The post পূর্ণিমার রাতে টয় ট্রেনে চা-বাগান ও জঙ্গল ভ্রমণ, নতুন উদ্যোগ ডিএইচআরের appeared first on Bhramon Online.
]]>এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছে ১৯২০ সালের এক স্মরণীয় ঘটনা। কোচবিহারের এক রাজকন্যা দার্জিলিং সফরে এসে উইন্ডমেয়ার হোটেলের অনুষ্ঠানে একঘেয়েমি বোধ করেন। পরে তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজারের সহায়তায় গোপনে বেরিয়ে পূর্ণিমার রাতে টয় ট্রেনে পার্টির আয়োজন করেছিলেন তিনি। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকেই ফের জীবন্ত করতে চায় ডিএইচআর।
পর্যটকদের জন্য তিনটি নতুন চার্টার্ড টয় ট্রেন পরিষেবা চালু হবে। প্রতি পূর্ণিমার রাতে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দার্জিলিং থেকে যাত্রা শুরু করবে নির্দিষ্ট ট্রেন। পথে তিনধারিয়া ওয়ার্কশপ পরিদর্শনের সুযোগ থাকবে। ট্রেনে পরিবেশন করা হবে তিব্বতি চা।
রংটং, সুকনা হয়ে গুলমায় গিয়ে শেষ হবে যাত্রা। গুলমায় লোকসংস্কৃতির নাচ-গান ও রাতের ভোজের আয়োজন থাকবে। ভাগ্য ভাল থাকলে চাঁদের আলোয় চা-পাতা তোলার দৃশ্যও দেখতে পাবেন পর্যটকেরা।
ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরীর কথায়, হেরিটেজ টয় ট্রেনের মাধ্যমে এখানকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পরিবেশের সঙ্গে পর্যটকদের একাত্ম করার লক্ষ্যেই এই ভাবনা। নদী, পাহাড়, চা-বাগান ও পাহাড়ি বনভূমিতে ঘোরার পাশাপাশি ট্রেকিংয়ের সুযোগও থাকবে। স্থানীয় গোর্খা ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের হাতে তৈরি খাবার ও হস্তশিল্প সামগ্রীও পাওয়া যাবে।
এই পরিষেবা চালুর জন্য বন দফতরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে ডিএইচআর। পাশাপাশি কার্শিয়াঙে টয় ট্রেন মিউজিয়াম দেখার সুযোগও মিলবে।
রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এ ধরনের উদ্যোগ দেশে প্রথম। গরমের ছুটিতে শৈলরানির পর্যটকদের জন্য এই প্যাকেজ বড় আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
The post পূর্ণিমার রাতে টয় ট্রেনে চা-বাগান ও জঙ্গল ভ্রমণ, নতুন উদ্যোগ ডিএইচআরের appeared first on Bhramon Online.
]]>The post দিঘা-মায়াপুর সরাসরি বাস পরিষেবা শুরু: মাত্র ২৫০ টাকায় জগন্নাথধাম ও মায়াপুর দর্শন; জানুন সময়সূচি appeared first on Bhramon Online.
]]>পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে আপাতত এই রুটে দুটি বাস চালানো হচ্ছে। যাত্রীপিছু ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২৫০ টাকা। দিঘা থেকে নবদ্বীপের উদ্দেশে বাস ছাড়বে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে। অন্যদিকে, নবদ্বীপ থেকে দিঘার দিকে বাস ছাড়বে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ৩টের মধ্যে। আপাতত প্রতিদিন এই পরিষেবা চালু থাকলেও, ভবিষ্যতে যাত্রীসংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এর স্থায়িত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাধারমণ দাসের মতে, এই সরাসরি বাস পরিষেবা রাজ্যজুড়ে একটি ‘পবিত্র ভক্তি ও সংস্কৃতির করিডর’ তৈরি করবে। বিশেষ করে বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ইসকন ভক্ত, যাঁরা মায়াপুরের পাশাপাশি দিঘার জগন্নাথধাম দর্শনে আগ্রহী, তাঁদের জন্য এই যাত্রা হবে অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ। উল্লেখ্য, গত বছর অক্ষয় তৃতীয়ায় দিঘার এই জগন্নাথধাম সংস্কৃতি কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ইসকন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই উদ্যোগ কেবল আধ্যাত্মিক পর্যটনকেই চাঙ্গা করবে না, বরং পরিবহণ, হোটেল এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। ডিসেম্বর মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উদ্বোধনের মাত্র কয়েক মাসে প্রায় এক কোটি মানুষ দিঘার জগন্নাথধাম দর্শন করেছেন। নতুন এই বাস সংযোগ সেই ভিড়কে মায়াপুরের সঙ্গে যুক্ত করে রাজ্যের পর্যটন অর্থনীতিকে আরও গতি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
The post দিঘা-মায়াপুর সরাসরি বাস পরিষেবা শুরু: মাত্র ২৫০ টাকায় জগন্নাথধাম ও মায়াপুর দর্শন; জানুন সময়সূচি appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ভারতের দীর্ঘতম ফিউনিকুলার রেল চালু শ্রী মালঙ্গড়ে, দু’ঘণ্টার কঠিন পাহাড়ি আরোহণ এখন মাত্র ১০ মিনিটে appeared first on Bhramon Online.
]]>এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন বিধায়ক কিসান কাথোরে, যিনি ২০০৪ সালে প্রথম এই প্রকল্পের প্রস্তাব দেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুলভা গায়কোয়াড়। নতুন এই পরিষেবা বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং শারীরিকভাবে অক্ষম তীর্থযাত্রীদের পক্ষে শ্রী মালংগড়ে পৌঁছোনো অনেক সহজ করে তুলেছে।
এত দিন শ্রী মালংগড়ে যেতে হলে পাথরের গায়ে কাটা প্রায় ২,৬০০টি খাড়া সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হত। ভিড়ের দিন বা বর্ষাকালে এই পথ ছিল অত্যন্ত কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ফিউনিকুলার রেল চালু হওয়ায় সেই দীর্ঘ আরোহণ এখন অতীত।
এই রেলে একবারে ১২০ জন যাত্রী উঠতে পারবেন এবং প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১২০০ যাত্রী পরিবহণ করা সম্ভব হবে। ফলে উৎসব বা ছুটির দিনে ভিড় অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফিউনিকুলার রেল সাধারণ ট্রেনের মতো নয়। এখানে একটি তারের যুক্ত দুটি কোচ বিপরীত দিকে চলাচল করে—একটি ওপরে উঠলে অন্যটি নীচে নামে। এতে শক্তির সাশ্রয় হয় এবং খাড়া পাহাড়ি ঢালেও যাত্রা হয় মসৃণ ও নিরাপদ।
শ্রী মালংগড় ফিউনিকুলার রেলে রয়েছে পাঁচ স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা, যার মধ্যে স্বয়ংক্রিয় ব্রেকিং সিস্টেমও রয়েছে। ম্যানুয়াল কন্ট্রোল ব্যর্থ হলেও এই ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করবে।
শ্রী মালংগড় বা হাজি মালং গড় মহারাষ্ট্রের ঠানে জেলায়। কল্যাণ থেকে ১৫ কিমি দূরে, মুম্বইয়ের উপকণ্ঠে। পাহাড়টির উচ্চতা স্থানবিশেষে ২৫৯০ ফুট থেকে ৩২০০ ফুট এবং তিনটি স্তরে বিভক্ত— পীর মাচি, সোনে মাচি এবং শিখর।
চূড়ায় রয়েছে সপ্তম শতাব্দীর সুফি সাধক হাজি মালং-এর দরগা। এই স্থানটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক, যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। তীর্থযাত্রীদের পাশাপাশি ট্রেকার ও প্রকৃতিপ্রেমীরাও এখানে ভিড় জমান।

আগে কল্যাণ রেলস্টেশন থেকে প্রায় ২০ কিমি পথ বাস নম্বর ৪৫, অটো বা ব্যক্তিগত গাড়িতে গিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে পৌঁছোতে হত। সেখান থেকেই শুরু হতো দীর্ঘ ও কষ্টকর পাহাড়ি আরোহণ।
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত
রাউন্ড ট্রিপ টিকিটের দাম
প্রাপ্তবয়স্ক: ১৫০ টাকা
শিশু: ৭৫ টাকা
পার্কিং চার্জ (২ ঘণ্টা পর্যন্ত)
দুই চাকা: ২০ টাকা
গাড়ি: ৫০ টাকা
টিকিট বুকিং কী ভাবে করবেন
বর্তমানে ফিউনিকুলার রেলের টিকিট শুধুমাত্র অফলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। যাত্রীদের যাত্রার দিন নীচের স্টেশনের টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কাটতে হবে। অনলাইন বুকিংয়ের ব্যবস্থা এখনও চালু হয়নি।
The post ভারতের দীর্ঘতম ফিউনিকুলার রেল চালু শ্রী মালঙ্গড়ে, দু’ঘণ্টার কঠিন পাহাড়ি আরোহণ এখন মাত্র ১০ মিনিটে appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পাহাড়ের কোলে টাইম ট্রাভেল! ব্রিটিশ আমলের টয় ট্রেনে চাপার সুযোগ দিচ্ছে ডিএইচআর, জানুন কবে থেকে appeared first on Bhramon Online.
]]>ফেরার পথে ব্রিটিশ আমল ডিএইচআর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশ-বিদেশের পর্যটকরা প্রায়শই জানতে চান, ব্রিটিশ আমলে ঠিক কীভাবে টয় ট্রেন চলত। সেই কৌতূহল মেটাতেই এই উদ্যোগ। ডিএইচআর-এর অধিকর্তা ঋষভ চৌধুরী জানান, পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে ব্রিটিশ আমলের কামরাগুলি সংস্কার করা হচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ১৪টি হেরিটেজ কামরা মেরামত করে যাত্রীদের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
ইঞ্জিন থেকে কামরা— সাজছে সবকিছু ইতিমধ্যেই মিউজিয়াম থেকে তিনটি ব্রিটিশ আমলের স্টিম ইঞ্জিন ফিরিয়ে এনে মেরামত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি এখন জঙ্গল সাফারিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, বাকি দুটিও শীঘ্রই ট্র্যাকে নামবে। গত বছর বেঙ্গালুরু থেকে দুটি বাষ্পচালিত ইঞ্জিন আনা হয়েছিল এবং তিনধারিয়া ওয়ার্কশপে থাকা আরও একটি ইঞ্জিন সারাইয়ের কাজ চলছে। এবার ইঞ্জিনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পুরনো কামরাগুলি ফিরলে পর্যটকরা সম্পূর্ণ ব্রিটিশ আমলের আমেজ উপভোগ করতে পারবেন।
খুশি পর্যটন মহল রেলের এই উদ্যোগে খুশি রাজ্য ইকো ট্যুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান রাজ বসু। তিনি বলেন, “টয় ট্রেনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। এটি পর্যটকদের কাছে একটি নস্টালজিক বিষয়। ব্রিটিশ আমলের প্রযুক্তি ও পাহাড়বাসীর শিল্পকলা জড়িয়ে আছে এই ট্রেনের সঙ্গে। ডিএইচআর-এর এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
আধুনিকতার ছোঁয়ায় টয় ট্রেনে ডিজেল ইঞ্জিন ও অত্যাধুনিক ভিস্তাডোম কোচ এলেও, বিদেশি ও ইতিহাসপিপাসু পর্যটকদের কাছে পুরনো দিনের টয় ট্রেনের কদর আজও আলাদা। ‘কুইন অফ হিলস’-এর সেই হানো গৌরব ফিরিয়ে আনতেই ডিএইচআর-এর এই প্রয়াস।
The post পাহাড়ের কোলে টাইম ট্রাভেল! ব্রিটিশ আমলের টয় ট্রেনে চাপার সুযোগ দিচ্ছে ডিএইচআর, জানুন কবে থেকে appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাতটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশের নানা প্রান্তে নতুন রেলসংযোগ appeared first on Bhramon Online.
]]>সাতটি পরিষেবার মধ্যে তিনটি ট্রেনের যাত্রা শুরু হবে কলকাতা থেকে।
(১) সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই – সাঁতরাগাছি–তাম্বরম (চেন্নাই) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে তাম্বরম ছাড়বে এবং পরদিন রাত ৮টা ১৫ মিনিটে সাঁতরাগাছি পৌঁছবে। ফেরার পথে শনিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সাঁতরাগাছি ছাড়বে এবং তৃতীয় দিনে সকাল ১০টায় তাম্বরম পৌঁছোবে।
(২) হাওড়া থেকে দিল্লি – হাওড়া–আনন্দ বিহার টার্মিনাল (নয়াদিল্লি) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১০ মিনিটে হাওড়া ছাড়বে এবং তৃতীয় দিনে ভোর ২টা ৫০ মিনিটে আনন্দ বিহার টার্মিনালে পৌঁছোবে। ফিরতি ট্রেনটি শনিবার সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে আনন্দ বিহার ছাড়বে এবং পরদিন সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে।
(৩) শিয়ালদহ থেকে বারাণসী – শিয়ালদহ–বারাণসী অমৃত ভারত এক্সপ্রেস সপ্তাহে তিন দিন চলবে। বারাণসী থেকে শিয়ালদহ ট্রেনটি রবিবার, মঙ্গলবার ও শুক্রবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়বে এবং পরদিন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে পৌঁছোবে। শিয়ালদহ থেকে বারাণসী ট্রেনটি সোমবার, বুধবার ও শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে এবং পরদিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছোবে।
এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য প্রান্ত থেকে চারটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস চালু হবে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দুটি ট্রেন উত্তরবঙ্গকে যথাক্রমে তামিলনাড়ুর নাগারকোয়েল ও তিরুচিরাপল্লির সঙ্গে যুক্ত করবে।
আলিপুরদুয়ার থেকে আরও দুটি ট্রেন সরাসরি সংযোগসাধন করবে এসএমভিটি বেঙ্গালুরু এবং মুম্বইয়ের পানভেলের সঙ্গে।

ট্রেনের ভিতরের ছবি।
২২ কোচের অমৃত ভারত এক্সপ্রেসে থাকছে জেনারেল ও স্লিপার কোচের পাশাপাশি একটি প্যান্ট্রি কার। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য উন্নত আসন ও শয্যা, ভাঁজ করা স্ন্যাক টেবিল, রেডিয়াম ফ্লোর স্ট্রিপ, এলইডি আলো, সুরক্ষিত ফ্যান, চার্জিং পয়েন্ট এবং মোবাইল ফোন ও পানীয় জলের বোতল রাখার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এয়ার-স্প্রিং সাসপেনশন বগির ফলে যাত্রা আরও মসৃণ হবে। পাশাপাশি অনবোর্ড প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রতিটি কোচে চারটি করে ভারতীয় ও পশ্চিমি ধাঁচের শৌচালয় রয়েছে, যেখানে ইলেক্ট্রো-নিউম্যাটিক প্রেসারাইজড ফ্লাশিং সিস্টেম ও স্বয়ংক্রিয় সাবান সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে—বৈদ্যুতিক অংশ ও শৌচালয়ে অ্যারোসল-ভিত্তিক অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা, ধুলো ঢোকা কমাতে সিল করা গ্যাংওয়ে এবং অনির্ধারিত যাত্রাবিরতির সময় ব্যবহারের জন্য বাহ্যিক জরুরি আলো সংযোজন করা হয়েছে। আধা-স্বয়ংক্রিয় কাপলার ব্যবহারে কাপলিংয়ের সময় শব্দ ও ধাক্কা কমবে। দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আঘাত শোষণের জন্য ডিফরমেশন টিউব এবং অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে পুশ-পুল প্রযুক্তিও যুক্ত করা হয়েছে। এই পরিষেবাগুলিতে ডায়নামিক প্রাইসিং থাকছে না।
রেল কর্তৃপক্ষের মতে, অমৃত ভারত এক্সপ্রেস রাজ্যের যাত্রীদের জন্য দীর্ঘদূরত্বে কম খরচে, নিরাপদ ও আধুনিক রেলযাত্রার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
The post পশ্চিমবঙ্গ থেকে সাতটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশের নানা প্রান্তে নতুন রেলসংযোগ appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পর্যটনের ভরা মরশুমে বন্ধ ভিস্তা ডোম! বুকিং তলানিতে ঠেকায় সাময়িক বিরতি, কবে ফিরবে ডুয়ার্সের ‘কাঁচের ট্রেন’? appeared first on Bhramon Online.
]]>তাৎপর্যপূর্ণভাবে, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল (এনএফআর) এই সিদ্ধান্তের পিছনে প্রকাশ্যে কোনও স্পষ্ট কারণ জানায়নি। যদিও রেল সূত্রের দাবি, পর্যটনের ভরা মরশুম সত্ত্বেও ভিস্তা ডোমের বুকিং আশ্চর্যজনকভাবে তলানিতে এসে ঠেকেছিল। সেই কারণেই আপাতত ট্রেনটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কতদিন এই পরিষেবা বন্ধ থাকবে, সে বিষয়েও নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তবে এনএফআরের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম দেবেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে ফের ভিস্তা ডোম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে শীতের মরশুমে উত্তরবঙ্গ জুড়ে পর্যটকদের ঢল নামছে। পাহাড় ও ডুয়ার্স—দুই জায়গাতেই হোটেল, রিসর্ট ও হোম-স্টেগুলির বুকিং ভালোই রয়েছে। পর্যটন মহলের মতে, এই সময় ভিস্তা ডোমের বুকিং আকাশছোঁয়া হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে উল্টোটা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি পর্যটকেরা ডুয়ার্স থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন? পর্যটন ব্যবসায়ীদের দাবি, হোটেল বুকিং সেই ধারণাকে সমর্থন করছে না।
তাহলে ভিস্তা ডোমে আগ্রহ কমার কারণ কী? পর্যটন মহলের একাংশের মতে, পরিষেবার মান নিয়েই মূলত অসন্তোষ। ট্রেনে বিরতির সময় আদিবাসী লোকনৃত্য পরিবেশনের কথা ঘোষণা করা হলেও, এখনও পর্যন্ত বহু পর্যটকই সেই অভিজ্ঞতা পাননি। পাশাপাশি ভাড়ার বিষয়টিও বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। যেখানে কাঞ্চনকন্যার মতো ট্রেনে এসি কামরায় ১১০০-১২০০ টাকায় কলকাতা থেকে ডুয়ার্স পৌঁছনো যায়, সেখানে ভিস্তা ডোমে শুধু এনজেপি থেকে আলিপুরদুয়ার জংশন পর্যন্ত ভাড়া ৮৮০ টাকা। পর্যটকদের প্রশ্ন, তুলনায় বেশি টাকা দিয়ে প্রত্যাশিত পরিষেবা না পেলে কেনই বা এই ট্রেনে চড়বেন তাঁরা?
এই পরিস্থিতিতে ২০২১ সালে চালু হওয়া ভিস্তা ডোমের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের মনে আশঙ্কা, তবে কি এই ট্যুরিস্ট স্পেশাল ট্রেন পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে? যদিও সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন ডিআরএম দেবেন্দ্র সিং। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “ভিস্তা ডোম সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর অর্থ এই নয় যে ট্রেনটি পাকাপাকি ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।” তিনি আশাবাদী, আগামী সপ্তাহেই ফের ডুয়ার্সের রেলপথে ফিরবে পর্যটকদের প্রিয় এই কাঁচের ট্রেন।
সব মিলিয়ে, পরিষেবার মান, ভাড়া ও পরিকল্পনার ঘাটতি কাটিয়ে ভিস্তা ডোম আদৌ আগের আকর্ষণ ফিরে পায় কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে পর্যটন মহল ও ডুয়ার্স ভ্রমণপ্রেমীরা।
The post পর্যটনের ভরা মরশুমে বন্ধ ভিস্তা ডোম! বুকিং তলানিতে ঠেকায় সাময়িক বিরতি, কবে ফিরবে ডুয়ার্সের ‘কাঁচের ট্রেন’? appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পর্যটনের নবজাগরণে প্রাণ ফিরে পেল মানস জাতীয় উদ্যান appeared first on Bhramon Online.
]]>শীতের শুরুতেই ইউনেস্কো ঘোষিত এই বিশ্ব ঐতিহ্য স্থলটি আবার হয়ে উঠেছে প্রকৃতিপ্রেমীদের প্রিয় গন্তব্য। রাজ্যের বন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মরশুমে মানসে দর্শনার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। শুধুমাত্র দেশীয় পর্যটকই নয়, দেশের বাইরের ভ্রমণকারীরাও এখন এই অরণ্যের টানে ছুটে আসছেন। প্রকৃতির কোলে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা যেন নতুন করে জাগিয়েছে মানুষের মনে ভ্রমণপিপাসা।

মানস জাতীয় উদ্যান। ছবি Manas Tiger Reserve ‘X’ থেকে নেওয়া।
বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বছর বন্যপ্রাণীর দর্শনও আগের তুলনায় অনেক বেশি, যা সংরক্ষণমূলক প্রচেষ্টার এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। গন্ডার, হাতি, বাইসন, হরিণ, বুনো মহিষ, এমনকি বিরল প্রজাতির পাখিদের অবাধ বিচরণ এখন মানসের দৈনন্দিন দৃশ্য। এক দিকে নদীর ধারে গন্ডারের দল চরছে নিশ্চিন্তে, অন্য দিকে অরণ্যের পথে দেখা মিলছে হাতির পাল। বহু পর্যটক জানিয়েছেন, তাঁরা প্রথমবারের মতো এত কাছ থেকে বন্যপ্রাণীর জীবনযাত্রা প্রত্যক্ষ করেছেন। মানস যেন প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ পাঠশালা, যেখানে মানুষ শেখে সহাবস্থানের মানে।
মানসের বিশেষ আকর্ষণ জিপ সাফারি। ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাটির রাস্তা ধরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অরণ্যের গভীরে ছুটে চলা সেই যাত্রাই পর্যটকদের কাছে এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। কেউ কেউ একে বলেছেন “নগর জীবনের কোলাহল থেকে মুক্তির শান্ত আশ্রয়”। কেউ আবার বলেছেন, “এমন অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, প্রকৃতিকে দেখতে হলে এখানে আসতেই হবে।”
মানস জাতীয় উদ্যান কেবলমাত্র একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটি অসমের গর্ব, বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের সাফল্যের প্রতীক। একসময় এই অরণ্য ছিল শিকারি ও অবৈধ কাঠচোরের আশ্রয়স্থল। তার পর স্থানীয় সম্প্রদায় ও বন বিভাগের যৌথ প্রচেষ্টায় মানস ধীরে ধীরে ফিরে পেয়েছে তার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য। আজ এখানকার গন্ডারসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, হাতির দল আবারও নিয়মিত চলাচল শুরু করেছে, এবং পাখিরা ফিরে এসেছে তাদের প্রিয় আবাসে। বন কর্মকর্তারা বলছেন, “মানস আজ শুধু একটি উদ্যান নয়, এটি এক জীবন্ত সাফল্যের গল্প। স্থানীয় জনগণ এখন সংরক্ষণের অংশীদার। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এই পুনর্জাগরণ সম্ভব হত না।”\

মানসের অন্দরে। ছবি Manas Tiger Reserve ‘X’ থেকে নেওয়া।
আসলে সংরক্ষণ কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, এটি এক সামাজিক চেতনা — আর মানস সেই চেতনারই প্রতিফলন। অন্য দিকে পর্যটকরাও এখন মানসকে দেখছেন এক বিশেষ অনুভূতির জায়গা হিসেবে। শুধু প্রকৃতি নয়, এই সফরে অনেকেই খুঁজে পাচ্ছেন এক নীরব শ্রদ্ধার প্রতিচ্ছবি— প্রয়াত সংগীতশিল্পী ও পরিবেশপ্রেমী জুবিন গার্গের প্রতি। জুবিনদা-র হঠাৎ চলে যাওয়া এখনও ভক্তদের হৃদয়ে গভীর শোকের রেখা এঁকে দিয়েছে। তাঁর গানে যেমন প্রকৃতির ছোঁয়া ছিল, তেমনই তাঁর জীবনেও ছিল অরণ্যের প্রতি এক অনিঃশেষ ভালোবাসা। অনেক পর্যটকই জানিয়েছেন, তাঁরা মানসে এসে যেন জুবিন গার্গের উপস্থিতি অনুভব করেছেন—এই বন্যপ্রাণের রাজ্যে তিনি যেন এখনও জীবন্ত।
এক পর্যটক আবেগভরে বলেন, “আমরা এখানে এসেছি শান্তি খুঁজতে। জুবিনদা প্রকৃতিকে যতটা ভালোবাসতেন, মানসে এসে আমরা তা আরও গভীরভাবে বুঝেছি। হাতি, গন্ডার, আর দুটি ছোট্ট হাতিশাবককে খেলতে দেখে মনে হল প্রকৃতি নিজেই যেন আমাদের সান্ত্বনা দিচ্ছে। এই ভ্রমণ আমাদের কাছে শুধু আনন্দ নয়, এটি ছিল এক আত্মিক অভিজ্ঞতা।” এই আবেগঘন সংযোগই হয়তো মানসকে আলাদা করে রেখেছে অন্যান্য উদ্যানের থেকে। এখানে শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, আছে মানুষের মনের সান্ত্বনা, আছে শিল্প ও অনুভূতির মিলন। পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ বন দফতরের কাছেও এক আশাব্যঞ্জক বার্তা। তাঁরা বিশ্বাস করেন, এটি শুধু পর্যটনের নয়, সংরক্ষণেরও সাফল্য।

মানসে গন্ডার দর্শন। ছবি Manas Tiger Reserve ‘X’ থেকে নেওয়া।
মানস জাতীয় উদ্যানের পুনর্জাগরণে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা আজ উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে সারা দেশে। অনেক গ্রামবাসী আজ গাইড, সাফারি চালক বা সংরক্ষণকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। তাঁদের আয়ের উৎস যেমন বেড়েছে, তেমনি প্রকৃতি রক্ষার মানসিকতাও শক্তিশালী হয়েছে। স্থানীয় শিশুদের মধ্যে সংরক্ষণের শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাকৃতিক শিক্ষা শিবির। এর ফলে এক নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠছে যারা প্রকৃতিকে দেখছে বন্ধুর চোখে, শিকারের চোখে নয়।
মানসের এই সাফল্য শুধু একটি উদ্যানের গল্প নয়, এটি অসমের পুনর্জীবনের গল্প। প্রকৃতি, মানুষ ও প্রাণী—তিনের মধ্যে সহাবস্থানের যে সূক্ষ্ম সম্পর্ক, মানস তার সবচেয়ে সুন্দর প্রতিচ্ছবি। গন্ডারের পদচিহ্ন, হাতির হাঁটার পথ, নদীর ধারে বসে থাকা এক জোড়া পাখি—সব মিলিয়ে এই অরণ্য যেন জীবনেরই এক উপাখ্যান। দিনশেষে সূর্য যখন পাহাড়ের পেছনে হারিয়ে যায়, তখন মানসের নিস্তব্ধতা যেন বলে যায় একটাই কথা—প্রকৃতির সঙ্গে বন্ধুত্বই মানবতার পরম শিক্ষা। আর সেই শিক্ষাই আজ মানুষকে ফিরিয়ে আনছে মানসের বুকে, বারবার, নতুন করে।
আরও পড়ুন
ঝাড়খণ্ডের প্রথম ব্যাঘ্র সাফারি প্রকল্প চালু হতে চলেছে বেতলা জাতীয় উদ্যানের কাছেই
The post পর্যটনের নবজাগরণে প্রাণ ফিরে পেল মানস জাতীয় উদ্যান appeared first on Bhramon Online.
]]>The post তাজ তাল কুটিরে উপকূলের স্বাদ! কলকাতায় ‘গোয়া হাই-টি সোয়ারি’ ও ‘পন্ডিচেরি–অ্যা স্টোরি অন দ্য প্যালেট’ আয়োজন appeared first on Bhramon Online.
]]>এই উৎসব চলবে ২ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। অতিথিরা এখানে উপভোগ করতে পারবেন উপকূলের স্বাদ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অনন্য সংমিশ্রণ।

ইকো পার্ক লেকের নীরব সৌন্দর্যের মধ্যে আয়োজন করা হয়েছে গোয়া-প্রাণিত বিকেলের এই আড্ডা ও চা-পর্ব।
গোয়ার উষ্ণ প্রাণস্পর্শী আবহে, লেকের জলের ছলাৎ-ছলাৎ সুরে মিলবে রন্ধনশিল্পের এক নতুন রূপ।
এখানে অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন —
কাফরিয়েল চিকেন স্যান্ডউইচ, কাটলেট পাও, ভাজি পাও, রস অমলেট, মাশরুম পটেটো চপ, কাফরিয়েল গ্রিলড ব্রোকলি, গোয়া চিকেন পাই, রেচিয়াদো ভেটকি, নারকেল ক্যারামেল কাস্টার্ড এবং আরও নানা সুস্বাদু পদ।
তারিখ: ২ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত
সময়: বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে ৬টা পর্যন্ত
মূল্য: ₹১২৫০ (কর প্রযোজ্য)

এখানে অতিথিদের জন্য অপেক্ষা করছে পন্ডিচেরির উপনিবেশিক ইতিহাস ও রন্ধন ঐতিহ্যের মিলন।
ফরাসি রন্ধনশৈলীর সূক্ষ্মতা ও তামিল রান্নার দেশজ স্বাদে গড়ে উঠেছে এই আয়োজন।
মেনুর প্রতিটি পদ বলবে একেকটি গল্প — সংস্কৃতি, মানুষ ও উপকূলের সুবাসে গাঁথা ইতিহাসের গল্প।
অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন —
কেশর বাটারনাট স্কোয়াশ, কুঝি পনিয়ারম, কাটলেট কাভাপু, চিকেন ললিপপ আ লা ফ্রাঙ্কো, চিকেন কারি আ লা ক্রিওল, মাটন পেপার মাসালা, উপকূলীয় ফরাসি মাছের তরকারি, ক্রিওল কাঁকড়ার কারি, পন্ডিচেরি চিংড়ির কারি এবং আরও অনেক পদ।
তারিখ: ২ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত
সময়: দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত
মূল্য: মেনু অনুযায়ী (আ লা কার্ট)
তাজ তাল কুটিরের মহাব্যবস্থাপক সুমিত সিং দেওল বলেন, “তাজ তাল কুটিরে আমরা শুধু খাবার পরিবেশন করি না — আমরা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভারতীয়তার গল্প বলি। ‘গোয়া হাই-টি সন্ধ্যা’ ও ‘পন্ডিচেরি – রসনায় এক গল্প’-এর মাধ্যমে আমরা অতিথিদের সামনে দুই উপকূলের স্বাদ ও অনুভূতি তুলে ধরতে চাই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এই আয়োজন কেবল রন্ধন উৎসব নয়, এটি ভারতের উপকূলীয় ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও সৌন্দর্যের এক মেলবন্ধন।”
আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডের প্রথম ব্যাঘ্র সাফারি প্রকল্প চালু হতে চলেছে বেতলা জাতীয় উদ্যানের কাছেই
The post তাজ তাল কুটিরে উপকূলের স্বাদ! কলকাতায় ‘গোয়া হাই-টি সোয়ারি’ ও ‘পন্ডিচেরি–অ্যা স্টোরি অন দ্য প্যালেট’ আয়োজন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ঝাড়খণ্ডের প্রথম ব্যাঘ্র সাফারি প্রকল্প চালু হতে চলেছে বেতলা জাতীয় উদ্যানের কাছেই appeared first on Bhramon Online.
]]>প্রস্তাবিত ব্যাঘ্র সাফারি প্রকল্প নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন প্রস্তুত করা হয়। গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন রাঁচিতে তাঁর সরকারি বাসভবনে এই প্রেজেন্টেশন পর্যালোচনা করেন।

ছবি সৌজন্যে latehartourism.com।
প্রেজেন্টেশন পর্যালোচনায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনু। তিনি বলেন, “সাফারি প্রকল্পের জন্য যে জায়গাটি বাছা হয়েছে, তা বেতলা জাতীয় উদ্যানের একেবারে কাছেই। নেতারহাট এবং বেতলা থেকে কেচকি এবং মন্ডল ড্যাম পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের যে পরিবেশ-পর্যটন সার্কিট বিস্তৃত, সেখানেই ওই সাফারি প্রকল্পের জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছে।”
সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, প্রকল্পের জন্য জমি ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ সংক্রান্ত যে সব বিধিনিয়ম রয়েছে, সে সব মেনেই প্রকল্পের উন্নয়নের কাজ হবে। সাফারি চালু হলে পর্যটনে জোয়ার আসবে এবং পরিবেশ-বান্ধব অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষজনের জীবিকার বিকল্প পথ খুলে যাবে।
এই সাফারি প্রকল্প চালু হলে ভারতের বন্যপ্রাণ পর্যটন মানচিত্রে ঝাড়খণ্ড গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নেবে। পর্যটকরা প্রাকৃতিক পরিবেশে বাঘ-সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ পাবেন, যা ঝাড়খণ্ডে আগে কখনও পাওয়া যায়নি।
The post ঝাড়খণ্ডের প্রথম ব্যাঘ্র সাফারি প্রকল্প চালু হতে চলেছে বেতলা জাতীয় উদ্যানের কাছেই appeared first on Bhramon Online.
]]>The post বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৫: জানুন ইতিহাস, এ বারের থিম এবং গুরুত্ব appeared first on Bhramon Online.
]]>প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর পালিত হয় বিশ্ব পর্যটন দিবস (World Tourism Day)। ২০২৫ সালে দিনটি পড়েছে শনিবারে, যা একে করে তুলেছে ভ্রমণের আদর্শ সুযোগ — শহরের অজানা কোণ অন্বেষণ করা, পাহাড়ের কোলে হেঁটে যাওয়া, কিংবা স্থানীয় সম্প্রদায়ের সুস্থায়ী উদ্যোগে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ভ্রমণকে অর্থবহ করে তোলার এক দুর্দান্ত সময়।
এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ভ্রমণ শুধু স্মৃতি তৈরি করে না, এটি সমাজ, অর্থনীতি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের সূচনা হয় ১৯৮০ সালে, যখন জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (UNWTO) এই দিনটি পালন শুরু করে।
তখন থেকে এই দিনটি কেবল প্রতীকী নয়, বরং বিশ্বব্যাপী উৎসবে পরিণত হয়েছে — যেখানে ভ্রমণকে দেখা হয় সাংস্কৃতিক বিনিময়, সামাজিক সংযোগ এবং অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যম হিসেবে।
এই বছরের মূল বার্তা — ভ্রমণ হোক সচেতন, সুস্থায়ী এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উপকারী।
এই বার্তা পর্যটকদের বলে:
সুস্থায়ী পর্যটন আজ এক আন্দোলন — যা শেখায় কীভাবে আমরা পৃথিবী অন্বেষণ করতে পারি কোনও ক্ষত না রেখে।
পর্যটন আজ কেবল ভ্রমণ নয়, এটি পরিবর্তনের মাধ্যম:
সংস্কৃতির বিনিময়: বিভিন্ন ঐতিহ্য, উৎসব ও জীবনধারার সঙ্গে পরিচয় ঘটায়।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন: স্থানীয় কারিগর, গাইড, রেস্টুরেন্ট ও হোটেল মালিকদের আয় বাড়ায়।
পরিবেশ রক্ষা: বর্জ্য কমানো, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও কম কার্বন ভ্রমণকে উৎসাহিত করে।
নতুনত্ব: স্মার্ট ট্যুরিজম, ডিজিটাল টুলস ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভ্রমণের নতুন দিক উন্মোচন করে।
এই দিনে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটকরা একসঙ্গে প্রতিশ্রুতি নেয়— ভ্রমণ হবে অনুপ্রেরণার, দায়িত্বের ও ইতিবাচক প্রভাবের।
চলুন, এই সপ্তাহান্তে এমন এক সফরে বেরিয়ে পড়ি, যা শুধু চোখে নয়, মনেও ছাপ রাখে।
আরও পড়ুন: ভ্রমণ সংক্রান্ত বিভিন্ন লেখা পড়ুন এখানে
The post বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৫: জানুন ইতিহাস, এ বারের থিম এবং গুরুত্ব appeared first on Bhramon Online.
]]>