The post শারদীয় ঐতিহ্যে ৬০০ বছরের সাক্ষী, নদিয়ার শান্তিপুরের জজ পণ্ডিত বাড়ির একচালা দুর্গাপুজো appeared first on Bhramon Online.
]]>দেবীপুরাণ মতে একচালা ঠাকুরের মৃন্ময়ী রূপের পূজা হয় এখানে। একচালা প্রতিমায় লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশের অনুপস্থিতি এই পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সাড়ে চারশো বছরের গণ্ডি পেরিয়েছে অনেক আগে। কারও মতে, ইতিহাস আরও পুরনো—৬০০ বছরেরও বেশি। সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছে জমিদারির ঐশ্বর্য, কিন্তু প্রথা ও নিষ্ঠা আজও টিকে আছে নদিয়ার শান্তিপুরের তর্কবাগীশ লেনের জজ পণ্ডিত বাড়ির দুর্গাপুজোয়।
আদতে চৈতল মাহেশের বংশধর চট্টোপাধ্যায় পরিবার বিহারের গয়ার যদুয়াতে জমিদার ছিলেন। এই পরিবারের পীতাম্বর চট্টোপাধ্যায় ব্রিটিশ আমলে পান ‘তর্কবাগীশ’ উপাধি। প্রজাদের সমস্যা মেটানোর জন্য তাঁকে ‘জজ পণ্ডিত’ নামেও ডাকা হত। পরে পরিবারটি শান্তিপুরে চলে আসে এবং এখানেই শুরু হয় দুর্গার আরাধনা।
এখানে দেবী মহিষাসুরমর্দিনী রূপে একাই বিরাজ করেন। পরিবারের সদস্যরাই দেবীর পূজার্চনা করেন। বোধন হয় ঠাকুরবাড়ির কাছে পঞ্চবটি আসনে। মায়ের পাদদেশে রয়েছে পঞ্চমুণ্ডির আসন, সম্পূর্ণ মাটির তৈরি। পঞ্চবটি ও পঞ্চমুণ্ডির একত্র উপস্থিতি বাংলার পুজোয় বিরল দৃশ্য।

একসময় নবমীর দিনে ১০৮ মোষ ও ২৮ পাঁঠা বলি হত। এখন প্রতীকী কুমড়ো বলি হয়। দশমীতে মায়ের ভোগে থাকে পান্তা ভাত।
আগে নবমীতে নাটমন্দিরের মাঠে কর্দমাক্ত উৎসব ও ফানুস উড়ানোর আয়োজন ছিল। এখন তা নেই, তবে ডগরের বাজনায় সেই ঐতিহ্যের ঝলক এখনও পাওয়া যায়।
এই পুজোয় একসময় এসেছিলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের জামাতা ছিলেন কবি ভোলানাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (শোককাব্য ‘অশ্রু’ খ্যাত)। তাঁর প্রপৌত্র ড. শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভোলানাথের সঙ্গে বন্ধুত্বের সূত্রে বিভূতিভূষণ এসেছিলেন এই পুজোয়।
ড. সঞ্চারী চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এই বাড়িতে দুর্গাপুজো আসলে এক মিলন উৎসব। পরিবারের সবাই একত্রিত হন, আর প্রথা-রীতির মধ্য দিয়েই আজও দেবীর পুজো হয়।”
কী ভাবে যাবেন
ট্রেন – শিয়ালদহ থেকে শান্তিপুর লোকাল → শান্তিপুর স্টেশন → টোটো/রিকশা → ডাকঘর মোড়।
বাস – কলকাতা থেকে শান্তিপুর বাস → ডাকঘর স্টপেজ/বাইপাস → টোটো/রিকশা।
গাড়ি – এনএইচ-১২ হয়ে রানাঘাট হয়ে শান্তিপুর → ডাকঘর মোড়।
The post শারদীয় ঐতিহ্যে ৬০০ বছরের সাক্ষী, নদিয়ার শান্তিপুরের জজ পণ্ডিত বাড়ির একচালা দুর্গাপুজো appeared first on Bhramon Online.
]]>The post মধু মাসে নন্দগাঁও ও বারসানার হোলি উৎসব appeared first on Bhramon Online.
]]>আজ রঙে রঙে সেজেছে ব্রজধাম। দিগন্ত জুড়ে শুধুই বসন্তের রঙ। মথুরা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে নন্দগাঁও। এক ঐতিহাসিক জায়গা। সেখানে হরেক রঙের আবিরে মেতেছে ব্রজবাসী। ধর্মীয় উৎসব, কিন্তু সে যেন সকল মানুষের একতার বন্ধন। এখানকার জলবায়ু অত্যন্ত মনোরম।
নন্দগাঁও গ্রামে নন্দভবন এক তীর্থ। ভগবান কৃষ্ণের বেড়ে ওঠা এই গ্রামে। পিতা নন্দ মহারাজ কৃষ্ণকে নিয়ে এই পাহাড়ের ওপরে গ্রামে থাকতেন। পাহাড়ের নাম নন্দীশ্বর পাহাড়। আরও দুটি পাহাড় আছে। এদের মধ্যে একটি গিরি গোবর্ধন। মা যশোদার সঙ্গে কৃষ্ণের সকল লীলা এই নন্দগাঁওতে। গিরি গোবর্ধন মন্দির, রাধা মদন মোহন মন্দির, মনসা মন্দির, নরসিংহ মন্দির, যশোদা মাতার মন্দির এখানকার আকর্ষণীয় সব জায়গা।

তিনটি পাহাড়ের মধ্যে একটি পাহাড়ের মাথায় বারসানা গ্রাম। রাধা কৃষ্ণের মিলনস্থল। কথিত আছে যে, শ্রীকৃষ্ণ এখানেই রাধাকে রং মাখিয়ে দেন। এযে এক মিলন ভূমি। মথুরা ও বৃন্দাবনের থেকে এখানকার রঙ খেলা একটু অন্যরকম। হোলির এক সপ্তাহ আগে থেকেই এখানে উৎসবের সূচনা। লাঠি দিয়ে রঙ খেলা হয়। যার নাম লাঠমার হোলি। সারা ভারতে আর কোথাও এমন দৃশ্য দেখা যায় না। নন্দগাঁও ও বারসানা গ্রামে এই বিশেষ হোলির আলাদাই এক আকর্ষন আছে।
The post মধু মাসে নন্দগাঁও ও বারসানার হোলি উৎসব appeared first on Bhramon Online.
]]>The post বেলুড় রাসবাড়ির পঞ্চদোল উৎসব appeared first on Bhramon Online.
]]>
১৮৯০ সালে শিবকৃষ্ণ দাঁ রাসবাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন। রাসবাড়ি মূলত নবরত্ন মন্দির। ৪০ ফুট উঁচু। ভেতরে রাধারমণ জীউ বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত। নবরত্ন মন্দিরের দুপাশে রয়েছে দুটি নহবতখানা। এর সঙ্গেই আছে এক অপূর্ব রাসমঞ্চ। ছটি শিব মন্দির গঙ্গার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে। রাসবাড়ির পাশেই আছে এক চমৎকার ঘড়ি মিনার। ঘড়ির মধ্যে শ্রী শ্রী রাধারমণ জীউ এর নাম বসানো আছে। ঘড়ি মিনারটি ইউরোপীয় শৈলীতে নির্মিত।

এখানে সারা বছর রাস, দোল, জন্মাষ্টমী, ঝুলন উৎসব মহা ধুমধাম করে পালন করা হয়। তবে এর মধ্যে বিশেষ আকর্ষণীয় হলো দোল উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে রাসবাড়ি চত্বর সেজে ওঠে।
বেলুড় রাসবাড়ির বিশেষ আকর্ষণ পঞ্চদোল। যা এখানকার এক অন্যতম বৈচিত্র্য। ফাল্গুনী পূর্ণিমায় দোল উৎসবের ঠিক পরেই পঞ্চদোলের শুভ সূচনা হয়। এই দিনের গুরুত্ব কি জানেন?
পঞ্চদোল গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের অন্যতম প্রধান এক উৎসব। বলা হয়, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু এই দোলের সূচনা করেন। তাঁর পার্ষদ রামানন্দের সঙ্গে আলোচনা করে মনে করেছিলেন বিশেষ এই উৎসবটির প্রয়োজন আছে। বৃন্দাবনে রাধা কৃষ্ণ সখিদের নিয়ে এই দিনে লীলা করতেন।
বেলুড় রাসবাড়িতে পঞ্চদোল মহোৎসব পালিত হয়। রাধারমণ জীউ এর বিশেষ পুজো হয়। আরতি ও ভোগ নিবেদন করা হয়। রাসবাড়ি ঘিরে সকলে আনন্দে মেতে ওঠেন।
কিভাবে যাবেন:
হাওড়া থেকে ট্রেনে বেলুড় স্টেশন। সেখান থেকে টোটো নিয়ে চলে আসুন রাসবাড়ি। গঙ্গাবক্ষেও আসতে পারেন। লঞ্চে বেলুড় এসে, সেখান থেকে টোটোয় রাসবাড়ি আসতে পারেন।
The post বেলুড় রাসবাড়ির পঞ্চদোল উৎসব appeared first on Bhramon Online.
]]>The post হুগলির ত্রিবেণীতে ৭০২ বছর পর কুম্ভমেলা appeared first on Bhramon Online.
]]>ভাগবত পুরাণে বলা হয়েছে পুলস্ত্য মুনি হলেন একজন ঋষি। তিনি ব্রহ্মার দশ মানসপুত্রদের একজন। মহাভারতের বনপর্বে পুলস্ত্য মুনি ত্রিবেণীর পূণ্যতীর্থে কুম্ভমেলার কথা উল্লেখ করেছেন।
বাঁশবেড়িয়ায় অবস্থিত ত্রিবেণী মুক্তবেণী নামেও পরিচিত। ষোড়শ শতাব্দীর বৈষ্ণব সন্ন্যাসী শ্রীচৈতন্যদেব এসেছিলেন ত্রিবেণীতে। কুন্তী নদী, গঙ্গা ও সরস্বতী এই তিন নদীর সঙ্গম ত্রিবেণী।
৭০২ বছর পর হুগলির ত্রিবেণীতে শুরু হলো কুম্ভমেলা। ১৩ তারিখ ছিল শাহী স্নান। মনসামঙ্গল ও চণ্ডীমঙ্গল থেকে জানা যায় অতীতে ত্রিবেণী ছিল এক তীর্থস্থান। বহু মন্দির এখানে গড়ে ওঠে। ত্রিবেণী ঘাটের কিনারে আজ কিছু মন্দির টিকে আছে। এখানে এক সময় বহু টোল ছিল। জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন, রঘুদেব বাচস্পতি, রুদ্রদেব ছিলেন বিখ্যাত সব পণ্ডিত। উড়িষ্যার রাজা মুকুন্দদেব এখানে বহু মন্দির ও ঘাট নির্মাণ করে দেন। চতুর্দশ শতাব্দীর গোড়াতে এই ধর্মতীর্থে মুসলমান অভিযান হয়েছিল।
ত্রিবেণী সপ্তর্ষি ঘাটে বহু সাধু ও পুণ্যার্থীদের ভিড় হয় ক্ষুদ্র কুম্ভে। নির্ঘণ্ট মেনে দুপুরে শাহি স্নান শুরু হয়। দুপুর থেকে শুরু হয়েছিল প্রচুর লোকের সমাগম। হাজার হাজার মানুষের ভিড় চোখে পড়েছিল। তবে নির্বিঘ্নে স্নান হয়। স্নানের পর ঘাটে পুজো ও যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। সাধুদের আশীর্বাদ ভক্তরা নেন। বিভিন্ন নাগা সাধুদের আগমন কুম্ভমেলায় ঘটেছিল। পুণ্যার্থীরা খুবই খুশি ছিলেন সকল রকম পরিষেবা পেয়ে। মেলা চত্বর কার্যত কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধু ও ভক্তরা আসেন।
The post হুগলির ত্রিবেণীতে ৭০২ বছর পর কুম্ভমেলা appeared first on Bhramon Online.
]]>The post অচেনা কলকাতা, পর্ব ২ appeared first on Bhramon Online.
]]>চিৎপুরের যাত্রাপাড়া:
কলকাতা জন্মের আগে চিৎপুর রোড। সাহেবরা জানতেন এই রাস্তা ছিল তীর্থ ভ্রমণের পথ। সেকালের মানুষ এই পথ ধরে চিত্তেশ্বরী মন্দির হয়ে কালীঘাট দর্শনে যেতেন। শোনা যায় শোভাবাজার রাজবাড়ির হাত ধরে কলকাতায় যাত্রাপালার সূচনা। এরপর শহরে যাত্রার ইতিহাস প্রায় তিনশো বছরের।
চিৎপুর রোডের দুপাশে আজও অপেক্ষায় থাকে অপেরা হাউজের মালিকেরা। কখন আসবে বায়না নিতে। অফিসের মাথায় বাঁধানো বোর্ড। যেখানে জ্বল জ্বল করছে নাম। চারপাশে একাধিক পালার ছবি। একটার পর একটা এগোলে ম্যাজিক। দেওয়ালে পরপর সাজানো পুরনো বোর্ড। তাতে কত রকম নতুন পুরনো পালার ছবি। যাত্রাপাড়ার অমূল্য রতন!
রথের দিন বিভিন্ন অপেরা হাউজ নতুন পালার নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষনা করেন। ওইদিন যাত্রার বায়না হয়। শোনা যায়, গৌড়বঙ্গের চৈতন্য মহাপ্রভু ষোড়শ শতাব্দীতে রুক্মিণী চরিত্রে পালায় অভিনয় করেছিলেন। নাট্যাচার্য শিশির কুমার ভাদুড়ি বলতেন, আমাদের জাতীয় নাট্য বলিয়া যদি কিছু থাকে তাহাই যাত্রা।
উচ্চ শব্দ ও চড়া আলোর ব্যবহার যখন মঞ্চে ব্যবহার হয়, দর্শকদের মধ্যে আলোড়ন ফেলে দেয়। হাততালির জোয়ার আসে। মঞ্চে নাটকীয় উপস্থাপনায় ও যাত্রার গানে মানুষের ঘোর লাগে। গ্রামে গঞ্জে উপচে পড়ে ঠাসাঠাসি ভিড়। মুখ দেখে যাত্রার মালিকেরা।
উত্তর কলকাতার বাগবাজারে এই বছর শুরু হলো এক মাস ব্যাপী যাত্রা উৎসব। একবার যাত্রা মঞ্চে ঘুরে আসুন। যাত্রাপালা দেখে নস্টালজিক হয়ে পড়বেন। বাগবাজারের ফনিভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চে যাত্রা উৎসব চলবে। ৬ মার্চ ‘আমি তালপাতার সেপাই’ পালা দিয়ে শেষ হবে যাত্রা উৎসব।
(চলবে)
The post অচেনা কলকাতা, পর্ব ২ appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ব্রজের হোলি এ বছর ৪০ দিন আগে থেকে শুরু, নেমেছে ভক্তদের ঢল appeared first on Bhramon Online.
]]>লাঠমার হোলি, ফুলের হোলি, বাঁকে বিহারী মন্দিরে বিধবাদের হোলি আনন্দের সাথে এখানে উদযাপিত হয়। মথুরা কৃষ্ণের জন্মস্থান। তিনি হোলি খেলা এখানে শুরু করেছিলেন। স্বয়ং কৃষ্ণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পৌরাণিক কিংবদন্তি। মানুষের বিশ্বাস ভগবান এখানে ভক্তদের সঙ্গে হোলি খেলেন।
কখন যাবেন :
হোলি ও দোলযাত্রা উপলক্ষ্যে মথুরায় সাজো সাজো পরিবেশ গড়ে ওঠে। বেশ কিছুদিন আগে থাকতেই পৌঁছে যান। দ্বারকাধীশ মন্দির, রাধারানী মন্দির, মদনমোহন মন্দির, যমুনা ঘাট, মথুরার অলিতে গলিতে বহু মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। হোলির আগে থেকেই এখানে বহু আচার-অনুষ্ঠান নিষ্ঠা সহকারে পালন করা হয়। এই ধরনের অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ হলে সেটি খুবই সৌভাগ্যের।
কিভাবে যাবেন :
কলকাতা থেকে ট্রেনে মথুরা স্টেশন পৌঁছে যান। সেখান থেকে অটোরিকশা করে দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখুন।
The post ব্রজের হোলি এ বছর ৪০ দিন আগে থেকে শুরু, নেমেছে ভক্তদের ঢল appeared first on Bhramon Online.
]]>The post পুরুলিয়ার পাবড়া পাহাড় পর্যটন উৎসব appeared first on Bhramon Online.
]]>পুরুলিয়া জেলা পর্যটন সমৃদ্ধ। পুরুলিয়ার পাবড়া পাহাড়ের নিচে সুভাষ মিলন মেলায় শুরু হল ‘পাবড়া পাহাড় পর্যটন উৎসব’। রঘুনাথপুর ২ ব্লককে পর্যটনে আনবার ভাবনা শুরু হয়েছে সরকারি স্তরে। তিনদিনের এই পর্যটন উৎসবের মধ্যে দিয়ে সেই পরিকল্পনা শুরু হলো। পাবড়া পাহাড়টি রঘুনাথপুর ২ ব্লকের মধ্যে। দেশের বহু জায়গা থেকে পর্যটক এখানে ঘুরতে আসেন। মনোরম এই জায়গাটির কাছাকাছি রঘুনাথপুর ১ ব্লকে ঐতিহাসিক জয়চন্ডী পাহাড়। ঘুরতে এলে এটি দেখে নেওয়া যেতে পারে।
উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকা থেকে আদিবাসী জনজাতিরা শামিল হন। ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত উৎসব চলে। ঐতিহ্যবাহী আদিবাসী নৃত্য দ্বারা উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ছৌ-নৃত্য, নৃত্যানুষ্ঠান, ঝুমুর, বাউল গান ছিল অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ।
পাবড়া পাহাড় কিভাবে যাবেন :
হাওড়া থেকে ট্রেনে চলে আসুন প্রথমে আদ্রা জংশন। সেখান থেকে টোটো গাড়ি বুক করে নিশ্চিন্তে ঘুরে নিন পাবড়া। থাকার জন্য রঘুনাথপুরে আছে একাধিক ভালো হোটেল।
The post পুরুলিয়ার পাবড়া পাহাড় পর্যটন উৎসব appeared first on Bhramon Online.
]]>The post মাটির কুমির জীবন্ত হয়ে যায় প্রতীকী হত্যা না করলে appeared first on Bhramon Online.
]]>অনেকে এই পুজোকে বাস্তু পুজো বলেন। বিশ্বাস যে পুজো দিলে বাস্তু দোষ কাটবে। আজকাল এই পুজো একরকম প্রায় বিলুপ্তির পথে।
দুই তিন দিন আগে থেকে মাটি দিয়ে একটি কুমির বানানো হয়। এরপর কুমিরটিকে সাজানো হয়। শেষে তাকে পুজো দিয়ে গলা কাটতে হয়। নাহলে লোকায়ত বিশ্বাস কুমিরটি জীবন্ত হয়ে গ্রামবাসীকে আক্রমণ করবে।
পুজো উপলক্ষে গ্রামের সকল মানুষকে খাওয়ানো হয়। গ্রামের মানুষ নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো পালন করেন। গ্রামবাসী একসঙ্গে মিলিত হয়ে নানারকম অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন।
সুন্দরবন ও নদীয়া জেলার বেশ কিছু অঞ্চলে কুমির পুজোর প্রচলন আছে। কুমিরের হাত থেকে রক্ষার জন্য সুন্দরবনে কালুরায়ের পুজো হয়। গ্রাম বাংলায় কুমির পুজোর রীতি এক আলাদাই অভিনবত্ব স্থাপন করে।
The post মাটির কুমির জীবন্ত হয়ে যায় প্রতীকী হত্যা না করলে appeared first on Bhramon Online.
]]>The post ১৬৩তম জন্মজয়ন্তীতে স্বামীজির বাসভবনে অনুষ্ঠানের আয়োজন appeared first on Bhramon Online.
]]>রামকৃষ্ণ মিশন স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক আবাস ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল স্বামীজির জীবন বিষয়ক বক্তব্য, ধর্মসভা, ভক্তিগীতি, ভজন, সেতার বাদন, ডকুমেন্টারি ফিল্ম প্রদর্শন ও চিত্র প্রদর্শনী।
১৬ই জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার ছিল সেতার ও তবলা যুগলবন্দী। সেতারে ছিলেন পন্ডিত রবীন্দ্র নারায়ণ গোস্বামী। তবলায় ছিলেন শ্রী সংগ্রাম রায়।

স্বামীজি নিজে বিশ্বাস করতেন সন্ন্যাসী মানে শুধু ভক্তিভাব নয়। ভারতে রজোগুণের অভাব। ডমরু শিঙা বাজাতে হবে। তিনি পরাধীন দেশে স্বাধীনতার বীজ বপন করেন। নিজের ধ্রুপদ সংগীতে অসম্ভব জ্ঞান ছিল। আহম্মদ খাঁর নিকট এসরাজ ও সেতারের তালিম নেন।
১৬ই জানুয়ারি যুগলবন্দী শুরু হয় সন্ধ্যা ৬.৩৫ মিনিটে। শেষ হয়েছিল আটটায়। সুরে সুরে ভরে ওঠে স্বামীজির পৈতৃক আবাসের ঠাকুরদালান। এই দালানেই যুগলবন্দী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছিল। ঐতিহ্য ও প্রথা মেনে এই মিউজিক অনুষ্ঠান দর্শকদের মধ্যে প্রাণসঞ্চার করে।
The post ১৬৩তম জন্মজয়ন্তীতে স্বামীজির বাসভবনে অনুষ্ঠানের আয়োজন appeared first on Bhramon Online.
]]>The post সপ্তগ্রামে রঘুনাথ দাসের জন্মভিটেতে ৫১৮ বছরের পুরনো মাছের মেলা appeared first on Bhramon Online.
]]>গ্রামীণ জনপদ ঘিরে আছে বহু লোককথা। কনৌজের রাজা প্রিয়বন্তের সাত সন্তান এখানে আসার পর সরস্বতী নদীর তীরে একটি করে গ্রামে তাঁরা বাস করতেন। তাই নাম সপ্তগ্রাম। বাংলার অন্যতম প্রাচীন বন্দর। দেশ-বিদেশ থেকে বণিকেরা বাণিজ্য তরী নিয়ে সাতগাঁও বন্দরে ভিড়তেন।
সপ্তগ্রামের কৃষ্ণপুর গ্রামে আছে শ্রী রঘুনাথ দাসের জন্মভিটে। তিনি ছিলেন চৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম এক পার্ষদ। নিত্যানন্দ প্রভুর কাছে দীক্ষা নেন।
নিত্যানন্দ ও মহাপ্রভুর টানে রঘুনাথ দাস ঘর ছেড়েছিলেন। একদিন ফিরে এসে গ্রামের সকল মানুষকে পেট ভরে ইলিশ মাছ ও আমের চাটনি রেঁধে খাওয়ান। বসতভিটার সামনে সরস্বতী নদী থেকে জাল ফেলে ইলিশ মাছ ধরেছিলেন। সেই পুরনো রীতি থেকে মাছের মেলা শুরু। যা আজো চলে আসছে।

মাছের মেলাকে বলা হয় উত্তরায়ন মেলা। রঘুনাথ দাস গোস্বামীর স্মরণে মেলাটি হয়। দূর দূরান্ত থেকে বহু মানুষ মাছের মেলায় আসেন। রুই, কাতলা, ইলিশ, ভেটকি, চিংড়ি, কাঁকড়া থেকে বিশাল সাইজের মাছ বিক্রি হয়।
রঘুনাথ দাসের শ্রীপাটের সামনে আছে এক বিশাল আম বাগান। সেই বাগানে বসে এই মেলা। সকাল থেকেই কেনা বেচা চলে। পয়লা মাঘ হয় মেলাটি। আজো একই রকম শ্রদ্ধার সঙ্গে এই মেলা আয়োজিত হয়ে চলেছে।
The post সপ্তগ্রামে রঘুনাথ দাসের জন্মভিটেতে ৫১৮ বছরের পুরনো মাছের মেলা appeared first on Bhramon Online.
]]>