The post পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাতটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশের নানা প্রান্তে নতুন রেলসংযোগ appeared first on Bhramon Online.
]]>সাতটি পরিষেবার মধ্যে তিনটি ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে কলকাতা থেকে।
(১) সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই – সাঁতরাগাছি–তাম্বরম (চেন্নাই) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে তাম্বরম ছাড়বে এবং পরদিন রাত ৮টা ১৫ মিনিটে সাঁতরাগাছি পৌঁছবে। ফেরার পথে শনিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সাঁতরাগাছি ছাড়বে এবং তৃতীয় দিনে সকাল ১০টায় তাম্বরম পৌঁছোবে।
(২) হাওড়া থেকে দিল্লি – হাওড়া–আনন্দ বিহার টার্মিনাল (নয়াদিল্লি) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১০ মিনিটে হাওড়া ছাড়বে এবং তৃতীয় দিনে ভোর ২টা ৫০ মিনিটে আনন্দ বিহার টার্মিনালে পৌঁছোবে। ফিরতি ট্রেনটি শনিবার সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে আনন্দ বিহার ছাড়বে এবং পরদিন সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে।
(৩) শিয়ালদহ থেকে বারাণসী – শিয়ালদহ–বারাণসী অমৃত ভারত এক্সপ্রেস সপ্তাহে তিন দিন চলবে। বারাণসী থেকে শিয়ালদহ ট্রেনটি রবিবার, মঙ্গলবার ও শুক্রবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়বে এবং পরদিন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে পৌঁছোবে। শিয়ালদহ থেকে বারাণসী ট্রেনটি সোমবার, বুধবার ও শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে এবং পরদিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছোবে।
এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য প্রান্ত থেকে চারটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস চালু হবে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দুটি ট্রেন উত্তরবঙ্গকে যথাক্রমে তামিলনাড়ুর নাগারকোয়েল ও তিরুচিরাপল্লির সঙ্গে যুক্ত করবে।
আলিপুরদুয়ার থেকে আরও দুটি ট্রেন সরাসরি সংযোগসাধন করবে এসএমভিটি বেঙ্গালুরু এবং মুম্বইয়ের পানভেলের সঙ্গে।

ট্রেনের ভিতরের ছবি।
২২ কোচের অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে থাকছে জেনারেল ও স্লিপার কোচের পাশাপাশি একটি প্যান্ট্রি কার। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য উন্নত আসন ও শয্যা, ভাঁজ করা স্ন্যাক টেবিল, রেডিয়াম ফ্লোর স্ট্রিপ, এলইডি আলো, সুরক্ষিত ফ্যান, চার্জিং পয়েন্ট এবং মোবাইল ফোন ও পানীয় জলের বোতল রাখার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এয়ার-স্প্রিং সাসপেনশন বগির ফলে যাত্রা আরও মসৃণ হবে। পাশাপাশি অনবোর্ড প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রতিটি কোচে চারটি করে ভারতীয় ও পশ্চিমি ধাঁচের শৌচালয় রয়েছে, যেখানে ইলেক্ট্রো-নিউম্যাটিক প্রেসারাইজড ফ্লাশিং সিস্টেম ও স্বয়ংক্রিয় সাবান সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে—বৈদ্যুতিক অংশ ও শৌচালয়ে অ্যারোসল-ভিত্তিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা, ধুলো ঢোকা কমাতে সিল করা গ্যাংওয়ে এবং অনির্ধারিত যাত্রাবিরতির সময় ব্যবহারের জন্য বাহ্যিক জরুরি আলো সংযোজন করা হয়েছে। আধা-স্বয়ংক্রিয় কাপলার ব্যবহারে কাপলিংয়ের সময় শব্দ ও ধাক্কা কমবে। দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আঘাত শোষণের জন্য ডিফরমেশন টিউব এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে পুশ-পুল প্রযুক্তিও যুক্ত করা হয়েছে। এই পরিষেবাগুলিতে ডায়নামিক প্রাইসিং থাকছে না।
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, অমৃত ভারত এক্সপ্রেস রাজ্যের যাত্রীদের জন্য দীর্ঘদূরত্বে কম খরচে, নিরাপদ ও আধুনিক রেলযাত্রার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
The post পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাতটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশের নানা প্রান্তে নতুন রেলসংযোগ appeared first on Bhramon Online.
]]>The post তৎকাল টিকিট বুকিং-এর সময়সূচি পরিবর্তন, যাত্রীদের জন্য আরও সুবিধা appeared first on Bhramon Online.
]]>এই পরিবর্তন যাত্রীদের জন্য আরও সুবিধাজনক হতে পারে, বিশেষ করে যাঁদের তড়িঘড়ি টিকিটের প্রয়োজন হয়।
এই পরিবর্তন জরুরি ভিত্তিতে যাত্রীদের আরও সহজে এবং দ্রুত টিকিট বুক করার সুযোগ প্রদান করবে।
ইলাহাবাদে মহাকুম্ভ ২০২৫: পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির পথে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন
The post তৎকাল টিকিট বুকিং-এর সময়সূচি পরিবর্তন, যাত্রীদের জন্য আরও সুবিধা appeared first on Bhramon Online.
]]>The post বন্দে ভারত-সহ সব ট্রেনের এসি চেয়ারকার এবং এগজিকিউটিভ ক্লাসে ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত appeared first on Bhramon Online.
]]>বন্দে ভারত-সহ ভারতের সমস্ত এগ্জিকিউটিভ ক্লাস ট্রেন, বিলাসবহুল ভিস্টাডোম এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ারকার ট্রেনের ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে ভাড়া। ওই ট্রেনগুলির কত টিকিট বিক্রি হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করে এই ভাড়া কমানো হবে।
সম্প্রতি ভারতীয় রেলের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। গত এক মাসে যে রেলগুলির মোট আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট বিক্রি হয়নি, সেই ট্রেনগুলিতে নতুন ভাড়া অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কোন ট্রেনে কত ভাড়া কমানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত বিভিন্ন জোনের কর্মকর্তাদের উপরেই ছেড়েছে রেল বোর্ড।
রেলওয়ে বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এসি চেয়ারকার, অনুভূতি এবং ভিস্টাডোম কোচ-সহ সমস্ত এগ্জিকিউটিভ ক্লাস ট্রেনে এই ভাড়া প্রযোজ্য হবে। সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল ভা়ড়া কমানো হতে পারে। তবে রিজার্ভেশন চার্জ, জিএসটি-সহ বাকি পরিষেবা মূল্য আলাদা করে নেওয়া হবে।’’
অন্যান্য পরিবহণ ব্যবস্থার ভাড়ার সঙ্গে তুলনা করার পর এই ছাড় দেওয়া হবে বলেও রেলের তরফে জানানো হয়েছে।
The post বন্দে ভারত-সহ সব ট্রেনের এসি চেয়ারকার এবং এগজিকিউটিভ ক্লাসে ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পুজোয় ট্রেনের টিকিট বুকিং শুরু, রবিবারও কাউন্টার খুলে রাখার সিদ্ধান্ত রেলের appeared first on Bhramon Online.
]]>রেল জানিয়েছে, ভ্রমণপিপাসু বাঙালির কথা মাথায় রেখেই তাদের এই পদক্ষেপ। বিগত বছরগুলির পুজোর সময়ের বুকিংয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে রেল দেখেছে, এই সময়ে দূরপাল্লার দ্রুতগামী এবং মাঝারি দ্রুতগামী ট্রেনের চাহিদা বাড়ে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গমুখী দ্রুতগামী ট্রেনের। সেই হিসাবেই রেলের অনুমান এ বারও হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত, দার্জিলিং মেল, পদাতিক এক্সপ্রেসের চাহিদা বেশি থাকবে।
অন্য দিকে, দিল্লি, শিমলা, কাশ্মীর যাওয়ারও প্রবণতা দেখা যায় এই সময়ে। সে ক্ষেত্রে রাজধানী এক্সপ্রেস, দুন এক্সপ্রেস, কালকা মেলের মতো দ্রুতগামী ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বাড়তে দেখা যায়।
রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, শিয়ালদহ বিভাগের ৩৪টি সংরক্ষণ কেন্দ্র এবং হাওড়া বিভাগের সমস্ত টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্র ছাড়া কলকাতা, যাদবপুর, সোনারপুর, বারাসত, বারুইপুর, নৈহাটি, টলিগঞ্জের টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্র আপাতত রবিবার সকালবেলায় খোলা থাকবে। ২৫ জুন থেকে ১৬ জুলাই প্রতি রবিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত টিকিট সংরক্ষণ কেন্দ্র খোলা থাকবে।
The post পুজোয় ট্রেনের টিকিট বুকিং শুরু, রবিবারও কাউন্টার খুলে রাখার সিদ্ধান্ত রেলের appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ১৮ দিনের রামায়ণযাত্রা শুরু করছে ভারতীয় রেল appeared first on Bhramon Online.
]]>রামায়ণযাত্রার অধীনে ১৮ দিনের ভ্রমণের প্যাকেজ এনেছে আইআরসিটিসি। বাতানুকুল ট্রেনে করে হবে এই ভ্রমণ। দিল্লি থেকে যাত্রা শুরু হয়ে অযোধ্যা, প্রয়াগরাজ, বারাণসী ঘুরবে ওই ট্রেন। সেই সঙ্গে আরও কয়েকটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থানও ঘুরিয়ে দেখাবে ভারতীয় রেল।
রাম-জন্মস্থান ও রামায়ণের সঙ্গে জড়িত ঐতিহাসিক জায়গাগুলি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য রামায়ণযাত্রা শুরু করছে ভারতীয় রেল। মোট ১২০টি আসন রয়েছে এই যাত্রার জন্য। ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হবে যাত্রা। মোট ১৮ দিনের যাত্রা। বিভিন্ন রকমের কোচে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন টাকা খরচ করতে হবে যাত্রীদের।
কোন কোন জায়গা ঘোরা যাবে রামায়ণযাত্রায়?
অযোধ্যা– রাম-জন্মভূমি, হনুমানগড়ী, সরযূঘাট
নন্দীগ্রাম– হনুমান মন্দির, ভারত কুণ্ড
বারাণসী– তুলসীমানস মন্দির, সঙ্কটমোচন মন্দির, বিশ্বনাথ মন্দির, গঙ্গারতি
প্রয়াগরাজ — ভরদ্বাজ আশ্রম, গঙ্গা-যমুনা সঙ্গম, হনুমান মন্দির
জনকপুর– রাম জানকী মন্দির
সীতামাঢ়ি– জানকী মন্দির, পুনারুয়া ধাম
বক্সার– রামরেখা ঘাট, রামেশ্বর নাথ মন্দির
চিত্রকূট– গুপ্ত গোদাবরী, রামঘাট, সতী অনুসূয়া মন্দির
নাসিক– ত্রম্বোকেশ্বর মন্দির, পঞ্চবটী, সতীগুহা, কালারাম মন্দির।
এর পাশাপাশি হাম্পি, অর্থাৎ সে কালের কিষ্কিন্ধা, রামেশ্বরম ও নাগপুরের বিভিন্ন মন্দিরও ঘুরিয়ে দেখানো হবে এই যাত্রায়।
The post ১৮ দিনের রামায়ণযাত্রা শুরু করছে ভারতীয় রেল appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ২৫ জানুয়ারি থেকে শ্রীজগন্নাথ যাত্রা পর্যটন ট্রেন চালু করবে ভারতীয় রেল appeared first on Bhramon Online.
]]>জানা গিয়েছে, এই ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে দিল্লি থেকে। ট্রেনের যাত্রাপথটি এমন ভাবে সাজানো হবে যাতে ওড়িশার পুরীর জগন্নাথ মন্দির, ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে অবস্থিত বৈদ্যনাথ মন্দির, গয়া এবং বারাণসী দর্শন করানো যায় ভ্রমণার্থীদের। ২৫ জানুয়ারি প্রথম সূচনা হবে এই যাত্রার, দিল্লি ফিরে আসবে ১ ফেব্রুয়ারি।
৭ রাত ৮ দিনের এই ট্রেন যাত্রার প্যাকেজ খরচা শুরু হবে জনপ্রতি ১৭ হাজার ৬৬৫ টাকা থেকে। প্রথমে এই ট্রেন থামবে বারাণসী। সেখানকার দ্রষ্টব্য স্থানগুলি দেখিয়ে তার পরের গন্তব্য হবে বৈদ্যনাথ মন্দির। সেখান থেকে ট্রেনটি সোজা চলে আসবে পুরী। পুরীতে দর্শনার্থীদের জন্য হোটেলের ব্যবস্থা করা হবে, যেখানে ২ রাত কাটাতে পারবেন তাঁরা। পুরী থেকে দিল্লি ফেরার পথে ট্রেনটির শেষ গন্তব্য হবে গয়া।
গয়া থেকে দিল্লি ফিরে যাবে এই ট্রেন। এই ট্রেন যাত্রা করতে চাইলে আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে বুক করে নিতে পারবেন ইচ্ছুক মানুষরা।
The post ২৫ জানুয়ারি থেকে শ্রীজগন্নাথ যাত্রা পর্যটন ট্রেন চালু করবে ভারতীয় রেল appeared first on Bhramon Online.
]]>The post উৎসবের মরশুমে রেলের উপহার, ছটপুজো পর্যন্ত চলবে ১৭৯ জোড়া বিশেষ ট্রেন appeared first on Bhramon Online.
]]>জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে এই বিশেষ ট্রেনগুলি চালানো হবে। এর মধ্যে থাকছে দিল্লি-পটনা, দিল্লি-ভাগলপুর, দিল্লি-মুজফ্ফরপুর, দিল্লি-সহর্স।
রেলের এক কর্তা জানিয়েছেন, গোটা দেশের যে প্রান্তে উৎসব, সেখানকার মানুষের কথা মাথায় রেখে পরিষেবা দিচ্ছে রেল। শারদোৎসবের আগে থেকেই যে পরিষেবা চালু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বর্তমানে দীপাবলি, ছটপুজো উপলক্ষ্যে ট্রেনগুলির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশেষ ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে রেলের।
উৎসবের আবহে রেলস্টেশনগুলিতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত রেলপুলিশ মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের জন্য স্টেশনগুলিতে থাকবে সহায়তা কেন্দ্র।
আরও পড়তে পারেন
রেড রোডে জমকালো কার্নিভালের মধ্যে দিয়ে শেষ হল শারদোৎসব
চোখধাঁধানো স্থাপত্যের প্রাসাদ: লক্ষ্মীবিলাস প্রাসাদ, বডোদরা
The post উৎসবের মরশুমে রেলের উপহার, ছটপুজো পর্যন্ত চলবে ১৭৯ জোড়া বিশেষ ট্রেন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ভোপাল-জব্বলপুর জনশতাব্দীতেও ভিস্টাডোম, কোন কোন ট্রেনে পেতে পারেন এই কোচ appeared first on Bhramon Online.
]]>ভিস্টাডোম কোচে রয়েছে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুর্ণায়মান চেয়ার, বড়ো কাচের জানলা, স্বচ্ছ ছাদ এবং স্বয়ংক্রিয় স্লাইডিং দরজা। রয়েছে ওয়াই-ফাই ও জিপিএস-এর সুবিধা এবং ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম। পর্যটকরা কোচে বসে পাহাড়-জঙ্গল-নদী উপভোগ করছেন।
ভোপাল-জব্বলপুর ট্রেন নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন ট্রেনে ৩৩টি ভিস্টাডোম কোচ চালু রয়েছে। ভারতের প্রথম ভিস্টাডোম ট্রেন চালু হয়েছিল ২০১৭-য় অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম-আরাকু রুটে। কোন কোন রুটে ভিস্টাডোম ট্রেন চলে মোটামুটি দেখে নেওয়া যাক –
পর্যটকরা যাতে ট্রেনে বসেই আরাকু ভ্যালির অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন তার জন্য ভিস্টাডোম কোচ জোড়া হয়েছে বিশাখাপত্তনম-কিরনডুল এক্সপ্রেসে। ভিস্টাডোম কোচ কেটে দেওয়া হয় আরাকু স্টেশনে।

ডুয়ার্সের অতুলনীয় সৌন্দর্য-সম্ভার। সবুজ জঙ্গল, চা বাগান আর অসংখ্য নদী নিয়ে ডুয়ার্স। দূরে হাতছানি দেয় পাহাড়। এই সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় এনজেপি-আলিপুরদুয়ার রেলপথে। তাই এই পথেই ভিস্টাডোম কোচ দিয়ে চালানো হচ্ছে এনজেপি-আলিপুরদুয়ার ট্যুরিস্ট স্পেশাল।
কালকা ও শিমলার মধ্যে চলাচলকারী হিম দর্শন এক্সপ্রেসে রয়েছে ভিস্টাডোম কোচ। হাজারেরও বেশি যাত্রী পরিবহন করতে পারে এই ট্রেন। শীতকালে এই কোচে ভ্রমণ করার মজাই আলাদা। কপাল ভালো থাকলে কোচে বসেই তুষারপাত উপভোগ করতে পারেন।

অসমের তিনসুকিয়া ও অরুণাচল প্রদেশের নহরলাগুনের মধ্যে চলাচলকারী তিনসুকিয়া-নহরলাগুন এক্সপ্রেসে রয়েছে ভিস্টাডোম কোচ। উপভোগ করুন সবুজ প্রকৃতি আর চা বাগানের সৌন্দর্য।
যাঁরা মুম্বই হয়ে গোয়া যেতে চান, তাঁরা চলুন দাদার-মাড়গাঁও জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে। কারণ এই ট্রেনেই রয়েছে ভিস্টাডোম কোচ। পশ্চিমঘাট পর্বতমালা আর কোঙ্কন উপকূলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে এই ট্রেনের জুড়ি মেলা ভার।
মধ্য রেল ২৫ জুলাই থেকে পুনে-মুম্বই-পুনে প্রগতি এক্সপ্রেস আবার চালু করেছে। এই ট্রেনে রয়েছে ভিস্টাডোম কোচ। এই রুটে এটি হল তিন নম্বর ভিস্টাডোম ট্রেন। এই রুটে চলাচলকারী ডেকান এক্সপ্রেস ও ডেকান কুইন এক্সপ্রেসেও রয়েছে ভিস্টাডোম কোচ। ভিস্টাডোম ট্রেনে যেতে যেতে দেখুন সঙ্গির পাহাড়, মাথেরান পাহাড়, উলহাস নদী আর লোনাভালা-খান্ডালা অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

মনোমুগ্ধকর পশ্চিমঘাটের দৃশ্যাবলি দেখার জন্য ভারতীয় রেল ভিস্টাডোম কোচ জুড়েছে মেঙ্গালুরু-বেঙ্গালুরু ট্রেনে। গত বছর থেকে এই ভিস্টাডোম ট্রেন চালু হয়েছে।
আরও পড়তে পারেন
চলুন ত্রিযুগীনারায়ণ, রাত কাটান জিএমভিএন পর্যটক আবাসে
পর্যটনকে নেতিবাচক চোখে দেখবেন না, সংবাদমাধ্যমের কাছে আর্জি ভ্রমণ সংগঠনগুলির
পূর্ব উপকূলের অল্প-চেনা সৈকত: সূর্যলঙ্কা
The post ভোপাল-জব্বলপুর জনশতাব্দীতেও ভিস্টাডোম, কোন কোন ট্রেনে পেতে পারেন এই কোচ appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ১ জুন থেকে চালু হচ্ছে এনজেপি-ঢাকা মিতালি এক্সপ্রেস, ডলারের হিসেবে গুনতে হবে ভাড়া appeared first on Bhramon Online.
]]>এনজেপি থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত এই ট্রেনে যাতায়াতের ভাড়া ডলারের হিসাবে ধরা হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। ডলারের বিনিময় হারে ভাড়ার হিসেব ধরা হবে। তবে টিকিটের দাম নেওয়া হবে ভারতীয় মুদ্রাতেই।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এনজেপি স্টেশনে মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র থাকবে। ডলারের সঙ্গে ভারতীয় মুদ্রার বিনিময়-হারের ভিত্তিতে টিকিটের দাম নির্ধারিত হবে। এবং প্রতি মাসেই এই ভাড়ার হার পালটাবে। কোন মাসে টিকিটের দাম কত হবে তা ঠিক হবে সংশ্লিষ্ট মাসের প্রথম দিন ডলারের সঙ্গে ভারতীয় মুদ্রার বিনিময়-হার কত থাকে তার ওপর।
মিতালি এক্সপ্রেস চালাবে ভারতীয় রেল। ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণের ভারও ভারতীয় রেলের উপরেই। সেই কারণে ভারতীয় রেলই ভাড়া নির্ধারণ করছে। এবং ভাড়া নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্কও। বিভিন্ন পর্যটন সংস্থার দাবি, ভাড়ার হার খানিকটা চড়া। এনজেপি থেকে ঢাকা যাওয়ার যা ভাড়া, ঢাকা থেকে এনজেপি আসার ভাড়া তার থেকে বেশি।
রেলের ঘোষণা অনুযায়ী, এনজেপি থেকে ঢাকা যেতে বাতানুকুল প্রথম শ্রেণির কামরার মূল ভাড়া (বেস ফেয়ার) ৩৩ ডলার, ভারতীয় মুদ্রার হিসেবে যা আড়াই হাজার টাকার উপর। অন্য দিকে, ঢাকা থেকে এনজেপি আসতে বাতানুকুল প্রথম শ্রেণির কামরার ভাড়া পড়বে ৪৪ ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রার নিরিখে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। বাতানুকুল চেয়ার কারে দু’ দিকে যাতায়াতের ভাড়া একই, ২২ ডলার, সতেরোশো টাকার কিছু বেশি। সব ক্ষেত্রেই ভাড়ার সঙ্গে ৫ শতাংশ জিএসটি জুড়বে।
তবে কেন এই দু’ রকম ভাড়া, তার ব্যাখ্যা অবশ্য রেল দিয়েছে। তারা বলেছে, ঢাকা থেকে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে ট্রেন ছাড়বে। এনজেপি পৌঁছোবে পরদিন ভোরে। বাতানকুল প্রথম শ্রেণির কামরায় রাতের ট্রেনে যাত্রীদের শোয়ার ব্যবস্থা থাকবে। সেই কারণেই এই শ্রেণিতে ভাড়া বেশি রাখা হয়েছে। মিতালি এক্সপ্রেসের বাতানুকূল প্রথম শ্রেণি এবং বাতানুকূল চেয়ারকার ছাড়া অন্য কোনো কামরা নেই। দুই ধরনের চারটি করে কামরা থাকবে।
ভাড়ায় কিছুটা ছাড় দেওয়ার জন্য অনেকেই আবেদন করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, কলকাতা-ঢাকা যে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করে, তার থেকেও ভাড়া বেশি মিতালি এক্সপ্রেসের। রেলের এক আধিকারিকের কথায়, “মিতালি এক্সপ্রেস কিছু দিন চলুক। কেমন যাত্রী হচ্ছে তা দেখে পরে ভাড়ার পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল মন্ত্রক।”
আরও পড়তে পারেন
প্রথম ভারত গৌরব ট্যুরিস্ট ট্রেন চালু হচ্ছে ২১ জুন, যাবে নেপালের জনকপুরেও
আর হেঁটে চড়াই ভাঙা নয়, কাদ্দুখাল থেকে রোপওয়েতে চলুন সুরখণ্ডা দেবী দর্শনে
ট্রেকিং-এর নতুন গন্তব্য: মুন্নারের কাছে মিসাপুলিমালা
সেলফি নেওয়া, ছবি তোলা, ভিডিও করা মানা গঙ্গাসাগরে কপিলমুনি মন্দিরে
The post ১ জুন থেকে চালু হচ্ছে এনজেপি-ঢাকা মিতালি এক্সপ্রেস, ডলারের হিসেবে গুনতে হবে ভাড়া appeared first on Bhramon Online.
]]>The post বহু ট্রেনে এখনও চাদর-কম্বল মিলছে না, অভিযোগ যাত্রীদের, ব্যাখ্যা দিল রেল appeared first on Bhramon Online.
]]>শয্যা পরিষেবা ট্রেনযাত্রায় ফেরানোর খবর শুনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন যাত্রীরা। গত দু’ বছর ধরে কোভিডবিধি চলাকালীন এ সব ব্যাগে করে বয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছিল। লাগেজের বোঝা বেড়ে গিয়েছিল। সপ্তাহ দুয়েক আগে রেলের ঘোষণা শুনে যাত্রীরা মনে করেছিলেন আর ব্যাগে করে বয়ে নিয়ে যেতে হবে না চাদর-কম্বল।
কিন্তু যাত্রীদের অভিজ্ঞতা সর্বত্র সমান নয়। কোনো কোনো ট্রেনে এই পরিষেবা দেওয়া শুরু হলেও সব ট্রেনে তা চালু হয়নি। বহু যাত্রী অভিযোগ করছেন, তাঁরা ট্রেনযাত্রায় চাদর-বালিশ-কম্বল পাচ্ছেন না।
ভারতীয় রেলের সিদ্ধান্ত অনুসারে গত ১০ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে ট্রেনে চাদর-বালিশ-কম্বল ফিরে আসার কথা। এমনকি পর্দাও। ভারতীয় রেলের বিভিন্ন জোনের জেনারেল ম্যানেজারদের এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল রেল বোর্ড।
রেল বোর্ডের নির্দেশিকা সত্ত্বেও কেন সব ট্রেনে এখনও চাদর-বালিশ-কম্বল দেওয়া শুরু হয়নি, সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছে রেল মন্ত্রক। মন্ত্রক বলেছে, ট্রেনযাত্রায় চাদর-বালিশ-কম্বল ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যে দিন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, সে দিন থেকেই সেই পরিষেবা শুরু হয়েছে। তবে চাদর-বালিশ-কম্বলের যথোপযুক্ত মান সুনিশ্চিত করার জন্য এটি ধাপে ধাপে ফেরানো হচ্ছে।
এর কারণ হল, কোভিড চলাকালীন গত দু’ বছরে শয্যা সরঞ্জামের পুরোনো মজুতের অনেকটাই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে। ফলে নতুন লিনেন সংগ্রহ করা হচ্ছে। কোভিড-পূর্ববর্তী সময়ে এই পরিষেবা যেমন ছিল, এখন তা ১০০ শতাংশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য রেল উদয়াস্ত কাজ করছে।
আরও পড়তে পারেন
হাওয়া বদলের পশ্চিমে – বর্ষশেষে শিমুলতলা চলুন ট্র্যাভেলিজমের সঙ্গে
The post বহু ট্রেনে এখনও চাদর-কম্বল মিলছে না, অভিযোগ যাত্রীদের, ব্যাখ্যা দিল রেল appeared first on Bhramon Online.
]]>