The post গঙ্গার তীরে নতুন বিলাসবহুল ঠিকানা, রায়চকে খুলল তাজ গঙ্গা কুটির রিসর্ট অ্যান্ড স্পা appeared first on Bhramon Online.
]]>আইএইচসিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও পুণীত ছাটওয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “গঙ্গা ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থলের কাছে রায়চকের অনন্য পরিবেশ বাংলার ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। তাজ গঙ্গা কুটির চালুর মাধ্যমে আমরা দেশের স্বতন্ত্র গন্তব্যগুলিতে প্রসারিত হওয়ার অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করছি।”

১০০ একর বিস্তৃত এই সম্পত্তিতে রয়েছে ১৫৫টি কক্ষ ও স্যুইট, যেখানে গঙ্গার অপরূপ দৃশ্যের সঙ্গে মিলবে গ্রামীণ বাংলার অনুরণন। অতিথিদের জন্য রয়েছে ‘মাচান’ ও ‘হাউস অফ মিং’-এর মতো স্বাক্ষর রেস্টুরেন্ট, রিভার ভিউ লাউঞ্জ, ইনফিনিটি-এজ পুল, আধুনিক ফিটনেস সেন্টার, ইনডোর-আউটডোর খেলার ব্যবস্থা এবং তাজের স্বাক্ষর স্পা— জে ওয়েলনেস সার্কেল।
৭০,০০০ বর্গফুট জুড়ে থাকা ব্যাঙ্কোয়েট স্পেস রিসর্টটিকে উপযুক্ত করে তুলেছে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং, কর্পোরেট রিট্রিট এবং বৃহৎ অনুষ্ঠানের জন্য।
অম্বুজা নেওটিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া বলেন, “আইএইচসিএল-এর সঙ্গে আমাদের সফল অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নিয়ে এই উৎসব মরসুমে তাজ গঙ্গা কুটির উন্মোচন করতে পেরে আমরা গর্বিত। এটি শুধু আতিথেয়তায় উৎকর্ষতার প্রতিফলন নয়, বরং স্থানীয় কর্মসংস্থান ও অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনাকে প্রসারিত করার দিকেও এক বড় পদক্ষেপ।”

কলকাতা থেকে মাত্র আড়াই ঘণ্টার ড্রাইভ দূরে অবস্থিত রায়চককে নতুন করে সাজিয়েছে গঙ্গার তীরের আবহ, দুর্গসদৃশ স্থাপত্য, গ্রামীণ পথে হাঁটা, লোকসংস্কৃতির আসর এবং বাংলার বিখ্যাত চায়ের আস্বাদন। উৎসবের মরসুমে পর্যটন শিল্পে রায়চক যে বিশেষ মাত্রা যোগ করবে, তা বলাই বাহুল্য।
আরও পড়ুন: যমুনাসুল: ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে শান্ত সমুদ্রতটে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা
The post গঙ্গার তীরে নতুন বিলাসবহুল ঠিকানা, রায়চকে খুলল তাজ গঙ্গা কুটির রিসর্ট অ্যান্ড স্পা appeared first on Bhramon Online.
]]>The post শান্তিনিকেতনের বিখ্যাত মহামায়া পাইস হোটেল appeared first on Bhramon Online.
]]>
উইকেন্ডে কয়েক দিন হাতে ছুটি পেয়েছেন, ইচ্ছে আছে শান্তিনিকেতন যাবেন? নব ফাল্গুনের দিনে আপনার একমাত্র গন্তব্য হতেই পারে বোলপুর শান্তিনিকেতন। বসন্ত উৎসবে সকলের কাছে প্রিয় শান্তিনিকেতন। রবীন্দ্রনাথ এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের প্রচলন করেন। আর এইবার শান্তিনিকেতনে গেলে মহামায়া হোটেলে খেতে একদম ভুলবেন না। বাঙালিয়ানায় ভরপুর।
শান্তিনিকেতনের মহামায়া পাইস হোটেলটিতে কাঠ কয়লায় সব সময় রান্না করা হয়। ১৯৫০ সালে স্থাপিত হয়। পরিবেশন করা হয় শালপাতার থালায়। খোঁড়াতে করে জল। ভাত, ডাল, তরকারি, আলু পোস্ত, মাংস সহ আরো নানা রকমারি খাবার এখানকার বিশেষ আকর্ষণ।
গোপাল চন্দ্র ভট্টাচার্য মহামায়া হোটেল প্রতিষ্ঠা করেন। আজও পরিবেশনের কায়দা একই রকম আছে। যা আপনার ভালো লাগবে। বসন্ত উৎসবের সময় বোলপুর গেলে একবার চেখে দেখবেন। উনুনে রান্নার স্বাদ আপনার স্বাদ বদল আনবে।
The post শান্তিনিকেতনের বিখ্যাত মহামায়া পাইস হোটেল appeared first on Bhramon Online.
]]>