The post অচেনা কলকাতা, পর্ব ১ appeared first on Bhramon Online.
]]>বটতলার কাঠখোদাই শিল্প। ঐতিহাসিক বটতলার ছাপাখানা ও কাঠখোদাই ছবি উনিশ শতকের কলকাতায় এক নতুন উদীয়মান নিদর্শন। শহরে সেই ছাপাখানার হাত ধরে মুদ্রণ শিল্পে এক বিপ্লব এলো।
কথায় বলে,
ধন্য হে কলিকাতা ধন্য হে তুমি,
যত কিছু নতুনের তুমি জন্মভূমি।
গরানহাটা অঞ্চলে নদীপথে আসত কাঠ। কারিগররা সেই কাঠ নিয়ে যেতেন বটতলা অঞ্চলে। এরপর কাঠের ব্লক খোদাই করে কারিগরি দক্ষতায় কাগজে লেখা ও ছবি বের হতো। আজও সেই অঞ্চলে ঘুরেফিরে চিৎপুরে রাস্তার দুপাশে দেখা যায় কিছু পুরোনো কাঠখোদাই এর দোকান। পঞ্চানন কর্মকার ছিলেন ওই সময়ে এক স্বনামধন্য কাঠখোদাই শিল্পী।
বটতলা :
দেশীয় সাহিত্য, সামাজিক প্রহসন, পঞ্জিকা, বেশ্যারহস্য, প্রেমবিলাস, অন্নদামঙ্গল, পুরাণের কাহিনী বটতলায় ছাপা হতে শুরু হলো। খুব সস্তায় সেই বই বিক্রি হতো। তৎকালীন অভিজাত বাবু শ্রেণীর মানুষ বটতলার সাহিত্য রসে সুরা পান করে নিমজ্জিত থাকতেন। তাই দেখে অনেকে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করতে ছাড়তেন না। বলতেন, বটতলার লেখনী অশ্লীল সাহিত্য। ভদ্রবাবুরা বিগড়ে গেলেন। শুরু হল বাবুদের মাত্রাতিরিক্ত জীবন। উনিশ শতকে চিৎপুর রোডের পাশে এক বিশাল বট গাছ ছিল। গাছটি আজ আর নেই। সেই বটতলায় কলকাতায় প্রথম প্রকাশকদের হাত ধরে ছাপাখানা খোলা হয়।
সন্দেশের ছাঁচ :
কাঠের তৈরি সন্দেশের ছাঁচ। নানারকম নকশার হয় সন্দেশের ছাঁচ। বিভিন্ন ধরনের পিঠে ও সন্দেশ এই ছাঁচ দিয়ে তৈরি করা যায়। তালের শাঁস, পদ্মচিনি, শঙ্খ, মাছ, চন্দ্রপুলি, প্রজাপতি এই সমস্ত সন্দেশের ছাঁচ দিয়ে তৈরি হয়। কাঠ খোদাই করে এই সকল ছাঁচ তৈরি হয়।

বইমেলায় বটতলা :
সেকালের এই দেশীয় শিল্প আজকের নাগরিক সমাজ বোধহয় একেবারে ভুলে যায়নি। সেই বিষয় সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কাজটি করেছেন জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য। ৪৮ তম আন্তর্জাতিক কলকাতা পুস্তক মেলায় বহু দুষ্প্রাপ্য কাঠখোদাই ছবি নিয়ে প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ‘উনিশ শতকের খোদাই চিত্র’ প্রদর্শনী। আগামী ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত চলবে। ঘুরে আসুন কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় বিশেষ স্টলটি।
বটতলা কিভাবে যাবেন :
হাওড়া বা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে সড়কপথে গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টপেজে নামুন। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে চিৎপুর রোড চলে আসুন। এরপর গরানহাটা স্ট্রিট ধরে বটতলা অঞ্চল দেখে নিন।
(চলবে)
The post অচেনা কলকাতা, পর্ব ১ appeared first on Bhramon Online.
]]>The post সপ্তমী ও অষ্টমী-নবমীতে কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটে মেট্রো চলবে সারারাত, অন্য রুটে কতক্ষণ দেখে নিন appeared first on Bhramon Online.
]]>১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার (সপ্তমী) এবং ১১ অক্টোবর শুক্রবার (মহাষ্টমী-মহানবমী) কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর রুটে দুদিক থেকেই শেষ মেট্রো ছাড়বে ভোর ৪টেয় এবং এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান রুটে দুদিক থেকেই শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি পৌনে ২টোয়। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই খবর জানিয়েছে।
কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর (ব্লু লাইন)
এই রুটে আগামী সোমবার ৭ অক্টোবর (চতুর্থী) এবং ৮ অক্টোবর (পঞ্চমী) দুদিনই কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে মেট্রো যাত্রা শুরু করবে অন্যান্য দিনের মতো সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ১০টা ৪০ মিনিটে।
৯ অক্টোবর বুধবার ষষ্ঠীর দিন মেট্রো চলা শুরু হবে যথারীতি সকাল ৬টা ৫০ মিনিটেই। আর দুদিক থেকেই শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ১২টায়। ।
১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার (সপ্তমী) এবং ১১ অক্টোবর শুক্রবার (মহাষ্টমী-মহানবমী) দুদিনই কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে ভোর ৪টেয়।
১২ অক্টোবর শনিবার দশমীর দিন কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ১২টায়। ১৩ অক্টোবর রবিবার একাদশীর দিন কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বর থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৯টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ৯টা ৪০ মিনিটে।
সেক্টর ৫ থেকে শিয়ালদা (গ্রিন ১)
এই রুটে সোমবার ৭ অক্টোবর (চতুর্থী) থেকে ৯ অক্টোবর বুধবার পর্যন্ত দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ৯টা ৪০ মিনিটে।
পরের দুদিন অর্থাৎ ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার (সপ্তমী) এবং ১১ অক্টোবর শুক্রবার (মহাষ্টমী-মহানবমী) দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি সাড়ে ১১টায়। ওই দুদিন ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে।
১২ অক্টোবর শনিবার দশমীর দিন সেক্টর ৫ এবং শিয়ালদা স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ২টোয় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ৯টা ৪৫ মিনিটে। ওইদিনও ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। ১৩ অক্টোবর রবিবার একাদশীর দিন ওই রুটে মেট্রো বন্ধ থাকবে।
এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান (গ্রিন ২)
এই রুটে সোমবার ৭ অক্টোবর (চতুর্থী) থেকে ৯ অক্টোবর বুধবার পর্যন্ত দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৭টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ৯টা ৫৪ মিনিটে।
পরের দুদিন অর্থাৎ ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার (সপ্তমী) এবং ১১ অক্টোবর শুক্রবার (মহাষ্টমী-মহানবমী) দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর দেড়টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ১টা ৪৫ মিনিটে।
১২ অক্টোবর শনিবার দশমীর দিন দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ২টোয় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ১১টা ৪৫ মিনিটে। ১৩ অক্টোবর রবিবার একাদশীর দিন দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ২টো ১৫ মিনিটে এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ৯টা ৫০ মিনিটে।
জোকা-তারাতলা (পার্পল), কবি সুভাষ থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি, অরেঞ্জ)
জোকা-তারাতলা রুটে ৭ অক্টোবর সোমবার থেকে ৯ অক্টোবর বুধবার পর্যন্ত ৫০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল সাড়ে ৮টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে।
ওই তিনদিন কবি সুভাষ থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় রুটে ৭ অক্টোবর সোমবার থেকে ৯ অক্টোবর বুধবার পর্যন্ত ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো চলবে। দুপ্রান্ত থেকেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৮টায় এবং শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত্রি ৮টায়।
মেট্রো রেলের এই দুটি রুটেই ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে ১৩ অক্টোবর রবিবার পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে।
আরও পড়ুন
The post সপ্তমী ও অষ্টমী-নবমীতে কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটে মেট্রো চলবে সারারাত, অন্য রুটে কতক্ষণ দেখে নিন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post মুম্বইয়ের ভূতুড়ে তকমাধারী কিছু দ্রষ্টব্য appeared first on Bhramon Online.
]]>ডিসুজা চওল
মুম্বই শহরের মাহিম অঞ্চলের ডিসুজা চওল এমনই একটা জায়গা যেখানে সূর্যাস্তের পর অনেকেই বাড়ির বাইরে থাকেন না। এখানে লোকমুখে যে কাহিনি প্রচারিত তা শুনে মনে হয় যেন কোনো ভূতের সিনেমা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এখানে বহু বছর এক মহিলা হঠাৎই কুয়োয় পড়ে মারা গিয়েছিলেন। তাঁরই অতৃপ্ত আত্মা নাকি এখনো ঘুরে বেড়ায় এই চওলের আনাচে কানাচে। অনেকেই এটি বিশ্বাস করেন না, কারণ এই ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শীও মেলেনি। তবু এই চওলের বাসিন্দারা সূর্যাস্তের পরে খুব একটা বাইরে বেরোন না।
সঞ্জয় গান্ধী ন্যাশনাল পার্ক
উত্তর মুম্বই-এর এই সংরক্ষিত অরণ্যে বন্য জন্তুর পাশাপাশি ভূতের উপস্থিতির কথাও শোনা যায়। ভূত থাক আর নাই থাক, রাতের নিরাপত্তারক্ষীরাও কিন্তু পাহারা দেওয়ার সময় ঠাকুরের নাম জপ করেন। শোনা যায়, এখানে নাকি কোনো রমণীর অতৃপ্ত আত্মা ঘুরে বেড়ায় এবং কোনো গাড়ি গেলে তাকে থামানোর জন্যে হাত দেখায়। যদি কেউ গাড়ি না থামান তা হলে সেই আত্মা নাকি সেই গাড়ির পিছু নেয়। তবে এই জঙ্গলে যাঁরা অস্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন, তারাও রাতে বেরোন না খুব একটা। তার কারণ অবশ্য শুধু ভূত নয়, লেপার্ড ও আরও নানা জন্তু এই জঙ্গলে আছে এবং সেটাও রাতে ঘর থেকে না বেরোনোর অন্যতম কারণ।
গ্র্যান্ড পারাডাই টাওয়ার্স
এই আবাসনেরও কিছু গল্প রয়েছে। পর পর আত্মহত্যার ঘটনা এই আবাসনকে ভূতুড়ে হায়গার তকমা দিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে আবার একই পরিবারের পাঁচ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। এঁরা সকলেই উঁচু থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এঁদের ফ্ল্যাট অবশ্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই আবাসনের বাসিন্দারা মনে করেন, কোনো এক অদৃশ্য শক্তি এখানে উঁচু থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করে। যাঁরা এই রহস্যের সমাধান করতে চান, তাঁদের খুবই প্রিয় জায়গা এই গ্র্যান্ড পারাডাই টাওয়ার্স।
পবন হন্স চত্বর
রাতের পবন হন্স চত্বরের কাহিনি শুনলে আপনার হাড়হিম হতে বাধ্য। এখানে লোকমুখে যে কাহিনি সবাই শুনে আসছে তা হল ১৯৮৯ সালে সালমা নামে একটি মেয়ে এখানে আগুনে আত্মাহুতি দেয়। তার পর থেকেই এই অঞ্চলে রাতে এক অগ্নিদগ্ধ নারীমূর্তিকে চিৎকার করে একটি গাছের দিকে যেতে দেখা যায় এবং আশ্চর্যজনক ভাবে, ওই গাছের আড়ালেই ওই মূর্তি অদৃশ্য হয়ে যায়। এক প্রবীণ নাগরিকের কথায়, ওই মেয়েটির অতৃপ্ত আত্মাই এখনও ঘুরে বেড়ায় পবন হন্স চত্বরে। এই ভূতের ভয়ে এই চত্বরে একটি হনুমান মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানকার মানুষদের কথা বিশ্বাস করলে বলতে হয়, এটিই মুম্বইয়ের সব চেয়ে ভয়ের জায়গা।
টাওয়ার অফ সাইলেন্স
পারসিদের কবরস্থান। প্রথা অনুযায়ী মৃত্যুর পরে এই সম্প্রদায়ের মানুষদের মৃতদেহ এখানে রেখে যাওয়া হয় যাতে সেই দেহ শকুন বা অন্যান্য পাখির ভক্ষণে লাগে। এই ঘটনাই এই জায়গাটি সম্পর্কে নানা ধরনের ভূতুড়ে কাহিনির জন্ম দিয়েছে। এই জায়গায় খুব একটা কেউ যান না। শোনা যায়, যাঁরাই এই অঞ্চল দিয়ে যান, তাঁরাই কোনো না কোনো অপ্রাকৃত কিছুর উপস্থিতি টের পান।
মুকেশ মিলস
একটি পরিত্যক্ত বস্ত্রকল এখন মুম্বইয়ের অন্যতম জনপ্রিয় ভূতুড়ে জায়গা হিসাবে প্রসিদ্ধ। আরব সাগরের তীরে কোলাবা অঞ্চলে অবস্থিত এই মিলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে। কিন্তু কয়েক বছর পর থেকেই মিলটি ব্যবসার অভাবে ধুঁকতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ১৯৮২ সালে এতে আগুন লেগে ধ্বংস হয়। আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর এর বিধ্বংসী চেহারা অনেকেরই মনে ভয় জাগায়। টিভি সিরিয়ালের শুটিংস্থান হিসাবে এর প্রসিদ্ধি আছে। শুটিং চলাকালীন সিরিয়ালের সঙ্গে জড়িত বহু মানুষ এখানে অপ্রাকৃত কিছুর আভাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
সান্টা ক্রুজ পশ্চিম
মুম্বই শহরের ব্যস্ত বাসস্থানগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। কিন্তু এই জায়গারও ভূতুড়ে বলে দুর্নাম আছে। এখানে একটি বাড়ির তিনতলায় এক ভদ্রমহিলা আত্মহত্যা করেছিলেন। এবং অন্য বাসিন্দারা জানান যে ওঁর মৃত্যুর পরেই হঠাৎ একটি কালো কুকুরের আবির্ভাব হয় এবং সে ওই তিনতলার ঘরের করিডোরে পাকাপাকি বাস করতে শুরু করে। তাঁরা আরও জানিয়েছেন যে যখনই ওই কুকুরটি এক অশুভ সুরে ডেকে ওঠে তখনই ওই ভদ্রমহিলার আত্মার আবির্ভাব হয়। এই বাড়ি এবং চারপাশের বাসিন্দারা এত ভীত যে তাঁরা ওই ভদ্রমহিলার নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করেন না। তাঁরা দরকারে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে হলেও বলেন “সেকেন্ড ফ্লোর কি ভাবিজি”।
রাম সাকিত বিল্ডিং
মাহিমের প্যারাডাইস সিনেমার ঠিক পিছনে রাম সাকিত বিল্ডিং নিয়েও শোনা যায় হাড়হিম করা ঘটনা। শোনা যায় বহু বছর আগে এক পঞ্চাশোর্ধ মহিলা জামাকাপড় ধুতে গিয়ে কুয়োয় পিছলে পড়ে গেছিলেন। বাসিন্দারা অনেকেই বলেছেন যে প্রতি অমাবস্যার রাতে ওই কুঁয়ো থেকে ওই মহিলার অতৃপ্ত আত্মা বেরিয়ে আসে, যদিও সে কোনো ক্ষতি করে না। কিন্তু বাসিন্দারা প্রত্যেকেই এই রাতে তটস্থ হয়ে থাকেন।
মার্ভ অ্যান্ড মাড আইল্যান্ড রোড
মার্ভ এবং মাড দ্বীপের সংযোগকারী রাস্তার এক দিকে ম্যানগ্রোভ অরণ্য। জায়গাটির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে হয়। কিন্তু বেশ কিছু গাড়ি দুর্ঘটনার সাক্ষী এই রাস্তা। এবং প্রায় প্রতিটি দুর্ঘটনা থেকে উঠে এসেছে নানা রোমহর্ষক কাহিনি। তবে একটি কাহিনি খুবই প্রচিলিত। বহু বছর আগে এক মেয়েকে তার বিয়ের দিন খুন করে এই জঙ্গলে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। সেই থেকেই সেই মেয়েটির আত্মাকে এখনও রাতে এই রাস্তায় বিয়ের বেশেই দেখা যায়। এই কারণেই নাকি এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকে বলেন, যদি কখনও কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, তা হলে সরাসরি, তবে মেয়েটির চোখের দিকে না তাকালে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, ভয় পেলে এত কথা কার আর মাথায় থাকে?
নাসেরওয়াঞ্জ ওয়াদি
মাহিম স্টেশন থেকে এক কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যেই নাসেরওয়াঞ্জ ওয়াদি অবস্থিত। মুম্বই শহরের অন্যতম ভূতুড়ে অঞ্চল এটি। নাসের নামের এক পারসি ভদ্রলোক এখানে একটি জমির মালিক ছিলেন। কিন্তু এই জমি কেনার পরেই আগুনে পুড়িয়ে তাঁকে খুন করা হয়। এই দুঃখজনক ঘটনার পরে ওই জমিতেই সাত জন পর পর মারা যান। লোকমুখে শোনা যায়, ওঁর অতৃপ্ত আত্মা এখনও ওই অঞ্চলে ঘুরে বেড়ায় এবং তাঁর চলার রাস্তায় কেউ থাকলেই তিনি তাঁকে ভয় দেখান। তাই সূর্যাস্তের পরে এই রাস্তায় কেউ যায় না।
সেন্ট জনস্ ব্যাপটিস্ট চার্চ
সাধারণত ভগবান আর ভূতের স্থান এক সঙ্গে হয় না। কিন্তু এ ক্ষেত্রে এটাই হয়েছে। তাই এই থেকেই বোঝা যায় কতটা ভয়ানক হতে পারে এই জায়গা। পশ্চিম আন্ধেরিতে এই গির্জাটি ১৫৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু ১৮৪০ সালে এক মহামারিতে এই গির্জা পরিত্যক্ত হয়ে যায়। তার পরেই শোনা যায় এখানে এক যুবতী কনের অতৃপ্ত আত্মাকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। ১৯৭৭ সালে এক ওঝা ডাকা হয় ভূত তাড়ানোর জন্য। এই পদ্ধতি শেষ হলে গির্জার সামনের পুকুরে জলোচ্ছ্বাস হয় এবং পুকুরের সব মাছ মরে যায়। এর পরে আর কোনো ঘটনা এখানে শোনা যায়নি। তবে কথায় বলে, সাবধানের মার নেই।
The post মুম্বইয়ের ভূতুড়ে তকমাধারী কিছু দ্রষ্টব্য appeared first on Bhramon Online.
]]>The post শীতে মহানগরী সেজে উঠছে বিনোদনের নানা সম্ভারে appeared first on Bhramon Online.
]]>বিনোদনের বড়ো কেন্দ্র নিউটাউনের ইকো পার্ক। সারা বছরই এখানে লোক সমাগম ঘটে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ইকো পার্ক। বিগত দু’ বছর ধরে ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি ভিড়ের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ইকো পার্ক। এ বছর এখানে মূল আকর্ষণ হতে চলেছে এসি টয়ট্রেন। হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন বলেন, “এ বার দর্শকদের জন্য অনেক চমক রয়েছে ইকো পার্কে। যেমন এসি ট্রেন, সপ্তম আশ্চর্য, স্কাল্পচার গার্ডেন বা ভাস্কর্য উদ্যান, আইফেল টাওয়ার ইত্যাদি।”

উল্লেখ্য, এ বছর প্রথম দর্শকদের জন্য চালু করা হচ্ছে লাক্সারি এসি ট্রেন। এই ট্রেনে থাকছে গদি মোড়া আরামাদায়ক বসার ব্যবস্থা। কাচে ঘেরা পর্দা দেওয়া জানলা। সপ্তম আশ্চর্য আগে থেকেই ছিল, সেটা পুরো খুলে দেওয়া যায়নি। এ বার শীতে তা পুরো খুলে দেওয়া হচ্ছে। আইফেল টাওয়ারটি অভিনব। লিফটে চড়ে উপরে উঠে চার দিক দেখা যাবে। সেখান থেকে দর্শকরা দেখতে পাবেন নবনির্মিত ঝুলন্ত রেস্তোরাঁটিও। আইফেল টাওয়ার খুলে দেওয়া হবে ২৫ ডিসেম্বর। ভাস্কর্য উদ্যানে এ বার নতুন সংযোজন অডিও ভিস্যুয়াল লাইট অ্যান্ড সাউন্ড।
নিকো পার্কে এ বারের আকর্ষণ ফেস্টিভ্যাল অব লাইট। বিশেষ ধরনের ‘ম্যাজিক্যাল পান্ডা লাইট’-এর আয়োজন করেছে একটি চিনা কোম্পানি। নানা দেশে এই আলোর উৎসবের আয়োজন করার পর এ বার আসছে কলকাতায়। আলোর এই খেলা দেখা যাবে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত।

সায়েন্স সিটিতেও থাকছে বিশেষ আকর্ষণ। অধিকর্তা শুভব্রত চৌধুরী বলেন, “থাকছে থ্রিডি ফিল্ম থিয়েটার। থাকছে ডার্ক রাইড, যেখানে তুলে ধরা হয়েছে মানবজাতির ক্রমবিবর্তনের ইতিহাস। ডিজিট্যাল প্যানোরামার সাহায্যে দেখানো হবে এভ্যুলিউশনের নানা পর্যায়।”
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের ডিরেক্টর জয়ন্ত সেনগুপ্ত জানান, “আমাদের এ বারে মূল আকর্ষণ পুরো বাগান জুড়ে খ্রিস্টমাস ফেস্টিভ লাইট। এই লাইট থাকবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঝেমাঝেই লাইভ মিউজিক চলবে।”
আলিপুর চিড়িয়াখানার এ বারের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে নকটারনাল হাউজ বা রাতচরাদের আবাস। তৈরি হয়েছে হায়নার ঘর। এ ছাড়াও একটি বাঘ আনা হচ্ছে চিড়িয়াখানায়।
The post শীতে মহানগরী সেজে উঠছে বিনোদনের নানা সম্ভারে appeared first on Bhramon Online.
]]>