The post ঢাকা থেকে এ বার ট্রেনেই চলুন কক্সবাজার, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে appeared first on Bhramon Online.
]]>প্রতি বছর পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে ছুটে আসেন ভ্রমণপিপাসু পর্যটক। ১৫০ কিমি দীর্ঘ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও তার আশেপাশের নিসর্গ উপভোগ করে তাঁরা মুগ্ধ হন। এই কক্সবাজারকে একশো ভাগ পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সরকারের তরফে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অন্যতম হল রেল যোগাযোগ।
আগামী বছর থেকেই চালু হতে চলেছে রেল পরিষেবা। রেলপথ চালু হলে ভ্রমণপিপাসুরা তুলনামূলক ভাবে কম খরচে এবং দ্রুত কক্সবাজার পৌঁছোতে পারবেন। সম্প্রতি কক্সবাজারে আইকনিক স্টেশনভবনের শিলান্যাস করে বাংলাদেশের রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের কাজ শেষ হবে এবং ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেন যাবে কক্সবাজারে।
রেলপথমন্ত্রীর এই ঘোষণায় পর্যটক তথা ভ্রমণপিপাসু মানুষের মধ্যে স্বস্তি এসেছে। এ বার অন্তত কোনো ঝক্কিঝামেলা ছাড়াই ঢাকা থেকে একঘুমে কক্সবাজার পৌঁছে যাওয়া যাবে। আর ট্রেন থেকে নেমে আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে পর্যটকরা এগিয়ে যাবেন সুদীর্ঘ সমুদ্রসৈকতের দিকে।
রেলপথমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই নানা প্রান্তের মানুষ দিন গোনা শুরু করে দিয়েছেন। তবে বাংলাদেশের মানুষ এখন আর এই সব ঘোষণাকে স্বপ্ন মনে করেন না। কারণ শেখ হাসিনার হাত ধরে উত্তাল পদ্মায় যখন সেতু গড়ে উঠেছে, তখন আর বাঙালির আশঙ্কা হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছে। এখন দৃপ্ত গতিতে সামনে এগিয়ে চলা।
মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বললেন, “প্রকল্পের মেয়াদ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ধরা হলেও ছয় মাস হাতে রেখেই ঘোষণা করছি আগামী বছরেই মানুষ ট্রেনে করে কক্সবাজারে পৌঁছোতে পারবেন।”

সুজন বলেন, রেলে এখন অনেক প্রকল্প চালু রয়েছে। মূলত ২০১১ সালের পর থেকেই রেলকে পুনর্গঠিত করার কাজ শুরু করেছেন শেখ হাসিনা। সরকারের দশটি মেগা প্রকল্পের মধ্যে দু’টি হল বাংলাদেশ রেলের – যার একটি হল দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প।
প্রকল্প সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে কক্সবাজার থেকে রামু হয়ে মায়ানমারের নিকটবর্তী গুনদুম পর্যন্ত রেলপথ নিয়ে যাওয়া হবে এবং তা চিন পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে। কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হলে পর্যটনের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। দেশের অগ্রগতিতে পর্যটন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সে কথা মনে রেখেই এই প্রকল্পটি পরিকল্পনামাফিক করা হচ্ছে।
২১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজারে ঝিনুকের আদলে আইকনিক স্টেশনভবন নির্মিত হচ্ছে। ৬ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে সব সুবিধা থাকবে। আইকনিক স্টেশনভবনটি হবে আন্তর্জাতিক মানের। সে কথা জানিয়ে রেলপথমন্ত্রী বলেন, এখানে দেশি-বিদেশি প্রচুর পর্যটক আসবেন। আগত পর্যটকরা যাতে স্বস্তিবোধ করেন, তার জন্য সকল সুবিধা থাকবে।
আরও পড়ুন: এখন থেকে ‘সিটি ট্রাভেল পাস’-এ কলকাতা দর্শন
The post ঢাকা থেকে এ বার ট্রেনেই চলুন কক্সবাজার, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ২০২১-এর আগে যে সব গন্তব্য পর্যটকদের কাছে অধরাই থাকছে appeared first on Bhramon Online.
]]>বালি
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপ। পর্যটনসম্পদে সমৃদ্ধ। কী নেই এখানে – জঙ্গলে পূর্ণ আগ্নেয়গিরিময় পাহাড়, সবুজ ধানখেত, সৈকত, প্রবাল-প্রাচীর। রয়েছে বেশ কিছু ধর্মীয় স্থান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য উলুওয়াতু মন্দির – সমুদ্রের ধার থেকে একেবারে খাড়া উঠে যাওয়া পাহাড়ের শীর্ষে এই মন্দির।

বালি প্রশাসন ঠিক করেছিল, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের দরজা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু এখন সিদ্ধান্ত হয়েছে ২০২১ না পড়া পর্যন্ত তাদের সীমান্ত বন্ধই থাকবে।
ইন্দোনেশিয়ায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় সে দেশের সরকার চায় না ২০২০-তে দেশের দরজা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হোক। তাই বালি প্রশাসনের সিদ্ধান্তে সায় নেই ইন্দোনেশিয়া সরকারের। বালির গভর্নর এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বালি-সহ সমগ্র ইন্দোনেশিয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যটকদের স্বাগত জানানোর মতো পরিস্থিতি নেই।
অস্ট্রেলিয়া
সিডনি হারবার আর সেখানকার বিখ্যাত অপেরা হাউস; উত্তরের অধিবাসী অধ্যুষিত উলুরু অঞ্চল; নর্থ কুইনসল্যান্ডে গ্রেট ব্যারিয়র রিফ, ডেনট্রি রেনফরেস্টে জলবিহার, জলপ্রপাত, কুমির ও কচ্ছপ দর্শন, ক্যাঙ্গারু দ্বীপ ও সেখানকার বিস্ময়কর পাথুরে স্থাপত্য; বিখ্যাত ক্র্যাডল মাউন্টেনে ট্রেকিং; ভিক্টোরিয়ায় সমুদ্রের পাড় বরাবর গ্রেট ওসেন রোড; পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার রটনেস্ট দ্বীপের ৬৩টি সমুদ্রসৈকত আর বিশাল মরুভূমি – বিচিত্র পর্যটন সম্পদে ভরপুর অস্ট্রেলিয়া নামে দেশটি। কিন্তু সে দেশের দরজা বাইরের মানুষের জন্য এখনও বন্ধ।

কোভিড পরিস্থিতি অস্ট্রেলিয়ায় যে খুব ভয়ংকর তা নয়। বরং বলা যায়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এ দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা একেবারেই নগন্য। তবু মনে হয় না আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা খুব শীঘ্রই তুলে নেবে অস্ট্রেলিয়া।
গত জুনেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ঠারেঠোরে জানিয়েছিলেন, ২০২১-এর মাঝামাঝির আগে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরজা খুলবে না। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি ছাড়া অস্ট্রেলিয়ানরা দেশের বাইরে যেতে পারছেন না। অস্ট্রেলীয় বিমানসংস্থা কোয়ান্টাস গোড়ার দিকে ২০২০-এর অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত আন্তর্জাতিক উড়ান বন্ধ রেখেছিল। এখন সেই সময়সীমা ২০২১-এর মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে।
ভিয়েতনাম
ভিয়েতনাম বললেই মনে পড়ে যায় ষাট-সত্তর দশকের সেই বিখ্যাত স্লোগান ‘তোমার নাম, আমার নাম, ভিয়েতনাম, ভিয়েতনাম’। আমেরিকার বিরুদ্ধে অসম লড়াই লড়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ভিয়েতনাম, উত্তর আর দক্ষিণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। সে দিনের সেই ভিয়েতনাম পর্যটনসম্পদে কিছু কম যায় না। পাহাড়, উপত্যকা, উপসাগর, সৈকত, দা নাং-এর মার্বেল পাহাড়, না ত্রাগের আসমানি জল, ম্যানগ্রোভের জঙ্গল, মেকং ডেলটা, জলবিহারে অন্যতম দ্রষ্টব্য ভিয়েতনামের গ্রামজীবন, উপকূলের ধার ধরে ছবির মতো সব শহর, জাতীয় উদ্যান, হো চিন মিন সিটির মনোমুগ্ধকর পথঘাট, খাওয়াদাওয়া ও সেখানকার কাফে সংস্কৃতি এবং সর্বোপরি ভিয়েতনাম যুদ্ধের স্মৃতি বহন করা রাজধানী হ্যানয় – আপনাকে স্মৃতিতে সদাই জেগে থাকবে।

ইদানীং ভিয়েতনাম সীমাবদ্ধ আন্তর্জাতিক উড়ান চালু করেছে – দক্ষিণ এশিয়ার কিছু দেশ যেমন চিন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া আর তাইওয়ানের সঙ্গে। সেখানেও কড়াকড়ি আছে। একমাত্র ভিয়েতনামের মানুষই সেই উড়ান ব্যবহার করতে পারেন। এবং সবাই নন। ছাত্র, ব্যবসায়ী, কূটনৈতিক এবং অন্য বাছাই করা যাত্রীদেরই অনুমতি দেওয়া হয় সেই উড়ানে ওঠার।
স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্টরা মনে করেন, ডিসেম্বর না পেরোলে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ভিয়েটনাম ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনাম খুলে দেওয়া হলেও দেশকে খুব সতর্ক থাকতে হবে কারণ উপকূলবর্তী দা নাং শহরে সম্প্রতি কোভিড দেখা দিয়েছে।
নিউজিল্যান্ড
বর্তমান বিশ্বে জনপ্রিয় রাষ্ট্রপ্রধানদের অন্যতম জেসিন্ডা আরডার্ন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন তাতে সে দেশের মানুষ তাঁর প্রতি খুবই আস্থাশীল ও শ্রদ্ধাশীল। তবে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করলেও বিদেশি টুরিস্টদের জন্য এখনও দরজা খোলেনি নিউজিল্যান্ড।

অফুরান পর্যটনসম্পদে সমৃদ্ধ নিউজিল্যান্ড। প্রকৃতি যেন তার সমস্ত সম্পদ উজাড় করে দিয়েছে নিউজিল্যান্ডকে – পাহাড়, জঙ্গল, জলপ্রপাত, সমুদ্রসৈকত। সমুদ্রবক্ষে অসংখ্য দ্বীপ। ১৪৪টা দ্বীপ নিয়ে গড়া বে অফ আইল্যান্ডস, তুষার যুগে হিমবাহ দিয়ে তৈরি হওয়া মিলফোর্ড সাউন্ড, রাজধানী অকল্যান্ডের কাছে ওয়াইহেকে আইল্যান্ড, ক্রাইস্টচার্চের কার্ডবোর্ড ক্যাথেড্র্যাল – আরও কত কী! বৈচিত্র্যময় প্রাণীসম্পদে ভরপুর নিউজিল্যান্ড। ইতিহাস, হেরিটেজেও কম যায় না। এ দেশের আদিবাসীদের সংস্কৃতিও উপভোগ করার মতো।
সমস্ত ধরনের ভ্রমণকারীর জন্য নিউজিল্যান্ডের সীমান্ত বন্ধ রয়েছে। যাঁদের অত্যন্ত প্রয়োজন তাঁদেরই একমাত্র আসতে দেওয়া হচ্ছে সে দেশে। এই সুযোগ পাওয়ার জন্য তাঁদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দিতে হচ্ছে।
ভ্রমণঅনলাইনে আরও পড়ুন
দরজা খুলে গেল নাথুলার, পর্যটকদের অনুমতি দেওয়া শুরু করল সিকিম
The post ২০২১-এর আগে যে সব গন্তব্য পর্যটকদের কাছে অধরাই থাকছে appeared first on Bhramon Online.
]]>The post নিউজিল্যান্ড যাচ্ছেন? এমন জিনিস সঙ্গে নেবেন না যাতে আপনার জরিমানা হয় appeared first on Bhramon Online.
]]>কী কী জিনিস নিষিদ্ধ
কিছু জিনিস যা আপনি একেবারেই নিয়ে যেতে পারবেন না –
টাটকা শাকসবজি ও ফল
ফুল ও বীজ
যে কোনো প্রসাদ, যেমন ভাত, খিচুড়ি, দুধ, পঞ্চমির্তম (ফল, মধু, গুড়, বাদাম ও বিভিন্ন মশলার মিশ্রণ), মিষ্টি ক্যান্ডি, বাদাম, গোলমরিচ, নুন, তুলসীপাতা, চিঁড়ের পোলাও (মহারাষ্ট্রে যা পোহা নামে বিখ্যাত)
টাটকা কাঁচা মাংস বা মাছ
বিভিন্ন ধরনের ডাল বা শস্য (যেমন মসুর ডাল, মটর ডাল, কড়াইশুঁটি, কালো জিরে ইত্যাদি)
মধু ও মৌমাছি থেকে তৈরি যে কোনো পণ্য (মধুমিশ্রিত চ্যবনপ্রাশও)
বিভিন্ন ধরনের টনিক
উপরের তালিকায় লিপিবদ্ধ কোনো নিষিদ্ধ দ্রব্য নিয়ে আপনি নিউজিল্যান্ড যেতে চাইলে আপনাকে সেই দ্রব্যের কথা প্যাসেঞ্জার অ্যারাইভ্যাল কার্ডে উল্লেখ করতে হবে। বা আপনি সেই দ্রব্য কোনো জৈবসুরক্ষা বর্জ্য বিনে ফেলে দিতে পারেন।
কী কী জিনিস আপনাকে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে
আপনার প্যাসেঞ্জার অ্যারাইভাল কার্ডে কিছু জিনিসের উল্লেখ থাকে যা আপনার সঙ্গে থাকলে আপনাকে বলতে হবেই। নিষিদ্ধ বস্তু ছাড়াও যে সব বস্তুর নাম ওই কার্ডে থাকে তা হল –
মিষ্টি ও ওয়েফার
খাদ্যদ্রব্য এবং রান্নার সামগ্রী
গাছ এবং উদ্ভিজ্জ পণ্য
প্রাণীজাত দ্রব্য
বাইরে ব্যবহারের সরঞ্জাম
কোনো দ্রব্য আপনি নিয়ে যেতে পারবেন বা পারবেন না, এ নিয়ে যদি আপনার সংশয় থাকে, তা হলে বিমান থেকে নেমে প্যাসেঞ্জার অ্যারাইভাল কার্ডে সব জানিয়ে দিন। আপনি সঙ্গে করে কী কী জিনিস এনেছেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা তা পরীক্ষা করে নেবেন। আপনার আনা অনেক দ্রব্য নিয়েই আপনি হয়তো নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবেন। আর এই ভাবেই আপনি জরিমানার হাত থেকে রেহাইও পাবেন।
প্যাসেঞ্জার অ্যারাইভ্যাল কার্ড
নিউজিল্যান্ডের বিমাববন্দরে নেমে আপনাকে এই কার্ডটি ফিল আপ করতেই হবে। এর নাম প্যাসেনজার অ্যারাইভ্যাল কার্ড। নিউজিল্যান্ডের জৈব সুরক্ষাকে আঘাত করে, এমন কোনো জিনিস আপনার সঙ্গে আছে কিনা সে সম্পর্কে আপনাকে প্রশ্ন করা হয় ওই কার্ডে। কী কী জিনিস আপনার সঙ্গে আছে, তা বিশদে জানাতে হবে এই কার্ডে। না জানিয়ে এ রকম কোনো জিনিস নিলেই আপনার অন্ততপক্ষে ৪০০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
বিপজ্জনক জিনিসের কথা জানালে কী হয়
আপনার ঘোষিত বহু জিনিস নিয়েই হয়তো আপনি নিউজিল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবেন, যদি সেগুলি ভালো ভাবে প্যাক করা থাকে বা ঠিকঠাক প্রক্রিয়াকরণ হয়। কোয়ার্যান্টাইন অফিসাররা সেই জিনিসগুলি পরীক্ষা করেন এবং দেখে নেন সেগুলি পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকারক কিনা।
আরও পড়ুন আরাকুর জঙ্গলে এ বার নৈশবিহারের সুযোগ
অফিসাররা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে জেনে নেবেন আপনার দ্রব্যটি সুরক্ষিত কিনা। তাঁরা যদি বোঝেন যে আপনার নেওয়া দ্রব্যটি আদৌ ক্ষতিকর নয়, তা হলে আপনি সেই দ্রব্যটি নিতেই পারেন। আর যদি কোনো দ্রব্য নিতে না পারেন, তাহলে আপনাকে সেগুলি ফেলে দিতে হবে।
নিউজিল্যান্ডে ভারতীয় দ্রব্য
নিউজিল্যান্ডে অনেক ভারতীয় দ্রব্যের দোকান আছে। আপনি ইচ্ছে করলেই সেই দোকান থেকেই জিনিস কিনতে পারেন। অনেক সুপার মার্কেট আছে, যেখান থেকে আপনি জিনিস কিনতে পারেন।
The post নিউজিল্যান্ড যাচ্ছেন? এমন জিনিস সঙ্গে নেবেন না যাতে আপনার জরিমানা হয় appeared first on Bhramon Online.
]]>The post রক্তপিশাচের সঙ্গে একদিন: চলুন ঘুরে আসা যাক ড্রাকুলা ক্যাসেল appeared first on Bhramon Online.
]]>সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই ড্রাকুলা ক্যাসেলে সারা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের লোক ঘুরতে আসেন। বর্তমানে এই প্রাসাদটি একটি মিউজিয়াম। ১২১২ সালে টিউটনিক শৈলীতে যখন এই প্রাসাদ তৈরি হয় তখন সেটি ছিল কাঠের। এখন এটি একটি দুর্গের মতো বিশাল প্রাসাদ এবং এই প্রাসাদের চার পাশের সবুজ বাগান দেখে চোখের শান্তি মেলে। তবে একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হল, ব্র্যাম স্টোকার কিন্তু কখনোই ট্রানসিলভানিয়ায় যাননি। কিন্তু তাঁর গল্পে উল্লেখিত ড্রাকুলা প্রাসাদের সঙ্গে একমাত্র এই প্রাসাদটিই হুবহু মিলে যায়।

এই প্রাসাদটি রোমানিয়ার রানি ম্যারির সরকারি বাসভবন ছিল। ১৯২০ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত তিনি এই প্রাসাদে ৫৭টি ঘর নিয়ে থেকেছেন। এক একটা ঘর যেন এক একটা পল্লিভবন। প্রাসাদটির মালিক ছিল ব্রাসোভ মিউনিসিপালিটি। রানি ম্যারি প্রাসাদের পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়ে যান। মিউনিসিপালিটি প্রাসাদটি দিয়ে দেয় রানিকে। রানি ম্যারির সংগ্রহের অনেক আসবাব ও শিল্পনিদর্শন এখনও এই প্রাসাদে দেখা যায়। এবং এই পাহাড়ের পাদদেশে একটি খোলা মিউজিয়াম আছে যেখানে রোমানিয়ার ঐতিহ্যশালী কৃষিকর্মের নানা নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন গ্রিসে বেড়াতে গেলে যে ১০টি জায়গা অবশ্যই দেখবেন
ড্রাকুলা প্রাসাদটি রহস্যময়ও বটে। একতলার সঙ্গে তিনতলা একটি গোপন সুড়ঙ্গের মাধ্যমে যুক্ত। জরুরি অবস্থায় এই সুড়ঙ্গ ব্যবহৃত হত। এটিকে এসকেপ টানেল বলা হত। যদিও এই সুড়ঙ্গের কথা ভুলে গিয়েছিলেন সবাই, পরে প্রাসাদ সংস্কার করার সময় এই গোপন পথটির সন্ধান মেলে। এই পথটি একটি ফায়ারপ্লেস-এর আড়ালে আছে।
আপনার যদি ভূত-প্রেত বা অতি-প্রাকৃত বিষয় আগ্রহ থাকে, তবে আপনি নিশ্চয়ই যাবেন এই ড্রাকুলা প্রাসাদে। আর পূর্ণিমার রাতে চাঁদের আলোয় এই প্রাসাদ দেখলে আপনি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন যে হয়তো এখানে কোনো এক কালে বাস করত রক্তচোষা ড্রাকুলা বা হয়তো এখনও বাস করে!
The post রক্তপিশাচের সঙ্গে একদিন: চলুন ঘুরে আসা যাক ড্রাকুলা ক্যাসেল appeared first on Bhramon Online.
]]>The post গ্রিসে বেড়াতে গেলে যে ১০টি জায়গা অবশ্যই দেখবেন appeared first on Bhramon Online.
]]>তবু ইচ্ছেটা মনের মধ্যে উঁকি মারে। কখনো সুযোগ হলে বেড়িয়ে পড়বেন গ্রিসের উদ্দেশ্যে। সক্রেটিসের দেশে গিয়ে কোন দশটি জায়গা অবশ্যই দেখবেন তা ভিডিওটি থেকে জানতে পারবেন।
যেতে পারলে ভালো আর না যেতে পারলে গ্রিস ভ্রমণের স্বাদ ছবি দেখেই মিটুক।
আরও পড়ুন : দর্শন করুন শ্রীকৃষ্ণমন্দির: উত্তর ভারত
The post গ্রিসে বেড়াতে গেলে যে ১০টি জায়গা অবশ্যই দেখবেন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post রৌদ্র তাপে পুড়ছে প্যারিস, তীব্র তাপপ্রবাহ পশ্চিম ইউরোপে appeared first on Bhramon Online.
]]>৭০ বছর আগে একবার প্যারিস শহরের তাপমাত্রা উঠেছিল ৪০.৪ ডিগ্রি। প্রায় একই অবস্থা চলছে জামার্নি ও হল্যান্ডেও। বৃহস্পতিবার হল্যান্ডের ডিলেনের তাপমাত্রার পারদ চড়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রিতে। জার্মানির লিঙ্গেনে তাপমাত্রা ছিল ৪১.৬। এই সব জায়গাতেই তাপমাত্রা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
ইংল্যান্ডেও পারদ চড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। বৃহস্পতিবার দেশের সর্ব্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ ডিগ্রি। ইংল্যান্ডের ইতিহাসে দ্বিতীয় বার তাপমাত্রা পারদ ৩৮ ছাড়াল। স্পেনের মাদ্রিদেও পারদ ৩৮ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। গরমের দাপটে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। গরমে ফ্রান্সে মারা গিয়েছেন পাঁচ জন।
আরও পড়ুন : এ বছরের অমরনাথ যাত্রায় সব থেকে কম হামলার ঘটনা
The post রৌদ্র তাপে পুড়ছে প্যারিস, তীব্র তাপপ্রবাহ পশ্চিম ইউরোপে appeared first on Bhramon Online.
]]>