• https://www.langdonparkatwestcovina.com/
  • Mbokslot
  • https://wise.wika.co.id/daftar-tamu
  • http://103.206.170.246:8080/visi/
  • https://ejeutap.edu.co/preguntas-frecuentes
  • https://slotplus777mantap.com/
  • https://www.thebraidsreleaser.com/pages/our-founders
  • https://apps.ban-pdm.id/sispena-paud/index.php/login
  • https://pmb.stkippgri-bkl.ac.id/info-prodi
  • https://pastiwin777.cfd/
  • mbokslot
  • https://solarcity.vn/mua/
  • https://wise.wika.co.id/syarat-dan-ketentuan
  • https://tbhconsultancy.com/join-us/careers/
  • https://www.langdonparkatwestcovina.com/floorplans
  • https://silancar.pekalongankota.go.id/newsilancar/
  • https://app.mywork.com.au/login
  • SLOT PULSA: Deposit Pulsa 100% Tanpa Potongan Gacor dan Slot Deposit 1000 Terpercaya
  • https://aeress.org/noticias/
  • https://aimtamagot.social//
  • https://naturf.net/ser-distribuidor/
  • https://perdami.or.id/web/perdami/1
  • https://tpfx.co.id/jurnal/
  • Mbokslot
  • http://103.81.246.107:35200/templates/itax/-/mbok/
  • https://alpsmedical.com/alps/
  • https://www.atrium.langdonparkatwestcovina.com/
  • https://elibrary.rac.gov.kh/
  • https://heylink.me/Mbokslot.com/
  • https://gentledentalharrow.co.uk/contact-us
  • https://www.capitainestudy.fr/quest-ce-que-le-mba/
  • badrinath Archives - Bhramon Online https://www.bhramononline.com/tag/badrinath/ Bengali Travel Tips & News | Bhraman Online Mon, 01 May 2023 08:23:19 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 https://www.bhramononline.com/wp-content/uploads/2018/07/cropped-logo-footer-1-1-32x32.png badrinath Archives - Bhramon Online https://www.bhramononline.com/tag/badrinath/ 32 32 181502987 বদরীনাথের কাছে মানাগ্রামের পরিচিতি বদলে গেল https://www.bhramononline.com/uncategorized/mana-village-is-now-indias-first-village/ https://www.bhramononline.com/uncategorized/mana-village-is-now-indias-first-village/#respond Mon, 01 May 2023 08:23:15 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118283 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এত দিন সে পরিচিত ছিল ‘ভারতের শেষ গ্রাম হিসেবে।’ বদরীনাথের কাছে মানাগ্রামের সেই পরিচিতিই এ বার বদলে গেল

    The post বদরীনাথের কাছে মানাগ্রামের পরিচিতি বদলে গেল appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এত দিন সে পরিচিত ছিল ‘ভারতের শেষ গ্রাম হিসেবে।’ বদরীনাথের কাছে মানাগ্রামের সেই পরিচিতিই এ বার বদলে গেল পুরোপুরি। এ বার থেকে সে পরিচিত হবে ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’ হিসেবে।

    মানাগ্রামে ঢোকার মুখে নতুন একটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছে বর্ডার রোড্‌স অর্গানাইজেশন। তাতেই মানা পরিচিত হচ্ছে ‘ভারতের প্রথম গ্রাম’ হিসেবে। ভারত-তিব্বত সীমান্তের নিকটবর্তী গ্রাম হওয়ার ফলে মানা এত দিন ‘ভারতের শেষ গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত ছিল।

    এখানকার অধিবাসীরা সাধারণ যাযাবর শ্রেণির মানুষ। চিনের আগ্রাসনের সময় তিব্বত থেকে পালিয়ে আসেন। বাসিন্দাদের স্থানীয় নাম ‘মার্চা।’ চিন ও তিব্বতের সঙ্গে বাণিজ্য করতেন এঁরা। পুরোনো রীতি অনুযায়ী এখনও বদরীনাথ মন্দির বন্ধ হওয়ার সময়ে মানাগ্রামের মহিলাদের তৈরি একটি বিশেষ পশমের চাদর বিষ্ণুর মূর্তির জন্য দেওয়া হয়।

    গোটা মানা গ্রামটির সঙ্গেই ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে মহাভারত। কথিত আছে, পাণ্ডবরা স্বর্গে যাওয়ার পথে এই মানা গ্রামে এসেছিলেন। এখান থেকেই যাত্রা শুরু হয়েছিল মহাপ্রস্থানের পথে। এই পথেই যেতে গিয়ে ক্লান্ত দ্রৌপদী চওড়া সরস্বতী নদীকে পেরোতে পারেননি। এই দেখে ভীম সরস্বতীকে সংকীর্ণ হওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সরস্বতী এই অনুরোধ প্রত্যাখান করেন।

    রাগান্বিত ভীম লাথি মেরে একটি পাথর আড়াআড়ি ভাবে নদীতে ফেলে দিয়েছিলেন। সেই পাথরই পরিচিতি পায় ভীমপুল হিসেবে। এই ভীমপুল মানাগ্রামের এক দর্শনীয় স্থান। এ ছাড়াও এই গ্রামে রয়েছে ব্যাস গুহা এবং গনেশ গুহা।

    The post বদরীনাথের কাছে মানাগ্রামের পরিচিতি বদলে গেল appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/uncategorized/mana-village-is-now-indias-first-village/feed/ 0 118283
    খুলতে চলেছে চারধামের ফটক, জেনে নিন খুঁটিনাটি https://www.bhramononline.com/travel-news/chardham-gates-to-be-reopened-in-coming-few-days/ https://www.bhramononline.com/travel-news/chardham-gates-to-be-reopened-in-coming-few-days/#respond Sat, 22 Apr 2023 04:51:23 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=118262 ভ্রমণ অনলাইনডেস্ক: হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান হিসাবে বিবেচিত চারধাম। হিন্দু তীর্থযাত্রীদের হৃদয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে এই চারধাম

    The post খুলতে চলেছে চারধামের ফটক, জেনে নিন খুঁটিনাটি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইনডেস্ক: হিন্দু ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান হিসাবে বিবেচিত চারধাম। হিন্দু তীর্থযাত্রীদের হৃদয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে এই চারধাম যাত্রার। এই যাত্রাপথে রয়েছে যমুনোত্রী, গঙ্গোত্রী, বদরীনাথ এবং কেদারনাথ। প্রতি বছর এপ্রিল-মে মাসে শুরু হয় এবং মাত্র অর্ধ বছর স্থায়ী হয় এই যাত্রা। অক্ষয় তৃতীয়ার আগে সঠিক তারিখগুলি জানায় কেদার-বদরী মন্দির সমিতি।

    ‘চারধাম’ শব্দের অর্থ ‘চারটি আবাস’। অন্যান্য বছরের মতোই এ বছর, যমুনোত্রী এবং গঙ্গোত্রীর দ্বার খুলবে অক্ষয় তৃতীয়ায় (২২ এপ্রিল)। মে মাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহ থেকে শুরু করে অন্য দুটি মন্দির, কেদারনাথ এবং বদরীনাথে ভিড় করতে পারেন পুণ্যার্থীরা।

    চারধামের পবিত্র যাত্রা যমুনোত্রীতে শুরু হয়ে গঙ্গোত্রী এবং কেদারনাথে যাওয়ার পরে বদরীনাথে শেষ হয়।

    চারটি মন্দির খোলার তারিখ

    যমুনোত্রী মন্দির – ২২ এপ্রিল ২০২৩

    গঙ্গোত্রী মন্দির – ২২ এপ্রিল ২০২৩

    কেদারনাথ মন্দির – ২৫ এপ্রিল ২০২৩

    বদরীনাথ মন্দির – ২৭ এপ্রিল ২০২৩

    চারটি মন্দির বন্ধের তারিখ

    যমুনোত্রী মন্দির – ২৯ অক্টোবর ২০২৩

    গঙ্গোত্রী মন্দির – ২২ অক্টোবর ২০২৩

    কেদারনাথ মন্দির – ২৯ অক্টোবর ২০২৩

    বদরীনাথ মন্দির – ৯ নভেম্বর ২০২৩

    The post খুলতে চলেছে চারধামের ফটক, জেনে নিন খুঁটিনাটি appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/chardham-gates-to-be-reopened-in-coming-few-days/feed/ 0 118262
    চারধাম যাত্রীদের এ বার বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন করতে হবে https://www.bhramononline.com/travel-news/mandatory-registration-for-pilgrims-visiting-chardham-yatra/ https://www.bhramononline.com/travel-news/mandatory-registration-for-pilgrims-visiting-chardham-yatra/#respond Sat, 25 Feb 2023 04:37:57 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=117826 ভ্রমণ অনলাইনডেস্ক: আগামী ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে চারধাম যাত্রা। এই যাত্রা নিয়ে এ বার আরও কড়া হচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকার।

    The post চারধাম যাত্রীদের এ বার বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন করতে হবে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইনডেস্ক: আগামী ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে চারধাম যাত্রা। এই যাত্রা নিয়ে এ বার আরও কড়া হচ্ছে উত্তরাখণ্ড সরকার। গত বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ বার তীর্থযাত্রীদের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের সরকার।

    উল্লেখ্য, গত বছর মাত্রাতিরিক্ত ভিড় হয়েছিল চারধামে। চারধামের পথে অনেকের মৃত্যু হয়েছিল নানা কারণে। তবে রেজিস্ট্রেশনের কোনো ব্যাপার না থাকায় বিপাকে পড়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই এ বার রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা।

    উত্তরাখণ্ড সরকার জানিয়েছে যে অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক পর্যটক, সবাইকে এই রেজিস্ট্রেশন করতেই হবে। তা না করলে যাত্রায় যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

    জোশীমঠের ভূমিধসের ঘটনার কারণে এ বার আরও বেশি সতর্ক প্রশাসন। জোশীমঠ-বদরীনাথ সড়কে একাধিক জায়গায় ফাটল রয়েছে এখনও। যে কোনো মুহূর্তে বড়ো কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতেই পারে। সে কারণে বদরীনাথ যাত্রার দিকে বেশি করে নজর দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।

    The post চারধাম যাত্রীদের এ বার বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন করতে হবে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/mandatory-registration-for-pilgrims-visiting-chardham-yatra/feed/ 0 117826
    ৩ মে শুরু হচ্ছে চার ধাম যাত্রা, নাম লিখিয়েছেন লক্ষাধিক যাত্রী https://www.bhramononline.com/travel-news/char-dham-yatra-starts-on-3rd-may-over-1-lakh-pilgrims-registered/ https://www.bhramononline.com/travel-news/char-dham-yatra-starts-on-3rd-may-over-1-lakh-pilgrims-registered/#respond Mon, 25 Apr 2022 04:53:44 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=115201 দেহরাদুন: মে মাসের গোড়াতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে চার ধাম যাত্রা। আর এর জন্য ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক তীর্থযাত্রী নিজেদের নাম নথিভুক্ত (রেজিস্ট্রেশন)

    The post ৩ মে শুরু হচ্ছে চার ধাম যাত্রা, নাম লিখিয়েছেন লক্ষাধিক যাত্রী appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    দেহরাদুন: মে মাসের গোড়াতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে চার ধাম যাত্রা। আর এর জন্য ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক তীর্থযাত্রী নিজেদের নাম নথিভুক্ত (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। যাত্রীদের সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করার জন্য উত্তরাখণ্ড পর্যটন দফতর এ বছর থেকে নাম নথিভুক্ত করার ব্যাপারটি বাধ্যতামূলক করেছে।

    চার ধাম যাত্রা শুরু হচ্ছে ৩ মে। ওই দিন গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর দরজা যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ৩ দিন পরে ৬ মে কেদারনাথ মন্দিরের দরজা খুলবে। বদরীনাথ মন্দিরের দরজা খুলবে ৮ মে।

    চার ধাম যাত্রার জন্য এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০৮ জন তীর্থযাত্রী নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কেদারনাথের জন্য। এ পর্যন্ত ৪১১০৭ জন কেদারনাথের জন্য নাম লিখিয়েছেন। বদরীনাথ দর্শন করতে চান ২৯৪৮৮ জন। গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর জন্য নাম লিখিয়েছেন যথাক্রমে ১৬৮০৪ জন ও ১৫৮২৯ জন। রাজ্যের পর্যটন সেক্রেটারি দিলীপ জওয়ালকর এই তথ্য দিয়েছেন।

    করোনা-পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসায় এ বার চার ধাম যাত্রায় তীর্থযাত্রী সমাগম ভালোই হবে বলে আশা করা যায়। এই প্রথম চার ধাম দর্শনের জন্য যাত্রীদের নাম রেজিস্ট্রি করতে হচ্ছে। পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম রেজিস্ট্রি করা যাচ্ছে। নাম নথিভুক্ত করার জন্য অফ-লাইন সুবিধাও রয়েছে।

    এ ছাড়া যে সব যাত্রী চার ধাম যাত্রার জন্য আগাম বুকিং না করেই চলে আসবেন তাঁদেরও ফেরানো হবে না। চার ধামের পথে বিভিন্ন জায়গায় কাউন্টার করা হচ্ছে। সেখানে অন-স্পট রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

    চার ধাম যাত্রার ব্যাপারে যাত্রীদের সব রকম তথ্য জানানোর জন্য দেহরাদুনে খোলা হয়েছে কনট্রোল রুম। ১৩৪৬ – এই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করা যাবে। তা ছাড়া চারটে হেল্পলাইন নম্বর রয়েছে – ০১৩৫-১৩৬৪, ০১৩৫-২৫৫৯৮৯৮, ০১৩৫-২৫৫২৬২৭ এবং ০১৩৫-৩৫২০১০০।

    চার ধামের সঙ্গেই খুলে যাচ্ছে পঞ্চকেদারের তিন কেদার। তুঙ্গনাথ মন্দির খুলছে ৬ মে এবং মদমহেশ্বর ও রুদ্রনাথ মন্দির খুলছে ১৯ মে। এই খবর পাওয়া গিয়েছে বদরীনাথ কেদারনাথ টেম্পল কমিটি সূত্রে।

    (তথ্য সহায়তা: সৌমিশ্র মিত্র, প্রচেষ্টা ট্যুরিজম, হরিদ্বার)

    আরও পড়তে পারেন

    আকাশপথে মাত্র ৫ মিনিটেই চলুন ধরমশালা থেকে ম্যাকলিয়ডগঞ্জ

    বহু ট্রেনে এখনও চাদর-কম্বল মিলছে না, অভিযোগ যাত্রীদের, ব্যাখ্যা দিল রেল

    বর্ষার আগমন দেখতে চলুন কোভলম

    হাওয়া বদলের পশ্চিমে – বর্ষশেষে শিমুলতলা চলুন ট্র্যাভেলিজমের সঙ্গে

    The post ৩ মে শুরু হচ্ছে চার ধাম যাত্রা, নাম লিখিয়েছেন লক্ষাধিক যাত্রী appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/char-dham-yatra-starts-on-3rd-may-over-1-lakh-pilgrims-registered/feed/ 0 115201
    কেদার খুলছে ১৭ মে, পরের দিন বদরী, গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রী ১৪ মে https://www.bhramononline.com/travel-news/kedarnath-shrine-repoens-on-17-may/ https://www.bhramononline.com/travel-news/kedarnath-shrine-repoens-on-17-may/#respond Mon, 15 Mar 2021 05:54:09 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=114034 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: উত্তরাখণ্ড পর্যটকদের জন্য সুখবর। কেদারনাথ মন্দির ১৭ মে থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। এই ঘোষণা করেছে উত্তরাখণ্ড

    The post কেদার খুলছে ১৭ মে, পরের দিন বদরী, গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রী ১৪ মে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: উত্তরাখণ্ড পর্যটকদের জন্য সুখবর। কেদারনাথ মন্দির ১৭ মে থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। এই ঘোষণা করেছে উত্তরাখণ্ড চার ধাম দেবস্থানম ম্যানেজমেন্ট বোর্ড।

    বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, উখিমঠের ওঁকারেশ্বর মন্দিরে তাঁর শীতকালীন আবাস থেকে শিব-বিগ্রহ ১৪ মে কেদারনাথের পথে যাত্রা করবেন। কেদারনাথের বিখ্যাত মন্দিরের দরজা ১৭ মে ভোর ৫টা থেকে ভক্তদের জন্য খুলে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সব রকম প্রস্তুতি সারা হয়েছে। গত বছর ১৬ নভেম্বর মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    চার ধামের আরও একটি উল্লেখযোগ্য ধাম হল বদরীনাথ। বোর্ডের মুখপাত্র জানান, বদরীনাথের দরজা খুলছে কেদারনাথের পরের দিন অর্থাৎ ১৮ মে। গত বছর ১৯ নভেম্বর বদরীনাথ মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়েছিল।

    আর কেদারনাথ মন্দিরের দরজা খোলার তিন দিন আগেই খুলে যাচ্ছে গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর দরজা। ১৪ মে থেকেই ওই দুই মন্দিরে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

    প্রতি বছর শীত পড়ার আগে আগে চার ধামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রবল তুষারপাতের জন্য এই চার মন্দির বন্ধ থাকে। মোটামুটি মাসছয়েক বন্ধ থাকার পর এপ্রিল-মে মাসে ফের খুলে দেওয়া হয় মন্দির।

    কেদার-বদরী-গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রী – এই চার ধাম উত্তরাখণ্ডের একটি জনপ্রিয় পর্যটন সার্কিট। কবে এই সার্কিট খুলবে, তার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরা। উত্তরাখণ্ড পর্যটনের গাড়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগম (জিএমভিএন) প্রতি বছর চার ধাম যাত্রার আয়োজন করে থাকে। গত বছর করোনা পরিস্থিতির জন্য এই যাত্রা ব্যাহত হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ‘নঈ রাহেঁ নঈ মঞ্জিলেঁ’ – প্যারাগ্লাইডিং ও রিভার র‍্যাফটিং আরও জনপ্রিয় করতে হিমাচলে নতুন প্রকল্প        

    The post কেদার খুলছে ১৭ মে, পরের দিন বদরী, গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রী ১৪ মে appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/kedarnath-shrine-repoens-on-17-may/feed/ 0 114034
    লকডাউনের জের, কেদার-বদরীর আনুষ্ঠানিক দ্বারোন্মোচন নিয়ে প্রশ্ন https://www.bhramononline.com/travel-news/lockdown-puts-question-mark-on-the-opening-of-the-doors-of-kedar-badri-temples/ https://www.bhramononline.com/travel-news/lockdown-puts-question-mark-on-the-opening-of-the-doors-of-kedar-badri-temples/#respond Sat, 18 Apr 2020 04:02:58 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=111632 দেহরাদুন: ছ’ মাস বন্ধ থাকার পর এপ্রিল মাসের শেষেই দরজা খুলে যাওয়ার কথা উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ আর বদরীনাথ মন্দিরের। কিন্তু প্রথা

    The post লকডাউনের জের, কেদার-বদরীর আনুষ্ঠানিক দ্বারোন্মোচন নিয়ে প্রশ্ন appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    দেহরাদুন: ছ’ মাস বন্ধ থাকার পর এপ্রিল মাসের শেষেই দরজা খুলে যাওয়ার কথা উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ আর বদরীনাথ মন্দিরের। কিন্তু প্রথা মেনে নির্দিষ্ট দিনেই এ বার সেটা হবে কি না, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    এমনিতেই লকডাউনের জেরে দেশে সব ধর্মীয় স্থানই এখন দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ। ফলে কেদার-বদরীর মন্দিরেও কোনো ভাবে দর্শনার্থীরা যাবেন না। কিন্ত তা বলে তো আর আনুষ্ঠানিক দ্বারোন্মোচন তো বন্ধ রাখা যায় না। অল্প কয়েক জনের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান হতে পারে।

    কিন্তু সমস্যা হল এই দুই মন্দিরের মূল পূজারীই এখন উত্তরাখণ্ডের বাইরে রয়েছেন। কেদারনাথের  মূল পূজারী রয়েছেন মহারাষ্ট্রে আর বদরীনাথের মূল পূজারি কেরলে।

    পূজারিদের উত্তরাখণ্ডে নিয়ে আসার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে আবেদনও করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। সেই ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও প্রাথমিক ভাবে সায় দিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হল, উত্তরাখণ্ডে এলে দু’ জনকেই ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে।

    আরও পড়ুন: ঘরে বসে মানসভ্রমণ: সৈকত-মন্দিরের শহর তিরুচেন্দুর

    অর্থাৎ পূজারিদের যদি কয়েক দিনের মধ্যে উত্তরাখণ্ডে নিয়ে আসাও যায়, তবুও দ্বারোন্মোচনের দিন তাঁরা সশরীরে মন্দিরে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

    এ ক্ষেত্রে কেদার আর বদরীর জন্য দু’ ধরনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মূল পূজারীর পরিবর্তে অন্য কোনো পূজারির হাত দিয়ে কেদার মন্দির খোলানো যায় কি না, সেটা ভেবে দেখার জন্য কেদারনাথ-বদরীনাথ মন্দির কমিটির কাছে আবেদন করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার।

    অন্য দিকে টেহরির রাজপরিবারের কাছে আবেদন করেছে যদি বদরীনাথের মন্দির খোলার দিন পিছিয়ে দেওয়া যায়। উল্লেখ্য, বদরীনাথ মন্দিরের দেখভালের দায়িত্ব রয়েছে টেহরির রাজপরিবারের ওপরে।

    The post লকডাউনের জের, কেদার-বদরীর আনুষ্ঠানিক দ্বারোন্মোচন নিয়ে প্রশ্ন appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/lockdown-puts-question-mark-on-the-opening-of-the-doors-of-kedar-badri-temples/feed/ 0 111632
    এপ্রিলের শেষেই খুলে যাবে চার ধামের দরজা https://www.bhramononline.com/travel-news/chardham-in-garhwal-to-open-by-the-end-april/ https://www.bhramononline.com/travel-news/chardham-in-garhwal-to-open-by-the-end-april/#respond Sat, 08 Feb 2020 06:48:42 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=111327 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এই মুহূর্তে শীতকালীন আবাসে রয়েছেন উত্তরাখণ্ডের গাড়োয়ালে অবস্থিত বিখ্যাত চার ধামের অধিষ্ঠিত দেবদেবীরা। তবে ইতিমধ্যেই তাঁদের গ্রীষ্মকালীন আবাসে

    The post এপ্রিলের শেষেই খুলে যাবে চার ধামের দরজা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: এই মুহূর্তে শীতকালীন আবাসে রয়েছেন উত্তরাখণ্ডের গাড়োয়ালে অবস্থিত বিখ্যাত চার ধামের অধিষ্ঠিত দেবদেবীরা তবে ইতিমধ্যেই তাঁদের গ্রীষ্মকালীন আবাসে ফেরার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে

    এখনও মন্দিরের কপাট খুলতে আড়াই মাসের বেশি সময় বাকি। তবে পুণ্যার্থীরা যে হেতু চারধাম দর্শনের পরিকল্পনা করে ফেলেছেন, ফলে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফেও মন্দিরগুলির খোলার দিন ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চালু হতে চলেছে উত্তরবঙ্গ পরিবহণ নিগমের শিলিগুড়ি-কাঠামান্ডু বাস পরিষেবা

    সাধারণত অক্ষয় তৃতীয়ার আশেপাশে বিভিন্ন মন্দিরের দরজা খুলে যায়। বারও তার পরিবর্তন হবে না।

    জানা গিয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল খুলতে চলেছে কেদারনাথের কপাট। তার পরের দিন খুলে যাবে বদরীনাথের দরজাও।

    এর দিন কয়েক আগে, অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল খুলে যাবে গঙ্গোত্রী আর যমুনোত্রীর দরজাও। ছাড়া প্রায় একই সঙ্গে খুলবে হেমকুণ্ড সাহেব, তুঙ্গনাথ, রুদ্রনাথ, মদমহেশ্বর মন্দিরগুলিও।

    তথ্যসূত্র: প্রচেষ্টা ট্যুরিজম (হরিদ্বার)

    The post এপ্রিলের শেষেই খুলে যাবে চার ধামের দরজা appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/chardham-in-garhwal-to-open-by-the-end-april/feed/ 0 111327
    কবে বন্ধ হচ্ছে গাড়োয়ালের তীর্থক্ষেত্রগুলি? https://www.bhramononline.com/travel-news/closing-dates-of-various-temples-in-garhwal-region/ https://www.bhramononline.com/travel-news/closing-dates-of-various-temples-in-garhwal-region/#respond Fri, 11 Oct 2019 06:43:20 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=111037 ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: পুজো শেষ। এ বার ধীরে ধীরে শীত পড়তে শুরু করছে। টুকটাক তুষারপাতও শুরু হয়েছে। ফলে আর কিছু দিনের

    The post কবে বন্ধ হচ্ছে গাড়োয়ালের তীর্থক্ষেত্রগুলি? appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণঅনলাইন ডেস্ক: পুজো শেষ। এ বার ধীরে ধীরে শীত পড়তে শুরু করছে। টুকটাক তুষারপাতও শুরু হয়েছে। ফলে আর কিছু দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে গাড়োয়ালের বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র।

    ইতিমধ্যে বৃহস্পতিবার বন্ধ হয়েছে হেমকুণ্ড সাহেব। বাকি জায়গাগুলিও এ বার বন্ধ হয়ে যাবে। নীচে নেমে আসবেন বিভিন্ন মন্দিরে অধিষ্ঠিত দেবদেবীরা। তার পর ছ’মাস পর আবার নিজেদের জায়গায় ফিরে যাবেন তাঁরা।

    একবার দেখে নিন, এ বছর কবে বন্ধ হচ্ছে মন্দিরগুলি।

    রুদ্রনাথ মন্দির – ১৮ অক্টোবর, ২০১৯

    গঙ্গোত্রী মন্দির – ২৮ অক্টোবর, ২০১৯

    যমুনোত্রী মন্দির – ২৯ অক্টোবর, ২০১৯

    কেদারনাথ মন্দির – ২৯ অক্টোবর, ২০১৯

    তুঙ্গনাথ মন্দির – ৬ নভেম্বর, ২০১৯

    বদরীনাথ মন্দির – ১৭ নভেম্বর, ২০১৯

    মদমহেশ্বর মন্দির – ২১ নভেম্বর, ২০১৯

    তথ্যসূত্র- প্রচেস্টা ট্যুরিজম, হরিদ্বার

    The post কবে বন্ধ হচ্ছে গাড়োয়ালের তীর্থক্ষেত্রগুলি? appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-news/closing-dates-of-various-temples-in-garhwal-region/feed/ 0 111037
    চলুন বেরিয়ে পড়ি : গন্তব্য গাড়োয়াল https://www.bhramononline.com/travel-plan/our-selection/travel-plan-for-garhwal/ https://www.bhramononline.com/travel-plan/our-selection/travel-plan-for-garhwal/#respond Thu, 30 May 2019 19:13:54 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=109390 ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দেবভূমির গাড়োয়ালের আকর্ষণ সব সময়েই। গরমের ছুটি, বা পুজোর ছুটি, যে কোনো সময়েই বেরিয়ে পড়তে

    The post চলুন বেরিয়ে পড়ি : গন্তব্য গাড়োয়াল appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ভ্রমণ অনলাইন ডেস্ক: ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দেবভূমির গাড়োয়ালের আকর্ষণ সব সময়েই। গরমের ছুটি, বা পুজোর ছুটি, যে কোনো সময়েই বেরিয়ে পড়তে পারেন গাড়োয়ালের উদ্দেশে।  শীতে চার ধাম তথা কেদারনাথ-বদরীনাথ-গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রী বন্ধ থাকলেও অন্যত্র যেতে অসুবিধা নেই। ভ্রমণঅনলাইন সাজিয়ে দিচ্ছে গাড়োয়াল ভ্রমণের কয়েকটি ছক। 

    ভ্রমণ-ছক ১: হরিদ্বার-হৃষীকেশ-কার্তিকস্বামী-উখিমঠ-কল্পেশ্বর-বদরীনাথ-কর্ণপ্রয়াগ-খিরসু-ল্যান্সডাউন

    প্রথম দিন – আজ থাকুন হরিদ্বারে। দেখুন গঙ্গারতি।

    দ্বিতীয় দিন – সকালেই বেরিয়ে পড়ুন, চলুন হৃষীকেশ, ৩৮ কিমি। হৃষীকেশে দেখে নিন লছমনঝোলা, ঝোলাপুলে গঙ্গা পেরিয়ে কৈলাসানন্দ মিশন আশ্রম, কালীকমলীর সমাধি মন্দির, রামেশ্বর মন্দির, লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির, গীতা ভবন, স্বর্গাশ্রম। সন্ধ্যায় চলুন রাম ও লছমনঝোলার মাঝে গঙ্গার ত্রিবেণী (গঙ্গা-সরস্বতী-চন্দ্রভাগা) ঘাটে। দেখুন গঙ্গারতি। রাত্রিবাস হৃষীকেশ।  

    তৃতীয় দিন – আজকের গন্তব্য কনকচোরি, দূরত্ব ১৯৯ কিমি। তাই ভোরেই বেরিয়ে পড়ুন। রাত্রিবাস কনকচোরি।

    চতুর্থ দিন – রাত থাকতেই হাঁটা শুরু করুন। ৩ কিমি হেঁটে সূর্যোদয়ের আগে পৌঁছে যান কার্তিকস্বামী মন্দিরে (৩০৪৮ মি)। দেখুন সূর্যোদয়, দেখুন বন্দরপুঁছ, কেদারনাথ ডোম, মেরু ও সুমেরু, চৌখাম্বা, নীলকণ্ঠ, দ্রোনাগিরি, নন্দাঘুন্টি, ত্রিশূল ও নন্দাদেবী-সহ হিমালয়ের নানা শৃঙ্গ। কনকচোরি ফিরে প্রাতরাশ সেরে চলুন উখিমঠ, দূরত্ব ৫০ কিমি। উষা ও শ্রীকৃষ্ণের পৌত্র অনিরুদ্ধের বিবাহস্থল এই উখিমঠে রয়েছে ওঙ্কারেশ্বর শিবের মন্দির, কেদার ও মদমহেশ্বরের শীতকালীন আবাস। দেখে নিন ওঙ্কারেশ্বর-সহ এক গুচ্ছ মন্দির। রাত্রিবাস উখিমঠ।

    পঞ্চম দিন – সকালে বেরিয়ে পড়ুন, চলুন সারি (১২ কিমি), সেখান থেকে ২ কিমি হেঁটে পৌঁছে যান দেওরিয়া তালে (২৪৩৮ মি)। দেখুন চৌখাম্বা, কেদারনাথ-সহ হিমালয়ের নানা শৃঙ্গ। তালের জলে চৌখাম্বার প্রতিবিম্ব দেখুন। দেওরিয়া তাল ঘুরে চলুন বানিয়াকুণ্ড, ২২ কিমি। রাত্রিবাস বানিয়াকুণ্ড।

    ষষ্ঠ দিন – সকালেই বেরিয়ে পড়ুন, চলুন চামোলি-পিপলকোটি-হেলাং-উর্গম পেরিয়ে দেবগ্রাম। রাত্রিবাস দেবগ্রাম।

    সপ্তম দিন- সকালেই বেরিয়ে পড়ুন। হাফ কিমি হেঁটে পৌঁছে যান পঞ্চকেদারের অন্যতম কল্পেশ্বর (২২০০ মি)। দর্শন করে চলুন বদরীনাথের পথে, দূরত্ব ৭০ কিমি। পথে দেখে নিন উর্গমের কাছে ধ্যানবদরী, হেলাং-এর কাছে বৃদ্ধবদরী এবং জোশীমঠ। রাত্রিবাস বদরীনাথ (৩১৫৫ মি)।

    অষ্টম দিন – আজ থাকুন ঋষিগঙ্গা ও অলকানন্দার সঙ্গমে বদরীনাথে।

    বদরীনাথে দেখে নিন 

    নীলকণ্ঠে সূর্যোদয়, দোকানপাটের মধ্যে দিয়ে নেমে ঝোলাপুলে অলকানন্দা পেরিয়ে বদরীনাথের মন্দির, সন্ধ্যায় দেখুন আরতি, চলুন মানা গ্রাম (তিব্বতের পথে শেষ বসতি, ৩ কিমি)। দেখে নিন ব্যাস গুহা, গণেশ গুহা, অলকানন্দা ও সরস্বতীর সঙ্গম কেশবপ্রয়াগ, সরস্বতীর ওপরে পাথরের ভীম পুল (এখান থেকে ৫ কিমি হেঁটে বসুধারা ফলস্‌, ১২২ মিটার উঁচু), চরণপাদুকা (জিএমভিএন ট্যুরিস্ট লজ থেকে ৩ কিমি হাঁটা, খুব চড়াই নয়। জনশ্রুতি, পাথরে বিষ্ণুর পায়ের চিহ্ন)।

    নবম দিন – সকালেই বেরিয়ে পড়ুন, চলুন অলকানন্দা ও কর্ণগঙ্গার সঙ্গমে কর্ণপ্রয়াগ, ১২৪ কিমি। পথে পাণ্ডুকেশ্বরে (বদরী থেকে ২৩ কিমি) দেখে নিন যোগধ্যানবদরী। কর্ণপ্রয়াগে বিনায়ক শিলা, উমা, কর্ণ মন্দির-সহ অনেক মন্দির। রাত্রিবাস কর্ণপ্রয়াগ।

    দশম দিন- সকালেই বেরিয়ে পড়ুন। প্রথমে রানিখেতের পথে ১৮ কিমি দূরে আদিবদরী দেখে এসে কর্ণপ্রয়াগে ফিরুন, সেখান থেকে চলুন খিরসু, দূরত্ব ৮১ কিমি। রাত্রিবাস খিরসু (১৭০০ মি)।

    একাদশ দিন – আজও থাকুন খিরসুতে, উপভোগ করুন হিমালয়ের সৌন্দর্য। দিগন্তবিস্তৃত শৃঙ্গরাজি দৃশ্যমান।  

    দ্বাদশ দিন – সকালেই চলুন ল্যান্সডাউন (১৭১৬ মি), ৯১ কিমি। টিপ-এন-টপ পয়েন্ট থেকে দেখুন অসংখ্য গিরিশিরা। রমণীয় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। আরও দেখুন দরওয়ান সিং মিউজিয়াম, ভুল্লা তাল, সেন্ট মেরি চার্চ, সেন্ট জন চার্চ, কালেশ্বর শিব মন্দির, শাকম্ভরী মন্দির, সেনাবাহিনীর দুর্গামন্দির, ভীম পকোড়া, হাওয়া ঘর ইত্যাদি।

    ত্রয়োদশ দিন – চলুন কোটদ্বার, ৩৯ কিমি। সেখান থেকে ঘরে আসুন কন্বাশ্রম (শকুন্তলার পালক পিতা কণ্ব মুনির আশ্রম), ১৫ কিমি। ফিরে আসুন কোটদ্বারে, রাতে ট্রেন ধরুন দিল্লির।

    চতুর্দশ দিন – দিল্লি থেকে ফিরুন ঘরপানে।

    ভ্রমণ-ছক ২: হরিদ্বার-দেহরাদুন-ডাকপাথার-চক্রাতা-বারকোট-উত্তরকাশী-হরসিল-গঙ্গোত্রী

    প্রথম দিন – আজ থাকুন হরিদ্বারে। দেখুন গঙ্গারতি।

    দ্বিতীয় দিন – সকালেই বেরিয়ে পড়ুন। চলুন যমুনার ধারে ডাকপাথারে, ৯৭ কিমি। রাত্রিবাস ডাকপাথার।

    তৃতীয় দিন – ডাকপাথার থেকে প্রথমে চলুন হিমাচলের পাওনটা সাহেব — গুরু গোবিন্দ সিং-এর স্মৃতিবিজড়িত, ২৫ কিমি। এর পর আরও ৬ কিমি গিয়ে নাহান – শিবালিকের কোলে সুন্দর পাহাড়ি শহর। সব শেষে আরও ৪৫ কিমি গিয়ে রেণুকাজি, হিমাচলের বৃহত্তম লেক, পাহাড়ে ঘেরা। পরশুরামের মায়ের নামে লেক, রয়েছে পরশুরাম লেকও। তার পাড়ে পরশুরাম মন্দির। আরও নানা মন্দির। ফিরুন গিরি নদীর পাড় ধরে পাওনটা হয়ে ডাকপাথারে, ৭২ কিমি। পথে পড়বে যমুনার ওপর আসান ব্যারেজ, ডাকপাথারের ১১ কিমি আগে। রাত্রিবাস ডাকপাথার।

    চতুর্থ দিন – ভোরেই চলুন শৈলশহর চক্রাতা (২১৫৩ মিটার), দূরত্ব ৫১ কিমি। ডাকপাথার থেকে ৭ কিমি গেলেই পড়বে কালসি। এখানে দেখে নিন ১৮৬০ সালে আবিষ্কৃত সম্রাট অশোকের শিলালিপি। এখান থেকেই গাড়ি উঠতে শুরু করে পাহাড়ে, পৌঁছে যায় সেনাশহর চক্রাতায়। তুষারাবৃত বন্দরপুঞ্ছ শৃঙ্গ দৃশ্যমান। রাত্রিবাস চক্রাতা।

    পঞ্চম দিন – আজও থাকুন চক্রাতায়।

    চক্রাতায় দেখে নিন

    চিন্তাহরণ মহাদেব (চক্রাতা বাজার থেকে কিছুটা নেমে), খারাম্বা চুড়ো (৩০৮৪ মি, ৩ কিমি), চিলমিরি সানসেট পয়েন্ট (৫ কিমি), থানাডাণ্ডা (চিরিমিরি থেকে ১ কিমি চড়াই উঠে), রামতাল গার্ডেন (৮ কিমি), চানি চুরানি (১৮ কিমি, সুন্দর নৈসর্গিক দৃশ্য), কানাসার (বিশাল বিশাল কাণ্ডওয়ালা বহু প্রাচীন দেবদারুর জঙ্গল ও কানাসার দেবতার মন্দির, ২৬ কিমি), দেওবন  (তুষারমৌলী হিমালয়ের দৃশ্য, ১০ কিমি, শেষ ২ কিমি হাঁটা)।

    (চক্রাতায় পৌঁছে প্রথম দিন স্থানীয় দ্রষ্টব্য দেখে নিন। পরের দিন সকালে ঘুরে আসুন কানাসার ও দেওবন। চক্রাতা ফিরে দুপুরে খেয়ে চলুন রামতাল গার্ডেন ও চানি চুরানি।)

    ষষ্ঠ দিন – সকালেই বেরিয়ে পড়ুন, চলুন বারকোট, ৮৫ কিলোমিটার। পথে দেখে নিন টাইগার ফলস্‌ (চক্রাতা থেকে ১৯ কিমি), লাখামণ্ডল (চক্রাতা থেকে ৬৬ কিমি, নানা দেবতার মন্দিররাজি। পাহাড়ের গায়ে বিশাল কিছু গহ্বর। জনশ্রুতি, পঞ্চপাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য এখানেই তৈরি হয়েছিল লাক্ষার জতুগৃহ। নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে বার্নি নদী)। যমুনা তীরবর্তী বারকোটে রাত্রিবাস। দেখুন তুষারাবৃত বান্দরপুঞ্ছ।

    সপ্তম দিন – সকালেই চলুন হরসিল (২৬২০ মিটার, ১৫২ কিমি)। পথে দেখে নিন গাংনানির উষ্ণ প্রস্রবণ। পথে পড়ে রইল উত্তরকাশী, ফেরার পথে দর্শন হবে। রাত্রিবাস হরসিল।

    অষ্টম দিন – ভাগীরথী উপত্যকায় পাইন ও দেওদারে ছাওয়া অনুপম সৌন্দর্যের পাহাড়ি জনপদ হরসিল। চলুন ৩ কিমি দূরে ধারালি। ভাগীরথী পেরিয়ে ১ কিমি চড়াই ভেঙে মুখবা গ্রাম, গঙ্গোত্রী মন্দিরের বিগ্রহ মা গঙ্গার শীতকালীন আবাস। মুখবা গ্রাম থেকে দেখুন সুদর্শন, শিবলিঙ্গ, ভাগীরথী-সহ হিমালয়ের বিভিন্ন তুষারশৃঙ্গ। ধারালি থেকে ৩ কিমি চড়াই ভেঙে উঠতে পারেন সাততাল (কুমায়ুনের সাততালের সঙ্গে গোলাবেন না), বিভিন্ন উচ্চতায় সাতটি লেক, যার অনেকগুলিই আজ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে যা আছে, সেটাই উপভোগ করার মতো। রাত্রিবাস হরসিল।

    নবম দিন – আজও থাকুন হরসিলে। সকালেই চলুন গঙ্গোত্রী (৩০৪২ মি), ২৫ কিমি। উপভোগ করুন গঙ্গোত্রীর নিসর্গ। মন্দির বন্ধ হলে ফিরে আসুন হরসিলে।

    দশম দিন – ফেরার পথে সক্কালেই বেরিয়ে পড়ুন, চলুন উত্তরকাশী (১১৮০ মি), ৭৫ কিমি। উত্তরকাশী পৌঁছেই দেখে আসুন নচিকেতা তাল (২৪৫৩ মিটার, ৩২ কিমি)। চৌরঙ্গি খাল পর্যন্ত গাড়িতে গিয়ে ৩ কিমি ট্রেক জঙ্গলের মধ্য দিয়ে। উদ্দালক মুনির ছেলে নচিকেতার নামে এই লেক। কাছেই নাগদেবতা মন্দির। রাত্রিবাস উত্তরকাশী।

    একাদশ দিন – উত্তরকাশীতে সক্কাল সক্কাল বিশ্বনাথ ও অন্যান্য মন্দির দর্শন করে এবং কেদারঘাটে ভাগীরথীর জল মাথায় নিয়ে রওনা হয়ে যান ধারে দেহরাদুন, ১৪৪ কিমি। রাত্রিবাস দেহরাদুন।  

    দ্বাদশ দিন- বাড়ির পথে রওনা হওয়ার আগে দেহরাদুনে দেখে নিতে পারেন তপকেশ্বর মহাদেব, সহস্রধারা ও রবার্স কেভ।        

    ভ্রমণ-ছক ৩: হরিদ্বার-দেহরাদুন-ডাকপাথার-চক্রাতা-মুসোরি-ধনোলটি

    প্রথম দিন থেকে পঞ্চম দিন –  ভ্রমণ-ছক ২-এর মতো।

    ষষ্ঠ দিন – আজও থাকুন চক্রাতায়। ঘুরে আসুন টাইগার ফলস্‌ (চক্রাতা থেকে ১৯ কিমি), লাখামণ্ডল (চক্রাতা থেকে ৬৬ কিমি, নানা দেবতার মন্দিররাজি। পাহাড়ের গায়ে বিশাল কিছু গহ্বর। জনশ্রুতি, পঞ্চপাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য এখানেই তৈরি হয়েছিল লাক্ষার জতুগৃহ। নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে বার্নি নদী)।

    সপ্তম দিন – চলুন মসুরি, ৮০ কিমি। পথে দেখে নিন কেম্পটি ফলস। রাত্রিবাস মসুরি (২০০৬ মি)।

    অষ্টম দিন – আজও থাকুন মসুরিতে। হাঁটাহাঁটি করুন ম্যালে। দেখে নিন ক্যামেলস ব্যাক রোডে দুর্গামন্দির, ভাট্টা ফলস, নাগ দেবতা মন্দির, গান হিল পয়েন্ট, মোসি ফলস, ফ্ল্যাগ হিল, লাল টিব্বা (২৬১০ মি), মালসি ডিয়ার পার্ক। গান হিল বেড়িয়ে নিন রোপওয়ে চেপে। রাত্রিবাস মসুরি।

    নবম দিন – মসুরি থেকে ধনোলটি (২২৮৬ মি)। দূরত্ব ৩২ কিমি। রাস্তার বাঁ দিক বরাবর গাড়োয়াল হিমালয়ের বিশাল রেঞ্জ চোখে পড়ে। সকাল সকাল চলে আসুন, যাতে সারা দিন ধরে ধনোলটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। বিকেল হওয়ার আগে চলুন ধনোলটি ভিউ পয়েন্ট। দেড় কিমি ট্রেক। উপরে উঠে বিস্তীর্ণ বুগিয়াল। নয়নাভিরাম সূর্যাস্ত। রাত্রিবাস ধনোলটি।

    দশম দিন – ভোরেই চলুন ৩০৪৯ মিটার উচ্চতায় সুরখণ্ডাদেবীর (দুর্গা) মন্দির। চাম্বার পথে ৫ কিমি গিয়ে ২ কিমি চড়াই ভাঙা। হিমালয়ের দৃশ্য ভোলার নয়। দুপুরের আগে ধনোলটি ফিরে চলুন হরিদ্বার, ১১২ কিমি।

    একাদশ দিন – বাড়ির পথে।

    ভ্রমণ-ছক ৪: দেহরাদুন-মসুরি-ধনোলটি-শ্রীনগর-খিরসু-পৌড়ী-ল্যান্সডাউন

    প্রথম দিন- দেহরাদুন থেকে চলুন মসুরি (২০০৬ মিটার), দূরত্ব ৪০ কিমি। পথে দেখে নিন মালসি ডিয়ার পার্ক। রাত্রিবাস মুসোরি।

    দ্বিতীয় দিন – আজও থাকুন মসুরিতে। হাঁটাহাঁটি করুন ম্যালে। দেখে নিন ক্যামেলস ব্যাক রোডে দুর্গামন্দির, ভাট্টা ফলস, নাগ দেবতা মন্দির, গান হিল পয়েন্ট, মোসি ফলস, ফ্লাগ হিল, লাল টিব্বা (২৬১০ মি)। গান হিল বেড়িয়ে নিন রোপওয়ে চেপে। ঘুরে আসুন কেম্পটি ফলস্‌ (১৫ কিমি)।

    তৃতীয় দিন – মসুরি থেকে চলুন ধনোলটি (২২৮৬ মি)। দূরত্ব ৩২ কিমি। রাস্তার বাঁ দিক বরাবর গাড়োয়াল হিমালয়ের বিশাল রেঞ্জ চোখে পড়ে। সকাল সকাল চলে আসুন, যাতে সারা দিন ধরে ধনোলটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। বিকেল হওয়ার আগে চলুন ধনোলটি ভিউ পয়েন্ট। দেড় কিমি ট্রেক। উপরে উঠে বিস্তীর্ণ বুগিয়াল। নয়নাভিরাম সূর্যাস্ত। রাত্রিবাস ধনোলটি।

    চতুর্থ দিন – ভোরেই চলুন ৩০৪৯ মিটার উচ্চতায় সুরখণ্ডাদেবীর (দুর্গা) মন্দির। চাম্বার পথে ৫ কিমি গিয়ে ২ কিমি চড়াই ভাঙা। হিমালয়ের দৃশ্য ভোলার নয়। সুরখণ্ডাদেবী দেখে চলুন চাম্বা, ৩০ কিমি। রাত্রিবাস চাম্বা।  

    পঞ্চম দিন – চলুন অলকানন্দা তীরে শ্রীনগর (৫৬০ মি, কাশ্মীরের নয়), ৯৫ কিমি। এখানে দেখে নিন কমলেশ্বর মহাদেব মন্দির (জনশ্রুতি, এই মন্দিরেই রাম হাজার পদ্মের অর্ঘ্য দেন দেবতা শিবকে। এখানেই নাকি একটা চোখ কম পড়াতে রাম নিজের চোখ উৎসর্গ করতে চান। সেই থেকে রামকে বলা হয় কমল নয়ন), আদি শংকরাচার্য প্রতিষ্ঠিত কিকিলেশ্বর মহাদেব মন্দির, কেশোরাই মঠ, ৩ কিমি দূরে বাবা গোরখনাথ গুহার উলটো দিকে শংকর মঠ, ১৭ কিমি দূরে পৌড়ী-গাড়োয়াল রাজ্যের রাজধানী দেবলগড় (এখানে গাড়োয়ালি স্থাপত্যের নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে গৌরী দেবী মন্দির, মা রাজেশ্বরী মন্দির ইত্যাদি। রাত্রিবাস শ্রীনগর।

    ষষ্ঠ দিন – শ্রীনগর থেকে চলুন খিরসু, ৩৫ কিমি। হিমালয়ের দিগন্তবিস্তৃত শিখররাজির (তিনশোরও বেশি) জন্য খ্যাতি খিরসুর (১৭০০ মি)। রাত্রিবাস খিরসু।

    সপ্তম দিন – খিরসু থেকে চলুন পৌড়ী (১৯ কিমি, ১৮১৪ মি)। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তে ত্রিশূল, হাতি পর্বত, নীলকণ্ঠ, কেদারনাথ, চৌখাম্বা, ভৃগুপন্থ, গঙ্গোত্রী গ্রুপ, বন্দরপুঞ্ছ ছাড়াও তুষারে মোড়া হিমালয়ের শিখররাজির শোভা দেখুন। দেখুন বাসস্ট্যান্ডে লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির, ২ কিমি দূরে ঘন জঙ্গলে কান্ডোলিয়া শিবমন্দির, ৩ কিমি পাহাড় চড়ে ৮ শতকের কঙ্কালেশ্বর শিব মন্দির। রাত্রিবাস পৌড়ী।

    অষ্টম দিন – চলুন ল্যান্সডাউন (১৭১৬ মি), ৮৬ কিমি। (দেখুন ভ্রমণ-ছক ১, দ্বাদশ দিন)। রাত্রিবাস ল্যান্সডাউন।

    নবম দিন –  ল্যান্সডাউন থেকে নাজিবাবাদ (৬৩ কিমি) বা হরিদ্বার (১০৬ কিমি) এসে সেখান থেকে ফেরার ট্রেন ধরতে পারেন। পথে সম্ভব হলে দেখে নিন কোটদ্বার থেকে ১৫ কিমি দূরে কণ্বাশ্রম (শকুন্তলার পালক পিতা কণ্ব মুনির আশ্রম) ।

    ভ্রমণ-ছক ৫:  উত্তরকাশী-হরসিল-গঙ্গোত্রী-শ্রীনগর-জোশীমঠ-বদরীনাথ-আউলি-রুদ্রপ্রয়াগ

    প্রথম দিন – হরিদ্বার থেকে চলুন উত্তরকাশী। দূরত্ব ১৮৫ কিমি। রাত্রিবাস উত্তরকাশী (১১৫৮ মি)।

    দ্বিতীয় দিন – সকালে উত্তরকাশীর বিশ্বনাথ ও অন্যান্য মন্দির দেখে এবং ভাগীরথীর ধারে কেদারঘাট ঘুরে চলুন ভাগীরথী উপত্যকায় পাইন ও দেওদারে ছাওয়া অনুপম সৌন্দর্যের পাহাড়ি জনপদ হরসিল (২৬২০ মি), দূরত্ব ৭৫ কিমি। পথে দেখে নিন গাংনানির উষ্ণপ্রস্রবণ। রাত্রিবাস হরসিল।

    তৃতীয় দিন – চলুন গঙ্গোত্রী (৩০৪২ মি), ২৫ কিমি। উপভোগ করুন গঙ্গোত্রীর নিসর্গ। রাত্রিবাস গঙ্গোত্রী।

    চতুর্থ দিন  – চলুন অলকানন্দা তীরে শ্রীনগর (৫৭৯ মি), ২২১ কিমি। (দেখুন ভ্রমণ-ছক ৪, পঞ্চম দিন)। রাত্রিবাস শ্রীনগর।

    পঞ্চম দিন – শ্রীনগর থেকে চলুন জোশীমঠ (১৮৭৫ মি), ১২৩ কিমি। দেখে নিন বাসস্ট্যান্ডের ১ কিমি নীচে নৃসিংহ মন্দির, বাসস্ট্যান্ডের উপরে শংকরাচার্য প্রতিষ্ঠিত জ্যোতির্মঠ। রাত্রিবাস জোশীমঠ।

    ষষ্ঠ দিন – ভোরেই চলুন বদরীনাথ (৩১৫৫ মি), দূরত্ব ৪৬ কিমি। পথে পড়বে বিষ্ণুপ্রয়াগ, অলকানন্দা ও ধৌলিগঙ্গার সঙ্গম। শ্বেতশুভ্র নীলকণ্ঠ (৬৫৯৬ মি) মুকুট হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বদরীনাথের শিরে। রাত্রিবাস বদরীনাথ। (দেখুন ভ্রমণ-ছক ১, অষ্টম দিন যতটা সম্ভব ঘুরুন)

    সপ্তম দিন – বদরীনাথ থেকে আউলি (২৫১৯ মি), দূরত্ব ৫৬ কিমি। পুরোটা গাড়িতে যেতে পারেন, আবার জোশীমঠ থেকে কেবল কারেও ঘুরে আসতে পারেন। আউলিতে দেখুন দিগন্তবিস্তৃত হিমালয়ের শৃঙ্গরাজি। শৃঙ্গরাজির মাথায় সূর্যাস্ত অতুলনীয়।

    (কেবল কারেই চলুন। প্রথমে চলুন ১০ নম্বর টাওয়ার স্টেশনে, কেবল কার এতটাই আসে। এখানে নেমে গড়সন বুগিয়াল দেখে ফেরার পথে ৮ নম্বর টাওয়ার স্টেশনে নেমে সেখান থেকে চেয়ার কারে আউলি চলে আসুন। জোশীমঠে কেবল কার স্টেশনে টিকিট কাটার সময় আপনার প্ল্যান জানিয়ে দিলে সেইমতো ব্যবস্থা হয়ে যাবে। টিকিটে যাতায়াতের ভাড়া ধরা। ফেরার দিন জানিয়ে দেবেন। সঙ্গে গাড়ি থাকলে জোশীমঠে এক দিন রেখে দেবেন।)

    অষ্টম দিন – আজও থাকুন আউলিতে, উপভোগ করুন এর সৌন্দর্য, বিশ্রাম নিন।

    নবম দিন – আউলি থেকে চলুন রুদ্রপ্রয়াগ (৬১০মি), অলকানন্দা-মন্দাকিনী সঙ্গম, ১২৪ কিমি। পথে দেখুন নন্দপ্রয়াগ (অলকানন্দা ও নন্দাকিনীর সঙ্গম) এবং কর্ণপ্রয়াগ (অলকানন্দা ও পিন্ডারগঙ্গা তথা কর্ণগঙ্গার সঙ্গম)। বিকেলে ঘুরে নিন সঙ্গমের কাছে রুদ্রনাথ শিবমন্দির, জগদম্বা মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির। রাত্রিবাস রুদ্রপ্রয়াগ।

    দশম দিন– রুদ্রপ্রয়াগ থেকে হরিদ্বার, ১৬৪ কিমি। পথে দেখে নিন দেবপ্রয়াগ, অলকানন্দা ও ভাগীরথীর সঙ্গম। এখানেই অলকানন্দার যাত্রা শেষ। গঙ্গার পথ চলা শুরু। রাত্রিবাস হরিদ্বার।

    একাদশ দিন – আজও থাকুন হরিদ্বারে।

    হরিদ্বারে দ্রষ্টব্য

    গঙ্গারতি, মনসা পাহাড়, চণ্ডী পাহাড়, কনখল ইত্যাদি। মনসা পাহাড়, চণ্ডী পাহাড় যাওয়ার জন্য রোপওয়ে-ও আছে। যতটা সম্ভব ঘুরে নিন।

    দ্বাদশ দিন – বাড়ির পথে।

    ভ্রমণ-ছক ৬: প্রথাগত চারধাম যাত্রা

    প্রথম দিন – হরিদ্বার থেকে জানকীচটি, ২২১ কিমি। রাত্রিবাস জানকীচটি।

    দ্বিতীয় দিন – যমুনোত্রী (৩২৯১ মি) ঘুরে আসা। যাতায়াতে ১০ কিমি মতো হাঁটা। রাত্রিবাস জানকীচটি।

    তৃতীয় দিন – সক্কালে যাত্রা করুন গঙ্গোত্রীর উদ্দেশে, ২২০ কিমি। রাত্রিবাস গঙ্গোত্রী।

    চতুর্থ দিন – আজও থাকুন গঙ্গোত্রীতে (৩০৪২ মি)। উপভোগ করুন ভাগীরথী ও কেদারগঙ্গার সঙ্গমে গঙ্গোত্রীর সৌন্দর্য।

    পঞ্চম দিন – গঙ্গোত্রী থেকে উত্তরকাশী, ৯৫ কিমি। ঘোরাঘুরি। রাত্রিবাস উত্তরকাশী। বিশ্বনাথ ও অন্যান্য মন্দির দর্শন করুন এবং কেদারঘাটে ভাগীরথীর জল মাথায় নিন।

    ষষ্ঠ দিন – চলুন গুপ্তকাশী, ১৯৪ কিমি। দেখে নিন বাসপথের কিছুটা উপরে কেদারের মন্দিরের আদলে তৈরি শিবমন্দির। রাত্রিবাস গুপ্তকাশী।

    সপ্তম দিন – ভোরে বেরিয়ে গুপ্তকাশী থেকে শোনপ্রয়াগ (৩০ কিমি) পৌঁছে হাঁটা শুরু। ১০ কিমি হেঁটে রাত্রিবাস ভীমবলী (৮৭৩০ ফুট)। অথবা আরও ৬ কিমি এগিয়ে লিনচোলিতেও (১০৩৩০ ফুট) থাকতে পারেন।

    অষ্টম দিন – ভীমবলী হলে ১০ কিমি হেঁটে অথবা লিনচোলি হলে ৪ কিমি হেঁটে কেদারনাথ (১১৭৫৫ ফুট)। রাত্রিবাস কেদারনাথ।

    নবম দিন – কেদার থেকে হেঁটে শোনপ্রয়াগ আসুন (২০ কিমি), চলুন উখিমঠ (১৩১১ মি), ৪৪ কিমি। মন্দির দর্শন। রাত্রিবাস উখিমঠ।

    দশম দিন – উখিমঠ থেকে চলুন জোশীমঠ, ১২৯ কিমি। রাত্রিবাস জোশীমঠ। (দেখুন ভ্রমণ-ছক ৫, পঞ্চম দিন)।

    একাদশ দিন – চলুন বদরীনাথ। (দেখুন ভ্রমণ-ছক ৫, ষষ্ঠ দিন)।

    দ্বাদশ দিন – বদরীনাথ থেকে পৌঁছে যান হরিদ্বার, ৩১৬ কিমি। রাত্রিবাস হরিদ্বার।

    ত্রয়োদশ দিন – ঘরের পানে।

    কী ভাবে যাবেন ও ফিরবেন

    হাওড়া থেকে হরিদ্বার হয়ে দেহরাদুন যাওয়ার সব থেকে ভালো ট্রেন উপাসনা এক্সপ্রেস। প্রতি মঙ্গল এবং শুক্রবার দুপুর ১টায় হাওড়া ছেড়ে হরিদ্বার পৌঁছোয় পরের দিন বিকেল ৩.৫০ মিনিটে, দেহরাদুন পৌঁছোয় সন্ধ্যা ৬.০৫-এ। রয়েছে দুন এক্সপ্রেস, প্রতিদিন রাত ৮.২৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে হরিদ্বার পৌঁছোয় তৃতীয় দিন ভোর ৪.৫৫ মিনিটে, দেহরাদুন পৌঁছোয় সকাল ৭.৩৫-এ। হাওড়া থেকে হরিদ্বার যাওয়ার জন্য রয়েছে কুম্ভ এক্সপ্রেস। মঙ্গল এবং শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহে পাঁচ দিন দুপুর একটায় হাওড়া থেকে ছেড়ে হরিদ্বার পৌঁছোয় পরের দিন বিকেল ৪:৫৫।

    দিল্লি হয়েও যেতে পারেন। হাওড়া থেকে রাজধানী বা দুরন্ত ধরে বা শিয়ালদহ থেকে রাজধানী বা দুরন্ত ধরে দ্বিতীয় দিন দিল্লি আসুন। দিল্লি থেকে হরিদ্বার ১৮০ কিমি। গাড়িতে আসতে পারেন, মুহুর্মুহু বাসও পাবেন।

    মোরাদাবাদ বা নজীবাবাদ হয়েও যেতে পারেন হরিদ্বার। হাওড়া/শিয়ালদহ/কলকাতা স্টেশন থেকে রয়েছে এক গুচ্ছ ট্রেন। তবে সব চেয়ে ভালো ট্রেন দ্বিসাপ্তাহিক দুর্গিয়ানা এক্সপ্রেস। কলকাতা স্টেশন থেকে মঙ্গল ও শনিবার বেলা ১২.১০-এ ছেড়ে মোরাদাবাদ পৌঁছোয় সকাল ৭.৫০ মিনিটে। মোরাদাবাদ থেকে হরিদ্বার ১৫০ কিমি, গাড়ি বা বাসে পৌঁছে যাওয়া যায়। দ্বিসাপ্তাহিক অকাল তখত্‌ এক্সপ্রেস কলকাতা স্টেশন থেকে বুধ ও রবিবার সকাল ৭-৪০-এ ছেড়ে নজীবাবাদ পৌঁছোয় পরের দিন সকাল ৯.৩৮ মিনিটে। নজীবাবাদ থেকে হরিদ্বার ৪৬ কিমি, গাড়ি বা বাসে পৌঁছে যাওয়া যায়।          

    দিল্লি থেকে দেহরাদুন আসার ট্রেন আছে পাঁচটা। এ ছাড়াও দেশের সব বড়ো শহরের সঙ্গেই ট্রেন যোগাযোগ আছে দেহরাদুনের। ট্রেনের অভাবে দিল্লি হয়ে দেহরাদুন আসাই ভালো।

    বিমানেও দিল্লি এসে দেহরাদুন যেতে পারেন। ট্রেনে, বাসে বা গাড়িতে। সড়ক পথে দিল্লি থেকে দেহরাদুন ২৫১ কিমি।

    নজীবাবাদ থেকে হাওড়া ফেরার জন্য রয়েছে দুন এক্সপ্রেস। রাত ১১:৪৫-এ ছেড়ে হাওড়া পৌঁছোয় তৃতীয় দিন সকাল ৭টায়। রয়েছে অমৃতসর-হাওড়া মেল, রোজ রাত ২.৪৯-এ, হাওড়া পৌঁছোয় তৃতীয় দিন সকাল সাড়ে ৭টায়। রয়েছে অকাল তখত্‌ এক্সপ্রেস। প্রতি মঙ্গল এবং শুক্রবার দুপুর ১২.৫৯-এ ছেড়ে কলকাতা স্টেশন পৌঁছোয় পরের দিন বিকেল ৩:১৫-এ। এ ছাড়া আছে ডাউন জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস। প্রতিদিন সকাল ৮টায় ছেড়ে কলকাতা স্টেশন পৌঁছোয় পরের দিন বিকেল ৩:৪৫-এ। অমৃতসর-হাওড়া এক্সপ্রেস প্রতিদিন রাত ২.২৮-এ ছেড়ে হাওড়া পৌঁছোয় তৃতীয় দিন বিকেল পৌনে ৩.৫০ মিনিটে।

    হরিদ্বার থেকে ফেরার ট্রেন। উপাসনা এক্সপ্রেস প্রতি বুধ এবং শনিবার রাত ১১:৫০-এ ছেড়ে, হাওড়া পৌঁছোয় তৃতীয় দিন ভোর ৩:২০-এ। বাকি পাঁচদিন একই সময় রয়েছে কুম্ভ এক্সপ্রেস। দুন এক্সপ্রেস রোজ রাত্রি ১০.২০-এ ছেড়ে তৃতীয় দিন সকাল ৭টায় হাওড়া। এ ছাড়াও দিল্লি হয়ে ফিরতে পারেন।

    সারা দিনে হরিদ্বার থেকে দিল্লি আসার অনেক ট্রেন আছে। ট্রেনের মান অনুযায়ী সময় লাগে সাড়ে চার ঘণ্টা থেকে বারো ঘণ্টা। দেশের অন্য শহরের সঙ্গে হরিদ্বারের ট্রেন যোগাযোগ থাকলেও তা খুব সীমিত। তাই সে ক্ষেত্রে দিল্লি হয়ে যাতায়াত করাই ভালো।

    ট্রেনের বিস্তারিত সময়ের জন্য দেখে নিন erail.in ।

    কী ভাবে ঘুরবেন

    সব জায়গায় বাস পরিষেবা পাবেন। কিন্তু পাহাড়ি জায়গা, বাসের সংখ্যা কম। তার ওপর স্থানীয় মানুষের ভরসা বাসই। তাই মালপত্র নিয়ে বাসে যাওয়া কষ্টকর। শেয়ার গাড়িও মেলে কোনো কোনো জায়গায়, তবে সব জায়গায় নয়। তবে ভ্রমণের সময়সূচি অক্ষুণ্ণ রাখতে, একটু আরামে ঘুরতে গাড়ি ভাড়া করে নেওয়াই ভালো। সে ক্ষেত্রে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার জন্য গাড়ি ভাড়া করে সেখানে পৌঁছে স্থানীয় যান বা হেঁটে ঘোরা যেতে পারে। ভ্রমণ-ছক ৩ ও ৪-এর ক্ষেত্রে এটা করা যেতেই পারে। আর বাকি চারটি ছকের ক্ষেত্রে দেহরাদুন বা হরিদ্বার থেকে গাড়ি ভাড়া করে নেওয়া ভালো। হরিদ্বারে স্টেশনের কাছেই ট্যাক্সি ইউনিয়নের স্ট্যান্ড।

    কোথায় থাকবেন

    চক্রাতা ছাড়া সব জায়গাতেই রয়েছে গাড়োয়াল মণ্ডল বিকাশ নিগমের (জিএমভিএন) বিশ্রামাবাস। অনলাইন বুকিং gmvnl.in । তবে অনলাইনে বুক করার ব্যবস্থা থাকলেও সেখানে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন পর্যটকরা। সে ক্ষেত্রে জিএমভিএনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। জিএমভিএনের কলকাতা অফিসের ঠিকানা- রুম নং- ২২৪, মার্শাল হাউস, ৩৩/১ এসএফ, নেতাজি সুভাষ রোড। ফোন- ২২৬১০৫৫৪।

    চক্রাতায় থাকার জন্য অনেক বেসরকারি হোটেল রয়েছে, কিন্তু সব থেকে ভালো জায়গা হোটেল স্নো-ভিউ। যোগাযোগ- ৯৪১১৩৬৩২৩১, ৯৪১০৮২৩২০৭। ওয়েবসাইট www.chakratasnowview.co  ইমেল- chakratasnowview@gmail.com

    কনকচৌরিতে থাকতে পারেন মায়াদীপ হলিডে হোমে। অনলাইন বুকিং www.euttaranchal.com/hotels/

    কল্পেশ্বরের জন্য থাকতে পারেন দেবগ্রামের পথিক লজে, যোগাযোগ – ৯৭৫৮৭০০২৬৩।

    অন্য বেসরকারি হোটেলের সন্ধান পাবেন makemytrip, goibibo, trivago, cleartrip, holidayiq  ইত্যাদি ওয়েবসাইট থেকে।

    গাড়োয়ালের বিভিন্ন জায়গায় থাকা ও গাড়ির জন্য যোগাযোগ করতে পারেন: সৌমিশ্র মিত্র, প্রচেষ্টা ট্যুরিজম, ফোন ০৭৬০৭৭৫৫৮০০, ই-মেল prochesta.bapi@gmail.com

    মনে রাখবেন

    (১) চক্রাতায় অনেক জায়গা আছে, যেখানে জিপই ভরসা।

    (২) কেদারযাত্রীদের শোনপ্রয়াগ থেকে কেদারযাত্রার ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে।

    (৩) ভীমপুল থেকে যদি বসুধারা ফলস্‌ যেতে চান, তা হলে একটা দিন বেশি থাকতে হবে বদরীনাথে। এমনিতেই হাতে সময় থাকলে বদরীনাথে থাকাটা দু’ দিন করলে ভালো।

    (৪) ইচ্ছা করলে হরিদ্বারে একাধিক দিন থাকতে পারেন। গঙ্গার ধারে যদি থাকার জায়গা পান, তা হলে তার চেয়ে মনোরম আর কিছু হয় না।

    (৫) শীতে যেতে চাইলে ছকগুলি থেকে চার ধাম বাদ দিয়ে একটু সাজিয়ে নিন। প্রথম ছকে বদরীনাথের বদলে কল্পেশ্বর থেকে জোশীমঠ হয়ে আউলি চলে যান। দু’ দিন কাটিয়ে কর্ণপ্রয়াগ চলে আসুন। দ্বিতীয় ছকে হরসিল থেকে ফিরে আসুন। ভ্রমণ ছক ৫-এ গঙ্গোত্রী ও বদরীনাথ বাদ দিয়ে দিন।   

    The post চলুন বেরিয়ে পড়ি : গন্তব্য গাড়োয়াল appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-plan/our-selection/travel-plan-for-garhwal/feed/ 0 109390
    গাড়োয়ালে ইতিউতি ১ / তুষারাবৃত বদরীনাথকে প্রণাম https://www.bhramononline.com/travel-blog/travel-stories/a-trip-to-garhwal-part-1-snow-covered-badrinayh/ https://www.bhramononline.com/travel-blog/travel-stories/a-trip-to-garhwal-part-1-snow-covered-badrinayh/#respond Tue, 19 Feb 2019 10:15:02 +0000 https://www.bhramononline.com/?p=109193 গিন্নির বড়ো দুঃখ, কেদার-বদরী দর্শন হল না। অতীতে তিনি অমরনাথ এবং হর-কি-দুন গিয়েছেন ট্রেকিং করেই, কিন্তু এখন হাঁটু সহযোগিতা করবে

    The post গাড়োয়ালে ইতিউতি ১ / তুষারাবৃত বদরীনাথকে প্রণাম appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    ashok ghosh
    অশোক কুমার ঘোষ

    গিন্নির বড়ো দুঃখ, কেদার-বদরী দর্শন হল না। অতীতে তিনি অমরনাথ এবং হর-কি-দুন গিয়েছেন ট্রেকিং করেই, কিন্তু এখন হাঁটু সহযোগিতা করবে না কেদারনাথের চড়াইয়ের সঙ্গে। সহধর্মিনীর দুঃখ লাঘবের জন্য ঘোলের প্রস্তাব দে‌ওয়া হল দুধের বদলে। সিদ্ধান্ত গৃহীত হল বদরীনাথের পাশাপাশি প‍‌ঞ্চম কেদার কল্পেশ্বর, তৎসহ কার্তিকস্বামী ইত্যাদি দর্শনের। আমরা দু’ জন এবং অনুজ বন্ধু অনুপমদের তিন জন, এই পঞ্চপাণ্ডবের দল রওনা হলাম। হরিদ্বার থেকে গাড়িতে জোশীমঠ, বদরীনাথদেবের শীতকালীন আবাস।

    ৩ নভেম্বর। চলছে টিপটিপ বৃষ্টি। তারই মধ্যে সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রওনা জোশীমঠ থেকে। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টির মুষলধার রূপ। অলকানন্দা পার হয়ে কিছুটা যাওয়ার পর চোখে পড়ল বদরীনাথ থেকে নামা গাড়ির ছাদে এবং উইন্ডশিল্ডে বরফ, অতএব প্রমাণিত বদরীনাথে বরফ। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের যাত্রাপথে তুষারপাত শুরু। আমাদের আনন্দ দেখে কে! জানলার কাচ নামিয়ে ছবি তোলার হুড়োহুড়ি।

    আরও পড়ুন কুমারী সৈকত চাঁদপুরে একটা দিন

    তুষারপাতের মধ্য দিয়ে চলেছি আমরা, পথের পাশে গাছে গাছে বরফের আস্তরণ। রাস্তার ওপরের বরফ শক্ত হতে শুরু করায় গাড়ির চাকা স্কিড করতে লাগল। গাড়ি দাঁড়িয়ে গেল। ওপর থেকে একটা বড়ো ট্রাক নীচে নামার ফলে যে চওড়া চাকার দাগ তৈরি হল, সেই দাগে চাকা ফেলে আমাদের গাড়ি চলল এগিয়ে।

    অবশেষে বদরীনাথ। বরফ ঠেলে ভারত সেবাশ্রম সংঘ বিনোদ ভিউ। সেখানকার বারান্দাও তুষারাবৃত। কিছুক্ষণ পরে তুষারপাতের মধ্যেই ছাতা আর পঞ্চু চাপিয়ে প্রায় এক ফুট নরম বরফ ঠেলে মধ্যাহ্নভোজ সেরে আসা হল। তুষারপাতের বিরাম নেই। চারপাশ ঘোলাটে। বরফের ভারে গাছের ডালপালা নুয়ে পড়েছে। আমরা বাধ্য হয়ে ঘরবন্দি। বিকেলে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন। অন্ধকারের মধ্যেই ভক্তি মহারাজের বৈরাগ্যআলেখ্য শোনা হল। রসিক ব্যক্তি, নিজেকে নিয়ে মজা করতে পারেন।

    তুষারপাত বেড়েছে, তারই সঙ্গে বেড়েছে হাওয়ার দাপট‌ও। চার পাশের অন্ধকার, তাই তুষারের ধারাপাত স্পষ্ট। জেনারেটারের কারণে শুধুমাত্র বদরীনাথ মন্দির আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত। সকালের আনন্দভাবের ওপর ধীরে ধীরে চিন্তার প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। একে অন্ধকার, তায় অবিরাম বরফবৃষ্টি। তাই বাইরে খেতে যাওয়া নাকচ হল। নৈশভোজ সারা হল সঙ্গের চিঁড়ে ভাজা আর খেজুর দিয়ে। আমাদের থার্মোমিটারে -৬ সেলসিয়াস। গরম জামাকাপড় গায়ে চাপিয়ে লেপ কম্বলের নীচে। কানে আসছে একটা ঝরনার আওয়াজ, সঙ্গে অলকানন্দার প্রবাহের শব্দ।                           

    badrinath temple
    বদরীনাথ।

    ভোররাত্রে ধুপধাপ আওয়াজ। হয়তো বরফের চাঙড় খসে পড়ছে। তাড়াতাড়ি উঠেই বা কী হবে? থাকতে তো হবে ঘরবন্দি। দরজার নীচে দিয়ে ঢোকা আলো দেখে বাইরে এসে তাজ্জব। হাই ফোকস্! ইট্‌স আ ব্রাইট ডে। সবাই বাইরে। ছবি তোলার ধুম। ঝকঝক করছে চার পাশ। রোদ এসে পড়েছে পাহাড়ের এক দিকে। বদরীনাথ মন্দির পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। এক জন বাড়ির ছাদে উঠে থালায় করে বরফ পরিষ্কার করছেন। মন্দিরচত্বরে লোকজনের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে এখানকার বারান্দা থেকেই। আমরাও র‌ওনা দিলাম।

    কিছু কিছু বরফ গলে পথ পিচ্ছিল। অতি সাবধানে পদচারণা করতে হচ্ছে। বেলচা দিয়ে বরফ সরানো হচ্ছে। অলকানন্দার ওপর যে ব্রিজ, তাতেও বরফ। অবশেষে বদরীনাথ দর্শন। মন্দির প্রায় খালি। বদরীনাথজি ভালো দর্শন দিলেন। মাথায় রত্নখচিত মুকুট অথচ দেখতে কী মায়াময়। মায়াবী, সংবেদনশীল দৃষ্টিতে দেখছেন। মনের থলি ভরে নিয়ে মন্দির প্রদক্ষিণ ক‍রে বাইরে আসতেই দেখি, দর্শনার্থী সমাগম বেশ হয়েছে, তার সঙ্গে হাজির পেশাদার আলোকচিত্রীর দল। ঝকঝকে রোদে চার পাশ ঝলমল করছে। হলুদ ঠোঁট চাও ওড়াউড়ি করছে। আমরাও মন্দির থেকে ফেরার পথ ধরলাম।

    আরও পড়ুন বিশ্বনাথের বারাণসী, বারাণসীর বিসমিল্লাহ

    একটি গাড়িও র‌ওনা দিল, কিন্তু যেতে পারল না বিশেষ। বদরীনাথ ঢোকা-বেরোনোর চৌকিতে আটকে দেওয়া হল, রাস্তা চলাচলের উপযুক্ত না হ‌ওয়ায়। ষোলো ঘণ্টার অবিরাম তুষারপাতের ফলে জায়গায় জায়গায় দু’ ফুট তুষারের আস্তরণ।

    ঘরবন্দি হয়ে থাকতে আর ভালো লাগছে না, বিকেলে পায়চারি করতে বেরোলাম। মাথার ওপর হেলিকপ্টারের চক্কর। অনুপম বলল, “রিপোর্টার”। সেটা যে ভুল তা বুঝেছিলাম পরের দিন। যা-ই হোক বিকেলে হাঁটতে হাঁটতে একেবারে মন্দিরচত্বরে, দর্শনার্থীদের লম্বা লাইন। সকালের মতো আর ফাঁকা নেই। মন্দিরের বাঁহাতি রাস্তা ধরে চলতে লাগলাম চরণপাদুকার দিকে। দু’ পাশের দোকানগুলোর ছাদ থেকে বরফগলা জল টপ টপ করে পড়ছে। রাস্তায় বরফকুচি আর জলের কাদা। সাবধানে চলতে হচ্ছে। চরণপাদুকার দিকে ওঠার সিঁড়ি বরফে ভর্তি। স্থানীয় একজন উঠতে বারণ করলেন। উঠতে পারলে‌ও নামা কঠিন হবে। অগত্যা ফিরতি-পথ। অলকানন্দার ওপর সাঁকো পার হতেই চোখে পড়ল এক সাধু তাঁর ক্রাচ দিয়ে বসার বেঞ্চ থেকে বরফ সরাচ্ছেন। একটা জলুস আসছে বাজনা বাজিয়ে। এক আঞ্চলিক গ্রাম্য দেবতাকে আনা হচ্ছে বদরীনাথ দর্শনের জন্য। ছবি তুলতে গিয়ে দেখি চার্জ শেষ। গতকাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই পাওয়ার ফল্টের কারণে।

    first sunrays on neelkantha peak
    নীলকণ্ঠ শিখরে প্রথম সূর্যকিরণ।

    পরের দিন সকালে ঠিক হল ফিরতি পথে র‌ওনা হ‌ওয়ার আগে চেষ্টা হবে মানা গ্রামে যাওয়ার। জানা গেল রাস্তা খোলা। গাড়ির সামনের বরফ পরিষ্কার করতে হাত লাগাল অনুপম। বরফ পরিষ্কার করে মানা যাওয়ার রাস্তা গাড়ি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। ফৌজি চৌকি থাকায় এই রাস্তার গুরুত্ব অপরিসীম। এই অঞ্চলে ভালো আলুচাষ হয়। এখন জমি ফাঁকা। জানা গেল, ইন্টারনেটের দৌলতে আগাম আবহা‌ওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে চাষিরা আলু তুলে বিক্রি করে দিয়েছেন। সামরিক বাহিনীর ক্যাম্প পর্যন্ত‌ই রাস্তা পরিষ্কার। এর পর গাড়ি আর বেশি দূর এগোতে পারল না।

    ফিরে আসার জন্য গাড়ি ব্যাক করতে লাগল। কিন্তু জমাট বরফে চাকা স্কিড করে একেবারে খাদের ধারে। সারথি বাপি চরম দক্ষতায় ব্রেক কষল। এর পর? গাড়ি চালু করলে চাকা বরফের উপর ঘুরে ঘুরে আর‌ও হড়কে যাবে। সারথি জানালেন, অন্তত পাঁচ জন যদি গাড়ি ঠেলতে পারে তবেই গাড়ি সোজা করা যাবে।  আমরা চললাম সামরিক ক্যাম্পের উদ্দেশে, ওঁদের সাহায্য যদি পাওয়া যায়, সেই আশায়। দেখা হয়ে গেল যমুনোত্রী থেকে আসা কয়েক জনের সঙ্গে। ওঁরাও চলেছেন মানাগ্রাম। ওঁরা রাজি হলেন। দলে আমরা সাত জন। প্রথমে গাড়ির সামনে থেকে ঠেলা, পরে পিছন থেকে ঠেলা। পা হড়কে যাচ্ছে, তবুও পরিশ্রম কাজে এল।             

    আরও পড়ুন ওখরে-হিলে-ভার্সে, যেন মেঘ-বালিকার গল্প

    বদরীনাথ ঢোকার চৌকিতে আটকে দেওয়া হল। নীচের রাস্তায় গলা জল রাত্রে জমে গিয়ে বিপজ্জনক অবস্থা। অ্যাক্সিডেন্টের আশঙ্কা প্রবল। রোদে বরফ গলে গেলে গাড়ি ছাড়া হবে। অগত্যা অপেক্ষা। নেমে পায়চারি করা ছাড়া উপায় নেই। হঠাৎ কিছু ব্যস্ততা চোখে পড়ল। একটা গাড়ি ছেড়ে দে‌ওয়া হল। যাত্রী মুকেশ আম্বানি। কিছুক্ষণ পর ওঁকে নিয়ে হেলিকপ্টার উড়ে গেল। গতকালের হেলিকপ্টার-রহস্যের সমাধান।

    আবার অপেক্ষা। সকাল দশটা নাগাদ নীচে থেকে গাড়ি আসতে শুরু করল। স্থানীয় প্রশাসনের গাড়ি এসে সবুজ সংকেত দেওয়ার পর আমাদের যাত্রা শুরু হল। তুষারাবৃত বদরীনাথকে প্রণাম জানিয়ে এগিয়ে চললাম পরবর্তী গন্তব্যের দিকে। (চলবে)

    ছবি: লেখক 

     

    The post গাড়োয়ালে ইতিউতি ১ / তুষারাবৃত বদরীনাথকে প্রণাম appeared first on Bhramon Online.

    ]]>
    https://www.bhramononline.com/travel-blog/travel-stories/a-trip-to-garhwal-part-1-snow-covered-badrinayh/feed/ 0 109193