The post দার্জিলিং ভ্রমণ: ৩ দিনের সম্পূর্ণ ট্যুর প্ল্যান appeared first on Bhramon Online.
]]>সরকারি ব্যবস্থাপনায় দার্জিলিং শহরের ভানু সরণিতে রয়েছে দার্জিলিং ট্যুরিজম প্রপার্টি। এখানে ঘর পাওয়া যাবে প্রতি রাত ২৩০০ টাকা থেকে ৩২০০ টাকার মধ্যে। অনলাইন বুকিং: darjeelingtouristlodge@gmail.com। এ ছাড়া রয়েছে লোইস জুবিলি কমপ্লেক্স (ফোন: ০৩৫৪২২৫৪৮৭৯), ম্যাপল ট্যুরিস্ট লজ (ফোন: ০৩৫৪২২৫২৮১৩)। রয়েছে অসংখ্য হোটেল, হোমস্টে। বিভিন্ন দামের মধ্যে। গুগল সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। দামের রেঞ্জ:
৩ দিনে দার্জিলিং ভ্রমণ করলে আপনি পাহাড়ি শহরের রূপ, প্রকৃতি, ইতিহাস এবং সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন অনুভব করবেন। সময় স্বল্প হলেও এই পরিকল্পনা মেনে চললে দার্জিলিং ভ্রমণ হবে স্মরণীয়।
আরও পড়ুন: চলুন সড়কপথে: জয়পুর থেকে জৈসলমের
The post দার্জিলিং ভ্রমণ: ৩ দিনের সম্পূর্ণ ট্যুর প্ল্যান appeared first on Bhramon Online.
]]>The post কাশ্মীর বেড়াতে যাচ্ছেন? খুঁটিনাটি এই তথ্যগুলি জেনে নিন appeared first on Bhramon Online.
]]>কাশ্মীর সত্যিই ভূস্বর্গ। জীবনের বত্রিশতম বছরে পড়ে প্রথম বার কাশ্মীর বেড়াতে যাওয়ার সুযোগ হল আমার। আমি ভেবে পাচ্ছি না যে কেন আগে এখানে আমি আসিনি। যাই হোক, সব কিছুরই তো একটা সময় থাকে। হয়তো সেই কারণেই এত দিন কাশ্মীর যাইনি আমি।
তবে এ বার গেলাম এবং অনেক কিছু তথ্যও সংগ্রহ করে এলাম। আপনারা ভবিষ্যতে যাঁরা কাশ্মীর যাবেন বলে ঠিক করে রেখেছেন, এই তথ্য তাঁদের কাজে লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস। একবার দেখে নিন সেই তথ্যগুলি।
১) কাশ্মীরি মানুষজনের কোনো তুলনা নেই। অত্যন্ত অতিথিবৎসল তাঁরা। কাশ্মীরিদের ‘মেহমান নাওয়াজি’ তথা আতিথেয়তা আমি দেখলাম। এক কথায় অসাধারণ। কাশ্মীর বেড়াতে গেলে আপনারা এটা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করবেন।
২) কাশ্মীরি মানুষজন যতটাই ভালো, শ্রীনগরের ট্র্যাফিক ততটাই খারাপ। আমি এত বড়ো বড়ো শহরে ঘুরেছি, শ্রীনগরের মতো ট্র্যাফিক জ্যাম কোত্থাও দেখিনি। ডাল লেকের ২৩ নম্বর ঘাট থেকে ৬ নম্বর ঘাটে পৌঁছোতে আমাদের পাক্কা দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছিল।
৩) শ্রীনগরের লোকাল সাইটসিয়িং করার জন্য অন্তত ৮ ঘণ্টা হাতে সময় রাখতেই হবে, সৌজন্যে ট্র্যাফিক।
৪) গুগল ম্যাপে যে সময় দেখায়, সেটা দেখে হঠকারী কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। জম্মু থেকে শ্রীনগর ম্যাপে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা দেখাবে। কিন্তু আদতে ১০ ঘণ্টা লেগে যাবে। বিশেষ কিছু জায়গায় প্রবল ট্র্যাফিক জ্যাম হয়। শুধুমাত্র রাম্বানেই ট্র্যাফিকে ঘণ্টাখানেক আটকে থাকতে হবে।
একই ভাবে শ্রীনগর থেকে সোনামার্গ ম্যাপে ৩ ঘণ্টা দেখালেও পিক সিজনে পাঁচ ঘণ্টা লেগে যেতে পারে।
৫) ফ্লাইটের সুবিধা রয়েছে। তবুও বলব অন্তত একবার জম্মু থেকে শ্রীনগর, অথবা শ্রীনগর থেকে জম্মু সড়কপথে যান। নইলে অসাধারণ কিছু দৃশ্যের থেকে বঞ্চিত থেকে যাবেন।
৬) গুলমার্গ, সোনামার্গ, দুধপথরি, আরু ভ্যালি, পাটনিটপ-সহ আরও অনেক জায়গাতেই ঘোড়াওয়ালা আপনাকে বিরক্ত করবেই। আপনি ঘোড়ায় চড়বেন কি চড়বেন না সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে দরাদরিটা ঠিক ভাবে করবেন।

৭) খরচা করতে অসুবিধা না হলে ডাল লেকের পাড়ে নয়, শ্রীনগরে থাকুন রাজবাগ অঞ্চলে। এখানে খুব ভালো ভালো হোটেল আছে। রাজবাগে ঝিলমের পাড় খুব সুন্দর। দারুণ লাগবে। ডাল লেকের পাড় অনেক বেশি ঘিঞ্জি।
৮) একটা দিন থাকুন হাউসবোটে। ডাল লেকে শিকারা ভ্রমণ অবশ্যই করবেন।
৯) শ্রীনগর শহর রাত সাড়ে ১০টাতেও সম্পূর্ণ নিরাপদ। নির্ঝঞ্ঝাটে শহরের রাস্তায় বেরোতে পারেন। কেউ আপনাকে বিরক্ত করবে না।
১০) নিরাপত্তারক্ষীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা উপত্যকা। ফলে আপনি নিজেকে অনেক বেশি নিরাপদ মনে করবেন। কিন্তু কোথাও কোনো কড়াকড়ি নেই। কিছু কিছু জায়গায় সাধারণ বডি সার্চ হবে, এর বাইরে কিছু নয়।
১১) অনন্তনাগের মার্তণ্ড সূর্য মন্দির, অবন্তিপোরায় অবন্তিস্বামী মন্দির, শ্রীনগরে পরী মহল—এই স্থানগুলি অনেকেই নিয়ে যায় না। একবার আপনার গাড়ি চালকের সঙ্গে এই ব্যাপারে কথা বলে নিন। এগুলি মিস করবেন না কিছুতেই।

১২) কাশ্মীরে আরও অনেক অফবিট যাওয়া রয়েছে। সেগুলির জন্য আরও একটা বড়ো ট্যুর করা যায়। তবে যে হেতু প্রথম বার আপনি কাশ্মীর যাবেন, তাই আগে চেনা পর্যটনকেন্দ্রগুলি ঘুরে নিন।
The post কাশ্মীর বেড়াতে যাচ্ছেন? খুঁটিনাটি এই তথ্যগুলি জেনে নিন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ভ্রামণিকদের ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করছে ট্র্যাভেলিজ্ম appeared first on Bhramon Online.
]]>ভ্রমণ মানুষের মনকে উদার করে। ভ্রমণের মধ্যে দিয়েই আমাদের এক ধরনের শিক্ষালাভও হয়। অন্যান্য অঞ্চলের, অন্যান্য ভাষাভাষীর, অন্যান্য ধর্মের মানুষের সঙ্গে মিশতে পারি আমরা। সংক্ষিপ্ত ভাবে বলতে গেলে ভ্রমণই মানুষ চেনায়।

দার্জিলিঙের কাছে রঙ্গিতের ধারে বিজনবাড়ির রিসর্ট।
কিন্তু সবার পক্ষে সব সময়ে ভ্রমণে বেরোনো সম্ভব হয় না, ষোলো আনা ইচ্ছে থাকলেও। আর্থিক সমস্যা যেমন থাকতে পারে, তেমনই থাকতে পারে সঠিক ভাবে পরিকল্পনা না করে উঠতে পারা। আবার অনেকেরই চিন্তা থাকতে পারে নিরাপত্তা নিয়ে।
কিন্তু ভ্রমণ বিশেষজ্ঞ শ্রয়ণ সেন মনে করেন, ভ্রমণের মতো সুন্দর অভিজ্ঞতাটা থেকে কোনো মানুষেরই বঞ্চিত হওয়ার উচিত নয়। তাই সাধারণ মানুষকে ভ্রমণের নতুন স্বাদ দিতে, একটি ভ্রমণ সংস্থা চালু করেছেন তিনি – ‘TRAVELISM- Travel is our Religion।’ এই প্রসঙ্গে শ্রয়ণ বলেন, “কারণ আমরা মনে করি, ভ্রমণও একটা ধর্ম।”

পূর্ব বর্ধমানের সিঙ্গি গ্রামের একটি হোমস্টে থেকে।
Travelism কিন্তু বাঁধা গতের ট্র্যাভেল এজেন্সি নয়। সংস্থার সাফ কথা, “অত দিন, অত রাতের প্যাকেজভিত্তিক ভ্রমণ করানোর পরিকল্পনা আপাতত আমাদের নেই। আমরা ভ্রমণপিপাসুদের ভ্রমণের ভিন্ন স্বাদ দিতে চাই। আমরা সন্ধান দিতে চাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সুন্দর সুন্দর স্থানের, নানা ‘অফবিট ডেস্টিনেশন’-এর, যেখানে রাত্রিবাস করে এক ভিন্ন স্বাদ পাবেন ভ্রামণিকরা।”
পর্যটক তথা টুরিস্ট নয়, মানুষ যাতে ভ্রামণিক তথা ট্র্যাভেলার হয়ে ওঠেন, সেটাই ট্র্যাভেলিজ্মের লক্ষ্য। আরও একটি উদ্দেশ্য রয়েছে তাদের। একা মহিলা (Solo Woman Traveller) ভ্রামণিকদের ক্ষেত্রে কিছু বাধাবিপত্তি থাকে। বিশেষ করে, নিরাপত্তার ব্যাপারটা বড়ো সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। সংস্থাটির উদ্দেশ্য এমন কিছু স্থানের সন্ধান দেওয়া যেখানে এই ধরনের ভ্রামণিকরা নির্ভাবনায় যেতে পারেন এবং অন্য ধরনের অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকতে পারেন।

কেরলের ভারকালায় একটি রিসর্ট থেকে সমুদ্রদর্শন।
এতে অবশ্য কোনো বাড়তি অর্থ ব্যয় করার ব্যাপার নেই, এমনই দাবি করছে ট্র্যাভেলিজ্ম। শুধুমাত্র ট্র্যাভেলিজ্মের অতিথি হিসেবে ভ্রামণিকরা সেই সব স্থানে যাবেন আর সেই কারণে ওই সব স্থানে রাত্রিবাসের অভিজ্ঞতাটা অত্যন্ত মধুর হওয়ারও গ্যারান্টি দিচ্ছে তারা।
পশ্চিমবঙ্গ, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং ডুয়ার্সের বিভিন্ন অফবিট স্থানের সন্ধান দেওয়ার পাশাপাশি কেরল, কর্নাটক এবং তামিলনাড়ুর দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছে ট্র্যাভেলিজ্ম। এই প্রসঙ্গেই শ্রয়ণ বলেন, “কাশ্মীর, হিমাচল বা উত্তরাখণ্ডকে আমরা যত ভালো করে চিনি, কেরল, তামিলনাড়ু, কর্নাটককে অত ভালো করে অনেকেই চিনি না। ভ্রামণিকরা দক্ষিণ কেরল ভ্রমণ করে ফিরে আসেন, অথচ উত্তর কেরলও ভ্রমণ-বৈচিত্র্যে অনন্য। একই ভাবে কর্নাটকেও বাঙালি ভ্রামণিকদের বিশেষ পা পড়ে না। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু উত্তর ভারতই নয়, মানুষ দক্ষিণ ভারতকেও সমান ভাবে চিনুক।”

কেরলের মুন্নারের একটি হোটেল থেকে আশেপাশের দৃশ্যপট।
করোনার দাপট কমলে মহারাষ্ট্র পর্যটনের দিকেও বিশেষ ভাবে নজর দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শ্রয়ণ। এর পাশাপাশি অবশ্য হিমাচল প্রদেশ বা উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন জায়গার সন্ধান দেওয়ার প্রয়াস জারি থাকবে ট্র্যাভেলিজ্মের।
একটি বিশেষ মোটো নিয়ে ট্রাভেলিজ্ম কাজ করছে। এই ব্যাপারে ভ্রামণিকদের উদ্দেশে শ্রয়ণ বলেন, “বেড়াবেন আপনি, ভ্রমণের পরিকল্পনাও করবেন আপনি, টাকাও দেবেন আপনিই। আমরা শুধু রয়েছি আপনাকে আপনার পরিকল্পনায় একটু সাহায্য করে দেওয়ার জন্য। আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে যাতে সহজে পৌঁছোতে পারেন, সে দিকেই খেয়াল রাখব আমরা। কারণ, আমরা একই ধর্মে আবদ্ধ – TRAVELISM।”

দার্জিলিং পাহাড়ের সিটং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা।
ট্র্যাভেলিজ্মের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এই নম্বরে – ৮২৭৬০০৮১৮৯ অথবা ৯৯০৩৭৬৩২৯৬। লাইক করতে পারেন তাদের ফেসবুক পেজটি https://www.facebook.com/travelshrayan।
The post ভ্রামণিকদের ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করছে ট্র্যাভেলিজ্ম appeared first on Bhramon Online.
]]>The post করোনা কালে বেড়াতে যাওয়া ! ভাবলে অবশ্যই এগুলি সঙ্গে রাখুন appeared first on Bhramon Online.
]]>এটা সবার প্রথম করাতে হবে। কারণ এটি জরুরি অবস্থায় সব থেকে বেশি কাজে লাগে, তা সে চিকিৎসার প্রয়োজনে কোথাও ভর্তি হওয়াই হোক বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ফিরে আসাতেই হোক। তাই ভিসাতেও অনেক ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভারত সরকারও পলিসির মধ্যে এই বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করছে।
আরও একটি জরুরি বিষয় সেফটি কিট। এর মধ্যে অবশ্যই যেন থাকে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক ওয়াইপস, গ্লাভস, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র। এগুলি সঙ্গে রাখলে বেড়ানো অনেক বেশি সুন্দর ও দুঃশ্চিন্তামুক্ত হয়ে উঠবে।
জার্ম প্রোটেকশন ওয়াইপস ৮০টি, দাম ১৭৯ টাকা

ট্র্যাভেল প্রোটেকট সারফেস ক্লিনার ডিসইনফেকটেন্ট স্প্রে, ২০০এমএল দাম ১৪৩ টাকা।

মেডিকার হ্যান্ড স্যানিটাইজার , ৫০০ এমএল, দাম১৮৭ টাকা।
এগুলি সঙ্গে থাকলে এক দিকে যেমন বারে বারে প্ল্যাস্টিকের চামচের ব্যবহার করতে হবে না। তেমনই বাইরের অপরিষ্কার চামচ মুখের সংস্পর্শে আনতে হবে না। পাশাপাশি প্ল্যাস্টিক ওয়েস্টও কম হবে। স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকবে। নিজের বোতল থাকলে পিপাসায় গলা ভেজাতেও যে কোনো জায়গায় কোনো সমস্যা হবে না। তাতে শরীরের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।
কাটল্যারি সেট ২৪টি, দাম ৩৮৯ টাকা
দীর্ঘ যাত্রাপথ হলে অবশ্যই কিছু শুকনো খাবার সঙ্গেই রাখুন। তাতে খিদে পেলে বার বার ভিড়ের মধ্যে থেকে খাবার কিনতে ও বাইরের খাবার খেতে হবে না।
অবশ্যই সঙ্গে একটি ছোটো ব্যাগ রাখুন, যাতে অন্ততপক্ষে আপনার মোবাইল, চার্জার, মাস্ক, স্যানিটাইজার, চাবি, জলের বোতল, টাকা পয়সার ব্যাগ রাখা যায়। তাতে সব সময় বড়ো ব্যাগ বওয়ার ঝক্কি কমবে।
সাইড সোল্ডার ব্যাগ, দাম ৬৯৯ টাকা।
এটি খুব কাজের একটি জিনিস। ছোট্ট একটি জায়গার মধ্যে অনেকগুলি প্রয়োজনীয় যন্ত্র এক সঙ্গে। এতে ভ্রমণকালে অনেক সমস্যারই সহজ সমাধান করা যায়। তাই এটি সঙ্গে রাখাই যায়। তবে হ্যাঁ বিমানে যাত্রা করলে এটি নেওয়া যাবে না।
রেড সুইস আর্মি নাইফ, দাম ১৯৯২ টাকা।

সঙ্গে যদি ৩ বছরের কম বয়সি শিশু থাকে তা হলে অবশ্যই একটি সিপি কাপ সঙ্গে রাখুন। এতে তাদের বার বার জল খাওয়ানোর ঝক্কি কমবে। তারা নিজেই খেলার ছলে জল খাবে। আবার জল পড়েও যাবে না।
২২৫ এমএল-এর সিপি কাপ, ১৮৭ টাকা।

যদি চার বছরের থেকে বেশি বয়সি শিশুদের বা কিশোরদের নিয়ে বেড়াতে যান তা হলে অবশ্যই তাদের সঙ্গে তাদের পছন্দের বই বা খেলার জিনিস নিতে দিন। তাতে আপনাকে বার বার তার বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে না। তারা নিজেরাই মেতে থাকবে। আপনিও নিশ্চিন্তে অবসর যাপন করতে পারবেন।
ইলেকট্রনিক টয়েস, দাম ৩৯৯ টাকা।
The post করোনা কালে বেড়াতে যাওয়া ! ভাবলে অবশ্যই এগুলি সঙ্গে রাখুন appeared first on Bhramon Online.
]]>