুক্ত। বিমানও নামে রায়পুরে। হাওড়া থেকে রয়েছে এক গুচ্ছ ট্রেন, সময় লাগে সাড়ে ১২ ঘণ্টা থেকে সাড়ে ১৫ ঘণ্টা। ট্রেনের সময়ের জন্য দেখে নিন erail.in। রায়পুর থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যেতে পারেন গাংরেল। অথবা রায়পুর স্টেশন থেকে বাসে চলুন ধামতারি। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে চলুন গাংরেল।

কোথায় থাকবেন
গাংরেলে রয়েছে ছত্তীসগঢ় পর্যটনের বরডিহা লেক ভিউ রিসর্ট। দিনপ্রতি ভাড়া একশয্যা ১২০০ টাকা, দ্বিশয্যা ১৫০০ টাকা, তিনশয্যা ১৮০০ টাকা। কাঠের কটেজ একশয্যা ৪০০০ টাকা, দ্বিশয্যা ৫০০০ টাকা, কটেজে অতিরিক্ত পর্যটক ৮০০ টাকা। অনলাইন বুকিং visitcg.in ।
মনে রাখবেন
রিসর্টে চেক ইন দুপুর ২টো, চেক আউট বেলা ১১টা।
The post সবুজ প্রকৃতি আর জলাধার নিয়ে গাংরেল, চলুন এই বর্ষায় appeared first on Bhramon Online.
]]>The post উত্তরপ্রদেশে সৈকত! যাবেন না কি চুকা বিচে? appeared first on Bhramon Online.
]]>উত্তরপ্রদেশের পিলিভিট থেকে ৬০ কিমি দূরে, নেপাল সীমান্তের কাছে সারদা নদীর একটি বড়ো জলাধারের একটা প্রান্তে তৈরি হয়েছে এই নতুন পর্যটন কেন্দ্রটি। যে হেতু মস্ত বড়ো জলাশয়ের ধারে এই জায়গা, তাই সৈকতের স্বীকৃতি পেয়েছে।
হিমালয়ের পাহাড় কিন্তু খুব বেশি দূরে নেই। একটু দূরেই দেখতে পাবেন তাদের। পিলিভিট থেকে চুকাগামী রাস্তার সৌন্দর্য অতুলনীয়। পিলিভিট টাইগার রিজার্ভের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলে রাস্তা। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যেতে আপনার কিন্তু দারুণ লাগবে।
সারদা নদীর ধারে চুকায় পৌঁছোতেই এক অনন্য অভিজ্ঞতা হবে আপনার। চোখের সামনে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা দেখতে দেখতে আপনার সময় কেটে যাবে। ডাঙায় চিতাবাঘ দেখুন না দেখুন, জলে কিন্তু কুমীর দেখতে পাবেন।
সুতরাং আর দেরি কেন, একবার হয়ে যাক চুকা ভ্রমণ।
এতক্ষণে জেনেই গিয়েছেন যে পিলিভিট থেকে আপনাকে চুকা যেতে হবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে পিলিভিট যাওয়া। হাওড়া বা দিল্লি থেকে পিলিভিটগামী কোনো ট্রেন নেই। সুতরাং উপায় হচ্ছে কিচ্চা দিয়ে যাওয়া। হাওড়া থেকে সাপ্তাহিক লালকুয়া এক্সপ্রেসে পৌঁছোতে পারেন কিচ্চা। সেখান থেকে চুকা ৭৮ কিমি। দিল্লি থেকে তো আবার কিচ্চারও ট্রেন নেই। তাই আপনাকে পৌঁছোতে কাঠগোদাম। সেখান থেকে চুকা ১০১ কিমি। ভারতের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসার জন্য আগে পৌঁছোন বরেলি। বরেলি থেকে চুকা ১৩৪ কিমি। কিচ্চা/কাঠগোদাম/বরেলি থেকে চুকা আসুন গাড়ি ভারা করে। 
এখানে থাকার জন্য রয়েছে উত্তরপ্রদেশ ইকো ট্যুরিজম দফতরের চুকা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার। জলাধারের একদম ধারেই এই রিসোর্ট। অনলাইনে বুক করার জন্য লগইন করুন upecotourism.in-এ।
The post উত্তরপ্রদেশে সৈকত! যাবেন না কি চুকা বিচে? appeared first on Bhramon Online.
]]>